স্ট্রিম প্রতিবেদক

গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের ঈদুল ফিতরের ৫টি জামাতে মুসল্লিদের ঢল নামে। বড়দের সঙ্গে ঈদ জামাতে এসেছিল শিশুরাও। নামাজ শেষে মুসল্লিরা ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় এবং কোলাকুলি করে আনন্দ ভাগাভাগি করেন।
আজ শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৭টায় ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে একে একে দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায়, তৃতীয় ৯টায়, চতুর্থ ১০টায় এবং পঞ্চম ও শেষ জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে।
প্রথম জামাতে ইমামতি করেন জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মিজানুর রহমান। জামাত শেষে জাতির কল্যাণে মোনাজাত করা হয়।
দ্বিতীয় জামাত শুরুর কিছুক্ষণ আগে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়। বৃষ্টিতে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান নেওয়া মুসল্লিরা ভিজে যায়। দ্বিতীয় জামাত শুরু হয় সকাল ৮টায়। শেষ হয় ৮টা ১১ মিনিটে। দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করেন জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মুহিবুল্লাহিল বাকি নদভী। নামাজ শেষে আল্লাহর কাছের গুনাহ মাফ চেয়ে মোনাজাত করা হয়।
দুই সন্তানকে নিয়ে দ্বিতীয় জামাতে নামাজ আদায় করতে এসেছিলেন চাকরিজীবী আশরাফ উদ্দিন আহমেদ। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ‘এবার ঈদে বাড়ি যাইনি। তাই দুই সন্তানকে নিয়ে নামাজ পড়তে এসেছি। অনেক ভালো লাগছে।’
মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান স্ট্রিমকে বলেন, ‘বৃষ্টিকে কোনো সমস্যাই মনে হচ্ছে না। ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারছি এতেই ভালো লাগছে।’
তৃতীয় জামাতে ইমামতি করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মাওলানা মো. জাকির হোসেন, চতুর্থ জামাতে ইমাম ছিলেন প্রশিক্ষণ একাডেমির ধর্মীয় প্রশিক্ষক মাওলানা যোবায়ের আহমেদ আল আযহারী এবং পঞ্চম ও শেষ জামাতে ইমামতি করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ।
এ সময় নিরাপত্তার দায়িত্বে জাতীয় মসজিদের চারপাশে ছিলেন কয়েকশো পুলিশ সদস্য।

গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের ঈদুল ফিতরের ৫টি জামাতে মুসল্লিদের ঢল নামে। বড়দের সঙ্গে ঈদ জামাতে এসেছিল শিশুরাও। নামাজ শেষে মুসল্লিরা ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় এবং কোলাকুলি করে আনন্দ ভাগাভাগি করেন।
আজ শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৭টায় ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে একে একে দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায়, তৃতীয় ৯টায়, চতুর্থ ১০টায় এবং পঞ্চম ও শেষ জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে।
প্রথম জামাতে ইমামতি করেন জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মিজানুর রহমান। জামাত শেষে জাতির কল্যাণে মোনাজাত করা হয়।
দ্বিতীয় জামাত শুরুর কিছুক্ষণ আগে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়। বৃষ্টিতে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান নেওয়া মুসল্লিরা ভিজে যায়। দ্বিতীয় জামাত শুরু হয় সকাল ৮টায়। শেষ হয় ৮টা ১১ মিনিটে। দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করেন জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মুহিবুল্লাহিল বাকি নদভী। নামাজ শেষে আল্লাহর কাছের গুনাহ মাফ চেয়ে মোনাজাত করা হয়।
দুই সন্তানকে নিয়ে দ্বিতীয় জামাতে নামাজ আদায় করতে এসেছিলেন চাকরিজীবী আশরাফ উদ্দিন আহমেদ। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ‘এবার ঈদে বাড়ি যাইনি। তাই দুই সন্তানকে নিয়ে নামাজ পড়তে এসেছি। অনেক ভালো লাগছে।’
মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান স্ট্রিমকে বলেন, ‘বৃষ্টিকে কোনো সমস্যাই মনে হচ্ছে না। ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারছি এতেই ভালো লাগছে।’
তৃতীয় জামাতে ইমামতি করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মাওলানা মো. জাকির হোসেন, চতুর্থ জামাতে ইমাম ছিলেন প্রশিক্ষণ একাডেমির ধর্মীয় প্রশিক্ষক মাওলানা যোবায়ের আহমেদ আল আযহারী এবং পঞ্চম ও শেষ জামাতে ইমামতি করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ।
এ সময় নিরাপত্তার দায়িত্বে জাতীয় মসজিদের চারপাশে ছিলেন কয়েকশো পুলিশ সদস্য।

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘এই দেশকে, এই রাষ্ট্রকে, এই সমাজকে ঠিক রাখতে হলে সব ধরনের দুর্বৃত্তায়ন থেকে দূরে থাকতে হবে। আমরা সমস্ত দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছি।’
৯ মিনিট আগে
সকাল থেকেই আকাশ ছিল মেঘাচ্ছন্ন, গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিও হয়। এই বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নিতে মুসল্লিদের ঢল নামে। আজ শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে এখানে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৩ মিনিট আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কূটনীতিক ও শিক্ষাবিদসহ দেশের সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। আজ শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১০টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান শুরু হয়।
২ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘হিংসা বিদ্বেষ ভুলে নতুন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।’
২ ঘণ্টা আগে