স্ট্রিম সংবাদদাতা

কক্সবাজারের টেকনাফের পাহাড়ি জনপদ থেকে ছয় কৃষককে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের মিনাবাজার সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় কৃষিকাজে যাওয়ার সময় অস্ত্রধারী একটি চক্র তাদের জিম্মি করে পাহাড়ের ভেতর নিয়ে যায়।
অপহৃতরা হলেন, মৃত সুলতান ফকিরের ছেলে মো. জমির (৩২), রবিউল আলমের ছেলে শফি আলম (১৩), এজাহার হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ আলম (১৮) এবং মৃত শামসুল আলমের ছেলে জাহিদ হোসেন (৩০)। এরা সবাই ঝিমংখালী মিনাবাজার এলাকার বাসিন্দা। এছাড়া অপর দুজন হলেন, ঝিমংখালীর আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকার মৃত আশরাফ মিয়ার ছেলে মোজাহের (৬০) ও মোজাহেরের ছেলে মোস্তাক (১২)।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই খোকন কান্তি রুদ্র জানান, হোয়াইক্যং মিনাবাজার আশ্রয়ণকেন্দ্র এলাকার ৬ কৃষককে পাহাড়ি এলাকায় কৃষিকাজ করতে গেলে পাহাড়ি ডাকাত দল তাদের অপহরণ করেছে—এমন অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
তিনি আরও জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং অপহৃতদের উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান ও তৎপরতা চলমান রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ভোরে কৃষিক্ষেতে কাজ করতে যাওয়ার সময় এই অপহরণের ঘটনা ঘটে। এখন পর্যন্ত অপহরণকারীদের পক্ষ থেকে কোনো মুক্তিপণের দাবি জানানো হয়নি। এদিকে অপহৃত কৃষকদের পরিবার চরম উৎকণ্ঠা ও উদ্বেগের মধ্যে সময় পার করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ফয়েজ উল্লাহ বলেন, নির্বাচনী সময়ে প্রশাসনের ব্যস্ততার সুযোগ নিয়ে পাহাড়ি সশস্ত্র অপহরণকারী চক্র বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের পাশাপাশি পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধেও প্রশাসনের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। অন্যথায় পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরত সাধারণ মানুষ একের পর এক অপহরণের শিকার হবে এবং মুক্তিপণ না দিলে লাশ হয়ে ফিরতে পারে। পাহাড়ি সন্ত্রাস দমনে প্রশাসনের জোরালো ও কার্যকর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তারা।
হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান মো. শাহ জালাল বলেন, ‘ভোরে কৃষি জমিতে কাজ করতে যাওয়ার পথে পাহাড়ি অস্ত্রধারীরা কৃষকদের জিম্মি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। দ্রুত অপহৃত কৃষকদের উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।’

কক্সবাজারের টেকনাফের পাহাড়ি জনপদ থেকে ছয় কৃষককে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের মিনাবাজার সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় কৃষিকাজে যাওয়ার সময় অস্ত্রধারী একটি চক্র তাদের জিম্মি করে পাহাড়ের ভেতর নিয়ে যায়।
অপহৃতরা হলেন, মৃত সুলতান ফকিরের ছেলে মো. জমির (৩২), রবিউল আলমের ছেলে শফি আলম (১৩), এজাহার হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ আলম (১৮) এবং মৃত শামসুল আলমের ছেলে জাহিদ হোসেন (৩০)। এরা সবাই ঝিমংখালী মিনাবাজার এলাকার বাসিন্দা। এছাড়া অপর দুজন হলেন, ঝিমংখালীর আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকার মৃত আশরাফ মিয়ার ছেলে মোজাহের (৬০) ও মোজাহেরের ছেলে মোস্তাক (১২)।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই খোকন কান্তি রুদ্র জানান, হোয়াইক্যং মিনাবাজার আশ্রয়ণকেন্দ্র এলাকার ৬ কৃষককে পাহাড়ি এলাকায় কৃষিকাজ করতে গেলে পাহাড়ি ডাকাত দল তাদের অপহরণ করেছে—এমন অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
তিনি আরও জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং অপহৃতদের উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান ও তৎপরতা চলমান রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ভোরে কৃষিক্ষেতে কাজ করতে যাওয়ার সময় এই অপহরণের ঘটনা ঘটে। এখন পর্যন্ত অপহরণকারীদের পক্ষ থেকে কোনো মুক্তিপণের দাবি জানানো হয়নি। এদিকে অপহৃত কৃষকদের পরিবার চরম উৎকণ্ঠা ও উদ্বেগের মধ্যে সময় পার করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ফয়েজ উল্লাহ বলেন, নির্বাচনী সময়ে প্রশাসনের ব্যস্ততার সুযোগ নিয়ে পাহাড়ি সশস্ত্র অপহরণকারী চক্র বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের পাশাপাশি পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধেও প্রশাসনের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। অন্যথায় পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরত সাধারণ মানুষ একের পর এক অপহরণের শিকার হবে এবং মুক্তিপণ না দিলে লাশ হয়ে ফিরতে পারে। পাহাড়ি সন্ত্রাস দমনে প্রশাসনের জোরালো ও কার্যকর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তারা।
হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান মো. শাহ জালাল বলেন, ‘ভোরে কৃষি জমিতে কাজ করতে যাওয়ার পথে পাহাড়ি অস্ত্রধারীরা কৃষকদের জিম্মি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। দ্রুত অপহৃত কৃষকদের উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।’

দিনাজপুরের বিরামপুরে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বালুর একটি ট্রাকের সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ছয়জন।
৮ মিনিট আগে
সাগরপথে গ্রিস যাওয়ার পথে অন্তত ২২ অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে ১৮ জনই বাংলাদেশি।
৮ ঘণ্টা আগে
প্রায় ১২ বছর আগে রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি থেকে প্রাণে বেঁচে ফিরেছিলেন নাসিমা বেগম (৪০)। কিন্তু জীবিকার প্রয়োজনে ঢাকায় যাওয়ার সময় রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে বাসডুবির ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন তিনি।
১০ ঘণ্টা আগে
ফরিদপুরে ২৮ হাজার লিটার, যশোরে ৭০০, ময়মনসিংহে ২৩ হাজার ও সাতক্ষীরায় ২০০ লিটার তেল পাওয়া গেছে। এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের জরিমানা করা হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে