স্ট্রিম ডেস্ক

একসঙ্গে থাকতে থাকতে অনেক দম্পতির জীবনেই একটা সময় আসে, যখন দুজনের মধ্যে আগের মতো ঘনিষ্ঠতা থাকে না। ভালোবাসা হয়তো আছে, কিন্তু কথা বলার সময় কমে যায়। কারও অফিস শেষ হতে রাত হয়ে যায়, কেউ আবার সারাদিন ঘরের কাজ সামলে ক্লান্ত। এর সঙ্গে যোগ হয় অভিমান, মানসিক চাপ কিংবা সম্পর্কের ছোট ছোট দূরত্ব। একসময় দেখা যায়, দুজন মানুষ যেন আলাদা জগতে আছেন।
এই অবস্থা থেকেই এখন আলোচনায় এসেছে ‘৭২ ঘণ্টার সূত্র’ বা ‘সেভেনটিটু আওয়ার রুল’। শুনে মনে হতে পারে, সম্পর্কের জন্য আবার নিয়ম করতে হবে নাকি! কিন্তু ধারণাটা খুব সহজ। প্রতি তিন দিনে অন্তত একবার সঙ্গীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করা। সেটি যৌন সম্পর্ক হতেই হবে, এমন নয়। পাশাপাশি বসে গল্প করা কিংবা কিছুক্ষণ শুধু দুজনের মতো করে সময় কাটানোও হতে পারে।
মূল কথা একটাই, ব্যস্ততার মধ্যে সম্পর্কটাকে যেন হারিয়ে যেতে না দেওয়া হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অবশ্য এই নিয়ম নিয়ে মতভেদ আছে। কেউ বলছেন, ভালোবাসার জন্য আবার নিয়ম-কানুন কেন? আবার কেউ মনে করছেন, নিয়মটা খারাপ নয়। কারণ বাস্তব জীবনে ভালোবাসা থাকলেও সময়ের অভাবে অনেক সম্পর্কেই ঘনিষ্ঠতা কমে যায়।
আসলে এই রুলসটি নতুন নয়। ২০২৪ সালের দ্য নটের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র ২ শতাংশ দম্পতি যৌন সম্পর্কের জন্য আগে থেকেই সময় ঠিক করে রাখেন। একই গবেষণায় ২৪ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, তারা নিজেদের যৌনজীবন নিয়ে সন্তুষ্ট নন।
অর্থাৎ অনেক সময় সমস্যা ভালোবাসা কমে যাওয়ার কারণে হয় না। সমস্যা হয় সময়ের অভাবে।
ধরুন, একজন সকাল থেকে অফিস করছেন। অন্যজন হয়তো সন্তান ও সংসার সামলাচ্ছেন। দুজনেরই দিন শেষ হচ্ছে ক্লান্তিতে। রাতে দেখা হলো, কিন্তু কথা বলার শক্তি নেই। মোবাইল দেখতে দেখতে ঘুমিয়ে পড়লেন দুজনেই।
একসময় হয়তো দুজনের কেউ একজন ভাবেন, ‘আমরা শেষ কবে নিজেদের মতো করে সময় কাটিয়েছি?’ এমন পরিস্থিতিতে ’৭২ ঘণ্টার’ রুলসটি অন্তত প্রশ্নটা মনে করিয়ে দিতে পারে।
থেরাপিস্ট লেই নোরেনের মতে, আমরা অনেক সময় ভাবি, ভালোবাসা থাকলে সম্পর্ক এমনিতেই ভালো থাকবে। কিন্তু বাস্তব জীবন সিনেমার মতো নয়। সম্পর্ক ভালো রাখতে যত্ন নিতে হয়, সময় দিতে হয়।
এখানেই ‘৭২ ঘণ্টার সূত্র’ নিয়ে একটা প্রশ্ন আসে। এই নিয়ম মানলেই কি সম্পর্ক ভালো হয়ে যাবে? উত্তরটা হলো, না।
কারও সমস্যা অতিরিক্ত কাজের চাপ। কারও সম্পর্কের মধ্যে জমে আছে অভিমান। কারও ক্ষেত্রে সংসারের দায়িত্ব দুজনের মধ্যে সমানভাবে ভাগ হয় না। আবার কেউ হয়তো সঙ্গীর কাছ থেকে মানসিকভাবে দূরে সরে গেছেন।
এমন অবস্থায় সমস্যার সমাধান হবে না। কারণ তখন সমস্যাটা ঘনিষ্ঠতার অভাবে নয়, সম্পর্কের অন্য কোথাও। বরং উল্টো চাপ তৈরি হতে পারে। সম্পর্কের ক্ষেত্রে এমন চাপ কখনোই ভালো ফল দেয় না। ঘনিষ্ঠতা দুজনের স্বাভাবিক ইচ্ছা ও সম্মতির জায়গা থেকে আসাই গুরুত্বপূর্ণ।
সম্পর্কবিষয়ক কোচ মারিয়ান মার্টিনেজ মনে করেন, ‘৭২ ঘণ্টার সূত্র’ সবার জন্য একভাবে কাজ করবে, এমন কোনো কথা নেই। এই নিয়মের আসল বিষয় হলো, সম্পর্কের জন্য সময় রাখা।
কারণ সংসারের ব্যস্ততায় দুজন মানুষ পাশাপাশি থাকতে থাকতে কখন যে দূরে সরে যান, তা অনেক সময় নিজেরাও বুঝতে পারেন না। দিনের পর দিন কথা হয় সন্তান নিয়ে, বাজার নিয়ে, অফিস নিয়ে, বিল নিয়ে। কিন্তু দুজনের নিজেদের কথা আর হয় না। সেখানেই ৭২ ঘণ্টার নিয়ম একটা ছোট্ট মনে করিয়ে দেওয়া হতে পারে, ‘আমরা শেষ কবে একে অন্যের জন্য সময় রেখেছিলাম?’

একসঙ্গে থাকতে থাকতে অনেক দম্পতির জীবনেই একটা সময় আসে, যখন দুজনের মধ্যে আগের মতো ঘনিষ্ঠতা থাকে না। ভালোবাসা হয়তো আছে, কিন্তু কথা বলার সময় কমে যায়। কারও অফিস শেষ হতে রাত হয়ে যায়, কেউ আবার সারাদিন ঘরের কাজ সামলে ক্লান্ত। এর সঙ্গে যোগ হয় অভিমান, মানসিক চাপ কিংবা সম্পর্কের ছোট ছোট দূরত্ব। একসময় দেখা যায়, দুজন মানুষ যেন আলাদা জগতে আছেন।
এই অবস্থা থেকেই এখন আলোচনায় এসেছে ‘৭২ ঘণ্টার সূত্র’ বা ‘সেভেনটিটু আওয়ার রুল’। শুনে মনে হতে পারে, সম্পর্কের জন্য আবার নিয়ম করতে হবে নাকি! কিন্তু ধারণাটা খুব সহজ। প্রতি তিন দিনে অন্তত একবার সঙ্গীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করা। সেটি যৌন সম্পর্ক হতেই হবে, এমন নয়। পাশাপাশি বসে গল্প করা কিংবা কিছুক্ষণ শুধু দুজনের মতো করে সময় কাটানোও হতে পারে।
মূল কথা একটাই, ব্যস্ততার মধ্যে সম্পর্কটাকে যেন হারিয়ে যেতে না দেওয়া হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অবশ্য এই নিয়ম নিয়ে মতভেদ আছে। কেউ বলছেন, ভালোবাসার জন্য আবার নিয়ম-কানুন কেন? আবার কেউ মনে করছেন, নিয়মটা খারাপ নয়। কারণ বাস্তব জীবনে ভালোবাসা থাকলেও সময়ের অভাবে অনেক সম্পর্কেই ঘনিষ্ঠতা কমে যায়।
আসলে এই রুলসটি নতুন নয়। ২০২৪ সালের দ্য নটের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র ২ শতাংশ দম্পতি যৌন সম্পর্কের জন্য আগে থেকেই সময় ঠিক করে রাখেন। একই গবেষণায় ২৪ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, তারা নিজেদের যৌনজীবন নিয়ে সন্তুষ্ট নন।
অর্থাৎ অনেক সময় সমস্যা ভালোবাসা কমে যাওয়ার কারণে হয় না। সমস্যা হয় সময়ের অভাবে।
ধরুন, একজন সকাল থেকে অফিস করছেন। অন্যজন হয়তো সন্তান ও সংসার সামলাচ্ছেন। দুজনেরই দিন শেষ হচ্ছে ক্লান্তিতে। রাতে দেখা হলো, কিন্তু কথা বলার শক্তি নেই। মোবাইল দেখতে দেখতে ঘুমিয়ে পড়লেন দুজনেই।
একসময় হয়তো দুজনের কেউ একজন ভাবেন, ‘আমরা শেষ কবে নিজেদের মতো করে সময় কাটিয়েছি?’ এমন পরিস্থিতিতে ’৭২ ঘণ্টার’ রুলসটি অন্তত প্রশ্নটা মনে করিয়ে দিতে পারে।
থেরাপিস্ট লেই নোরেনের মতে, আমরা অনেক সময় ভাবি, ভালোবাসা থাকলে সম্পর্ক এমনিতেই ভালো থাকবে। কিন্তু বাস্তব জীবন সিনেমার মতো নয়। সম্পর্ক ভালো রাখতে যত্ন নিতে হয়, সময় দিতে হয়।
এখানেই ‘৭২ ঘণ্টার সূত্র’ নিয়ে একটা প্রশ্ন আসে। এই নিয়ম মানলেই কি সম্পর্ক ভালো হয়ে যাবে? উত্তরটা হলো, না।
কারও সমস্যা অতিরিক্ত কাজের চাপ। কারও সম্পর্কের মধ্যে জমে আছে অভিমান। কারও ক্ষেত্রে সংসারের দায়িত্ব দুজনের মধ্যে সমানভাবে ভাগ হয় না। আবার কেউ হয়তো সঙ্গীর কাছ থেকে মানসিকভাবে দূরে সরে গেছেন।
এমন অবস্থায় সমস্যার সমাধান হবে না। কারণ তখন সমস্যাটা ঘনিষ্ঠতার অভাবে নয়, সম্পর্কের অন্য কোথাও। বরং উল্টো চাপ তৈরি হতে পারে। সম্পর্কের ক্ষেত্রে এমন চাপ কখনোই ভালো ফল দেয় না। ঘনিষ্ঠতা দুজনের স্বাভাবিক ইচ্ছা ও সম্মতির জায়গা থেকে আসাই গুরুত্বপূর্ণ।
সম্পর্কবিষয়ক কোচ মারিয়ান মার্টিনেজ মনে করেন, ‘৭২ ঘণ্টার সূত্র’ সবার জন্য একভাবে কাজ করবে, এমন কোনো কথা নেই। এই নিয়মের আসল বিষয় হলো, সম্পর্কের জন্য সময় রাখা।
কারণ সংসারের ব্যস্ততায় দুজন মানুষ পাশাপাশি থাকতে থাকতে কখন যে দূরে সরে যান, তা অনেক সময় নিজেরাও বুঝতে পারেন না। দিনের পর দিন কথা হয় সন্তান নিয়ে, বাজার নিয়ে, অফিস নিয়ে, বিল নিয়ে। কিন্তু দুজনের নিজেদের কথা আর হয় না। সেখানেই ৭২ ঘণ্টার নিয়ম একটা ছোট্ট মনে করিয়ে দেওয়া হতে পারে, ‘আমরা শেষ কবে একে অন্যের জন্য সময় রেখেছিলাম?’
.png)

ভাবা যায়, মাত্র চব্বিশ বছরের কাছাকাছি বয়সে শহীদ কাদরী তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম রেখেছিলেন উত্তরাধিকার। আর জীবনের প্রায় শেষ প্রান্তে এসে প্রকাশিত কবিতাগ্রন্থ গোধূলির গান-এর প্রথম কবিতাটি তিনি শুরু করেন দুটো অনিশ্চয়ক শব্দে—‘জানি না’।
৪ ঘণ্টা আগে
ময়মনসিংহ শহরের ভাটিকাশর কবরস্থান হাজারো মানুষের শেষ ঠিকানার গল্প বলে। আর সেই গল্পের নিত্যদিনের সাক্ষী মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল কাদের লিটন। প্রায় সাড়ে তিন একর জমির এই সরকারি কবরস্থানে দীর্ঘ ১০ বছর ধরে তিনি ইমাম ও রক্ষণাবেক্ষণকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর কাছ থেকেই জানা গেল, কবরস্থানের নীরবতার
৭ ঘণ্টা আগে
বন্ধুর কথা শুনে আমি তারেক মাসুদের সিনেমা দেখলাম। এরপর তারেকের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের ‘ফিল্ম অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্সের’ মাধ্যমে অনেক তরুণ ও প্রতিভাবান চলচ্চিত্র নির্মাতা উঠে এসেছেন। তাদের মধ্যে তারেক মাসুদ ছিলেন অন্যতম উজ্জ্বল প্রতিভা।
১৩ আগস্ট ২০২৬
ভাষা শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়; তা মানুষের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ব্যক্তিগত পরিচয়ের অন্যতম প্রধান সূত্রও। ভাষাপ্রয়োগের মধ্যে ব্যক্তিমানুষের চিন্তা, সংস্কৃতি, সামাজিক অবস্থান ও পরিচয় নিহিত থাকে। ব্যক্তির কথাবলার ভঙ্গি, শব্দব্যবহারের প্রকৃতি, ধ্বনি-উচ্চারণের প্রবণতা, বাক্যনির্মাণের স্বতন্ত্রতা, ব্যক্তিত
১৩ আগস্ট ২০২৬