স্ট্রিম সংবাদদাতা

মহান স্বাধীনতা দিবসে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে পুরোপুরি প্রস্তুত সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ। ইতোমধ্যে সৌধের মিনারসহ পুরো চত্বরের হাঁটার পথ, বেদি ও স্থাপনা সেজেছে রঙ-তুলির আঁচড়ে। বাগানগুলোতে শোভা পাচ্ছে রঙ-বেরঙের বাহারি ফুল।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ৫৬তম মহান স্বাধীনতা দিবসে জাতির বীর সন্তানদের শ্রদ্ধা নিবেদন করবে সারা দেশ। দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল-সংগঠন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে পালন করা হবে নানা কর্মসূচি। দিনটিতে ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে পরাধীনতা ঘোচাতে জাতির যে বীর সন্তানেরা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবে সমগ্র জাতি।
এদিন সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের অন্যান্য সদস্য ও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা। এছাড়া শ্রদ্ধা জানাতে আসবেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং তাদের রাজনৈতিক জোটের নেতারা। শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হাজারো মানুষের ঢল নামবে স্মৃতিসৌধে।
স্বাধীনতা দিবসে শ্রদ্ধা নিবেদন উপলক্ষে সৌধ এলাকায় জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে সৌধ চত্বরে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করেছে গণপূর্ত বিভাগ। ইটের পথ, শহীদ বেদি ও গণকবর ধোয়া-মোছার পর সাদা রঙের শুভ্র আভায় সাজিয়ে তোলা হয়েছে পুরো সৌধ এলাকা। বৃক্ষরাজির প্রাঙ্গণ আর সবুজ ঘাসের গালিচা কেটে-ছেঁটে নান্দনিক করে তোলার কাজও শেষ করেছেন গণপূর্তের কর্মচারীরা।
স্মৃতিসৌধ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা জানান, ২৬ মার্চ (বৃহস্পতিবার) স্বাধীনতা দিবসে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন সর্বস্তরের মানুষ। ফুল, শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের মধ্য দিয়ে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন তারা। শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের লক্ষে নানাভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে স্মৃতিসৌধ।
বুধবার (২৫ মার্চ) স্মৃতিসৌধ চত্বর ঘুরে দেখা যায়, মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তে ব্যস্ত সময় পার করছেন সাভার গণপূর্ত বিভাগের কর্মীরা। এদের মধ্যে কয়েকজন মিলে সড়কের পাশে ফাঁকা জায়গায় পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘাসের চারা রোপণ করছেন। স্মৃতিসৌধ চত্বর পানি দিয়ে ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করা হচ্ছে, রঙতুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে বেদিসংলগ্ন সিঁড়িগুলো। সবুজ ঘাসের গালিচা কেটেছেঁটে নান্দনিক করে তোলা হচ্ছে। পুরোনো ফুলের গাছগুলোকে পরিচর্যা করার পাশাপাশি রোপণ করা হয়েছে নানা জাতের ফুলের গাছ। ভবনের দেয়ালে ঝোলানো হয়েছে বর্ণিল আলোকবাতি।
স্মৃতিসৌধ চত্বরে ফুলের চারা রোপণ করার কাজে ব্যস্ত আব্দুল মতিন বলেন, ‘২৬ মার্চ উপলক্ষে আমরা এখানে ফুলের চারা রোপণের কাজ করতেছি। রাষ্ট্রের প্রধানেরা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য এখানে আসবেন। দেশ-বিদেশ থেকেও অনেকে আসবেন। কেউ ঘাস কাটতেছে, কেউ রঙ করতেছে, কেউ ধুইতেছে; সবাই মিলে সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য কাজ করতেছি।’
সবুজ ঘাসের গালিচা কেটে-ছেঁটে নান্দনিক করার কাজ করছিলেন মোহাম্মদ আবুল কালাম নামে আরেক শ্রমিক। তিনি বলেন, ‘২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এখানে ইট, বালু, সিমেন্টের কাজ চলছে। ধোয়া-মোছার কাজ, রঙতুলির কাজ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে। মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন এবং এরপর সব স্তরের মানুষ ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এখানে আমরা খুব আনন্দ নিয়ে কাজ করছি।’
জাতীয় স্মৃতিসৌধের ইনচার্জ সাভার গণপূর্ত বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এ উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধ কমপ্লেক্স ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। রঙতুলির কাজ, ফুলের গাছ স্থাপন, লেক সংস্কার কাজসহ বিভিন্ন স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। জাতীয় স্মৃতিসৌধ বিশ্ব শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। নিরাপত্তার লক্ষ্যে গত ১৬ মার্চ থেকে স্মৃতিসৌধে দর্শনার্থীদের প্রবেশ সংরক্ষিত করা হয়েছে। ২৬ মার্চ রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর স্মৃতিসৌধ সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।’
ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) মো. আরাফাতুল ইসলাম বলেন, ‘আগামী ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হবে। স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য আসবেন। এ উপলক্ষে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ডিগনেটরি ব্যক্তিরা যেন নির্বিঘ্নে জাতীয় স্মৃতিসৌধে এসে শ্রদ্ধা নিবেদন করে নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন, সে জন্য বিভিন্ন স্থানে পুলিশ মোতায়েন থাকবে।’
কয় স্তরে নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘সবসময়ের মতোই নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা থাকবে। সড়ক ও আশপাশের এলাকায় যেন কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। স্মৃতিসৌধকেন্দ্রিক নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা হবে। যারা এখানে আসবেন, দর্শনার্থী, শ্রদ্ধা নিবেদনকারী এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা, সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ইউনিফর্ম পুলিশ দায়িত্ব পালন করবে, ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করা হবে। পাশাপাশি সাদা পোশাকে তথ্য সংগ্রহের জন্য পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। ডিবি পুলিশও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মোতায়েন থাকবে। মূলত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’
সড়ক পথে যাতায়াতে কোনো বিশেষ নির্দেশনা রয়েছে কিনা প্রশ্নে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘সড়কপথ স্বাভাবিক থাকবে। যারা এই পথে চলাচল করবেন, তারা নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই চলাচল করতে পারবেন।’
সাভার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন থেকে, রাষ্ট্রের অন্যান্য জেলা-উপজেলার ন্যায় এবং কেন্দ্রীয় ও মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা বিস্তারিত কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। আপনি জানেন, সাভার উপজেলায় জাতীয়ভাবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। সেখানে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও আমরা পুষ্পস্তবক অর্পণ করব। এছাড়াও আমাদের উপজেলায় কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে, পতাকা উত্তোলনসহ অন্যান্য যেসব কর্মসূচি রয়েছে সেগুলো আমরা পালন করব। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এবং একইসঙ্গে পৌরসভার পক্ষ থেকেও এ আয়োজন করা হয়েছে। এ বছর আমাদের আলোকসজ্জা নেই, একই সঙ্গে কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও করা হচ্ছে না। জ্বালানি অপচয় রোধের জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমরা আশা করছি, একটি উৎসবমুখর পরিবেশে এবং পুরো সাভারবাসীকে সামনে নিয়ে আমরা এই উৎসবটি পালন করতে পারব।’

মহান স্বাধীনতা দিবসে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে পুরোপুরি প্রস্তুত সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ। ইতোমধ্যে সৌধের মিনারসহ পুরো চত্বরের হাঁটার পথ, বেদি ও স্থাপনা সেজেছে রঙ-তুলির আঁচড়ে। বাগানগুলোতে শোভা পাচ্ছে রঙ-বেরঙের বাহারি ফুল।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ৫৬তম মহান স্বাধীনতা দিবসে জাতির বীর সন্তানদের শ্রদ্ধা নিবেদন করবে সারা দেশ। দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল-সংগঠন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে পালন করা হবে নানা কর্মসূচি। দিনটিতে ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে পরাধীনতা ঘোচাতে জাতির যে বীর সন্তানেরা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবে সমগ্র জাতি।
এদিন সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের অন্যান্য সদস্য ও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা। এছাড়া শ্রদ্ধা জানাতে আসবেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং তাদের রাজনৈতিক জোটের নেতারা। শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হাজারো মানুষের ঢল নামবে স্মৃতিসৌধে।
স্বাধীনতা দিবসে শ্রদ্ধা নিবেদন উপলক্ষে সৌধ এলাকায় জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে সৌধ চত্বরে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করেছে গণপূর্ত বিভাগ। ইটের পথ, শহীদ বেদি ও গণকবর ধোয়া-মোছার পর সাদা রঙের শুভ্র আভায় সাজিয়ে তোলা হয়েছে পুরো সৌধ এলাকা। বৃক্ষরাজির প্রাঙ্গণ আর সবুজ ঘাসের গালিচা কেটে-ছেঁটে নান্দনিক করে তোলার কাজও শেষ করেছেন গণপূর্তের কর্মচারীরা।
স্মৃতিসৌধ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা জানান, ২৬ মার্চ (বৃহস্পতিবার) স্বাধীনতা দিবসে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন সর্বস্তরের মানুষ। ফুল, শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের মধ্য দিয়ে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন তারা। শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের লক্ষে নানাভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে স্মৃতিসৌধ।
বুধবার (২৫ মার্চ) স্মৃতিসৌধ চত্বর ঘুরে দেখা যায়, মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তে ব্যস্ত সময় পার করছেন সাভার গণপূর্ত বিভাগের কর্মীরা। এদের মধ্যে কয়েকজন মিলে সড়কের পাশে ফাঁকা জায়গায় পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘাসের চারা রোপণ করছেন। স্মৃতিসৌধ চত্বর পানি দিয়ে ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করা হচ্ছে, রঙতুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে বেদিসংলগ্ন সিঁড়িগুলো। সবুজ ঘাসের গালিচা কেটেছেঁটে নান্দনিক করে তোলা হচ্ছে। পুরোনো ফুলের গাছগুলোকে পরিচর্যা করার পাশাপাশি রোপণ করা হয়েছে নানা জাতের ফুলের গাছ। ভবনের দেয়ালে ঝোলানো হয়েছে বর্ণিল আলোকবাতি।
স্মৃতিসৌধ চত্বরে ফুলের চারা রোপণ করার কাজে ব্যস্ত আব্দুল মতিন বলেন, ‘২৬ মার্চ উপলক্ষে আমরা এখানে ফুলের চারা রোপণের কাজ করতেছি। রাষ্ট্রের প্রধানেরা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য এখানে আসবেন। দেশ-বিদেশ থেকেও অনেকে আসবেন। কেউ ঘাস কাটতেছে, কেউ রঙ করতেছে, কেউ ধুইতেছে; সবাই মিলে সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য কাজ করতেছি।’
সবুজ ঘাসের গালিচা কেটে-ছেঁটে নান্দনিক করার কাজ করছিলেন মোহাম্মদ আবুল কালাম নামে আরেক শ্রমিক। তিনি বলেন, ‘২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এখানে ইট, বালু, সিমেন্টের কাজ চলছে। ধোয়া-মোছার কাজ, রঙতুলির কাজ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে। মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন এবং এরপর সব স্তরের মানুষ ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এখানে আমরা খুব আনন্দ নিয়ে কাজ করছি।’
জাতীয় স্মৃতিসৌধের ইনচার্জ সাভার গণপূর্ত বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এ উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধ কমপ্লেক্স ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। রঙতুলির কাজ, ফুলের গাছ স্থাপন, লেক সংস্কার কাজসহ বিভিন্ন স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। জাতীয় স্মৃতিসৌধ বিশ্ব শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। নিরাপত্তার লক্ষ্যে গত ১৬ মার্চ থেকে স্মৃতিসৌধে দর্শনার্থীদের প্রবেশ সংরক্ষিত করা হয়েছে। ২৬ মার্চ রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর স্মৃতিসৌধ সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।’
ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) মো. আরাফাতুল ইসলাম বলেন, ‘আগামী ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হবে। স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য আসবেন। এ উপলক্ষে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ডিগনেটরি ব্যক্তিরা যেন নির্বিঘ্নে জাতীয় স্মৃতিসৌধে এসে শ্রদ্ধা নিবেদন করে নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন, সে জন্য বিভিন্ন স্থানে পুলিশ মোতায়েন থাকবে।’
কয় স্তরে নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘সবসময়ের মতোই নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা থাকবে। সড়ক ও আশপাশের এলাকায় যেন কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। স্মৃতিসৌধকেন্দ্রিক নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা হবে। যারা এখানে আসবেন, দর্শনার্থী, শ্রদ্ধা নিবেদনকারী এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা, সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ইউনিফর্ম পুলিশ দায়িত্ব পালন করবে, ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করা হবে। পাশাপাশি সাদা পোশাকে তথ্য সংগ্রহের জন্য পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। ডিবি পুলিশও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মোতায়েন থাকবে। মূলত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’
সড়ক পথে যাতায়াতে কোনো বিশেষ নির্দেশনা রয়েছে কিনা প্রশ্নে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘সড়কপথ স্বাভাবিক থাকবে। যারা এই পথে চলাচল করবেন, তারা নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই চলাচল করতে পারবেন।’
সাভার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন থেকে, রাষ্ট্রের অন্যান্য জেলা-উপজেলার ন্যায় এবং কেন্দ্রীয় ও মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা বিস্তারিত কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। আপনি জানেন, সাভার উপজেলায় জাতীয়ভাবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। সেখানে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও আমরা পুষ্পস্তবক অর্পণ করব। এছাড়াও আমাদের উপজেলায় কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে, পতাকা উত্তোলনসহ অন্যান্য যেসব কর্মসূচি রয়েছে সেগুলো আমরা পালন করব। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এবং একইসঙ্গে পৌরসভার পক্ষ থেকেও এ আয়োজন করা হয়েছে। এ বছর আমাদের আলোকসজ্জা নেই, একই সঙ্গে কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও করা হচ্ছে না। জ্বালানি অপচয় রোধের জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমরা আশা করছি, একটি উৎসবমুখর পরিবেশে এবং পুরো সাভারবাসীকে সামনে নিয়ে আমরা এই উৎসবটি পালন করতে পারব।’

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে গেছে একটি বাস। বুধবার বিকেল ৫টার দিকে ৩ নম্বর ফেরিঘাটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটিতে অর্ধশতাধিক যাত্রী ছিল।
১১ মিনিট আগে
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও দেশের জনগণ বঞ্চিতই রয়ে গেছে। তিনি অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালীর দুমকিতে গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা শহীদুল ইসলাম ফাহিমের বিয়েতে উপহার হিসেবে জ্বালানি তেল (ডিজেল) দিয়েছেন দলের নেতাকর্মীরা। গতকাল মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকেলে ওই অনুষ্ঠানে উপহার দেওয়ার মুহূর্তের একটি ছবি রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নানা আলোচনা তৈরি হয়।
১ ঘণ্টা আগে
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, ‘মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত স্থানীয় সরকারের যেসব প্রতিষ্ঠানে এডিসি, ইউএনওরা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, আমরা দ্রুতই সেগুলোতে নির্বাচন দিয়ে দিবো।’
১ ঘণ্টা আগে