স্ট্রিম ডেস্ক

সাজা শেষ হওয়ার পরও পরিচয় শনাক্তকরণ ও আইনি জটিলতায় বাংলাদেশের বিভিন্ন কারাগারে আটকে আছেন প্রায় দেড় শ ভারতীয় নাগরিক। সোমবার (৮ জুন) নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাংলাদেশি কর্মকর্তার বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি ১৫২ বিদেশি নাগরিকের ১৪৮ জনই ভারতীয়। পরিচয় শনাক্তকরণের জটিলতা এবং যথাযথ প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক উদ্যোগের অভাবে সাজা শেষ হওয়ার পরও তাদের বন্দিদশা দীর্ঘায়িত হচ্ছে। এদের অধিকাংশেরই বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগ রয়েছে।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিবেদনের বরাতে টেলিগ্রাফ জানায়, শুধুমাত্র শরীয়তপুর জেলা কারাগারেই সাজা শেষ হওয়া ১৭ জন ভারতীয় নাগরিক আটকে আছেন, এর মধ্যে ১৪ জন পুরুষ ও ৩ জন নারী।
কারাগারের জেলার পাপিয়া সুলতানা জানান, ২০২২ ও ২০২৩ সালের বিভিন্ন সময়ে পদ্মা সেতুর কাছাকাছি এলাকা থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে পুলিশ ২০ জন ভারতীয়কে আটক করে এবং পরে আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। সাজা শেষ হলেও বর্তমানে তারা ‘রিলিজ প্রিজনার’ (আরপি) হিসেবে বন্দি আছেন। তিনি অভিযোগ করেন, এই বিষয়ে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা হলেও ভারতীয় দূতাবাসের সাড়া পাওয়া যায়নি।
জেলার পাপিয়া সুলতানা জানান, বন্দিদের মধ্যে সত্যেন্দ্র কুমার এবং বাবুল সিং নামের দুই ভারতীয় ২০২৪ সালের ২ ফেব্রুয়ারি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এছাড়া রাজন নামে আরেক বন্দি ২০২৫ সালের ২৯ মে মারা যান। পরে আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষে ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে দুইজনের এবং একই বছরের ডিসেম্বরে তৃতীয় জনের মরদেহ স্থানীয়ভাবে সৎকার (দাহ) করা হয়।
কারাগারে থাকা ১৭ ভারতীয় ভাষার কারণে নানামুখী ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। যথাযথভাবে যোগাযোগ করতে না পারায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে অনেক বন্দি ঠিকমতো খাবারও খাচ্ছে না।
এ বিষয়ে শরীয়তপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মৃধা নজরুল কবির বলেন, ‘বিষয়টি মানবিক। এই অসহায় বন্দিরা যাতে পরিবার ও নিজ দেশে ফিরে যেতে পারেন, সেজন্য বাংলাদেশের পররাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত এবং কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।’
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভারত ছাড়াও পাকিস্তান, মিয়ানমার ও নাইজেরিয়ার বেশ কয়েকজন নাগরিক সাজা শেষ হওয়ার পরও নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের অপেক্ষায় আছেন।
তথ্যসূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া

সাজা শেষ হওয়ার পরও পরিচয় শনাক্তকরণ ও আইনি জটিলতায় বাংলাদেশের বিভিন্ন কারাগারে আটকে আছেন প্রায় দেড় শ ভারতীয় নাগরিক। সোমবার (৮ জুন) নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাংলাদেশি কর্মকর্তার বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি ১৫২ বিদেশি নাগরিকের ১৪৮ জনই ভারতীয়। পরিচয় শনাক্তকরণের জটিলতা এবং যথাযথ প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক উদ্যোগের অভাবে সাজা শেষ হওয়ার পরও তাদের বন্দিদশা দীর্ঘায়িত হচ্ছে। এদের অধিকাংশেরই বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগ রয়েছে।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিবেদনের বরাতে টেলিগ্রাফ জানায়, শুধুমাত্র শরীয়তপুর জেলা কারাগারেই সাজা শেষ হওয়া ১৭ জন ভারতীয় নাগরিক আটকে আছেন, এর মধ্যে ১৪ জন পুরুষ ও ৩ জন নারী।
কারাগারের জেলার পাপিয়া সুলতানা জানান, ২০২২ ও ২০২৩ সালের বিভিন্ন সময়ে পদ্মা সেতুর কাছাকাছি এলাকা থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে পুলিশ ২০ জন ভারতীয়কে আটক করে এবং পরে আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। সাজা শেষ হলেও বর্তমানে তারা ‘রিলিজ প্রিজনার’ (আরপি) হিসেবে বন্দি আছেন। তিনি অভিযোগ করেন, এই বিষয়ে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা হলেও ভারতীয় দূতাবাসের সাড়া পাওয়া যায়নি।
জেলার পাপিয়া সুলতানা জানান, বন্দিদের মধ্যে সত্যেন্দ্র কুমার এবং বাবুল সিং নামের দুই ভারতীয় ২০২৪ সালের ২ ফেব্রুয়ারি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এছাড়া রাজন নামে আরেক বন্দি ২০২৫ সালের ২৯ মে মারা যান। পরে আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষে ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে দুইজনের এবং একই বছরের ডিসেম্বরে তৃতীয় জনের মরদেহ স্থানীয়ভাবে সৎকার (দাহ) করা হয়।
কারাগারে থাকা ১৭ ভারতীয় ভাষার কারণে নানামুখী ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। যথাযথভাবে যোগাযোগ করতে না পারায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে অনেক বন্দি ঠিকমতো খাবারও খাচ্ছে না।
এ বিষয়ে শরীয়তপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মৃধা নজরুল কবির বলেন, ‘বিষয়টি মানবিক। এই অসহায় বন্দিরা যাতে পরিবার ও নিজ দেশে ফিরে যেতে পারেন, সেজন্য বাংলাদেশের পররাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত এবং কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।’
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভারত ছাড়াও পাকিস্তান, মিয়ানমার ও নাইজেরিয়ার বেশ কয়েকজন নাগরিক সাজা শেষ হওয়ার পরও নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের অপেক্ষায় আছেন।
তথ্যসূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া

জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানের সঙ্গে যা ঘটেছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল। শনিবার (১৩ জুন) সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে এ মন্তব্য করেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
নিখোঁজের পর উদ্ধার হওয়া শিবির নেতা জিসান আহমদকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এস এম ফরহাদ।
১ ঘণ্টা আগে
বাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে ট্যাক্স কমানোয় বিরোধীদল কষ্ট পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার সকালে (১৩ জুন) কক্সবাজারের পাতলী খাল পুনঃখনন কাজ উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
২ ঘণ্টা আগে
সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত কক্সবাজারের ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন কাজ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১৩ জুন) সকালে সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নে বৃষ্টির মধ্যেই কোদাল হাতে খালপাড়ে নামেন তিনি। পরে খাল কেটে কাজ উদ্বোধন করেন। খালপাড়ে গাছের চারাও রোপণ করেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে