স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবি সোনার দাম বৃদ্ধির প্রভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে সোনা ও রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
বাজুস জানায়, সংশ্লিষ্ট কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নতুন এই মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট থেকে এই মূল্য কার্যকর হয়েছে।
নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট হলমার্ক করা সোনার প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৬ টাকা। আগে এই ক্যাটাগরির সোনার দাম এর চেয়ে কম ছিল।
এ ছাড়া ২১ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার ১০ টাকা করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেট সোনার ভরি দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৯ হাজার ৬৫৫ টাকা। সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি ভরি এখন থেকে ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৯৫ টাকায় বিক্রি হবে।
নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি গ্রাম ২২ ক্যারেট সোনার দাম ২১ হাজার ৯১৫ টাকা। ২১ ক্যারেট সোনার প্রতি গ্রাম ২০ হাজার ৯২০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট সোনার প্রতি গ্রাম ১৭ হাজার ৯৩০ টাকা। সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি গ্রামের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ হাজার ৭৩৫ টাকা।
সোনার পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। নতুন দরে ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি গ্রামের দাম ৫৯০ টাকা। ২১ ক্যারেট রুপার প্রতি গ্রাম ৫৬০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট রুপার প্রতি গ্রাম ৪৮০ টাকা। সনাতন পদ্ধতির রুপার প্রতি গ্রাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৬০ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই মূল্য কার্যকর থাকবে। এ ক্ষেত্রে সবাইকে নতুন নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সোনা ও রুপা বিক্রির ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ক্রেতাদের কাছ থেকে আদায় করতে হবে। এই টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।

দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবি সোনার দাম বৃদ্ধির প্রভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে সোনা ও রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
বাজুস জানায়, সংশ্লিষ্ট কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নতুন এই মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট থেকে এই মূল্য কার্যকর হয়েছে।
নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট হলমার্ক করা সোনার প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৬ টাকা। আগে এই ক্যাটাগরির সোনার দাম এর চেয়ে কম ছিল।
এ ছাড়া ২১ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার ১০ টাকা করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেট সোনার ভরি দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৯ হাজার ৬৫৫ টাকা। সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি ভরি এখন থেকে ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৯৫ টাকায় বিক্রি হবে।
নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি গ্রাম ২২ ক্যারেট সোনার দাম ২১ হাজার ৯১৫ টাকা। ২১ ক্যারেট সোনার প্রতি গ্রাম ২০ হাজার ৯২০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট সোনার প্রতি গ্রাম ১৭ হাজার ৯৩০ টাকা। সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি গ্রামের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ হাজার ৭৩৫ টাকা।
সোনার পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। নতুন দরে ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি গ্রামের দাম ৫৯০ টাকা। ২১ ক্যারেট রুপার প্রতি গ্রাম ৫৬০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট রুপার প্রতি গ্রাম ৪৮০ টাকা। সনাতন পদ্ধতির রুপার প্রতি গ্রাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৬০ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই মূল্য কার্যকর থাকবে। এ ক্ষেত্রে সবাইকে নতুন নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সোনা ও রুপা বিক্রির ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ক্রেতাদের কাছ থেকে আদায় করতে হবে। এই টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।

করের বোঝা চাপিয়ে দিলে জনগণ তাৎক্ষণিক বাজেট প্রত্যাখ্যান করবে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির আব্দুস সবুর ফকির।
১০ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদে আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপনের এক দিন আগেই প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের বিভিন্ন তথ্য ফাঁস হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে বাজেটের সম্ভাব্য আকার, কর ও শুল্কের হারসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো প্রকাশ্যে চলে আসে।
১২ মিনিট আগে
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো (পে-স্কেল) কার্যকর হবে ১ জুলাই থেকে। এরপর ধাপে ধাপে এটি বাস্তবায়ন করা হবে। বিএনপি সরকারের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে এসব প্রস্তাব রয়েছে।
২৭ মিনিট আগে
বাজেটের আকার বৃদ্ধির চেয়ে সরকারি অর্থের অপচয় রোধ ও সুশাসন নিশ্চিত করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি বলেন, খুব বড় বাজেট দিয়ে আবার যদি কোনো কারণে ২০-৩০ শতাংশ লোপাট হয়ে যায়, তাহলে তো কোনো লাভ নেই।
১ ঘণ্টা আগে