স্ট্রিম প্রতিবেদক

দ্বৈত নাগরিকত্ব বিতর্কে বাতিলদের প্রার্থিতা শর্তসাপেক্ষে বৈধ ঘোষণা করা হতে পারে। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে করা আপিলের বিরুদ্ধে চলমান শুনানিতে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এমন আভাস দিয়েছে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কর্মকর্তারা।
মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তারা সংবিধানের ৬৬(২)(গ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে বেশ কয়েকজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেন। তবে আপিল শুনানিতে প্রার্থীরা দাবি করছেন, তাঁরা ইতিমধ্যে বিদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন।
কমিশন এমন সব বৈধ-অবৈধ প্রার্থীদের শনিবার ঢাকায় ডেকে পাঠান। এরমধ্যে আছেন শুনানিতে ইতিমধ্যে প্রার্থিতা হারানো রংপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ব্যারিস্টার মঞ্জুম আলী এবং শেরপুর-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী।
প্রার্থীদের উদ্দেশে শুনানিতে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে আমরা একটি স্ট্যান্ডিং পয়েন্টে দাঁড়িয়েছি। রোববার সব রায় একসঙ্গে দেওয়া হবে।
তিনি জানান, দৈত্ব নাগরিকত্ব আছে- এমন তিন ধরনের প্রার্থীদের ডাকা হয়। এর মধ্যে যাদের বিরুদ্ধে কোনো আপিল জমা পড়েনি এবং বৈধ হয়ে গেছেন। তাদের আমরা সুয়োমোটোর মাধ্যমে ডেকেছি। এটি ১০ থেকে ১২ জন। যাদের বিরুদ্ধে আপিল পড়েছে এবং দুই-একজন যাদের আপিল ইতিমধ্যে ইসি বাতিল করেছে। এখন সিরিয়াল অনুযায়ী সবার অভিযোগ শুনে তারপর একসঙ্গে সব রায় দেওয়া হবে।
এ সময়ে আরেক নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘বিদ্যমান পরিস্থিতিতে আমরা সবার জন্য অভিন্ন রায় দেব।’
এর আগে বেলা সোয়া ১১টায় মানিকগঞ্জ-২ আসনের বৈধ প্রার্থী আফরোজা খানমের বিরুদ্ধে করা আপিল শুনানির সময়ে ইসিতে দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে উপস্থিত সংশ্লিষ্ট সিনিয়র আইনজীবীদের কাছে ব্যাখ্যা চান ইসি। এ সময় তারা ব্যাখ্যা দেন।
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, সংবিধানের ৬৬ ধারায় বিদেশের নাগরিকত্ব ত্যাগের কথা বলা হয়েছে। নির্বাচন করতে এর জন্য কোনো প্রত্যয়নপত্র দেখাতে বলা হয়নি। তাই যদি কেউ ওই দেশে আপিল করে থাকেন এবং তাঁর পক্ষে যদি করণীয় আর কিছু না থাকে, তবে আইন বলে প্রার্থীরা নির্বাচন করতে পারবেন।
অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নাগরিকত্ব পরিত্যাগের আবেদন এমন একটি বিষয় যা একবার আবেদন করলে আর ফেরত আনা যাবে না। আজ হোক বা দুই দিন পরে হোক, এই আবেদন গৃহীত হবে। আর যেহেতু এবার আরপিওতে প্রার্থী সংসদ সদস্য হবার পরেও প্রার্থিতা বাতিলের আইন করা হয়েছে, তাই একটা সুযোগ এই প্রার্থীরা পেতেই পারেন।
ব্যারিস্টার এস এম শাহরিয়ার কবির বলেন, যুক্তরাজ্যের আইন অনুযায়ী কেউ আবেদন করলেই তাঁর নাগরিকত্ব পরিত্যাগের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায়। আবার এই প্রক্রিয়া দেশভেদে ভিন্ন। বিভিন্ন দেশের ভিন্ন ভিন্ন আইন এবং প্রক্রিয়ার কথা বিবেচনা করে একটি সাধারণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
অ্যাডভোকেট শাহ বখতিয়ার ইলিয়াস বলেছেন, যেহেতু নাগরিকত্ব ত্যাগের কথা স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, তাই অবশ্যই নাগরিকত্ব পরিত্যাগের সনদ দিতে হবে।
এনসিপি নেতা অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুছা বলেন, যেহেতু এই বিষয়টি সংবিধানে উল্লেখ আছে, তাই এটির ব্যত্যয় ইসির আওতাবহির্ভূত। এটি সুপ্রিম কোর্ট দেখবে।
তবে আপিল চলাকালীন নির্বাচন কমিশনার রহমানেল মাছউদ বলেন, যাদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আছে বা যারা দ্বৈত নাগরিকত্বের কথা উল্লেখ করেছেন, তাদের একটি এফিডেভিড জমা দিতে হবে যে যদি কখনো প্রমাণ হয়, তবে তাদের প্রার্থিতা বাতিল হবে।
বিশালসংখ্যক ভোটার সমর্থনের ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও ‘বিশেষ বিবেচনায়’ প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন খাগড়াছড়ি আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জিরুনা ত্রিপুরা।
আইন অনুযায়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জিরুনা ত্রিপুরার ৪ হাজার ৭৪১ জন ভোটারের সমর্থনসূচক স্বাক্ষর জমা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তিনি জমা দিয়েছিলেন মাত্র ৬১৩ জনের। ৪ হাজার ১২৮ ভোটারের সমর্থনের ঘাটতি থাকায় রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর প্রার্থিতা বাতিল করেছিলেন। তবে শুনানিতে তাঁর যুক্তি ও পাহাড়ের ভৌগোলিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে কমিশন নির্বাচনে লড়ার সুযোগ দেয়।
প্রার্থিতা ফিরে পেয়ে জিরুনা ত্রিপুরা বলেছেন, পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় এত বিশালসংখ্যক মানুষের স্বাক্ষর সংগ্রহ করার জন্য প্রয়োজনীয় সময় পাইনি। বাছাইয়ের দিন সমর্থকদের নিয়ে গেলেও দীর্ঘ লাইনের কারণে সময় শেষ হয়ে যায়। ফলে রিটার্নিং কর্মকর্তা আমার আবেদন বাতিল করেছিলেন। কমিশন বিষয়টি সদয় বিবেচনা করায় আমি কৃতজ্ঞ।
খাগড়াছড়ি আসনে একমাত্র নারী প্রার্থী হিসেবে এখন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন জিরুনা ত্রিপুরা।

অষ্টম দিনে ৪৫ আবেদন মঞ্জুর
শনিবার মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ১১২টি আবেদনের শুনানি গ্রহণ করা হয়। শুনানিতে ৪৫টি আপিল মঞ্জুর হয়েছে।
এর মধ্যে মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে মঞ্জুর হয়েছে ৪৩টি এবং মনোনয়নপত্র গ্রহণের বিরুদ্ধে মঞ্জুর হয়েছে ২টি আবেদন। কমিশন ৩৭টি আপিল নামঞ্জুর করেছে। এর মধ্যে মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে নামঞ্জুর হয়েছে ১৩টি এবং মনোনয়নপত্র গ্রহণের বিরুদ্ধে নামঞ্জুর হয়েছে ২৪টি আবেদন।
শুনানিকালে ৯টি আপিল আবেদন প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে এবং ২ জন আপিলকারী অনুপস্থিত ছিলেন। কমিশন ১৯টি আপিল আবেদন অপেক্ষমাণ রেখেছে।
রবিবার অবশিষ্ট সব আপিলের শুনানি হবে। সকাল ১০টা থেকে আপিল শুনানি শুরু হবে।

দ্বৈত নাগরিকত্ব বিতর্কে বাতিলদের প্রার্থিতা শর্তসাপেক্ষে বৈধ ঘোষণা করা হতে পারে। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে করা আপিলের বিরুদ্ধে চলমান শুনানিতে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এমন আভাস দিয়েছে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কর্মকর্তারা।
মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তারা সংবিধানের ৬৬(২)(গ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে বেশ কয়েকজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেন। তবে আপিল শুনানিতে প্রার্থীরা দাবি করছেন, তাঁরা ইতিমধ্যে বিদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন।
কমিশন এমন সব বৈধ-অবৈধ প্রার্থীদের শনিবার ঢাকায় ডেকে পাঠান। এরমধ্যে আছেন শুনানিতে ইতিমধ্যে প্রার্থিতা হারানো রংপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ব্যারিস্টার মঞ্জুম আলী এবং শেরপুর-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী।
প্রার্থীদের উদ্দেশে শুনানিতে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে আমরা একটি স্ট্যান্ডিং পয়েন্টে দাঁড়িয়েছি। রোববার সব রায় একসঙ্গে দেওয়া হবে।
তিনি জানান, দৈত্ব নাগরিকত্ব আছে- এমন তিন ধরনের প্রার্থীদের ডাকা হয়। এর মধ্যে যাদের বিরুদ্ধে কোনো আপিল জমা পড়েনি এবং বৈধ হয়ে গেছেন। তাদের আমরা সুয়োমোটোর মাধ্যমে ডেকেছি। এটি ১০ থেকে ১২ জন। যাদের বিরুদ্ধে আপিল পড়েছে এবং দুই-একজন যাদের আপিল ইতিমধ্যে ইসি বাতিল করেছে। এখন সিরিয়াল অনুযায়ী সবার অভিযোগ শুনে তারপর একসঙ্গে সব রায় দেওয়া হবে।
এ সময়ে আরেক নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘বিদ্যমান পরিস্থিতিতে আমরা সবার জন্য অভিন্ন রায় দেব।’
এর আগে বেলা সোয়া ১১টায় মানিকগঞ্জ-২ আসনের বৈধ প্রার্থী আফরোজা খানমের বিরুদ্ধে করা আপিল শুনানির সময়ে ইসিতে দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে উপস্থিত সংশ্লিষ্ট সিনিয়র আইনজীবীদের কাছে ব্যাখ্যা চান ইসি। এ সময় তারা ব্যাখ্যা দেন।
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, সংবিধানের ৬৬ ধারায় বিদেশের নাগরিকত্ব ত্যাগের কথা বলা হয়েছে। নির্বাচন করতে এর জন্য কোনো প্রত্যয়নপত্র দেখাতে বলা হয়নি। তাই যদি কেউ ওই দেশে আপিল করে থাকেন এবং তাঁর পক্ষে যদি করণীয় আর কিছু না থাকে, তবে আইন বলে প্রার্থীরা নির্বাচন করতে পারবেন।
অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নাগরিকত্ব পরিত্যাগের আবেদন এমন একটি বিষয় যা একবার আবেদন করলে আর ফেরত আনা যাবে না। আজ হোক বা দুই দিন পরে হোক, এই আবেদন গৃহীত হবে। আর যেহেতু এবার আরপিওতে প্রার্থী সংসদ সদস্য হবার পরেও প্রার্থিতা বাতিলের আইন করা হয়েছে, তাই একটা সুযোগ এই প্রার্থীরা পেতেই পারেন।
ব্যারিস্টার এস এম শাহরিয়ার কবির বলেন, যুক্তরাজ্যের আইন অনুযায়ী কেউ আবেদন করলেই তাঁর নাগরিকত্ব পরিত্যাগের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায়। আবার এই প্রক্রিয়া দেশভেদে ভিন্ন। বিভিন্ন দেশের ভিন্ন ভিন্ন আইন এবং প্রক্রিয়ার কথা বিবেচনা করে একটি সাধারণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
অ্যাডভোকেট শাহ বখতিয়ার ইলিয়াস বলেছেন, যেহেতু নাগরিকত্ব ত্যাগের কথা স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, তাই অবশ্যই নাগরিকত্ব পরিত্যাগের সনদ দিতে হবে।
এনসিপি নেতা অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুছা বলেন, যেহেতু এই বিষয়টি সংবিধানে উল্লেখ আছে, তাই এটির ব্যত্যয় ইসির আওতাবহির্ভূত। এটি সুপ্রিম কোর্ট দেখবে।
তবে আপিল চলাকালীন নির্বাচন কমিশনার রহমানেল মাছউদ বলেন, যাদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আছে বা যারা দ্বৈত নাগরিকত্বের কথা উল্লেখ করেছেন, তাদের একটি এফিডেভিড জমা দিতে হবে যে যদি কখনো প্রমাণ হয়, তবে তাদের প্রার্থিতা বাতিল হবে।
বিশালসংখ্যক ভোটার সমর্থনের ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও ‘বিশেষ বিবেচনায়’ প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন খাগড়াছড়ি আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জিরুনা ত্রিপুরা।
আইন অনুযায়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জিরুনা ত্রিপুরার ৪ হাজার ৭৪১ জন ভোটারের সমর্থনসূচক স্বাক্ষর জমা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তিনি জমা দিয়েছিলেন মাত্র ৬১৩ জনের। ৪ হাজার ১২৮ ভোটারের সমর্থনের ঘাটতি থাকায় রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর প্রার্থিতা বাতিল করেছিলেন। তবে শুনানিতে তাঁর যুক্তি ও পাহাড়ের ভৌগোলিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে কমিশন নির্বাচনে লড়ার সুযোগ দেয়।
প্রার্থিতা ফিরে পেয়ে জিরুনা ত্রিপুরা বলেছেন, পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় এত বিশালসংখ্যক মানুষের স্বাক্ষর সংগ্রহ করার জন্য প্রয়োজনীয় সময় পাইনি। বাছাইয়ের দিন সমর্থকদের নিয়ে গেলেও দীর্ঘ লাইনের কারণে সময় শেষ হয়ে যায়। ফলে রিটার্নিং কর্মকর্তা আমার আবেদন বাতিল করেছিলেন। কমিশন বিষয়টি সদয় বিবেচনা করায় আমি কৃতজ্ঞ।
খাগড়াছড়ি আসনে একমাত্র নারী প্রার্থী হিসেবে এখন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন জিরুনা ত্রিপুরা।

অষ্টম দিনে ৪৫ আবেদন মঞ্জুর
শনিবার মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ১১২টি আবেদনের শুনানি গ্রহণ করা হয়। শুনানিতে ৪৫টি আপিল মঞ্জুর হয়েছে।
এর মধ্যে মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে মঞ্জুর হয়েছে ৪৩টি এবং মনোনয়নপত্র গ্রহণের বিরুদ্ধে মঞ্জুর হয়েছে ২টি আবেদন। কমিশন ৩৭টি আপিল নামঞ্জুর করেছে। এর মধ্যে মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে নামঞ্জুর হয়েছে ১৩টি এবং মনোনয়নপত্র গ্রহণের বিরুদ্ধে নামঞ্জুর হয়েছে ২৪টি আবেদন।
শুনানিকালে ৯টি আপিল আবেদন প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে এবং ২ জন আপিলকারী অনুপস্থিত ছিলেন। কমিশন ১৯টি আপিল আবেদন অপেক্ষমাণ রেখেছে।
রবিবার অবশিষ্ট সব আপিলের শুনানি হবে। সকাল ১০টা থেকে আপিল শুনানি শুরু হবে।

চট্টগ্রাম শহরে ৩৩০ ব্যক্তির অবস্থান ও প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে পুলিশ। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো নগর পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসিব আজিজের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাদের ‘দুষ্কৃতকারী’ উল্লেখ করে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে জরিমানা করায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে তর্কে জড়িয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে সরাইল উপজেলার ইসলামপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর উত্তরা এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে আগুন লাগার কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় শনিবার পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স।
৩ ঘণ্টা আগে
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণায় প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের সামনে কোনো আইনগত বাধা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি বলেছেন, সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনায় দেখা গেছে, এ বিষয়ে সরকারি কর্মচারীদের ওপর কোনো আইনি নিষেধাজ্ঞা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে