বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ নির্বাচন: বিচারিক কমিটি গঠনে দুই জজকে মনোনয়ন

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ০৯ মার্চ ২০২৬, ২০: ৪০
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন

আসন্ন বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনে অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি গঠনে দুজন যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজকে মনোনয়ন দিয়েছে আইন ও বিচার বিভাগ। সোমবার আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদকে এ-সংক্রান্ত এক চিঠি পাঠানো হয়। সেই চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

আইন ও বিচার বিভাগ থেকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে যে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে সংসদীয় আসন বগুড়া-৬ আসনের জন্য বগুড়া জেলার যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মো.আহসান হাবিবকে এবং শেরপুর-৩ আসনের জন্য শেরপুর জেলার যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মো. মোরশেদুল আলমকে মনোনয়ন প্রদান করা হলো।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার কর্মকর্তারা জানান, তাঁরা চিঠি পেয়েছে। এখন বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের জন্য নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি গঠন করে চিঠি জারি করবে ইসি।

ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখা থেকে জানা যায়, বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য ৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে শেরপুরে ৫ জন ও বগুড়ায় ৩ জন প্রার্থী রয়েছেন। শেরপুর-৩ আসনের ৫ জন প্রার্থী হলেন, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের আবুল তালেব মো. সাইফুদ্দিন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির মো. মাসুদুর রহমান, স্বতন্ত্র থেকে মো. আমিনুল ইসলাম, বিএনপির মো. মাহমুদুল হক রুবেল ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) মো. মিজানুর রহমান। আর বগুড়া-৬ আসনের ৩ জন প্রার্থী হলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. আবিদুর রহমান, বিএনপির মো. রেজাউল করিম বাদশা ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মো. আল আলিম তালুকদার।

উল্লেখ্য, গত ৪ ফেব্রুয়ারি শেরপুর-৩ আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী এবং জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা যান। তাঁর মৃত্যুর কারণেই ওই আসনের নির্বাচন স্থগিত রেখে ২৯৯ আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত করে ইসি। আর বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচন করেন। একইসঙ্গে তিনি ঢাকা-১৭ আসনেও নির্বাচন করেন। আইন অনুযায়ী একটির বেশি আসন না রাখার কারণে তিনি বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেন। পরে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি এই ২ আসনের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে ইসি।

ইসির ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিল ও রিটার্নিং কর্মকর্তার যাচাই-বাছাই সম্পূর্ণ হয়েছে। এখন প্রার্থীরা আপিল করতে পারছেন। আগামী ১১ মার্চ আপিল নিষ্পত্তি হবে। ১৪ মার্চ প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। ১৫ মার্চ প্রতীক বরাদ্দ করবে ইসি। ১৬ মার্চ সকাল থেকে থেকে ৭ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারবে। আর ৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা হতে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত