প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন, আমরা শিশুদের আয়ুর ভাগ নিয়ে চলছি। উপকূলীয় অঞ্চলের শিশুদের স্বাভাবিক একটা জীবনের জন্য অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন, আমরা শিশুদের আয়ুর ভাগ নিয়ে চলছি। উপকূলীয় অঞ্চলের শিশুদের স্বাভাবিক একটা জীবনের জন্য অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
বুধবার (৮ অক্টোবর) বেলা ১১টায় পিআইবি মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। উপকূলীয় শিশু ফোরাম এবং জাগ্রত যুব সংঘের (জেজেএস) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সভাটির শিরোনাম ছিল ‘সংকটাপন্ন শৈশব: জলবায়ু পরিবর্তন ও উপকূলীয় শিশুদের উপর এর প্রভাব’।
আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে ফারুক ওয়াসিফ আরও বলেন, ‘পশ্চিমা দেশগুলোকে আমরা জলবায়ু জাস্টিসের কথা বলি। আমদের নিজেদের দেশেও সেইসব জাস্টিসের দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে। উপকূলীয় অঞ্চলের এইসব সংকটকে এমন জায়গায় নিয়ে যেতে হবে যেখানে কথাগুলো শোনা হবে।’

সভায় উপস্থিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিচালক নিমাই চন্দ্র দে সরকার বলেন, ‘শিশুদের জীবনযাপন যেমন দুর্যোগের প্রভাবে ব্যহত হচ্ছে তেমনি ভালো শিক্ষা থেকেও তারা বঞ্চিত হচ্ছে। সভায় উপস্থিত শিশুরা বিভিন্ন প্ল্যানিংয়ে তাদের অংশগ্রহণ চেয়েছে, তাদের এই চাহিদা আমরা পূরণ করার চেষ্টা করব। সামনে থেকে জাতীয় পরিকল্পনায় শিশুদের অংশগ্রহণের বিষয়টি আমরা গুরুত্ব সহকারে দেখব।’
জাগ্রত যুব সংঘের (জেজেএস) নির্বাহী পরিচালক এটিএম জাকির হোসেন বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উপকূলীয় শিশুরা বহুমুখী ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। শিশুদের উপস্থাপিত বিভিন্ন সংকট ও দাবির সঙ্গে সবাই একমত পোষণ করবেন বলে আশা রাখছি।’
সভায় উপকূলীয় শিশু ফোরামের পক্ষ থেকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ১৭ দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— সকল ঝুঁকিপূর্ণ শিশুর জন্য নিরাপদ আশ্রয় ও আশ্রয়কেন্দ্রে নারী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প ব্যবস্থায় শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখা, উপকূলের শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার জন্য বিশেষ তহবিল গঠন, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস (ডিআরআর) পরিকল্পনা ও আলোচনায় শিশুদের অংশগ্রহণ এবং নেতৃত্ব নিশ্চিত করা, সুন্দরবন ও নদনদীকে দখল ও দূষণমুক্ত রাখা, বেড়ি বাঁধ ভাঙন ও লবণাক্ততার কারণে বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর জন্য নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করা।’
সভায় অংশগ্রহণকারীরা উপকূলীয় শিশুদের কণ্ঠস্বরকে জাতীয় পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য নীতি নির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন, আমরা শিশুদের আয়ুর ভাগ নিয়ে চলছি। উপকূলীয় অঞ্চলের শিশুদের স্বাভাবিক একটা জীবনের জন্য অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
বুধবার (৮ অক্টোবর) বেলা ১১টায় পিআইবি মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। উপকূলীয় শিশু ফোরাম এবং জাগ্রত যুব সংঘের (জেজেএস) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সভাটির শিরোনাম ছিল ‘সংকটাপন্ন শৈশব: জলবায়ু পরিবর্তন ও উপকূলীয় শিশুদের উপর এর প্রভাব’।
আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে ফারুক ওয়াসিফ আরও বলেন, ‘পশ্চিমা দেশগুলোকে আমরা জলবায়ু জাস্টিসের কথা বলি। আমদের নিজেদের দেশেও সেইসব জাস্টিসের দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে। উপকূলীয় অঞ্চলের এইসব সংকটকে এমন জায়গায় নিয়ে যেতে হবে যেখানে কথাগুলো শোনা হবে।’

সভায় উপস্থিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিচালক নিমাই চন্দ্র দে সরকার বলেন, ‘শিশুদের জীবনযাপন যেমন দুর্যোগের প্রভাবে ব্যহত হচ্ছে তেমনি ভালো শিক্ষা থেকেও তারা বঞ্চিত হচ্ছে। সভায় উপস্থিত শিশুরা বিভিন্ন প্ল্যানিংয়ে তাদের অংশগ্রহণ চেয়েছে, তাদের এই চাহিদা আমরা পূরণ করার চেষ্টা করব। সামনে থেকে জাতীয় পরিকল্পনায় শিশুদের অংশগ্রহণের বিষয়টি আমরা গুরুত্ব সহকারে দেখব।’
জাগ্রত যুব সংঘের (জেজেএস) নির্বাহী পরিচালক এটিএম জাকির হোসেন বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উপকূলীয় শিশুরা বহুমুখী ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। শিশুদের উপস্থাপিত বিভিন্ন সংকট ও দাবির সঙ্গে সবাই একমত পোষণ করবেন বলে আশা রাখছি।’
সভায় উপকূলীয় শিশু ফোরামের পক্ষ থেকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ১৭ দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— সকল ঝুঁকিপূর্ণ শিশুর জন্য নিরাপদ আশ্রয় ও আশ্রয়কেন্দ্রে নারী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প ব্যবস্থায় শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখা, উপকূলের শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার জন্য বিশেষ তহবিল গঠন, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস (ডিআরআর) পরিকল্পনা ও আলোচনায় শিশুদের অংশগ্রহণ এবং নেতৃত্ব নিশ্চিত করা, সুন্দরবন ও নদনদীকে দখল ও দূষণমুক্ত রাখা, বেড়ি বাঁধ ভাঙন ও লবণাক্ততার কারণে বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর জন্য নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করা।’
সভায় অংশগ্রহণকারীরা উপকূলীয় শিশুদের কণ্ঠস্বরকে জাতীয় পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য নীতি নির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।
৪০ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি বুধ ও বৃহস্পতিবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্য আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নীলফামারীতে এক হাজার শয্যার চিকিৎসাকেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে। বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল’ নামে এই প্রকল্প একনেক সভায় অনুমোদন পেয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন ঢাকা-১৮ আসনে জামায়াত-এনসিপি ১০ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী মো. আরিফুল ইসলাম। আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে উত্তরার বিএনএস সেন্টারে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে