স্ট্রিম প্রতিবেদক

গত কয়েক দিনে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। মাদকবিরোধী এসব অভিযানে শিক্ষার্থী, পথচারী এবং বিনোদনপ্রেমীদের জেরা, তল্লাশি এবং লাঠিপেটার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনা সামনে এলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। প্রশ্ন উঠেছে পুলিশের আচরণ নিয়েও।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিরাপত্তার সার্থে পুলিশ অনুমতি সাপেক্ষে অভিযান, জেরা এবং তল্লাশি চালাতে পারে। তবে গায়ে হাত তোলার এখতিয়ার পুলিশের নেই।
২২ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার ধানমন্ডি লেক এলাকায় আকস্মিক অভিযান চালায় পুলিশ। পরদিন একই ধরনের ঘটনা দেখা যায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই পুলিশ সদস্যদের কেউ কেউ নাগরিকদের মানিব্যাগ, পকেট এবং মোবাইল ফোন চেক করছেন।
অন্য একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নৃবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী ও বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলনের ঢাকা মহানগর ইউনিটের আহ্বায়ক নাইমুদ্দীনের সঙ্গে পুলিশের কথা কাটাকাটি হচ্ছে। এক পর্যায়ে পুলিশ ওই শিক্ষার্থী এবং সেখানে দায়িত্বে থাকা সাংবাদিকদের ওপর লাঠিচার্জ করে।
এ ঘটনার পর ঢাকা মেট্রোপলিটনের (ডিএমপি) রমনা জোনের ডিসি মাসুদ আলমসহ জড়িত পুলিশ সদস্যদের অপসারণে শাহবাগ থানা ঘেরাও করে আন্দোলন করেন শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার রাতে ঢাবির টিএসসি এলাকায় ‘স্বেচ্ছাচারীতার বিরুদ্ধে গান’ আয়োজন করেছে ‘সচেতন শিক্ষার্থীরা’। এ ছাড়া আজ গনতান্ত্রিক ছাত্র জোটের ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কয়েকটি দাবি উত্থাপন করা হয়েছে।
তাদের দাবিগুলোর মধ্যে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রকাশ্যে ও আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাওয়া, অভিযুক্ত ডিসি মাসুদসহ সারা দেশে হেনস্থাকারী পুলিশদের বিরুদ্ধে গ্রহণযোগ্য বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করার প্রস্তাব রয়েছে। এ ছাড়া তদন্ত প্রক্রিয়া চলাকালীন ডিসি মাসুদসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান এবং আওতা-বহির্ভূত এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন সংবিধানবিরোধী বক্তব্য দিয়ে পুলিশের হয়রানি প্রেক্ষাপট তৈরির জন্য অবিলম্বে শিক্ষামন্ত্রীকে ভুল স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশের দাবিও জানায় তারা।
সংবাদ সম্মেলনে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক জাবির আহমেদ জুবেল বলেন, ‘পুশিলের পুরোনো যে রূপ, আমরা ভেবেছিলাম জুলাই অভ্যুত্থানের পর তা আর থাকবে না। কিন্তু জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে আমরা পুলিশকে দেখেছি, বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে আক্রমণাত্মক ভূমিকা পালন করতে। ডিসি মাসুদকে বিভিন্ন আন্দোলন ও একেবারেই সাধারণ নাগরিকের ওপর আক্রমণ চালাতে দেখেছি ‘
জাবির আহমেদ জুবেল আরও বলেন, ‘আমরা প্রত্যাশা করছিলাম, জুলাই অভ্যুত্থানের যে গণআকাঙ্ক্ষা বিগত অন্তর্বর্তী সরকার ধুলিসাৎ করেছিল এবং পুলিশকে একটা লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে বানিয়ে রেখেছিল। এর বিপরীতে গিয়ে নির্বাচিত বিএনপির সরকার পুলিশকে একটা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করবে। কিন্তু সরকার গঠনের ১০ দিন ১৫ দিনও হয় নাই, আমরা পুলিশকে সেই আগের মতোই একটা লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে দেখতে পেলাম।’
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ সাঈদ আহমেদ স্ট্রিমকে বলেন, ‘পুলিশ কোনোভাবেই সাধারণ জনগণের ওপর লাঠিচার্জ করতে পারবে না। এটা পুলিশের এখতিয়ারেই নেই। যদি সিচুয়েশন ডিমান্ড করে, সেক্ষেত্রে পুলিশব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কিছু পদক্ষেপ নিতে পারে। কিন্তু পুলিশের বর্তমান যে ট্রেন্ড হয়ে গেছে— কিছু একটা হলেই লাঠিচার্জ করে, এটা সংবিধান বা বাংলাদেশের প্রচলিত কোনো আইনই সমর্থন করে না।’
সাঈদ আহমেদ আরও বলেন, ‘পুলিশ যদি অকারণে লাঠিচার্জ করে, তাহলে পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, এই মামলা করতে গেলে অনেকগুলো প্রসিডিউর পার হতে হয়। ফলে ব্যবস্থা গ্রহণ করাটাও সহজ কিছু নয়।
মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ ও আইনজীবী ফারান এমডি আরাফ স্ট্রিমকে বলেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশের ক্রাউড কন্ট্রোল করার জন্য কিছু ক্ষমতা আছে। কিন্তু কোনো কারণ ছাড়া কাউকে মারা পুলিশী ক্ষমতা লঙ্গন এবং একই সঙ্গে মানবাধিকার লঙ্ঘন।
ফারান আরাফ আরও বলেন, ‘সাংবিধানিকভাবে প্রত্যেকটা মানুষেরই যে কোনো জায়গায় যাওয়ার অধিকার আছে। এবং সংবিধানের মাধ্যমেই নাগরিক অধিকারে রেস্ট্রিকশন দেওয়া যাবে। এই রেস্ট্রিকশনটা পুলিশের থেকে আসবে না, এটা আসবে সংসদ থেকে।’

গত কয়েক দিনে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। মাদকবিরোধী এসব অভিযানে শিক্ষার্থী, পথচারী এবং বিনোদনপ্রেমীদের জেরা, তল্লাশি এবং লাঠিপেটার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনা সামনে এলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। প্রশ্ন উঠেছে পুলিশের আচরণ নিয়েও।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিরাপত্তার সার্থে পুলিশ অনুমতি সাপেক্ষে অভিযান, জেরা এবং তল্লাশি চালাতে পারে। তবে গায়ে হাত তোলার এখতিয়ার পুলিশের নেই।
২২ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার ধানমন্ডি লেক এলাকায় আকস্মিক অভিযান চালায় পুলিশ। পরদিন একই ধরনের ঘটনা দেখা যায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই পুলিশ সদস্যদের কেউ কেউ নাগরিকদের মানিব্যাগ, পকেট এবং মোবাইল ফোন চেক করছেন।
অন্য একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নৃবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী ও বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলনের ঢাকা মহানগর ইউনিটের আহ্বায়ক নাইমুদ্দীনের সঙ্গে পুলিশের কথা কাটাকাটি হচ্ছে। এক পর্যায়ে পুলিশ ওই শিক্ষার্থী এবং সেখানে দায়িত্বে থাকা সাংবাদিকদের ওপর লাঠিচার্জ করে।
এ ঘটনার পর ঢাকা মেট্রোপলিটনের (ডিএমপি) রমনা জোনের ডিসি মাসুদ আলমসহ জড়িত পুলিশ সদস্যদের অপসারণে শাহবাগ থানা ঘেরাও করে আন্দোলন করেন শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার রাতে ঢাবির টিএসসি এলাকায় ‘স্বেচ্ছাচারীতার বিরুদ্ধে গান’ আয়োজন করেছে ‘সচেতন শিক্ষার্থীরা’। এ ছাড়া আজ গনতান্ত্রিক ছাত্র জোটের ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কয়েকটি দাবি উত্থাপন করা হয়েছে।
তাদের দাবিগুলোর মধ্যে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রকাশ্যে ও আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাওয়া, অভিযুক্ত ডিসি মাসুদসহ সারা দেশে হেনস্থাকারী পুলিশদের বিরুদ্ধে গ্রহণযোগ্য বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করার প্রস্তাব রয়েছে। এ ছাড়া তদন্ত প্রক্রিয়া চলাকালীন ডিসি মাসুদসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান এবং আওতা-বহির্ভূত এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন সংবিধানবিরোধী বক্তব্য দিয়ে পুলিশের হয়রানি প্রেক্ষাপট তৈরির জন্য অবিলম্বে শিক্ষামন্ত্রীকে ভুল স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশের দাবিও জানায় তারা।
সংবাদ সম্মেলনে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক জাবির আহমেদ জুবেল বলেন, ‘পুশিলের পুরোনো যে রূপ, আমরা ভেবেছিলাম জুলাই অভ্যুত্থানের পর তা আর থাকবে না। কিন্তু জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে আমরা পুলিশকে দেখেছি, বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে আক্রমণাত্মক ভূমিকা পালন করতে। ডিসি মাসুদকে বিভিন্ন আন্দোলন ও একেবারেই সাধারণ নাগরিকের ওপর আক্রমণ চালাতে দেখেছি ‘
জাবির আহমেদ জুবেল আরও বলেন, ‘আমরা প্রত্যাশা করছিলাম, জুলাই অভ্যুত্থানের যে গণআকাঙ্ক্ষা বিগত অন্তর্বর্তী সরকার ধুলিসাৎ করেছিল এবং পুলিশকে একটা লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে বানিয়ে রেখেছিল। এর বিপরীতে গিয়ে নির্বাচিত বিএনপির সরকার পুলিশকে একটা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করবে। কিন্তু সরকার গঠনের ১০ দিন ১৫ দিনও হয় নাই, আমরা পুলিশকে সেই আগের মতোই একটা লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে দেখতে পেলাম।’
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ সাঈদ আহমেদ স্ট্রিমকে বলেন, ‘পুলিশ কোনোভাবেই সাধারণ জনগণের ওপর লাঠিচার্জ করতে পারবে না। এটা পুলিশের এখতিয়ারেই নেই। যদি সিচুয়েশন ডিমান্ড করে, সেক্ষেত্রে পুলিশব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কিছু পদক্ষেপ নিতে পারে। কিন্তু পুলিশের বর্তমান যে ট্রেন্ড হয়ে গেছে— কিছু একটা হলেই লাঠিচার্জ করে, এটা সংবিধান বা বাংলাদেশের প্রচলিত কোনো আইনই সমর্থন করে না।’
সাঈদ আহমেদ আরও বলেন, ‘পুলিশ যদি অকারণে লাঠিচার্জ করে, তাহলে পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, এই মামলা করতে গেলে অনেকগুলো প্রসিডিউর পার হতে হয়। ফলে ব্যবস্থা গ্রহণ করাটাও সহজ কিছু নয়।
মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ ও আইনজীবী ফারান এমডি আরাফ স্ট্রিমকে বলেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশের ক্রাউড কন্ট্রোল করার জন্য কিছু ক্ষমতা আছে। কিন্তু কোনো কারণ ছাড়া কাউকে মারা পুলিশী ক্ষমতা লঙ্গন এবং একই সঙ্গে মানবাধিকার লঙ্ঘন।
ফারান আরাফ আরও বলেন, ‘সাংবিধানিকভাবে প্রত্যেকটা মানুষেরই যে কোনো জায়গায় যাওয়ার অধিকার আছে। এবং সংবিধানের মাধ্যমেই নাগরিক অধিকারে রেস্ট্রিকশন দেওয়া যাবে। এই রেস্ট্রিকশনটা পুলিশের থেকে আসবে না, এটা আসবে সংসদ থেকে।’

প্রতিবেশী দেশ মায়ানমারে ৫ দশমিক ১ মাত্রার একটি মাঝারি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়। এর প্রভাবে রাজধানী ঢাকাসহ বাংলাদেশের বেশ কিছু এলাকায় মৃদু কাঁপুনি অনুভূত হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
দুই তরুণীকে মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। অভিযোগের পর তা তদন্তে কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রক্টর অফিস।
২ ঘণ্টা আগে
জিলাপিতে নিষিদ্ধ ও বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করার দায়ে মৌলভীবাজারের ‘বেঙ্গল সুইট ফুড’-কে ১৬ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত। জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে সরকারি গাছ কাটার ঘটনায় পদ স্থগিত হওয়া মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
২ ঘণ্টা আগে