স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বরের ফুটপাতে বেচাবিক্রি আশঙ্কাজনক হারে কমেছে। ক্রেতা সংকট ও বৃষ্টির কারণে চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। দীর্ঘ সময়ের মধ্যে এবারই সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন তাঁরা।
সোমবার (২৫ মে) সরেজমিনে মিরপুর-১০ এলাকায় এই চিত্র দেখা গেছে।
ফুটপাতের প্যান্ট বিক্রেতা আসলাম জমাদ্দার জানান, আগের তুলনায় এবার প্রায় ৫০ শতাংশ বিক্রি কমে গেছে। এবারের বেচাবিক্রি মোটেও আশানুরূপ নয়। একই স্থানে প্যান্ট বিক্রি করেন মোহাম্মদ রফিক।
তিনি তাঁর দীর্ঘ ব্যবসায়িক জীবনের হতাশা তুলে ধরে বলেন, 'গত দশ বছরেও এত খারাপ বিক্রি হয়নি। ডালভাত খাইতেও পারব না বলে মনে হচ্ছে।'
পোশাকের পাশাপাশি জুতার বাজারেও একই রকম মন্দাভাব দেখা গেছে। জুতা বিক্রেতা মোহাম্মদ রাতুল এবারের বিক্রি নিয়ে অত্যন্ত হতাশা প্রকাশ করেছেন। আরেক জুতা বিক্রেতা মোহাম্মদ সামির বলেন, বৃষ্টির কারণে বেচাবিক্রি প্রায় বন্ধের মুখে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, রোজার ঈদের তুলনায় এই ঈদে এমনিতেই কেনাকাটা কম হয়, তবে এবার বিক্রির পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়েও অনেক কম।
মিরপুর-১০ নম্বরে পাঞ্জাবি বিক্রি করেন হোসেন পান্না। তিনি জানান, 'এই সময়ে আগে আমরা প্রতিদিন গড়ে ২০ হাজার টাকা বিক্রি করতাম। এবার তা কমে ১০ থেকে ১২ হাজারে নেমে এসেছে। বৃষ্টির কারণে আজ বিক্রি আরও কম।'
সব মিলিয়ে মিরপুর-১০ এর ফুটপাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য এবারের ঈদুল আজহার বাজার মোটেও অনুকূলে নেই। লোকসান আর আশানুরূপ বিক্রি না হওয়ায় তাঁদের দিন কাটছে চরম দুশ্চিন্তায়।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বরের ফুটপাতে বেচাবিক্রি আশঙ্কাজনক হারে কমেছে। ক্রেতা সংকট ও বৃষ্টির কারণে চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। দীর্ঘ সময়ের মধ্যে এবারই সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন তাঁরা।
সোমবার (২৫ মে) সরেজমিনে মিরপুর-১০ এলাকায় এই চিত্র দেখা গেছে।
ফুটপাতের প্যান্ট বিক্রেতা আসলাম জমাদ্দার জানান, আগের তুলনায় এবার প্রায় ৫০ শতাংশ বিক্রি কমে গেছে। এবারের বেচাবিক্রি মোটেও আশানুরূপ নয়। একই স্থানে প্যান্ট বিক্রি করেন মোহাম্মদ রফিক।
তিনি তাঁর দীর্ঘ ব্যবসায়িক জীবনের হতাশা তুলে ধরে বলেন, 'গত দশ বছরেও এত খারাপ বিক্রি হয়নি। ডালভাত খাইতেও পারব না বলে মনে হচ্ছে।'
পোশাকের পাশাপাশি জুতার বাজারেও একই রকম মন্দাভাব দেখা গেছে। জুতা বিক্রেতা মোহাম্মদ রাতুল এবারের বিক্রি নিয়ে অত্যন্ত হতাশা প্রকাশ করেছেন। আরেক জুতা বিক্রেতা মোহাম্মদ সামির বলেন, বৃষ্টির কারণে বেচাবিক্রি প্রায় বন্ধের মুখে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, রোজার ঈদের তুলনায় এই ঈদে এমনিতেই কেনাকাটা কম হয়, তবে এবার বিক্রির পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়েও অনেক কম।
মিরপুর-১০ নম্বরে পাঞ্জাবি বিক্রি করেন হোসেন পান্না। তিনি জানান, 'এই সময়ে আগে আমরা প্রতিদিন গড়ে ২০ হাজার টাকা বিক্রি করতাম। এবার তা কমে ১০ থেকে ১২ হাজারে নেমে এসেছে। বৃষ্টির কারণে আজ বিক্রি আরও কম।'
সব মিলিয়ে মিরপুর-১০ এর ফুটপাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য এবারের ঈদুল আজহার বাজার মোটেও অনুকূলে নেই। লোকসান আর আশানুরূপ বিক্রি না হওয়ায় তাঁদের দিন কাটছে চরম দুশ্চিন্তায়।

প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগির জন্য ঢাকা ছাড়ছে মানুষ। আগেভাগে ছুটি শুরু হওয়ায় বাস টার্মিনালে এবার যাত্রী কম। তবে পরিবহন কর্মীদের বিরুদ্ধে গলা কাটা ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।
২৬ মিনিট আগে
অস্থায়ী ১০ ও একটি স্থায়ী হাটের আটটিই পেয়েছেন দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। বাকি তিনটির ইজারা ব্যবসায়ীদের নামে থাকলেও, নেপথ্যে থেকে নিয়ন্ত্রণ করছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারাই।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। তবে অনলাইনে টিকিট সংগ্রহে ভোগান্তি, আসন সংকট এবং কালোবাজারির অভিযোগ তুলেছেন অনেক যাত্রী। যদিও কেউ কেউ নির্বিঘ্ন যাত্রার কথাও জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মিরপুরের কালশি বস্তিতে ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিট কাজ করছে। তবে পানির তীব্র সংকটে আগুন নেভাতে চরম বেগ পেতে হচ্ছে কর্মীদের।
২ ঘণ্টা আগে