স্ট্রিম প্রতিবেদক

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের পদক্ষেপ জানতে চেয়েছেন সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে তাঁর এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, তেলের দাম ‘মডারেট’ বা সহনীয় পর্যায়ে বাড়ানো হয়েছে বলে মূল্যস্ফীতি সেভাবে বাড়বে না।
রুমিন ফারহানার প্রশ্নে দেশের আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপ জানতে চাওয়া হয়। জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, সরকার প্রাচ্য, দূরপ্রাচ্য, ইউরোপ, আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র, অর্থনৈতিক জোট ও অঞ্চলের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক পর্যায়ে কৌশলগত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। উত্তরটি তিন পৃষ্ঠার হওয়ায় স্পিকার সেটি পঠিত বলে গণ্য করেন।
পরবর্তীতে সম্পূরক প্রশ্নে রুমিন ফারহানা বলেন, 'ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধের কারণে তেলের দাম ও প্রাপ্যতা—দুটিই এখন অনিশ্চিত। বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি দীর্ঘদিন "ডাবল ডিজিটে" থাকার পর বর্তমানে খাদ্যদ্রব্যের ক্ষেত্রে তা ৯ শতাংশের কিছু ওপরে। এই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকার কী পদক্ষেপ নেবে?'
জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, 'বিশ্ববাজারে তেলের দাম যে হারে বেড়েছে, বাংলাদেশে সেই তুলনায় মূল্যবৃদ্ধি "মডেস্ট" (অত্যন্ত সামান্য )। আমাদের এখানে ডিজেলের দাম ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১৫ টাকা করা হয়েছে, অর্থাৎ ১৫ শতাংশ বেড়েছে। একটি শিল্পকারখানায় উৎপাদন খরচের (কস্ট অব প্রোডাকশন) মাত্র ৭ থেকে ৮ শতাংশ ব্যয় হয় জ্বালানি খাতে। তাই এই সামান্য বৃদ্ধিতে পণ্যের মূল্যে বড় প্রভাব পড়বে না।'
পরিবহন খাতের উদাহরণ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ২০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে একটি বাসের গড়ে ২৫-৩০ লিটার ডিজেল লাগে, যেখানে খরচ বেড়েছে মাত্র ৪৫০ টাকা। এই একই পরিমাণ ডিজেল দিয়ে যদি ১০ হাজার কেজি পণ্য পরিবহন করা হয়, তবে প্রতি কেজিতে খরচ বৃদ্ধির পরিমাণ খুবই নগণ্য। সুতরাং এটি মূল্যস্ফীতির জন্য বড় কোনো প্রভাবক নয়। সরকার অর্থনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখতেই আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মিল রেখে খুবই সীমিত পর্যায়ে দাম বাড়িয়েছে।'

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের পদক্ষেপ জানতে চেয়েছেন সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে তাঁর এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, তেলের দাম ‘মডারেট’ বা সহনীয় পর্যায়ে বাড়ানো হয়েছে বলে মূল্যস্ফীতি সেভাবে বাড়বে না।
রুমিন ফারহানার প্রশ্নে দেশের আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপ জানতে চাওয়া হয়। জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, সরকার প্রাচ্য, দূরপ্রাচ্য, ইউরোপ, আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র, অর্থনৈতিক জোট ও অঞ্চলের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক পর্যায়ে কৌশলগত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। উত্তরটি তিন পৃষ্ঠার হওয়ায় স্পিকার সেটি পঠিত বলে গণ্য করেন।
পরবর্তীতে সম্পূরক প্রশ্নে রুমিন ফারহানা বলেন, 'ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধের কারণে তেলের দাম ও প্রাপ্যতা—দুটিই এখন অনিশ্চিত। বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি দীর্ঘদিন "ডাবল ডিজিটে" থাকার পর বর্তমানে খাদ্যদ্রব্যের ক্ষেত্রে তা ৯ শতাংশের কিছু ওপরে। এই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকার কী পদক্ষেপ নেবে?'
জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, 'বিশ্ববাজারে তেলের দাম যে হারে বেড়েছে, বাংলাদেশে সেই তুলনায় মূল্যবৃদ্ধি "মডেস্ট" (অত্যন্ত সামান্য )। আমাদের এখানে ডিজেলের দাম ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১৫ টাকা করা হয়েছে, অর্থাৎ ১৫ শতাংশ বেড়েছে। একটি শিল্পকারখানায় উৎপাদন খরচের (কস্ট অব প্রোডাকশন) মাত্র ৭ থেকে ৮ শতাংশ ব্যয় হয় জ্বালানি খাতে। তাই এই সামান্য বৃদ্ধিতে পণ্যের মূল্যে বড় প্রভাব পড়বে না।'
পরিবহন খাতের উদাহরণ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ২০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে একটি বাসের গড়ে ২৫-৩০ লিটার ডিজেল লাগে, যেখানে খরচ বেড়েছে মাত্র ৪৫০ টাকা। এই একই পরিমাণ ডিজেল দিয়ে যদি ১০ হাজার কেজি পণ্য পরিবহন করা হয়, তবে প্রতি কেজিতে খরচ বৃদ্ধির পরিমাণ খুবই নগণ্য। সুতরাং এটি মূল্যস্ফীতির জন্য বড় কোনো প্রভাবক নয়। সরকার অর্থনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখতেই আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মিল রেখে খুবই সীমিত পর্যায়ে দাম বাড়িয়েছে।'

দেশের সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট আগামীকাল শুক্রবার (১২ জুন) থেকে বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মাসুদুর রহমান মাসুদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
২৬ মিনিট আগে
আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দেশের প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ সব কথা বলেন।
১ ঘণ্টা আগে
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী ও বাস্তবতাবিবর্জিত বলে মন্তব্য করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বাজেট নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এনসিপির ছায়া বাজেট কমিটির প্রধান ও কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আতিক মুজাহিদ এ মন্তব্য করেন।
১ ঘণ্টা আগে
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জন্য ১৭ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। আগের অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ১৬ হাজার ৯৫২ কোটি টাকা।
১ ঘণ্টা আগে