আমাদের অনেকেরই সানস্ক্রিন সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা নেই। এজন্য সানস্ক্রিন কেনার সময় প্রায়ই আমরা কিছু ভুল করি।
স্ট্রিম ডেস্ক

ত্বকের সুরক্ষায় সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি। বিশেষজ্ঞরা বলেন, যেকোনো ঋতুতেই দিনের বেলা সানস্ক্রিন ব্যবহার করা যেতে পারে। আর গরমে তো কথাই নেই। অনেকে অভিযোগ করেন, সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে মুখ তেল চিটচিটে হয়ে যায় কিংবা মুখ ঘামে। এ কারণে সানস্ক্রিন ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নেন কেউ কেউ।
কিন্তু রোদের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের ক্ষতি করে। গ্রীষ্মের তীব্র রোদে সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে ত্বক তুলনামূলক ভালো থাকবে। সানস্ক্রিন ত্বকের বলিরেখা পড়া রোধ করতে সাহায্য করে। রোদে পোড়া ভাব প্রতিরোধ করে এবং ত্বককে মসৃণ ও উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে।
কিন্তু আমাদের অনেকেরই সানস্ক্রিন সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা নেই। এজন্য সানস্ক্রিন কেনার সময় প্রায়ই আমরা কিছু ভুল করি।
সানস্ক্রিন কেনার সময় এসপিএফ বা সান প্রোটেকশন ফ্যাক্টর দেখা জরুরি। অনেকেই বুঝতে পারেন না, কত এসপিএফের সানস্ক্রিন কেনা উচিত। প্রতিদিন ব্যবহারের জন্য এসপিএফ ৩০ থেকে ৫০ মাত্রার সানস্ক্রিন ভালো কাজ করে।

এসপিএফ ৩০ ত্বকে প্রায় ৯৭ শতাংশ অতিবেগুনি রশ্মি আটকাতে পারে। আর এসপিএফ ৫০ প্রায় ৯৮ শতাংশ অতিবেগুনি রশ্মি থেকে সুরক্ষা দেয়। সানস্ক্রিন কেনার সময় ‘ব্রড স্পেকট্রাম’ লেখা আছে কি না তা দেখে নেওয়া ভালো। এটা ত্বককে অতিবেগুনি রশ্মির সব ক্ষতিকর ধরন থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।
সকালে একবার সানস্ক্রিন মেখে সারাদিন পার করাটাও ভুল। সানস্ক্রিন সাধারণত দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত ত্বককে সুরক্ষা দেয়। এরপর এর কার্যকারিতা কমে যায়। তাই বাইরে থাকলে প্রতি দুই থেকে তিন ঘণ্টা পরপর সানস্ক্রিন পুনরায় লাগানো উচিত। যারা খুব বেশি ঘামেন বা সাঁতার কাটেন, তাঁদের আরও ঘন ঘন সানস্ক্রিন মাখতে হবে।
যাঁরা মেকআপ করেন, তাঁরা চাইলে মেকআপের ওপর সানস্ক্রিন পাউডার বা স্প্রে ব্যবহার করতে পারেন।
সবার ত্বক এক রকম নয়। ত্বকের ধরন না বুঝে সানস্ক্রিন কেনা আরেকটি ভুল। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ম্যাট বা জেল বেসড সানস্ক্রিন ভালো। এতে ত্বকে তেলতেলে বা চিটচিটে ভাব কম থাকে। শুষ্ক ত্বকের জন্য ক্রিম বেসড বা ময়েশ্চারাইজার যুক্ত সানস্ক্রিন বেছে নিতে হবে। এতে ত্বকে আর্দ্রতা বজায় থাকে।

সংবেদনশীল বা সেনসিটিভ ত্বকের জন্য মিনারেল সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত। এতে জিংক অক্সাইড বা টাইটানিয়াম ডাইঅক্সাইড থাকে। এগুলো ত্বকে কোনো ধরনের জ্বালাপোড়া তৈরি করে না।
ত্বকের ধরন বুঝে সানস্ক্রিন কেনার পরও যদি মুখে অস্বস্তিকর অনুভূতি হয়, তবে তা ব্যবহার না করাই ভালো। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে।
অনেকেই খুব অল্প পরিমাণে সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন। এতে ত্বক পুরোপুরি সুরক্ষা পায় না। মুখ ও গলার জন্য অন্তত আধা চা চামচ পরিমাণ সানস্ক্রিন নিলে ভালো ফল পাওয়া যায়। আরেকটি ভুল হলো শুধু মুখে সানস্ক্রিন মাখা। শরীরের যেসব জায়গায় রোদ লাগে, সেখানেও সানস্ক্রিন মাখতে হবে।

ঘাড়, হাত এবং পায়ে সানস্ক্রিন মাখতে ভুলবেন না। বাইরে যাওয়ার অন্তত ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগে সানস্ক্রিন ত্বকে মাখা উচিত। এতে সানস্ক্রিন ত্বকের সাথে ভালোভাবে মিশে যাওয়ার সময় পায়।
সারাদিন সানস্ক্রিন ব্যবহারের পর রাতে তা ঠিকমতো পরিষ্কার না করাটাও ভুল। অনেক সানস্ক্রিন সাধারণ ফেসওয়াশ দিয়ে পুরোপুরি পরিষ্কার হয় না। এ কারণে রাতে ঘুমানোর আগে মুখ ডাবল ক্লিনজিং করা উচিত। প্রথমে মাইসেলার ওয়াটার বা ক্লিনজিং বাম দিয়ে মুখ মুছে নিতে হবে। এরপর সাধারণ ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে ত্বকের লোমকূপ বন্ধ হয়ে যায় না।
অনেকেই মনে করেন শুধু বাইরে গেলেই সানস্ক্রিন মাখতে হয়। এটি ভুল ধারণা। বিখ্যাত ডার্মাটোলজিস্ট ডা. অঞ্জলি মাহতো তাঁর ‘দি স্কিনকেয়ার বাইবেল’ বইয়ে লিখেছেন, ‘সানস্ক্রিন শুধু রোদ থাকলেই মাখতে হবে, এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। মেঘলা দিনে বা ঘরের ভেতর জানালার পাশে বসে থাকলেও ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। তাই প্রতিদিনের স্কিনকেয়ার রুটিনে সানস্ক্রিন রাখা বাধ্যতামূলক।’
মনে রাখবেন, সানস্ক্রিন রূপচর্চার অংশ নয়। এটা ত্বক সুস্থ রাখার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপায়। রোদ থেকে ত্বককে বাঁচাতে ত্বকের ধরন বুঝে সঠিক সানস্ক্রিন বেছে নিন। নিয়ম মেনে এবং সঠিক পরিমাণে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

ত্বকের সুরক্ষায় সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি। বিশেষজ্ঞরা বলেন, যেকোনো ঋতুতেই দিনের বেলা সানস্ক্রিন ব্যবহার করা যেতে পারে। আর গরমে তো কথাই নেই। অনেকে অভিযোগ করেন, সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে মুখ তেল চিটচিটে হয়ে যায় কিংবা মুখ ঘামে। এ কারণে সানস্ক্রিন ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নেন কেউ কেউ।
কিন্তু রোদের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের ক্ষতি করে। গ্রীষ্মের তীব্র রোদে সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে ত্বক তুলনামূলক ভালো থাকবে। সানস্ক্রিন ত্বকের বলিরেখা পড়া রোধ করতে সাহায্য করে। রোদে পোড়া ভাব প্রতিরোধ করে এবং ত্বককে মসৃণ ও উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে।
কিন্তু আমাদের অনেকেরই সানস্ক্রিন সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা নেই। এজন্য সানস্ক্রিন কেনার সময় প্রায়ই আমরা কিছু ভুল করি।
সানস্ক্রিন কেনার সময় এসপিএফ বা সান প্রোটেকশন ফ্যাক্টর দেখা জরুরি। অনেকেই বুঝতে পারেন না, কত এসপিএফের সানস্ক্রিন কেনা উচিত। প্রতিদিন ব্যবহারের জন্য এসপিএফ ৩০ থেকে ৫০ মাত্রার সানস্ক্রিন ভালো কাজ করে।

এসপিএফ ৩০ ত্বকে প্রায় ৯৭ শতাংশ অতিবেগুনি রশ্মি আটকাতে পারে। আর এসপিএফ ৫০ প্রায় ৯৮ শতাংশ অতিবেগুনি রশ্মি থেকে সুরক্ষা দেয়। সানস্ক্রিন কেনার সময় ‘ব্রড স্পেকট্রাম’ লেখা আছে কি না তা দেখে নেওয়া ভালো। এটা ত্বককে অতিবেগুনি রশ্মির সব ক্ষতিকর ধরন থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।
সকালে একবার সানস্ক্রিন মেখে সারাদিন পার করাটাও ভুল। সানস্ক্রিন সাধারণত দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত ত্বককে সুরক্ষা দেয়। এরপর এর কার্যকারিতা কমে যায়। তাই বাইরে থাকলে প্রতি দুই থেকে তিন ঘণ্টা পরপর সানস্ক্রিন পুনরায় লাগানো উচিত। যারা খুব বেশি ঘামেন বা সাঁতার কাটেন, তাঁদের আরও ঘন ঘন সানস্ক্রিন মাখতে হবে।
যাঁরা মেকআপ করেন, তাঁরা চাইলে মেকআপের ওপর সানস্ক্রিন পাউডার বা স্প্রে ব্যবহার করতে পারেন।
সবার ত্বক এক রকম নয়। ত্বকের ধরন না বুঝে সানস্ক্রিন কেনা আরেকটি ভুল। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ম্যাট বা জেল বেসড সানস্ক্রিন ভালো। এতে ত্বকে তেলতেলে বা চিটচিটে ভাব কম থাকে। শুষ্ক ত্বকের জন্য ক্রিম বেসড বা ময়েশ্চারাইজার যুক্ত সানস্ক্রিন বেছে নিতে হবে। এতে ত্বকে আর্দ্রতা বজায় থাকে।

সংবেদনশীল বা সেনসিটিভ ত্বকের জন্য মিনারেল সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত। এতে জিংক অক্সাইড বা টাইটানিয়াম ডাইঅক্সাইড থাকে। এগুলো ত্বকে কোনো ধরনের জ্বালাপোড়া তৈরি করে না।
ত্বকের ধরন বুঝে সানস্ক্রিন কেনার পরও যদি মুখে অস্বস্তিকর অনুভূতি হয়, তবে তা ব্যবহার না করাই ভালো। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে।
অনেকেই খুব অল্প পরিমাণে সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন। এতে ত্বক পুরোপুরি সুরক্ষা পায় না। মুখ ও গলার জন্য অন্তত আধা চা চামচ পরিমাণ সানস্ক্রিন নিলে ভালো ফল পাওয়া যায়। আরেকটি ভুল হলো শুধু মুখে সানস্ক্রিন মাখা। শরীরের যেসব জায়গায় রোদ লাগে, সেখানেও সানস্ক্রিন মাখতে হবে।

ঘাড়, হাত এবং পায়ে সানস্ক্রিন মাখতে ভুলবেন না। বাইরে যাওয়ার অন্তত ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগে সানস্ক্রিন ত্বকে মাখা উচিত। এতে সানস্ক্রিন ত্বকের সাথে ভালোভাবে মিশে যাওয়ার সময় পায়।
সারাদিন সানস্ক্রিন ব্যবহারের পর রাতে তা ঠিকমতো পরিষ্কার না করাটাও ভুল। অনেক সানস্ক্রিন সাধারণ ফেসওয়াশ দিয়ে পুরোপুরি পরিষ্কার হয় না। এ কারণে রাতে ঘুমানোর আগে মুখ ডাবল ক্লিনজিং করা উচিত। প্রথমে মাইসেলার ওয়াটার বা ক্লিনজিং বাম দিয়ে মুখ মুছে নিতে হবে। এরপর সাধারণ ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে ত্বকের লোমকূপ বন্ধ হয়ে যায় না।
অনেকেই মনে করেন শুধু বাইরে গেলেই সানস্ক্রিন মাখতে হয়। এটি ভুল ধারণা। বিখ্যাত ডার্মাটোলজিস্ট ডা. অঞ্জলি মাহতো তাঁর ‘দি স্কিনকেয়ার বাইবেল’ বইয়ে লিখেছেন, ‘সানস্ক্রিন শুধু রোদ থাকলেই মাখতে হবে, এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। মেঘলা দিনে বা ঘরের ভেতর জানালার পাশে বসে থাকলেও ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। তাই প্রতিদিনের স্কিনকেয়ার রুটিনে সানস্ক্রিন রাখা বাধ্যতামূলক।’
মনে রাখবেন, সানস্ক্রিন রূপচর্চার অংশ নয়। এটা ত্বক সুস্থ রাখার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপায়। রোদ থেকে ত্বককে বাঁচাতে ত্বকের ধরন বুঝে সঠিক সানস্ক্রিন বেছে নিন। নিয়ম মেনে এবং সঠিক পরিমাণে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

মেট গালায় এবারের আমন্ত্রিত অতিথিদের ছবিতে এখন সয়লাব সোশ্যাল মিডিয়া। প্রতিবছর বিশ্বের খ্যাতনামা তারকাদের পরনে অদ্ভুত সব ডিজাইনের জমকালো পোশাক দেখে অনেকেরই চোখ কপালে ওঠে। মনে জাগে হাজারো প্রশ্ন।
২১ ঘণ্টা আগে
ছোটরা খুব বেশি ভয়ের কিছু দেখলে সাময়িকভাবে কিছুটা ভয় পেতে পারে। এটাই স্বাভাবিক। হয়তো হঠাৎ অন্ধকারে ভয় পাবে। অচেনা মানুষ দেখলে ঘাবড়ে যাবে। ঘুমেও সমস্যা হতে পারে। হয়তো মাঝে মাঝে দুঃস্বপ্নও দেখবে।
১ দিন আগে
অ্যাজমা শ্বাসতন্ত্রের দীর্ঘস্থায়ী রোগ। একে পুরোপুরি সারিয়ে তোলা সম্ভব নয়। তবে সঠিক চিকিৎসা, নিয়মিত যত্ন এবং সচেতন জীবনযাত্রার মাধ্যমে এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
২ দিন আগে
তবে প্রতিটি বিড়ালের বিষণ্নতার অভিজ্ঞতা আলাদা হয়। তাই একেকটি বিড়ালের ক্ষেত্রে এর প্রকাশও একেক রকম হতে পারে। মিলিয়ে দেখুন আপনার আদরের পোষা বিড়ালের মধ্যে এই বিষণ্ণতার লক্ষণগুলো আছে কি-না!
২ দিন আগে