আমেরিকায় প্রবেশ নিষেধ—২
ভূ-পর্যটক তারেক অণুর ধারাবাহিক ভ্রমণ-কাহিনি ‘আমেরিকায় প্রবেশ নিষেধ’-এর তৃতীয় পর্ব প্রকাশিত হলো আজ। প্রতি বুধবার চোখ রাখুন বাংলা স্ট্রিমের ফিচার পাতায়। এবারের পর্বে থাকছে নিউইয়র্কের কুইন্সে মধ্যরাতের আড্ডা আর বিশ্বখ্যাত ‘মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অফ আর্ট’-এ কাটানো শিল্প ও বিস্ময়ে ভরা এক দিনের গল্প।
তারেক অণু

গোটা মার্কিন মুলুকে সবচেয়ে বেশি জাতি–ধর্ম–ভাষার মানুষ থাকে নিউইয়র্ক স্টেটে। আর নিউইয়র্কের ভেতরেও যদি বলতে হয়, তাহলে সবচেয়ে বেশি জাতির মানুষ রঙচঙে খিচুড়ি হয়ে থাকে ‘কুইন্স’-এ। সেখানে পাবলিক বাসে উঠলেই মনে হয়, ‘এ তো ভ্রাম্যমাণ মানব চিড়িয়াখানা!’ তামাম মহাদেশের মানুষ হাজির এই একরত্তি বাহনে। যদিও অধিকাংশেরই ভাব বিনিময়ের ভাষা একটাই—ইংরেজি।
যাইহোক, মধ্যরাতে গ্যান্ট্রি পার্কে গাড়ি হাঁকিয়ে হাজির হয়ে গেলেন পুরোনো সুহৃদ, দুর্দান্ত ছড়াকার, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বহুদিনের কর্মী, ‘রাঙা সকাল’ আর আর ভুতুড়ে ‘মধ্য রাতের ট্রেন’ অনুষ্ঠানের উপস্থাপক মৃদুল আহমেদ ভাই। তাঁর উপস্থিতি যে কোনো জায়গাকেই পলকের মধ্যে জীবন্ত করে তোলে। সঙ্গে একের পর এক গান, ছড়া আর প্রাণখোলা হাসির তরঙ্গ।

সেই রাতেই মৃদুল ভাই টেনে নিয়ে গেলেন জ্যাকসন হাইটস। চা-সমুচার কথা থাকলেও খোলা হাওয়ায় হাঁটাহাঁটি করতে করতে খিদে এত বেড়ে গেল যে শেষে এক বাংলাদেশি রেস্তোরাঁয় নান-মুরগির বংশ নাশ করায় ব্রতী হলাম। মৃদুল ভাই ও উদিতা ভাবির ঘর আলো করে আছে তিন কন্যা—মৌনামী, সৌরাত্রি আর সৌমিনী।
মজার ব্যাপার হলো, মৌনামী আর সৌরাত্রি নাম দুটো তাঁরা নিজেরাই তৈরি করেছেন। চেনা বাংলা শব্দ একটু বদলে, আরও সুন্দর করে, একেবারে নতুন শব্দ বানিয়ে মেয়েদের নাম রেখেছেন। বাংলা নাম কানে গেলেই একটা শান্তি লাগে। ভবিষ্যতে যারা বাচ্চার নাম রাখবেন, তাঁরা এই আইডিয়াটা মাথায় রাখতে পারেন।

আড্ডা শেষ করে বাসায় ফিরতে ফিরতে অনেক রাত হয়ে গেল। তখন টিপটিপ বৃষ্টি পড়া শুরু করেছে। ভোরে বৃষ্টি ঝুমঝুম হয়ে জেটল্যাগের ফাঁদে আটকা পড়া ঘুম ভাঙিয়ে দিল! খানিক পরেই আমরা বেরিয়ে পড়লাম বিশ্বের অন্যতম সেরা জাদুঘর নিউইয়র্কের ‘মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অফ আর্ট’ (METS) এ যাবার জন্য, যা সংক্ষেপে ‘দ্য মেট’ নামে পরিচিত।
সাবওয়ে স্টেশনে যাবার জন্য একটা বিশেষ ধরনের বড় গাড়িতে উঠলাম, যার গালভরা নাম ‘ডলার ট্যাক্সি’। এটা সাধারণ ইয়েলো বা গ্রিন ক্যাব নয়। গাড়িতে কোথাও ট্যাক্সি শব্দটা খোদাই করাও নেই। ডলার ট্যাক্সির অধিকাংশ চালকই কৃষ্ণাঙ্গ। গাড়িতে চালক বাদে চারজন্ যাত্রী বসতে পারে। নির্দিষ্ট এলাকার রুটের মধ্যে যেখানেই নামবেন, ভাড়া ২ ডলার!

‘মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অফ আর্ট’ নিয়ে কিছু বলতে যাওয়া আসলে বাতুলতা। কোনোভাবেই এই বিশাল সংগ্রহশালার মহত্ত্ব এবং বিস্তার আপনি ভাষায় প্রকাশ করতে পারবেন না। সেটা হোক চিত্রকর্ম, ভাস্কর্য, মিশরীয় ঐতিহাসিক নিদর্শন বা ভারতীয়। কেবল ঘোর লাগা একটা ভাব কাজ করে। ভেতরে ঢুকলেই মনে হয়, এরপর আরেকবার এখানে আসতেই হবে।
এর মাঝেও প্রিয় ভিনসেন্ট ভ্যান গগ, পল সেজান, পল গগ্যাঁ, ক্লদ মোনে, এদুয়ার মানে, রেঁনোয়া, ভেরমির, সিসলে, তুলুজ-লত্রেক, সেউরাতের জগৎ একের পর এক চোখের সামনে খুলে যায়। সেই সঙ্গে আছে অগুস্ত রদ্যাঁর ভাস্কর্য, পিকাসোর তুলির আচড় আর রেমব্রান্টের আলো-ছায়ার জাদু। আর প্রাচীন ওস্তাদ টিটিয়ান, তিনতোরেত্তোর মুনশিয়ানা আর স্প্যানিশ গয়া-এল গ্রেকোর সৃষ্টি নিয়ে যায় এক অন্য গ্রহে। যেখানে বিস্ময় আর মুগ্ধতা ছাড়া আর কিছুই নেই, থাকতে পারেও না।

‘দ্য মেট’-এর টিকিটের দাম বেশ চড়া, ২০ ডলারের বেশি। তবে নিউইয়র্কের নিবন্ধিত বাসিন্দা আর ছাত্রদের জন্য টিকিটের দাম ডোনেশন ভিত্তিক। কেউ চাইলে এক ডলার দেয়, কেউ ১০, কেউ ১০০। স্থানীয় বন্ধু সঙ্গে থাকায় এই বিশ্বমানের জাদুঘরটা খুব অল্প খরচেই দেখা হয়ে গেল।
মিশরীয় সংগ্রহশালাটি এক কথায় অনন্য। কত যে মমি, মমির কফিন, সারকোফোগাস, সমাধি মন্দিরের দেয়াল, দেবতার ভাস্কর্য। ভাষাহীন হয়ে বিমূঢ় বিস্ময়ে দেখে গেলাম প্রায় লাখ খানেক নিদর্শন। প্রায় চার হাজার বছর আগের লিনেন কাপড় দেখে তো একেবারে বাকরুদ্ধ।

কিছু বুঝে ওঠার আগেই কয়েক ঘণ্টা কেটে গেছে। কেবল ভারতীয় উপমহাদেশের গ্যালারিটা দেখে আফগানিস্তানের গান্ধারী শিল্পের নিদর্শন আর পাকিস্তানের সোয়াত উপত্যকার নিখুঁত সব বুদ্ধমূর্তি দেখে বর্তমান বাস্তবতা ভেবে একটু আফসোস নিয়েই বের হলাম। ঠিক করলাম, আরেকদিন আবার আসব। যদিও জাদুঘরের ১০ ভাগ দেখাও সম্ভব হয়নি, আর একদিনে এর বেশী দেখতে চাইও না!
এরপর ভেড়ার সর্মা দিয়ে চটজলদি পেটপূজা সেরে ফুটবল খেলা দেখতে ঢুকলাম পাড়ার এক পানশালায়। তখন আরো একবার মনে হলো, ‘আমি তো আমেরিকায়!’ তিনটা বড় টিভির দুইটায় চলছে নিউইয়র্ক ইয়াঙ্কিজের বেসবল। মাঝখানের টিভিতে ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চার মতো ফুটবল খেলা চলছে। তবে ফুটবল খেলার কোনো ধারাভাষ্য শোনা যাচ্ছে না। কারণ, টিভির শব্দ মিউট করে চালানো হচ্ছে ধুমধাম মিউজিক!
খেলা শেষে বাসায় ফিরেই চমক। ‘আমি যাই বঙ্গে, কপাল যায় সঙ্গে’ অবস্থা। আমার বড় ভাই তানভীর অপু তল্পিতল্পা গুছিয়ে মার্কিন দেশে চলে এসেছে, একসঙ্গে ভ্রমণে করার জন্য। এখন জেটল্যাগের ধকল সহ্য করা মুশকিল। ঘুম চোখে ভর করছে। বাকি গল্প আগামী বুধবার।

গোটা মার্কিন মুলুকে সবচেয়ে বেশি জাতি–ধর্ম–ভাষার মানুষ থাকে নিউইয়র্ক স্টেটে। আর নিউইয়র্কের ভেতরেও যদি বলতে হয়, তাহলে সবচেয়ে বেশি জাতির মানুষ রঙচঙে খিচুড়ি হয়ে থাকে ‘কুইন্স’-এ। সেখানে পাবলিক বাসে উঠলেই মনে হয়, ‘এ তো ভ্রাম্যমাণ মানব চিড়িয়াখানা!’ তামাম মহাদেশের মানুষ হাজির এই একরত্তি বাহনে। যদিও অধিকাংশেরই ভাব বিনিময়ের ভাষা একটাই—ইংরেজি।
যাইহোক, মধ্যরাতে গ্যান্ট্রি পার্কে গাড়ি হাঁকিয়ে হাজির হয়ে গেলেন পুরোনো সুহৃদ, দুর্দান্ত ছড়াকার, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বহুদিনের কর্মী, ‘রাঙা সকাল’ আর আর ভুতুড়ে ‘মধ্য রাতের ট্রেন’ অনুষ্ঠানের উপস্থাপক মৃদুল আহমেদ ভাই। তাঁর উপস্থিতি যে কোনো জায়গাকেই পলকের মধ্যে জীবন্ত করে তোলে। সঙ্গে একের পর এক গান, ছড়া আর প্রাণখোলা হাসির তরঙ্গ।

সেই রাতেই মৃদুল ভাই টেনে নিয়ে গেলেন জ্যাকসন হাইটস। চা-সমুচার কথা থাকলেও খোলা হাওয়ায় হাঁটাহাঁটি করতে করতে খিদে এত বেড়ে গেল যে শেষে এক বাংলাদেশি রেস্তোরাঁয় নান-মুরগির বংশ নাশ করায় ব্রতী হলাম। মৃদুল ভাই ও উদিতা ভাবির ঘর আলো করে আছে তিন কন্যা—মৌনামী, সৌরাত্রি আর সৌমিনী।
মজার ব্যাপার হলো, মৌনামী আর সৌরাত্রি নাম দুটো তাঁরা নিজেরাই তৈরি করেছেন। চেনা বাংলা শব্দ একটু বদলে, আরও সুন্দর করে, একেবারে নতুন শব্দ বানিয়ে মেয়েদের নাম রেখেছেন। বাংলা নাম কানে গেলেই একটা শান্তি লাগে। ভবিষ্যতে যারা বাচ্চার নাম রাখবেন, তাঁরা এই আইডিয়াটা মাথায় রাখতে পারেন।

আড্ডা শেষ করে বাসায় ফিরতে ফিরতে অনেক রাত হয়ে গেল। তখন টিপটিপ বৃষ্টি পড়া শুরু করেছে। ভোরে বৃষ্টি ঝুমঝুম হয়ে জেটল্যাগের ফাঁদে আটকা পড়া ঘুম ভাঙিয়ে দিল! খানিক পরেই আমরা বেরিয়ে পড়লাম বিশ্বের অন্যতম সেরা জাদুঘর নিউইয়র্কের ‘মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অফ আর্ট’ (METS) এ যাবার জন্য, যা সংক্ষেপে ‘দ্য মেট’ নামে পরিচিত।
সাবওয়ে স্টেশনে যাবার জন্য একটা বিশেষ ধরনের বড় গাড়িতে উঠলাম, যার গালভরা নাম ‘ডলার ট্যাক্সি’। এটা সাধারণ ইয়েলো বা গ্রিন ক্যাব নয়। গাড়িতে কোথাও ট্যাক্সি শব্দটা খোদাই করাও নেই। ডলার ট্যাক্সির অধিকাংশ চালকই কৃষ্ণাঙ্গ। গাড়িতে চালক বাদে চারজন্ যাত্রী বসতে পারে। নির্দিষ্ট এলাকার রুটের মধ্যে যেখানেই নামবেন, ভাড়া ২ ডলার!

‘মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অফ আর্ট’ নিয়ে কিছু বলতে যাওয়া আসলে বাতুলতা। কোনোভাবেই এই বিশাল সংগ্রহশালার মহত্ত্ব এবং বিস্তার আপনি ভাষায় প্রকাশ করতে পারবেন না। সেটা হোক চিত্রকর্ম, ভাস্কর্য, মিশরীয় ঐতিহাসিক নিদর্শন বা ভারতীয়। কেবল ঘোর লাগা একটা ভাব কাজ করে। ভেতরে ঢুকলেই মনে হয়, এরপর আরেকবার এখানে আসতেই হবে।
এর মাঝেও প্রিয় ভিনসেন্ট ভ্যান গগ, পল সেজান, পল গগ্যাঁ, ক্লদ মোনে, এদুয়ার মানে, রেঁনোয়া, ভেরমির, সিসলে, তুলুজ-লত্রেক, সেউরাতের জগৎ একের পর এক চোখের সামনে খুলে যায়। সেই সঙ্গে আছে অগুস্ত রদ্যাঁর ভাস্কর্য, পিকাসোর তুলির আচড় আর রেমব্রান্টের আলো-ছায়ার জাদু। আর প্রাচীন ওস্তাদ টিটিয়ান, তিনতোরেত্তোর মুনশিয়ানা আর স্প্যানিশ গয়া-এল গ্রেকোর সৃষ্টি নিয়ে যায় এক অন্য গ্রহে। যেখানে বিস্ময় আর মুগ্ধতা ছাড়া আর কিছুই নেই, থাকতে পারেও না।

‘দ্য মেট’-এর টিকিটের দাম বেশ চড়া, ২০ ডলারের বেশি। তবে নিউইয়র্কের নিবন্ধিত বাসিন্দা আর ছাত্রদের জন্য টিকিটের দাম ডোনেশন ভিত্তিক। কেউ চাইলে এক ডলার দেয়, কেউ ১০, কেউ ১০০। স্থানীয় বন্ধু সঙ্গে থাকায় এই বিশ্বমানের জাদুঘরটা খুব অল্প খরচেই দেখা হয়ে গেল।
মিশরীয় সংগ্রহশালাটি এক কথায় অনন্য। কত যে মমি, মমির কফিন, সারকোফোগাস, সমাধি মন্দিরের দেয়াল, দেবতার ভাস্কর্য। ভাষাহীন হয়ে বিমূঢ় বিস্ময়ে দেখে গেলাম প্রায় লাখ খানেক নিদর্শন। প্রায় চার হাজার বছর আগের লিনেন কাপড় দেখে তো একেবারে বাকরুদ্ধ।

কিছু বুঝে ওঠার আগেই কয়েক ঘণ্টা কেটে গেছে। কেবল ভারতীয় উপমহাদেশের গ্যালারিটা দেখে আফগানিস্তানের গান্ধারী শিল্পের নিদর্শন আর পাকিস্তানের সোয়াত উপত্যকার নিখুঁত সব বুদ্ধমূর্তি দেখে বর্তমান বাস্তবতা ভেবে একটু আফসোস নিয়েই বের হলাম। ঠিক করলাম, আরেকদিন আবার আসব। যদিও জাদুঘরের ১০ ভাগ দেখাও সম্ভব হয়নি, আর একদিনে এর বেশী দেখতে চাইও না!
এরপর ভেড়ার সর্মা দিয়ে চটজলদি পেটপূজা সেরে ফুটবল খেলা দেখতে ঢুকলাম পাড়ার এক পানশালায়। তখন আরো একবার মনে হলো, ‘আমি তো আমেরিকায়!’ তিনটা বড় টিভির দুইটায় চলছে নিউইয়র্ক ইয়াঙ্কিজের বেসবল। মাঝখানের টিভিতে ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চার মতো ফুটবল খেলা চলছে। তবে ফুটবল খেলার কোনো ধারাভাষ্য শোনা যাচ্ছে না। কারণ, টিভির শব্দ মিউট করে চালানো হচ্ছে ধুমধাম মিউজিক!
খেলা শেষে বাসায় ফিরেই চমক। ‘আমি যাই বঙ্গে, কপাল যায় সঙ্গে’ অবস্থা। আমার বড় ভাই তানভীর অপু তল্পিতল্পা গুছিয়ে মার্কিন দেশে চলে এসেছে, একসঙ্গে ভ্রমণে করার জন্য। এখন জেটল্যাগের ধকল সহ্য করা মুশকিল। ঘুম চোখে ভর করছে। বাকি গল্প আগামী বুধবার।

বলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অরিজিৎ সিং জানিয়েছেন, তিনি আর নতুন কোনো প্লেব্যাক গানের কাজ নেবেন না। তবে একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, সংগীত থেকে সরে যাচ্ছেন না। বরং আবার নতুন করে শুরু করতে চান বাঙালি এই গায়ক, ফিরতে চান ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতে।
৭ ঘণ্টা আগে
আমাদের দৈনন্দিন জীবনে চিনি বা ‘অ্যাডেড সুগার’ এতটাই ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে যে, একে খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কথা ভাবলেই অনেকে আঁতকে ওঠেন। কিন্তু আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান চিনিকে আখ্যায়িত করছে ‘সাদা বিষ’ বা হোয়াইট পয়জন হিসেবে।
২১ ঘণ্টা আগে
শিশু খেতে চাইছে না? হাতে ফোন। কান্না থামছে না? চালু ইউটিউব। অনেক বাবা–মায়ের কাছে মোবাইল যেন ‘জাদুর কাঠি’। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অভ্যাস ঝুঁকিপূর্ণ। আবার প্রযুক্তির যুগে শিশুকে পুরোপুরি স্ক্রিন থেকে দূরে রাখাও অসম্ভব। তাই প্রশ্ন হলো, শিশুর স্ক্রিনটাইম বা মোবাইল দেখার সীমারেখা ঠিক কোথায় টানা উচিত
১ দিন আগে
সৌন্দর্য বোঝার ক্ষেত্রে তাই দুটো দিক কাজ করে। একদিকে আছে বস্তুনিষ্ঠ দিক, অর্থাৎ কোনো জিনিসের গঠন, ভারসাম্য বা বৈশিষ্ট্য। অন্যদিকে আছে ব্যক্তিনিষ্ঠ দিক, মানে ব্যক্তির অনুভূতি, রুচি আর অভিজ্ঞতা। এই দুই দিক একসঙ্গে জড়িত বলেই সৌন্দর্যের নির্দিষ্ট সংজ্ঞা দেওয়া এত কঠিন।
২ দিন আগে