স্ট্রিম প্রতিবেদক

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে গণবিরোধী আখ্যা দিয়ে এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। জাতীয় সংসদে বাজেট পেশ করার পর আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় রাজধানীতে পৃথক সমাবেশ করেছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তর জামায়াত।
সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার পর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত মিছিল-পূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এ বাজেটকে গণবিরোধী আখ্যা দিয়েছেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ।
মিছিল-পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘সরকার জনগণের ওপর করের বোঝা চাপিয়ে দিয়ে দলীয় কর্মী পালনের বাজেট উপস্থাপন করেছে। জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী নতুন বাংলাদেশের প্রথম সরকারের অর্থমন্ত্রী যে বাজেট উপস্থাপন করেছেন, সেই বাজেট গণবিরোধী ও লুটপাটের বাজেট। এই বাজেটে জুলাই আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হয়নি। পুরোনো ব্যবস্থার বাজেটের চিত্রই অঙ্কন করা হয়েছে। এই বাজেট বিশাল ঋণনির্ভর বাজেট। এই বাজেটে ঋণ ও করের বোঝা জনগণের ওপর চাপিয়ে দিয়ে সরকার গণবিরোধী বাজেট উপস্থাপন করেছে।’
দলীয় কর্মীদের লুটপাটের জন্য বাজেটের আকার বাড়ানো হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘উন্নয়ন বরাদ্দের তহবিল যাবে সরকারদলীয় নেতাকর্মীদের পকেটে। যাঁরা বাজেট প্রণয়ন করেছেন, তাঁরা ধনী-শ্রেণির বলে তাঁরা ধনীবান্ধব বাজেট প্রণয়ন করেছেন। তাঁরা গরিবের দুঃখ-কষ্ট বোঝেন না, এ জন্য তাঁরা গরিববান্ধব বাজেট প্রণয়ন করতে পারেননি। বাজেট প্রণয়নে রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হলে জনবান্ধব বাজেট উপস্থাপন করা সম্ভব।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাজেটের ৭০ শতাংশ চলে যাচ্ছে পরিচালন ব্যয় হিসেবে! তাহলে জনগণ বাজেট দিয়ে কী উপকৃত হবে, সেটি সরকার বিবেচনা করেনি। সরকারের উপস্থাপিত বাজেট থেকে ১ লাখ কোটি টাকার কম বাজেট প্রস্তাব করেছে জামায়াতে ইসলামী। কারণ, জামায়াতে ইসলামীর প্রস্তাবিত বাজেটে দলীয় কর্মীদের লালন-পালন করা হবে না, লুটপাটের সুযোগ থাকবে না, দুর্নীতি হবে না। জামায়াতে ইসলামীর প্রস্তাবিত বাজেট সরাসরি জনগণের কল্যাণে ব্যবহার হবে। তাই উপস্থাপিত বাজেট সংশোধন করে জামায়াতে ইসলামীর প্রস্তাবিত বাজেট অনুসরণ করতে আমি সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই।’

জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার উপস্থাপিত বাজেটের মধ্যে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে! যার মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআরকে একাই তুলতে হবে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা। এই বিশাল রাজস্ব আদায়ের চাপ সামলাতে গিয়ে খুচরা বিক্রেতাদের ওপর আগাম কর, কাস্টমস ডিউটি এবং বিভিন্ন সেবার ওপর পরোক্ষ কর বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে। যদিও ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়ের সীমা সাড়ে তিন লাখ থেকে বাড়িয়ে পৌনে চার লাখ টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে, তবুও পরোক্ষ করের খড়্গ সাধারণ ও মধ্যবিত্ত মানুষের নিত্যদিনের জীবনযাত্রার খরচ বাড়িয়ে দেবে। এই বিশাল রাজস্ব আদায়ের ফলে জনগণের ওপর সরাসরি প্রভাব পড়বে। দরিদ্র জনগোষ্ঠী আরও বেশি দারিদ্র্যের মুখোমুখি হবে।’
তিনি বলেন, ‘উপস্থাপিত বাজেটে মোট ঘাটতির পরিমাণ ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির প্রায় ৩ দশমিক ৬ শতাংশ। এই ঘাটতি মেটাতে অভ্যন্তরীণ ব্যাংকিং খাত থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকার যদি ব্যাংক থেকে এত বিপুল পরিমাণ টাকা ধার করে, তবে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ কমে যেতে পারে। ফলে নতুন ব্যবসা শুরু করা বা শিল্প প্রসারে উদ্যোক্তারা ব্যাংক থেকে প্রয়োজনীয় ঋণ পাবেন না, যা সামগ্রিক বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে স্থবিরতা আনতে পারে। সরকারের উপস্থাপিত বাজেটে একদিকে করের বোঝায় জনগণ পিষ্ট হবে, অন্যদিকে ঋণের বোঝায় দেশ কাবু হবে।’
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল বলেন, ‘বাজেটের আকার বিশাল হলেও বাজেট জনবান্ধবের পরিবর্তে দলীয়বান্ধব বাজেট উপস্থাপন করা হয়েছে। উপস্থাপিত বাজেটে সরকারদলীয় ব্যবসায়ী, দলীয় সন্ত্রাসী আর চাঁদাবাজরা উপকৃত এবং সুবিধাভোগী হচ্ছে। সুতরাং এই সরকারকে জনবান্ধব সরকার বলা যায় না। এই সরকার পুরোপুরি দলীয়বান্ধব সরকার। জনবান্ধব বাজেট উপস্থাপন করতে না পারলে জামায়াতে ইসলামীর প্রস্তাবিত বাজেট অনুসরণ করতে আমি সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই।’
সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী জাতির প্রত্যাশিত নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের পরিবর্তে সরকার পুরোনো ব্যবস্থার গতানুগতিক ধারার বাজেট উপস্থাপন করেছে। সরকারের উপস্থাপিত বাজেট গণবিরোধী ও লুটপাটের বাজেট। এই বাজেট জনগণকে শোষণ করার বাজেট। একজন সাধারণ নাগরিক একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর সনদ বা টিন সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক উপস্থাপন করার বিধান যুক্ত করে সরকার জনগণের পকেট কাটার বাজেট উপস্থাপন করেছে।’
কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ শামছুর রহমান বলেন, ‘এই বাজেট গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। অবিলম্বে বাজেটকে সংস্কার করুন। এই গরিবমারা বাজেট আমরা এবং জনগণ কখনোই মেনে নিতে পারি না। এই বাজেটের জন্য আমরা আজ যেমন রাজপথে নেমেছি, জনবান্ধব বাজেট পেশ করা না হলে রাজপথে থেকে সরকার পতনের আন্দোলনে আমরা নামতে বাধ্য হব।’
সমাবেশ শেষে বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেট থেকে এক বিক্ষোভ মিছিল পল্টন মোড় হয়ে বিজয়নগর প্রদক্ষিণ করে শেষ হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারী হাজার হাজার বিভিন্ন শ্রেণিপেশার লোকজন সরকারের উপস্থাপিত বাজেট সংশোধন করে জনবান্ধব বাজেট ঘোষণার দাবি জানান।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে গণবিরোধী আখ্যা দিয়ে এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। জাতীয় সংসদে বাজেট পেশ করার পর আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় রাজধানীতে পৃথক সমাবেশ করেছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তর জামায়াত।
সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার পর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত মিছিল-পূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এ বাজেটকে গণবিরোধী আখ্যা দিয়েছেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ।
মিছিল-পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘সরকার জনগণের ওপর করের বোঝা চাপিয়ে দিয়ে দলীয় কর্মী পালনের বাজেট উপস্থাপন করেছে। জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী নতুন বাংলাদেশের প্রথম সরকারের অর্থমন্ত্রী যে বাজেট উপস্থাপন করেছেন, সেই বাজেট গণবিরোধী ও লুটপাটের বাজেট। এই বাজেটে জুলাই আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হয়নি। পুরোনো ব্যবস্থার বাজেটের চিত্রই অঙ্কন করা হয়েছে। এই বাজেট বিশাল ঋণনির্ভর বাজেট। এই বাজেটে ঋণ ও করের বোঝা জনগণের ওপর চাপিয়ে দিয়ে সরকার গণবিরোধী বাজেট উপস্থাপন করেছে।’
দলীয় কর্মীদের লুটপাটের জন্য বাজেটের আকার বাড়ানো হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘উন্নয়ন বরাদ্দের তহবিল যাবে সরকারদলীয় নেতাকর্মীদের পকেটে। যাঁরা বাজেট প্রণয়ন করেছেন, তাঁরা ধনী-শ্রেণির বলে তাঁরা ধনীবান্ধব বাজেট প্রণয়ন করেছেন। তাঁরা গরিবের দুঃখ-কষ্ট বোঝেন না, এ জন্য তাঁরা গরিববান্ধব বাজেট প্রণয়ন করতে পারেননি। বাজেট প্রণয়নে রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হলে জনবান্ধব বাজেট উপস্থাপন করা সম্ভব।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাজেটের ৭০ শতাংশ চলে যাচ্ছে পরিচালন ব্যয় হিসেবে! তাহলে জনগণ বাজেট দিয়ে কী উপকৃত হবে, সেটি সরকার বিবেচনা করেনি। সরকারের উপস্থাপিত বাজেট থেকে ১ লাখ কোটি টাকার কম বাজেট প্রস্তাব করেছে জামায়াতে ইসলামী। কারণ, জামায়াতে ইসলামীর প্রস্তাবিত বাজেটে দলীয় কর্মীদের লালন-পালন করা হবে না, লুটপাটের সুযোগ থাকবে না, দুর্নীতি হবে না। জামায়াতে ইসলামীর প্রস্তাবিত বাজেট সরাসরি জনগণের কল্যাণে ব্যবহার হবে। তাই উপস্থাপিত বাজেট সংশোধন করে জামায়াতে ইসলামীর প্রস্তাবিত বাজেট অনুসরণ করতে আমি সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই।’

জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার উপস্থাপিত বাজেটের মধ্যে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে! যার মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআরকে একাই তুলতে হবে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা। এই বিশাল রাজস্ব আদায়ের চাপ সামলাতে গিয়ে খুচরা বিক্রেতাদের ওপর আগাম কর, কাস্টমস ডিউটি এবং বিভিন্ন সেবার ওপর পরোক্ষ কর বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে। যদিও ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়ের সীমা সাড়ে তিন লাখ থেকে বাড়িয়ে পৌনে চার লাখ টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে, তবুও পরোক্ষ করের খড়্গ সাধারণ ও মধ্যবিত্ত মানুষের নিত্যদিনের জীবনযাত্রার খরচ বাড়িয়ে দেবে। এই বিশাল রাজস্ব আদায়ের ফলে জনগণের ওপর সরাসরি প্রভাব পড়বে। দরিদ্র জনগোষ্ঠী আরও বেশি দারিদ্র্যের মুখোমুখি হবে।’
তিনি বলেন, ‘উপস্থাপিত বাজেটে মোট ঘাটতির পরিমাণ ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির প্রায় ৩ দশমিক ৬ শতাংশ। এই ঘাটতি মেটাতে অভ্যন্তরীণ ব্যাংকিং খাত থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকার যদি ব্যাংক থেকে এত বিপুল পরিমাণ টাকা ধার করে, তবে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ কমে যেতে পারে। ফলে নতুন ব্যবসা শুরু করা বা শিল্প প্রসারে উদ্যোক্তারা ব্যাংক থেকে প্রয়োজনীয় ঋণ পাবেন না, যা সামগ্রিক বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে স্থবিরতা আনতে পারে। সরকারের উপস্থাপিত বাজেটে একদিকে করের বোঝায় জনগণ পিষ্ট হবে, অন্যদিকে ঋণের বোঝায় দেশ কাবু হবে।’
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল বলেন, ‘বাজেটের আকার বিশাল হলেও বাজেট জনবান্ধবের পরিবর্তে দলীয়বান্ধব বাজেট উপস্থাপন করা হয়েছে। উপস্থাপিত বাজেটে সরকারদলীয় ব্যবসায়ী, দলীয় সন্ত্রাসী আর চাঁদাবাজরা উপকৃত এবং সুবিধাভোগী হচ্ছে। সুতরাং এই সরকারকে জনবান্ধব সরকার বলা যায় না। এই সরকার পুরোপুরি দলীয়বান্ধব সরকার। জনবান্ধব বাজেট উপস্থাপন করতে না পারলে জামায়াতে ইসলামীর প্রস্তাবিত বাজেট অনুসরণ করতে আমি সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই।’
সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী জাতির প্রত্যাশিত নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের পরিবর্তে সরকার পুরোনো ব্যবস্থার গতানুগতিক ধারার বাজেট উপস্থাপন করেছে। সরকারের উপস্থাপিত বাজেট গণবিরোধী ও লুটপাটের বাজেট। এই বাজেট জনগণকে শোষণ করার বাজেট। একজন সাধারণ নাগরিক একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর সনদ বা টিন সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক উপস্থাপন করার বিধান যুক্ত করে সরকার জনগণের পকেট কাটার বাজেট উপস্থাপন করেছে।’
কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ শামছুর রহমান বলেন, ‘এই বাজেট গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। অবিলম্বে বাজেটকে সংস্কার করুন। এই গরিবমারা বাজেট আমরা এবং জনগণ কখনোই মেনে নিতে পারি না। এই বাজেটের জন্য আমরা আজ যেমন রাজপথে নেমেছি, জনবান্ধব বাজেট পেশ করা না হলে রাজপথে থেকে সরকার পতনের আন্দোলনে আমরা নামতে বাধ্য হব।’
সমাবেশ শেষে বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেট থেকে এক বিক্ষোভ মিছিল পল্টন মোড় হয়ে বিজয়নগর প্রদক্ষিণ করে শেষ হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারী হাজার হাজার বিভিন্ন শ্রেণিপেশার লোকজন সরকারের উপস্থাপিত বাজেট সংশোধন করে জনবান্ধব বাজেট ঘোষণার দাবি জানান।

নতুন অর্থবছরে যে বাজেট দেওয়া হয়েছে, তাতে নিট বিদেশি ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে গত অর্থবছরে প্রায় দ্বিগুণ। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকালে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
২৪ মিনিট আগে
জামালপুরের ধানুয়া কামালপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষা বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইনের ঘটনায় আলোচনায় আসা বৃদ্ধ ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
৩০ মিনিট আগে
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা ও অর্থনৈতিক সংস্কারের মাধ্যমে বাংলাদেশ তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাবে।
১ ঘণ্টা আগে
২০২৬-২৭ বাজেটে ৬৫ বছরের বেশি বয়সী নাগরিকদের জন্য বিনামূল্যে ট্রেনে যাতায়াতের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, মেট্রোরেলে এসব নাগরিকদের ২৫ শতাংশ ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে