স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজনৈতিক দলগুলোর ক্ষেত্রে নারী নেতৃত্ব তৈরিতে সংরক্ষিত আসন ব্যবস্থাকে বাধা হিসেবে অভিহিত করেছেন বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক রওনক জাহান।
রিসার্চ ইনিশিয়েটিভস বাংলাদেশের পরিচালক রওনক জাহান মনে করেন, সংরক্ষিত আসন ব্যবস্থাই রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য নারী নেতৃত্ব তৈরি না করার সহজ পথ বা ইজি ওয়ে আউট।
তিনি বলেন, ‘সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্যরা জনগণের সরাসরি ভোটে নয়, বরং ৩০০ জন পুরুষ এমপির ভোটে নির্বাচিত হন। ফলে তাঁরা আসলে জনগণের, নাকি ওই ৩০০ পুরুষের প্রতিনিধিত্ব করছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়।’
আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ইসফেনদিয়ার জাহেদ হাসান মিলনায়তনে ‘রাজনীতিতে নারী নেতৃত্ব: সংকট ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন। সংবাদমাধ্যম ঢাকা স্ট্রিম, নারী রাজনৈতিক অধিকার ফোরাম (এফডাব্লিউপিআর) ও ডেমোক্রেটিক বাংলাদেশ যৌথভাবে এই গোলটেবিলের আয়োজন করেছে।
সংরক্ষিত নারী আসন ব্যবস্থার কঠোর সমালোচনা করে রওনক জাহান বলেন, ‘১৯৭৩ সালেই আমি এর বিপক্ষে লিখেছিলাম। আমার মত ছিল, সংসদে বিশেষ আসন না রেখে রাজনৈতিক দলের ভেতরেই কোটা ব্যবস্থা থাকা উচিত। সংরক্ষিত আসনের এমপিরা জনগণের ভোটে নয়, বরং ৩০০ জন পুরুষ এমপির ভোটে নির্বাচিত হন। ফলে তারা আসলে কাদের প্রতিনিধিত্ব করছেন জনগণের, নাকি ওই ৩০০ পুরুষের?’
তিনি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট টেনে বলেন, ‘১৯৫৪ সালের নির্বাচনেও নারীরা সরাসরি ভোটে জিতে এসেছিলেন। অথচ ৭৩ সালে সংরক্ষিত আসন চালু করে নারীদের সরাসরি নির্বাচনের পথ কঠিন করে দেওয়া হলো। এটি রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য একটি ইজি ওয়ে আউট বা সহজ পথ, যার মাধ্যমে তারা নারী নেতৃত্ব গড়ে তোলার দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারে।’
রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব সংকট নিয়ে নিজের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন এই রাষ্ট্রবিজ্ঞানী। তিনি বলেন, ‘১৯৭৩ সালে আমি এ বিষয়ে প্রথম লেখালেখি শুরু করি। ওই সময়ের নির্বাচনে ভোটার ও সংসদ সদস্যদের ওপর জরিপ চালিয়েছিলাম। তখন দেখেছি, নারী ভোটাররা মোট ভোটারের প্রায় অর্ধেক হলেও তাদের ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্তটি পরিবারের পুরুষ সদস্যদের (বাবা বা স্বামী) দ্বারা প্রভাবিত ছিল। পুরুষরা যতটা স্বাধীনভাবে চিন্তা করে ভোট দিতে যেতেন, নারীরা ততটা পারতেন না। ৫০ বছর পর এই পরিস্থিতির কতটা পরিবর্তন হয়েছে, তা ভেবে দেখা প্রয়োজন।’
নারী ও পুরুষ সংসদ সদস্যদের প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করে তিনি বলেন, ‘পুরুষ এমপিরা সাধারণত তৃণমূল রাজনীতি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন থেকে উঠে আসেন। অন্যদিকে নারী এমপিরা অপেক্ষাকৃত বেশি শহুরে ও শিক্ষিত পরিবার থেকে এলেও তাদের রাজনৈতিক ভিত্তি দুর্বল থাকে। তারা মূলত সামাজিক বা নারী সংগঠন থেকে রাজনীতিতে আসেন, ফলে দলের মূল সাংগঠনিক কাঠামোর সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা কম থাকে।’
তাঁর পর্যবেক্ষণ হলো—নারী সংগঠনগুলোর নেতৃত্বও মূলত শহরকেন্দ্রিক ও শিক্ষিত নারীদের হাতে। এর ফলে তৃণমূল বা কর্মজীবী নারীদের সঙ্গে তাদের প্রকৃত যোগসূত্র তৈরি হয়নি, যা এখনো একটি বড় সমস্যা।
রাজনীতিতে নারীদের টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে রওনক জাহান বলেন, ‘রাজনীতি একটি পেশার মতো, এখানে দীর্ঘ সময় শিক্ষানবিশ বা অ্যাপ্রেনটিস হিসেবে থাকতে হয়। তরুণ নারীদের জন্য রাজনীতিতে মেন্টর বা পরামর্শক পাওয়া কঠিন। মেন্টররা সাধারণত পুরুষ হন। আমাদের সামাজিক বাস্তবতায় একজন তরুণী যদি কোনো পুরুষ নেতার সঙ্গে রাজনীতি শেখার জন্য বেশি সময় ব্যয় করেন, তবে তাকে নিয়ে নানা কথা রটে।’
তিনি বলেন, ‘এই মেন্টরশিপের অভাবেই নারীদের রাজনীতির নেতৃত্বে আসতে পারিবারিক পরিচয় বা “ডাইনাস্টিক রুট” বেছে নিতে হয়। কারণ যারা রাজনৈতিক পরিবারের মেয়ে, তারা সরাসরি গ্রহণযোগ্যতা পান, অন্যদের মতো দীর্ঘ সংগ্রাম করতে হয় না।’
আন্দোলনের রাজনীতিতে নারী-পুরুষের ভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পুরুষরা জেল-জুলুম সহ্য করলে তা তাদের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে “অ্যাসেট” বা সম্পদ হিসেবে গণ্য হয়। কিন্তু কোনো নারী জেলে গেলে বা পুলিশি নির্যাতনের শিকার হলে তার সম্ভ্রম বা নিরাপত্তা নিয়ে সামাজিকভাবে নানা কথা ওঠে। ফলে স্যাক্রিফাইস বা ত্যাগ স্বীকার করলে পুরুষের মর্যাদা বাড়লেও নারীর ক্ষেত্রে উল্টো শঙ্কা তৈরি হয়।’
বৈঠকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মীর নাদিয়া নিভিন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন নারী রাজনৈতিক অধিকার ফোরামের (এফডাব্লিউপিআর) প্রতিনিধি মাহরুখ মহিউদ্দিন।
আলোচনায় অংশ নেন নির্বাচন সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার, সদস্য জেসমিন টুলি এবং জাতীয় নির্বাচন তদন্ত কমিশনের সদস্য ব্যারিস্টার তাজরিয়ান আকরাম হুসাইন। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাহিদুল খান সোহেল; বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নারী বিভাগের রাজনৈতিক বিষয়ক প্রধান প্রফেসর ডা. হাবিবা আক্তার চৌধুরী, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার নাসরিন সুলতানা মিলি ও সিপিবির কেন্দ্রীয় নারী সেলের সদস্য তাহমিনা ইয়াসমিন নীলা।
এছাড়া ডেমোক্রেটিক বাংলাদেশের মহাসচিব সাদিক আল আরমান, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির শিক্ষক শিব্বির আহমেদ, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতিনিধি হুমায়রা নূর ও সামান্থা শারমিন, এএপি বাংলাদেশের মুখপাত্র শাহরিন সুলতানা ইরা, রাজনীতিবিদ ও সমাজকর্মী তাজনুভা জাবিন এবং ইলেকশন বিটের সাবেক সভাপতি আকরামুল হক সায়েম আলোচনায় অংশ নেন।

রাজনৈতিক দলগুলোর ক্ষেত্রে নারী নেতৃত্ব তৈরিতে সংরক্ষিত আসন ব্যবস্থাকে বাধা হিসেবে অভিহিত করেছেন বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক রওনক জাহান।
রিসার্চ ইনিশিয়েটিভস বাংলাদেশের পরিচালক রওনক জাহান মনে করেন, সংরক্ষিত আসন ব্যবস্থাই রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য নারী নেতৃত্ব তৈরি না করার সহজ পথ বা ইজি ওয়ে আউট।
তিনি বলেন, ‘সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্যরা জনগণের সরাসরি ভোটে নয়, বরং ৩০০ জন পুরুষ এমপির ভোটে নির্বাচিত হন। ফলে তাঁরা আসলে জনগণের, নাকি ওই ৩০০ পুরুষের প্রতিনিধিত্ব করছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়।’
আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ইসফেনদিয়ার জাহেদ হাসান মিলনায়তনে ‘রাজনীতিতে নারী নেতৃত্ব: সংকট ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন। সংবাদমাধ্যম ঢাকা স্ট্রিম, নারী রাজনৈতিক অধিকার ফোরাম (এফডাব্লিউপিআর) ও ডেমোক্রেটিক বাংলাদেশ যৌথভাবে এই গোলটেবিলের আয়োজন করেছে।
সংরক্ষিত নারী আসন ব্যবস্থার কঠোর সমালোচনা করে রওনক জাহান বলেন, ‘১৯৭৩ সালেই আমি এর বিপক্ষে লিখেছিলাম। আমার মত ছিল, সংসদে বিশেষ আসন না রেখে রাজনৈতিক দলের ভেতরেই কোটা ব্যবস্থা থাকা উচিত। সংরক্ষিত আসনের এমপিরা জনগণের ভোটে নয়, বরং ৩০০ জন পুরুষ এমপির ভোটে নির্বাচিত হন। ফলে তারা আসলে কাদের প্রতিনিধিত্ব করছেন জনগণের, নাকি ওই ৩০০ পুরুষের?’
তিনি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট টেনে বলেন, ‘১৯৫৪ সালের নির্বাচনেও নারীরা সরাসরি ভোটে জিতে এসেছিলেন। অথচ ৭৩ সালে সংরক্ষিত আসন চালু করে নারীদের সরাসরি নির্বাচনের পথ কঠিন করে দেওয়া হলো। এটি রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য একটি ইজি ওয়ে আউট বা সহজ পথ, যার মাধ্যমে তারা নারী নেতৃত্ব গড়ে তোলার দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারে।’
রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব সংকট নিয়ে নিজের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন এই রাষ্ট্রবিজ্ঞানী। তিনি বলেন, ‘১৯৭৩ সালে আমি এ বিষয়ে প্রথম লেখালেখি শুরু করি। ওই সময়ের নির্বাচনে ভোটার ও সংসদ সদস্যদের ওপর জরিপ চালিয়েছিলাম। তখন দেখেছি, নারী ভোটাররা মোট ভোটারের প্রায় অর্ধেক হলেও তাদের ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্তটি পরিবারের পুরুষ সদস্যদের (বাবা বা স্বামী) দ্বারা প্রভাবিত ছিল। পুরুষরা যতটা স্বাধীনভাবে চিন্তা করে ভোট দিতে যেতেন, নারীরা ততটা পারতেন না। ৫০ বছর পর এই পরিস্থিতির কতটা পরিবর্তন হয়েছে, তা ভেবে দেখা প্রয়োজন।’
নারী ও পুরুষ সংসদ সদস্যদের প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করে তিনি বলেন, ‘পুরুষ এমপিরা সাধারণত তৃণমূল রাজনীতি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন থেকে উঠে আসেন। অন্যদিকে নারী এমপিরা অপেক্ষাকৃত বেশি শহুরে ও শিক্ষিত পরিবার থেকে এলেও তাদের রাজনৈতিক ভিত্তি দুর্বল থাকে। তারা মূলত সামাজিক বা নারী সংগঠন থেকে রাজনীতিতে আসেন, ফলে দলের মূল সাংগঠনিক কাঠামোর সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা কম থাকে।’
তাঁর পর্যবেক্ষণ হলো—নারী সংগঠনগুলোর নেতৃত্বও মূলত শহরকেন্দ্রিক ও শিক্ষিত নারীদের হাতে। এর ফলে তৃণমূল বা কর্মজীবী নারীদের সঙ্গে তাদের প্রকৃত যোগসূত্র তৈরি হয়নি, যা এখনো একটি বড় সমস্যা।
রাজনীতিতে নারীদের টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে রওনক জাহান বলেন, ‘রাজনীতি একটি পেশার মতো, এখানে দীর্ঘ সময় শিক্ষানবিশ বা অ্যাপ্রেনটিস হিসেবে থাকতে হয়। তরুণ নারীদের জন্য রাজনীতিতে মেন্টর বা পরামর্শক পাওয়া কঠিন। মেন্টররা সাধারণত পুরুষ হন। আমাদের সামাজিক বাস্তবতায় একজন তরুণী যদি কোনো পুরুষ নেতার সঙ্গে রাজনীতি শেখার জন্য বেশি সময় ব্যয় করেন, তবে তাকে নিয়ে নানা কথা রটে।’
তিনি বলেন, ‘এই মেন্টরশিপের অভাবেই নারীদের রাজনীতির নেতৃত্বে আসতে পারিবারিক পরিচয় বা “ডাইনাস্টিক রুট” বেছে নিতে হয়। কারণ যারা রাজনৈতিক পরিবারের মেয়ে, তারা সরাসরি গ্রহণযোগ্যতা পান, অন্যদের মতো দীর্ঘ সংগ্রাম করতে হয় না।’
আন্দোলনের রাজনীতিতে নারী-পুরুষের ভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পুরুষরা জেল-জুলুম সহ্য করলে তা তাদের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে “অ্যাসেট” বা সম্পদ হিসেবে গণ্য হয়। কিন্তু কোনো নারী জেলে গেলে বা পুলিশি নির্যাতনের শিকার হলে তার সম্ভ্রম বা নিরাপত্তা নিয়ে সামাজিকভাবে নানা কথা ওঠে। ফলে স্যাক্রিফাইস বা ত্যাগ স্বীকার করলে পুরুষের মর্যাদা বাড়লেও নারীর ক্ষেত্রে উল্টো শঙ্কা তৈরি হয়।’
বৈঠকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মীর নাদিয়া নিভিন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন নারী রাজনৈতিক অধিকার ফোরামের (এফডাব্লিউপিআর) প্রতিনিধি মাহরুখ মহিউদ্দিন।
আলোচনায় অংশ নেন নির্বাচন সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার, সদস্য জেসমিন টুলি এবং জাতীয় নির্বাচন তদন্ত কমিশনের সদস্য ব্যারিস্টার তাজরিয়ান আকরাম হুসাইন। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাহিদুল খান সোহেল; বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নারী বিভাগের রাজনৈতিক বিষয়ক প্রধান প্রফেসর ডা. হাবিবা আক্তার চৌধুরী, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার নাসরিন সুলতানা মিলি ও সিপিবির কেন্দ্রীয় নারী সেলের সদস্য তাহমিনা ইয়াসমিন নীলা।
এছাড়া ডেমোক্রেটিক বাংলাদেশের মহাসচিব সাদিক আল আরমান, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির শিক্ষক শিব্বির আহমেদ, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতিনিধি হুমায়রা নূর ও সামান্থা শারমিন, এএপি বাংলাদেশের মুখপাত্র শাহরিন সুলতানা ইরা, রাজনীতিবিদ ও সমাজকর্মী তাজনুভা জাবিন এবং ইলেকশন বিটের সাবেক সভাপতি আকরামুল হক সায়েম আলোচনায় অংশ নেন।
.png)

গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে গত কয়েকদিন ধরে উৎপাদন কমায় ব্যাপক লোডশেডিংয়ে পড়েছে দেশ। তবে এসব কেন্দ্রে গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানোর পর বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।
৩২ মিনিট আগে
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দল থেকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর আনন্দে ভাসছে তাঁর নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের বাসিন্দারা। শহরের বিভিন্ন এলাকায় লোকজনসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী আনন্দ প্রকাশ করেন।
২ ঘণ্টা আগে
লোডশেডিংয়ের কারণে জেনারেটরের ব্যবহারে নওগাঁর চালকলগুলোতে উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। অতিরিক্ত খরচের কারণে চালের দাম বাড়ার ও বাজারে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন মালিকেরা।
২ ঘণ্টা আগে
১৫ আগস্ট উপলক্ষে সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও শান্ত রাখতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
৩ ঘণ্টা আগে