নির্বাচনী আচরণবিধির খসড়া
নির্বাচনি প্রচারণায় অপচনশীল দ্রব্য যেমন- রেক্সিন, পলিথিন, প্লাস্টিকসহ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কোন উপাদানে তৈরি কোন নির্বাচনি প্রচারপত্র, লিফলেট, হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন ও ব্যানার ব্যবহার করা যাবে না।
বাসস

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালার খসড়া চূড়ান্ত করে আজ সোমবার নাগরিকদের মতামত চেয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আচরণ বিধিমালার খসড়ায় বলা হয়েছে, নির্বাচনি প্রচারণায় অপচনশীল দ্রব্য যেমন- রেক্সিন, পলিথিন, প্লাস্টিকসহ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কোন উপাদানে তৈরি কোন নির্বাচনি প্রচারপত্র, লিফলেট, হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন ও ব্যানার ব্যবহার করা যাবে না।
অন্যদিকে, আগামী নির্বাচনে প্রার্থীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে নির্বাচনি প্রচার প্রচারণা চালাতে পারবে না। তবে প্রার্থী বা তার এজেন্টের অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইল আইডি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নাম রিটার্নিং অফিসারের নিকট দাখিল করতে হবে।
ইসি এই বিধিমালার খসড়া চূড়ান্ত করতে নাগরিকদের মতামত চেয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। ইসির সচিবের ই-মেইলে আগামী ১০ জুলাইয়ের মধ্যে মতামত প্রেরণের অনুরোধ করা হয়েছে।
আচরণ বিধির খসড়ায় লিফলেট বা হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন, ব্যানার ও বিলবোর্ড ব্যবহার সংক্রান্ত বিধি-নিষেধে বলা হয়েছে, নির্বাচনি প্রচারণায় কোন প্রকার পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না। কোন প্রার্থী কিংবা তাঁর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি নির্বাচনী এলাকায় দালান, দেয়াল, গাছ, বেড়া, বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের খুঁটি বা অন্য কোন দণ্ডায়মান বস্তুতে কোন প্রকার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন সাঁটাতে পারবেন না।
বাস, ট্রাক, ট্রেন, স্টিমার, লঞ্চ, রিকশা কিংবা অন্য কোনো প্রকার যানবাহনেও লিফলেট বা হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন লাগানো যাবে না। তবে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয় এরূপ কোন উপাদানে তৈরি লিফলেট, ব্যানার বা হ্যান্ডবিল ঝুলাতে বা টাঙ্গাতে পারবে। প্রার্থীরা নির্বাচনি প্রচারণায় দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মাইক ব্যবহার করতে পারবেন। তবে ৩টির অধিক মাইক্রোফোন বা লাউড স্পিকার ব্যবহার করতে পারবে না।
আচরণ বিধির খসড়ায় আরও বলা হয়েছে, নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহৃত ব্যানার সাদা-কালো রঙের ও আয়তন অনধিক ১০ (দশ) ফুট বাই ৪ (চার) ফুট হতে হবে। লিফলেট আয়তন অনধিক এ-৪ সাইজ আকারে হবে। ব্যানার, লিফলেট, হ্যান্ডবিল, ফেস্টুনে প্রার্থী তাঁর প্রতীক ও নিজের ছবি ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তির ছবি বা প্রতীক ছাপাতে পারবেন না।
এতে আরো বলা হয়েছে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কোন নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মনোনীত হলে সেক্ষেত্রে তিনি কেবল তার বর্তমান দলীয় প্রধানের ছবি দিয়ে ব্যানার, লিফলেট ও ফেস্টুন ছাপাতে পারবেন।
গত ১৯ জুন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশন সভা শেষে একই দিন (১৯ জুন) নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, আচরণবিধির কয়েকটি বিষয় রয়েছে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) সংশোধন ও ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশের সঙ্গে সম্পৃক্ত। সেজন্য এই বিধিমালার খসড়া শর্তসাপেক্ষে অনুমোদন দিয়ে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।’
গতকাল রোববার ইসি সেই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। খসড়া বিধিতে বলা হয়েছে, ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ, যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সংশোধন সাপেক্ষে, নির্বাচন কমিশন রিপ্রেজেন্টেশন অব দি পিপল অর্ডার, ১৯৭২ (পি. ও নং ১৫৫ অফ ১৯৭২) এর আর্টিকেল ৯১বি এর আলোকে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর একটি খসড়া প্রস্তুত করেছে। বিধিমালাটি চূড়ান্তকরণের লক্ষ্যে নাগরিকদের সুচিন্তিত মতামত চাওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, আগামী ১০ জুলাইয়ের মধ্যে সিনিয়র সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের ই-মেইল (opinion@ecs.gov.bd) ঠিকানায় নাগরিকদের মতামত পাঠানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালার খসড়া চূড়ান্ত করে আজ সোমবার নাগরিকদের মতামত চেয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আচরণ বিধিমালার খসড়ায় বলা হয়েছে, নির্বাচনি প্রচারণায় অপচনশীল দ্রব্য যেমন- রেক্সিন, পলিথিন, প্লাস্টিকসহ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কোন উপাদানে তৈরি কোন নির্বাচনি প্রচারপত্র, লিফলেট, হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন ও ব্যানার ব্যবহার করা যাবে না।
অন্যদিকে, আগামী নির্বাচনে প্রার্থীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে নির্বাচনি প্রচার প্রচারণা চালাতে পারবে না। তবে প্রার্থী বা তার এজেন্টের অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইল আইডি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নাম রিটার্নিং অফিসারের নিকট দাখিল করতে হবে।
ইসি এই বিধিমালার খসড়া চূড়ান্ত করতে নাগরিকদের মতামত চেয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। ইসির সচিবের ই-মেইলে আগামী ১০ জুলাইয়ের মধ্যে মতামত প্রেরণের অনুরোধ করা হয়েছে।
আচরণ বিধির খসড়ায় লিফলেট বা হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন, ব্যানার ও বিলবোর্ড ব্যবহার সংক্রান্ত বিধি-নিষেধে বলা হয়েছে, নির্বাচনি প্রচারণায় কোন প্রকার পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না। কোন প্রার্থী কিংবা তাঁর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি নির্বাচনী এলাকায় দালান, দেয়াল, গাছ, বেড়া, বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের খুঁটি বা অন্য কোন দণ্ডায়মান বস্তুতে কোন প্রকার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন সাঁটাতে পারবেন না।
বাস, ট্রাক, ট্রেন, স্টিমার, লঞ্চ, রিকশা কিংবা অন্য কোনো প্রকার যানবাহনেও লিফলেট বা হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন লাগানো যাবে না। তবে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয় এরূপ কোন উপাদানে তৈরি লিফলেট, ব্যানার বা হ্যান্ডবিল ঝুলাতে বা টাঙ্গাতে পারবে। প্রার্থীরা নির্বাচনি প্রচারণায় দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মাইক ব্যবহার করতে পারবেন। তবে ৩টির অধিক মাইক্রোফোন বা লাউড স্পিকার ব্যবহার করতে পারবে না।
আচরণ বিধির খসড়ায় আরও বলা হয়েছে, নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহৃত ব্যানার সাদা-কালো রঙের ও আয়তন অনধিক ১০ (দশ) ফুট বাই ৪ (চার) ফুট হতে হবে। লিফলেট আয়তন অনধিক এ-৪ সাইজ আকারে হবে। ব্যানার, লিফলেট, হ্যান্ডবিল, ফেস্টুনে প্রার্থী তাঁর প্রতীক ও নিজের ছবি ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তির ছবি বা প্রতীক ছাপাতে পারবেন না।
এতে আরো বলা হয়েছে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কোন নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মনোনীত হলে সেক্ষেত্রে তিনি কেবল তার বর্তমান দলীয় প্রধানের ছবি দিয়ে ব্যানার, লিফলেট ও ফেস্টুন ছাপাতে পারবেন।
গত ১৯ জুন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশন সভা শেষে একই দিন (১৯ জুন) নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, আচরণবিধির কয়েকটি বিষয় রয়েছে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) সংশোধন ও ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশের সঙ্গে সম্পৃক্ত। সেজন্য এই বিধিমালার খসড়া শর্তসাপেক্ষে অনুমোদন দিয়ে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।’
গতকাল রোববার ইসি সেই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। খসড়া বিধিতে বলা হয়েছে, ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ, যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সংশোধন সাপেক্ষে, নির্বাচন কমিশন রিপ্রেজেন্টেশন অব দি পিপল অর্ডার, ১৯৭২ (পি. ও নং ১৫৫ অফ ১৯৭২) এর আর্টিকেল ৯১বি এর আলোকে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর একটি খসড়া প্রস্তুত করেছে। বিধিমালাটি চূড়ান্তকরণের লক্ষ্যে নাগরিকদের সুচিন্তিত মতামত চাওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, আগামী ১০ জুলাইয়ের মধ্যে সিনিয়র সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের ই-মেইল (opinion@ecs.gov.bd) ঠিকানায় নাগরিকদের মতামত পাঠানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

খেলাফতে মজলিশের আমির ও ঢাকা–১৩ আসনের রিকশা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী মামুনুল হকের নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে দ্বিতীয় দিনের মতো ‘জাগরণী পদযাত্রা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২ মিনিট আগে
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এলাকায় একটি সামরিক অর্থনৈতিক অঞ্চল (মিলিটারি ইকোনমিক জোন) গড়ে তোলার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগে নির্ধারিত ভারতীয় সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) অর্থনৈতিক অঞ্চলের পরিবর্তে এই নতুন অঞ্চল স্থাপন করা হবে।
৮ মিনিট আগে
যশোরকে একটি আধুনিক ডিজিটাল সিটি ও টেক সিটি হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সরকারের পরিকল্পিত ও ধারাবাহিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
৩৫ মিনিট আগে
অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ পবিত্র রমজান মাসের পরিবর্তে ঈদুল ফিতরের পর আয়োজন করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি।
৪২ মিনিট আগে