leadT1ad

আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস সোমবার

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১৬: ৪৭
আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস-২০২৬, ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বব্যাপী কাস্টমসের ভূমিকা ও গুরুত্ব তুলে ধরার লক্ষে প্রতি বছরের মতো আগামীকাল সোমবার (২৬ জানুয়ারি) পালিত হবে ‘আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস-২০২৬’। ওয়ার্ল্ড কাস্টমস অরগানাইজেশন (ডব্লিউসিও) এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে, ‘কাস্টমস প্রোটেক্টিং সোসাইটি থ্রো ভিজিল্যান্স অ্যান্ড কমিটমেন্ট’।

আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে এনবিআর জানিয়েছে, পরিবর্তনশীল বিশ্ব ব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ধরন পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কাস্টমসের কাজের পরিধিও পাল্টেছে। কেবল রাজস্ব আহরণ নয়; বর্তমানে বাণিজ্য সহজীকরণ, জাতীয় নিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা, মেধাসত্ত্ব সংরক্ষণ এবং চোরাচালান ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধের মতো বিষয়গুলো কাস্টমসের কাছে অধিক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

ডব্লিউসিও-এর সদস্য দেশ হিসেবে বাংলাদেশও দিবসটি যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে পালন করবে। এ উপলক্ষে ২৬ জানুয়ারি কেন্দ্রীয়ভাবে সেমিনার হবে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন কাস্টমস হাউস ও কাস্টমস স্টেশনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

ফ্রন্টলাইন বর্ডার এজেন্সি হিসেবে বাংলাদেশ কাস্টমস জননিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ, বিজিবি, গোয়েন্দা সংস্থা ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতো জাতীয় সংস্থার পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবেও সমন্বয় বজায় রাখছে। ডব্লিউটিও-টিএফএ, ডব্লিউসিও-আরকেসি এবং সিএমএএ চুক্তির আওতায় সার্ক, ডি-৮, তুরস্ক, সৌদি আরব ও জাপানের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া চোরাচালান রোধে ডব্লিউসিও-এর আরআইএলও এবং কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট নেটওয়ার্ক (সিইএন) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।

এনবিআর জানায়, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাস্টমসের ভূমিকা অপরিসীম। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এনবিআর-এর মোট রাজস্ব আয়ের ২৭ শতাংশই এসেছে কাস্টমস থেকে। এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা এবং রপ্তানি বাণিজ্যে গতি আনতে শুল্ক হার যৌক্তিকীকরণ ও বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে।

বাণিজ্য সহজীকরণে কাস্টমস আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করেছে বলেও জানায় এনবিআর। সংস্থাটি বলছে, এএসওয়াইসিইউডিএ ওয়ার্ল্ড, আইবিএএস ইন্টিগ্রেশন, বাংলাদেশ সিঙ্গেল উইন্ডো (বিএসডব্লিউ) এবং অটোমেটেড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার বাস্তবায়নের ফলে পণ্য খালাস প্রক্রিয়া এখন সহজ ও পেপারলেস। ‘টাইম রিলিজ স্টাডি’ অনুযায়ী, বর্তমানে ৯০ শতাংশ পণ্যের শুল্কায়ন এক দিনের মধ্যেই সম্পন্ন হচ্ছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তন ও চোরাচালানকারীদের নিত্যনতুন কৌশলের কারণে কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে প্রতিনিয়ত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। তবে উচ্চ পেশাদারত্ব ও আধুনিক কর্মকৌশলের মাধ্যমে বাংলাদেশ কাস্টমস দেশ ও সমাজের সুরক্ষায় ‘অতন্দ্র প্রহরী’ হিসেবে কাজ করছে।

Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত