leadT1ad

খাগড়াছড়িতে তালা ভেঙে সোনালী ব্যাংক শাখায় চুরি

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
খাগড়াছড়ি

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় সোনালী ব্যাংকের শাখা। স্ট্রিম ছবি

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় সোনালী ব্যাংক পিএলসি শাখার গেট ও দরজার তালা ভেঙে চুরির ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে দায়িত্বরত নিরাপত্তাকর্মী অপূর্ব চাকমা ঝাড়ু দিতে গিয়ে চুরির বিষয়টি ‍বুঝতে পারেন। এর আগে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। তবে প্রধান ভল্টের তালা ভাঙতে না পারায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

চুরির তথ্য নিশ্চিত করে ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক মো. হাবিবুজ্জামান বলেন, ‘গেট ও মূল দরজার তালা ভেঙে চোর ব্যাংকের ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর ক্যাশের ড্রয়ার ভেঙে নগদ ১ হাজার ৪৪০ টাকা এবং তালা খুলে আমার ব্যবহৃত একটি ল্যাপটপ নিয়ে যায়।’

ঘটনার সময় ব্যাংকের শাখাটি পাহারায় দুজন নিরাপত্তাকর্মী ছিলেন জানিয়ে শাখা ব্যবস্থাপক বলেন, চোরেরা ব্যাংকের সিসিটিভি ক্যামেরার তার কেটে দিয়েছে। এতে ভিডিও ফুটেজে একজন ব্যক্তিকে দেখা গেলেও তাকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে ব্যাংকের প্রধান ভল্টের তালা ভাঙতে না পারায় সেখানে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

ঘটনার সময় ব্যাংকের শাখাটি পাহারায় অপূর্ব চাকমা (৩৪) ও কেনিয়ন চাকমা (৩৫) নামে দুজন নিরাপত্তাকর্মী দায়িত্বে ছিলেন বলে জানিয়েছেন শাখা ব্যবস্থাপক। ঘটনার পর সকালে তাঁদের স্থানীয় থানা-পুলিশের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

এদিকে চুরির খবর পেয়ে ১৮ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি মাটিরাঙ্গা জোনের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাসুদ খান, সহকারী পুলিশ সুপার (মাটিরাঙ্গা সার্কেল) কাজী ওয়াজেদ আলী, সিআইডির খাগড়াছড়ি পরিদর্শক পান্নালাল বড়ুয়া, মাটিরাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাহেদ উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সাইফুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

এছাড়া সিআইডির চট্টগ্রাম বিভাগের কর্মকর্তা ও সোনালী ব্যাংকের বিভাগীয় কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পৌঁছে ঘটনা তদন্ত করছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় থানা।

মাটিরাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাহেদ উদ্দিন বিকেলে স্ট্রিমকে বলেন, ‘চুরির ঘটনায় এখনো কাউকে আসামি করে মামলা হয়নি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।’

ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ি যাওয়া পথে আগে মাটিরাঙ্গা উপজেলা শহর পড়ে। জেলা শহর থেকে এর দূরত্ব ২৩ কিলোমিটার।

Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত