জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

ইরানে মার্কিন আগ্রাসনের প্রতিবাদে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির বিক্ষোভ

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

ইরানে সামরিক আগ্রাসনের প্রতিবাদে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সমাবেশ। ছবি: সংগৃহীত

ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ সামরিক আগ্রাসনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। সমাবেশে দলটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক এই হামলাকে ‘আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস’ ও ‘যুদ্ধাপরাধের শামিল’ বলে আখ্যায়িত করেন।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে সাইফুল হক বলেন, আন্তর্জাতিক বিধি-বিধান ও রীতিনীতি লঙ্ঘন করে একটি স্বাধীন দেশের ওপর সামরিক অভিযান চালানো এবং বেসামরিক নাগরিকদের হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

ইরানে মার্কিন-ইজরায়েলের যৌথ সামরিক হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতউল্লাহ খামেনিকে হত্যার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়ে একে আন্তর্জাতিক রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসী তৎপরতা হিসাবে আখ্যায়িত করেছেন তিনি।

সাইফুল হক বলেন, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ধ্বংস ও সরকার পরিবর্তনের লক্ষ্যেই এই সামরিক আগ্রাসন পরিচালিত হচ্ছে। এর আসল উদ্দেশ্য মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন-ইসরায়েলের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক কর্তৃত্ব নিরঙ্কুশ করা। এই আগ্রাসী যুদ্ধের এক দুরর্বর্তী লক্ষ্য হচ্ছে ইজরায়েলি ভুখন্ডকে বিস্তৃত করা এবং আরব দুনিয়ার রাজনৈতিক মানচিত্র পরিবর্তন করে দেওয়া।

সাইফুল হক আরও বলেন, কিছুদিন আগে একই রকম ঠুনকো অজুহাতে সামরিক অভিযান চালিয়ে তারা ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে সস্ত্রীক তুলে নিয়ে যায়। গত কয়েক দশক ধরে মার্কিনিদের এই অপরাধমূলক সন্ত্রাসী তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এসব অপরাধমূলক সন্ত্রাসী তৎপরতার মধ্যে মার্কিন ও তার পশ্চিমা মিত্রদের কথিত গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের মুখোশও পুরোপুরি খসে পড়েছে।

তিনি জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি অবিলম্বে এই সামরিক আগ্রাসন বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ভূমিকা নিতে বিশ্বের শান্তিকামী জনগণের প্রতিও আহ্বান জানান।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আকবর খান, মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাইফুল ইসলাম, অরবিন্দু বেপারী বিন্দু, মীর রেজাউল আলম, কেন্দ্রীয় সংগঠক বাবর চৌধুরী প্রমুখ।

পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল তোপখানা রোড, পুরানা পলটন, বিজয়নগর হয়ে সেগুনবাগিচায় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।

সম্পর্কিত