কোথাও কি সত্যিই এসিড বৃষ্টি হচ্ছে না? আমাদের বিবেকের ওপর যে বৃষ্টির ফোঁটাগুলো পড়ছে, সেগুলো কি অ্যাসিডের চেয়েও বেশি দাহ্য নয়? গানের সেই মরা রাজহাঁসটি আসলে আমরাই, যারা ডানা হারিয়ে আদিম রক্তের জলোচ্ছ্বাসে নিজেদের অজান্তেই ভেসে যাচ্ছি।
গৌতম কে শুভ

সম্প্রতি ইসরায়েলের বিমান হামলার পর তেহরানের তেলের ডিপোতে আগুন লাগে। সেই আগুন থেকে ওঠা ধোঁয়া ও রাসায়নিক উপাদানের কারণে এসিড বৃষ্টির আশঙ্কার কথা জানিয়েছে ইরানের রেড ক্রিসেন্ট। সংস্থাটি মানুষকে সতর্ক করে বলেছে, বৃষ্টি হলে যেন কেউ বাইরে না বের হয়।
এই সংবাদটি পড়তে পড়তে মনে পড়ে যায় সোনার বাংলা সার্কাসের ডাবল অ্যালবাম ‘মহাশ্মশান’-এর ‘রাজহাঁস’ গানের কথা। ব্যান্ডের ভোকালিস্ট প্রবর রিপন একজন কবিও। তাঁর লেখা এই গানের প্রতিটি পংক্তি যেন তেহরান থেকে গাজা—প্রতিটি যুদ্ধবিধ্বস্ত জনপদের জলজ্যান্ত পাণ্ডুলিপি। গানের শুরুতেই বলা হয়—
‘কোথাও বৃষ্টি হচ্ছে এসিড বৃষ্টি
কোথাও দলক হচ্ছে রক্তের দলক।’
সাধারণভাবে গান শুনলে হয়তো কেবল এর লিরিক কল্পনার বলে মনে হতে পারে। কিন্তু যুদ্ধের ধ্বংসযজ্ঞের খবর সামনে এলে বোঝা যায়, এই চিত্রকল্প বাস্তবতারই রূপক।
ঝিনাইদহের আঞ্চলিক ভাষায় ‘দলক’ শব্দের অর্থ বৃষ্টি। কিন্তু এখানে রক্তের সঙ্গে বৃষ্টির এই সংযোগে কাব্যিক সৌন্দর্য নির্মাণের চেয়ে যুদ্ধের বাস্তবতাকে ধরার প্রবণতাই বেশি স্পষ্ট।

আধুনিক যুদ্ধের একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এর ধ্বংসযজ্ঞ আর কোনো নির্দিষ্ট যুদ্ধক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ থাকে না। ক্ষেপণাস্ত্র বা বিমান হামলা যখন ঘটে, তখন তার আশপাশে থাকে মানুষের বসতি, হাসপাতাল, স্কুল, শিল্পকারখানা এবং জ্বালানি সংরক্ষণাগার।
এই ধরনের স্থাপনায় বিস্ফোরণ ঘটলে আগুনের সঙ্গে সঙ্গে বিপুল পরিমাণ বিষাক্ত গ্যাস বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। তেলের ডিপোতে আগুন লাগলে সালফার ডাই-অক্সাইড ও নাইট্রোজেন অক্সাইডের মতো রাসায়নিক উপাদান বাতাসে উঠে যায়। পরে এই গ্যাসগুলো মেঘের জলীয়বাষ্পের সঙ্গে বিক্রিয়া করে তৈরি করতে পারে সালফিউরিক ও নাইট্রিক অ্যাসিড। এই প্রক্রিয়ার ফলাফলই এসিড বৃষ্টি।
অর্থাৎ যুদ্ধের ধ্বংস শুধু বিস্ফোরণের মুহূর্তে সীমাবদ্ধ থাকে না; তার বিষ ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে প্রকৃতি, পরিবেশ এবং মানুষের ভবিষ্যতের ভেতরে। এই বাস্তবতায় গানের ‘এসিড বৃষ্টি’ হয়ে ওঠে যুদ্ধের এক বাস্তব প্রতীক। ‘রাজহাঁস’ গানে এই প্রতীকটি আরও ফুটে উঠেছে—
‘একপাল রাজহাঁস তাদের ডানা ঝাঁঝরা
বৃষ্টির ফোঁটার অবিরাম গুলিতে।’
রাজহাঁস সাধারণত সৌন্দর্য, স্বাধীনতা আর শান্তির প্রতীক। কিন্তু এখানে সেই রাজহাঁসের ডানা ঝাঁঝরা হয়ে গেছে। বৃষ্টির ফোঁটা যেন গুলির মতো ঝরে পড়ছে। যুদ্ধের এই বাজারে সাধারণ মানুষের অবস্থান ঠিক সেই রাজহাঁসগুলোর মতো। যুদ্ধের সিদ্ধান্ত নেয় রাষ্ট্র ও রাজনীতি, কিন্তু যুদ্ধের সবচেয়ে বড় বোঝা বহন করে সাধারণ মানুষরা।

তাই তেহরানের তেলের ডিপো বা গাজার হাসপাতাল—লক্ষ্যবস্তু যাই হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত ডানা ভেঙে মরা রাজহাঁসের মতো পড়ে থাকে সাধারণ মানুষের স্বপ্ন আর অস্তিত্ব। আকাশ থেকে যখন অ্যাসিড বৃষ্টি নামে, তখন সেই ‘শুন্যতার অপর পারে’ উড়ে যাওয়ারও কোনো পথ খোলা থাকে না।
যুদ্ধের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব। গানে বলা হয়েছে—
‘যে নদীতে আগামীর রক্ত
জমে আছে সেখানে।’
যুদ্ধ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও তার ক্ষত বহু বছর ধরে থেকে যায়। ধ্বংসপ্রাপ্ত শহর পুনর্গঠন করতে সময় লাগে, দূষিত পরিবেশ পুনরুদ্ধার করতে সময় লাগে, আর মানুষের মানসিক ক্ষত সারাতে কখনো কখনো এক প্রজন্মও যথেষ্ট হয় না।
যে শিশুটি ছোটবেলায় বোমার শব্দ শুনে বড় হয়, তার মনে সেই ভয় অনেক সময় সারা জীবন থেকে যায়। যে পরিবার যুদ্ধের কারণে বাড়ি হারায়, তাদের জীবন আর কখনো আগের অবস্থায় ফিরে যায় না।
ফলে আমাদের সভ্যতা এমন এক নদীর তীরে বনভোজন করছে, যেখানে গানের লাইনে থাকা ‘ত্রিকালের সব আত্মা’র মতো এখন সব এক মোহনায় এসে মিশেছে।
এই বাস্তবতার ভেতরেই বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে—
‘ডোরাকাটা সেই শ্বাপদ নিজের ক্ষুধাতে
অন্যকে শিকারে নিজের থেকে বাঁচতে
ভুলে খেয়ে ফেলেছে নিজেকে।’
আজকের বিশ্বরাজনীতির দিকে তাকালে এই পংক্তিগুলোকে ধ্রুবসত্য মনে হয়। পরাশক্তিগুলো প্রায়ই নিজেদের নিরাপত্তার যুক্তি তুলে ধরে অন্যের ওপর আক্রমণ চালায়। তারা মনে করে অন্যকে ধ্বংস করলেই নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।
কিন্তু ইতিহাস বারবার দেখিয়েছে, যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত এক আত্মঘাতী প্রক্রিয়া। ধ্বংসের এই চক্রে মানুষ কখনো কখনো নিজের মানবিক সত্তাকেই হারিয়ে ফেলে।
এদিকে গানের শেষ অংশে—
‘মৃত্যুর তীরে ডানা হারিয়ে
মরা রাজহাঁসের মতো পড়ে আছে
আদিম সেই প্রাণ।’
এই লাইনগুলো মানুষের মৌলিক মানবিকতার প্রশ্ন তোলে। সভ্যতার এত অগ্রগতি, প্রযুক্তির এত উন্নয়ন, এসবের পরও যদি মানুষের শেষ আশ্রয় হয় যুদ্ধ, তাহলে প্রশ্ন জাগে: আমরা কি সত্যিই সভ্য হয়েছি?
ইরানের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে জ্বলতে থাকা স্থাপনা, ধোঁয়ায় ঢেকে যাওয়া আকাশ এবং বিষাক্ত বৃষ্টির আশঙ্কা এই প্রশ্নগুলোকে আরও তীব্র করে তোলে।
সেই মুহূর্তে সোনার বাংলা সার্কাসের ‘রাজহাঁস’ গানটি আমাদের সময়ের এক নির্মম প্রতিচ্ছবি হয়ে ওঠে। এমন একটি পৃথিবীর প্রতিচ্ছবি, যেখানে প্রযুক্তি আকাশ ছুঁয়েছে, কিন্তু মানবিকতা অনেক সময় ধ্বংসস্তূপের মধ্যে পড়ে থাকে।
আর তখন সত্যিই মনে হয়, কোথাও কি সত্যিই এসিড বৃষ্টি হচ্ছে না? আমাদের বিবেকের ওপর যে বৃষ্টির ফোঁটাগুলো পড়ছে, সেগুলো কি অ্যাসিডের চেয়েও বেশি দাহ্য নয়? গানের সেই মরা রাজহাঁসটি আসলে আমরাই, যারা ডানা হারিয়ে আদিম রক্তের জলোচ্ছ্বাসে নিজেদের অজান্তেই ভেসে যাচ্ছি।

সম্প্রতি ইসরায়েলের বিমান হামলার পর তেহরানের তেলের ডিপোতে আগুন লাগে। সেই আগুন থেকে ওঠা ধোঁয়া ও রাসায়নিক উপাদানের কারণে এসিড বৃষ্টির আশঙ্কার কথা জানিয়েছে ইরানের রেড ক্রিসেন্ট। সংস্থাটি মানুষকে সতর্ক করে বলেছে, বৃষ্টি হলে যেন কেউ বাইরে না বের হয়।
এই সংবাদটি পড়তে পড়তে মনে পড়ে যায় সোনার বাংলা সার্কাসের ডাবল অ্যালবাম ‘মহাশ্মশান’-এর ‘রাজহাঁস’ গানের কথা। ব্যান্ডের ভোকালিস্ট প্রবর রিপন একজন কবিও। তাঁর লেখা এই গানের প্রতিটি পংক্তি যেন তেহরান থেকে গাজা—প্রতিটি যুদ্ধবিধ্বস্ত জনপদের জলজ্যান্ত পাণ্ডুলিপি। গানের শুরুতেই বলা হয়—
‘কোথাও বৃষ্টি হচ্ছে এসিড বৃষ্টি
কোথাও দলক হচ্ছে রক্তের দলক।’
সাধারণভাবে গান শুনলে হয়তো কেবল এর লিরিক কল্পনার বলে মনে হতে পারে। কিন্তু যুদ্ধের ধ্বংসযজ্ঞের খবর সামনে এলে বোঝা যায়, এই চিত্রকল্প বাস্তবতারই রূপক।
ঝিনাইদহের আঞ্চলিক ভাষায় ‘দলক’ শব্দের অর্থ বৃষ্টি। কিন্তু এখানে রক্তের সঙ্গে বৃষ্টির এই সংযোগে কাব্যিক সৌন্দর্য নির্মাণের চেয়ে যুদ্ধের বাস্তবতাকে ধরার প্রবণতাই বেশি স্পষ্ট।

আধুনিক যুদ্ধের একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এর ধ্বংসযজ্ঞ আর কোনো নির্দিষ্ট যুদ্ধক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ থাকে না। ক্ষেপণাস্ত্র বা বিমান হামলা যখন ঘটে, তখন তার আশপাশে থাকে মানুষের বসতি, হাসপাতাল, স্কুল, শিল্পকারখানা এবং জ্বালানি সংরক্ষণাগার।
এই ধরনের স্থাপনায় বিস্ফোরণ ঘটলে আগুনের সঙ্গে সঙ্গে বিপুল পরিমাণ বিষাক্ত গ্যাস বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। তেলের ডিপোতে আগুন লাগলে সালফার ডাই-অক্সাইড ও নাইট্রোজেন অক্সাইডের মতো রাসায়নিক উপাদান বাতাসে উঠে যায়। পরে এই গ্যাসগুলো মেঘের জলীয়বাষ্পের সঙ্গে বিক্রিয়া করে তৈরি করতে পারে সালফিউরিক ও নাইট্রিক অ্যাসিড। এই প্রক্রিয়ার ফলাফলই এসিড বৃষ্টি।
অর্থাৎ যুদ্ধের ধ্বংস শুধু বিস্ফোরণের মুহূর্তে সীমাবদ্ধ থাকে না; তার বিষ ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে প্রকৃতি, পরিবেশ এবং মানুষের ভবিষ্যতের ভেতরে। এই বাস্তবতায় গানের ‘এসিড বৃষ্টি’ হয়ে ওঠে যুদ্ধের এক বাস্তব প্রতীক। ‘রাজহাঁস’ গানে এই প্রতীকটি আরও ফুটে উঠেছে—
‘একপাল রাজহাঁস তাদের ডানা ঝাঁঝরা
বৃষ্টির ফোঁটার অবিরাম গুলিতে।’
রাজহাঁস সাধারণত সৌন্দর্য, স্বাধীনতা আর শান্তির প্রতীক। কিন্তু এখানে সেই রাজহাঁসের ডানা ঝাঁঝরা হয়ে গেছে। বৃষ্টির ফোঁটা যেন গুলির মতো ঝরে পড়ছে। যুদ্ধের এই বাজারে সাধারণ মানুষের অবস্থান ঠিক সেই রাজহাঁসগুলোর মতো। যুদ্ধের সিদ্ধান্ত নেয় রাষ্ট্র ও রাজনীতি, কিন্তু যুদ্ধের সবচেয়ে বড় বোঝা বহন করে সাধারণ মানুষরা।

তাই তেহরানের তেলের ডিপো বা গাজার হাসপাতাল—লক্ষ্যবস্তু যাই হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত ডানা ভেঙে মরা রাজহাঁসের মতো পড়ে থাকে সাধারণ মানুষের স্বপ্ন আর অস্তিত্ব। আকাশ থেকে যখন অ্যাসিড বৃষ্টি নামে, তখন সেই ‘শুন্যতার অপর পারে’ উড়ে যাওয়ারও কোনো পথ খোলা থাকে না।
যুদ্ধের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব। গানে বলা হয়েছে—
‘যে নদীতে আগামীর রক্ত
জমে আছে সেখানে।’
যুদ্ধ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও তার ক্ষত বহু বছর ধরে থেকে যায়। ধ্বংসপ্রাপ্ত শহর পুনর্গঠন করতে সময় লাগে, দূষিত পরিবেশ পুনরুদ্ধার করতে সময় লাগে, আর মানুষের মানসিক ক্ষত সারাতে কখনো কখনো এক প্রজন্মও যথেষ্ট হয় না।
যে শিশুটি ছোটবেলায় বোমার শব্দ শুনে বড় হয়, তার মনে সেই ভয় অনেক সময় সারা জীবন থেকে যায়। যে পরিবার যুদ্ধের কারণে বাড়ি হারায়, তাদের জীবন আর কখনো আগের অবস্থায় ফিরে যায় না।
ফলে আমাদের সভ্যতা এমন এক নদীর তীরে বনভোজন করছে, যেখানে গানের লাইনে থাকা ‘ত্রিকালের সব আত্মা’র মতো এখন সব এক মোহনায় এসে মিশেছে।
এই বাস্তবতার ভেতরেই বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে—
‘ডোরাকাটা সেই শ্বাপদ নিজের ক্ষুধাতে
অন্যকে শিকারে নিজের থেকে বাঁচতে
ভুলে খেয়ে ফেলেছে নিজেকে।’
আজকের বিশ্বরাজনীতির দিকে তাকালে এই পংক্তিগুলোকে ধ্রুবসত্য মনে হয়। পরাশক্তিগুলো প্রায়ই নিজেদের নিরাপত্তার যুক্তি তুলে ধরে অন্যের ওপর আক্রমণ চালায়। তারা মনে করে অন্যকে ধ্বংস করলেই নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।
কিন্তু ইতিহাস বারবার দেখিয়েছে, যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত এক আত্মঘাতী প্রক্রিয়া। ধ্বংসের এই চক্রে মানুষ কখনো কখনো নিজের মানবিক সত্তাকেই হারিয়ে ফেলে।
এদিকে গানের শেষ অংশে—
‘মৃত্যুর তীরে ডানা হারিয়ে
মরা রাজহাঁসের মতো পড়ে আছে
আদিম সেই প্রাণ।’
এই লাইনগুলো মানুষের মৌলিক মানবিকতার প্রশ্ন তোলে। সভ্যতার এত অগ্রগতি, প্রযুক্তির এত উন্নয়ন, এসবের পরও যদি মানুষের শেষ আশ্রয় হয় যুদ্ধ, তাহলে প্রশ্ন জাগে: আমরা কি সত্যিই সভ্য হয়েছি?
ইরানের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে জ্বলতে থাকা স্থাপনা, ধোঁয়ায় ঢেকে যাওয়া আকাশ এবং বিষাক্ত বৃষ্টির আশঙ্কা এই প্রশ্নগুলোকে আরও তীব্র করে তোলে।
সেই মুহূর্তে সোনার বাংলা সার্কাসের ‘রাজহাঁস’ গানটি আমাদের সময়ের এক নির্মম প্রতিচ্ছবি হয়ে ওঠে। এমন একটি পৃথিবীর প্রতিচ্ছবি, যেখানে প্রযুক্তি আকাশ ছুঁয়েছে, কিন্তু মানবিকতা অনেক সময় ধ্বংসস্তূপের মধ্যে পড়ে থাকে।
আর তখন সত্যিই মনে হয়, কোথাও কি সত্যিই এসিড বৃষ্টি হচ্ছে না? আমাদের বিবেকের ওপর যে বৃষ্টির ফোঁটাগুলো পড়ছে, সেগুলো কি অ্যাসিডের চেয়েও বেশি দাহ্য নয়? গানের সেই মরা রাজহাঁসটি আসলে আমরাই, যারা ডানা হারিয়ে আদিম রক্তের জলোচ্ছ্বাসে নিজেদের অজান্তেই ভেসে যাচ্ছি।

ভূ-পর্যটক তারেক অণুর ধারাবাহিক ভ্রমণ-কাহিনি ‘আমেরিকায় প্রবেশ নিষেধ’-এর অষ্টম পর্ব প্রকাশিত হলো আজ। প্রতি বুধবার চোখ রাখুন বাংলা স্ট্রিমের ফিচার পাতায়।
৪ ঘণ্টা আগে
সাধারণভাবে আমরা সবাই জানি, ক্যামেরা নিরাপদ রাখতে একটি ভালো ক্যামেরা ব্যাগ বা কেস ব্যবহার করা উচিত। এতে ক্যামেরা ধুলো, আঘাত বা আঁচড় থেকে অনেকটাই সুরক্ষিত থাকে। কিন্তু শুধু ব্যাগে রাখলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। অনেক সময় এমন কিছু ছোট ছোট বিষয় থাকে, যেগুলো আমরা গুরুত্ব দিই না, অথচ সেগুলোই ক্যামেরার বড় ক
৭ ঘণ্টা আগে
আপনি কি জানেন এই রুহ আফজা প্রথম তৈরি করা হয়েছিল প্রচন্ড গরমে রোগীদের সতেজ রাখার সিরাপ হিসেবে? প্রথমবার যে মানুষেরা রুহ আফজার স্বাদ নিয়েছিলেন, তাঁরা জানতেন না ওই শরবতে ঠিক কী কী ছিল। তবু এর স্বাদ আর সুবাস মানুষের মনে জায়গা করে নেয় খুব দ্রুত।
১৯ ঘণ্টা আগে
মানসিক চাপ জীবনেরই অংশ, কিন্তু একে বাড়তে দেওয়া যাবে না। আজ থেকেই এই ছোট ছোট পরিবর্তনগুলো নিজের জীবনে প্রয়োগ করে দেখুন, জীবনটা অনেক বেশি হালকা আর আনন্দময় মনে হবে।
১ দিন আগে