স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ দল ও অঙ্গ-সংগঠনের সাত নেতার বিচারিক কার্যক্রম শুরু হবে কি না—আজ জানা যাবে। আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) এই সংক্রান্ত আদেশ দেবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (চার্জ) গঠনের বিষয়ে শুনানি শেষে আদেশের জন্য আজকের দিনটি নির্ধারণ করেছিলেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেবেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
মামলার এজাহারভুক্ত সাতজন আসামিই বর্তমানে পলাতক। ওবায়দুল কাদের ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন—আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান।
এর আগে গত ১৮ জানুয়ারি প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের (রাষ্ট্রনিযুক্ত) শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশের জন্য ২২ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন। ওই দিনের শুনানিতে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এম এইচ তামিম আসামিদের ব্যক্তিগত দায় এবং কমান্ড রেসপনসিবিলিটি বা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দায়ের বিষয়টি ট্রাইব্যুনালে তুলে ধরেন। শুনানিতে ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে আনা তিনটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগও আদালতে পড়ে শোনানো হয়।
প্রসিকিউশনের অভিযোগে বলা হয়, জুলাই–আগস্টের আন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের হত্যা, সহিংসতা ও দমনমূলক কার্যক্রমে এসব নেতার নির্দেশ, উসকানি ও প্ররোচনার ভূমিকা ছিল।
পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত (স্টেট ডিফেন্স) আইনজীবী লোকমান হাওলাদার ও ইশরাত জাহান শুনানিতে অংশ নিয়ে দাবি করেন, তাঁদের মক্কেলদের সঙ্গে অভিযোগগুলোর প্রত্যক্ষ কোনো সম্পৃক্ততা নেই। যথাযথ তথ্য–প্রমাণের অভাবে আসামিদের অব্যাহতি দিয়ে অভিযোগ গঠন না করার আবেদন জানান তারা।
উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক পর্যালোচনা শেষে আজ অভিযোগ গঠনের বিষয়ে ট্রাইব্যুনাল চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন।
এর আগে, গত ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশন আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করলে ট্রাইব্যুনাল তা আমলে নেন। পরবর্তীতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হলেও গত ২৯ ডিসেম্বরের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আসামিদের কোনো ঠিকানায় খুঁজে পায়নি বলে আদালতকে জানায়। এরপর ৩০ ডিসেম্বর তাদের হাজির হতে জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়।
সবশেষ গত ৮ জানুয়ারি আসামিদের আত্মসমর্পণের দিন ধার্য ছিল। তবে কেউ হাজির না হওয়ায় তাদের পলাতক হিসেবেই বিচার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ট্রাইব্যুনাল। এ পর্যায়ে আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আজ বিচার শুরুর বিষয়ে আদেশ দেওয়ার কথা রয়েছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ দল ও অঙ্গ-সংগঠনের সাত নেতার বিচারিক কার্যক্রম শুরু হবে কি না—আজ জানা যাবে। আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) এই সংক্রান্ত আদেশ দেবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (চার্জ) গঠনের বিষয়ে শুনানি শেষে আদেশের জন্য আজকের দিনটি নির্ধারণ করেছিলেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেবেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
মামলার এজাহারভুক্ত সাতজন আসামিই বর্তমানে পলাতক। ওবায়দুল কাদের ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন—আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান।
এর আগে গত ১৮ জানুয়ারি প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের (রাষ্ট্রনিযুক্ত) শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশের জন্য ২২ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন। ওই দিনের শুনানিতে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এম এইচ তামিম আসামিদের ব্যক্তিগত দায় এবং কমান্ড রেসপনসিবিলিটি বা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দায়ের বিষয়টি ট্রাইব্যুনালে তুলে ধরেন। শুনানিতে ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে আনা তিনটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগও আদালতে পড়ে শোনানো হয়।
প্রসিকিউশনের অভিযোগে বলা হয়, জুলাই–আগস্টের আন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের হত্যা, সহিংসতা ও দমনমূলক কার্যক্রমে এসব নেতার নির্দেশ, উসকানি ও প্ররোচনার ভূমিকা ছিল।
পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত (স্টেট ডিফেন্স) আইনজীবী লোকমান হাওলাদার ও ইশরাত জাহান শুনানিতে অংশ নিয়ে দাবি করেন, তাঁদের মক্কেলদের সঙ্গে অভিযোগগুলোর প্রত্যক্ষ কোনো সম্পৃক্ততা নেই। যথাযথ তথ্য–প্রমাণের অভাবে আসামিদের অব্যাহতি দিয়ে অভিযোগ গঠন না করার আবেদন জানান তারা।
উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক পর্যালোচনা শেষে আজ অভিযোগ গঠনের বিষয়ে ট্রাইব্যুনাল চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন।
এর আগে, গত ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশন আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করলে ট্রাইব্যুনাল তা আমলে নেন। পরবর্তীতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হলেও গত ২৯ ডিসেম্বরের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আসামিদের কোনো ঠিকানায় খুঁজে পায়নি বলে আদালতকে জানায়। এরপর ৩০ ডিসেম্বর তাদের হাজির হতে জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়।
সবশেষ গত ৮ জানুয়ারি আসামিদের আত্মসমর্পণের দিন ধার্য ছিল। তবে কেউ হাজির না হওয়ায় তাদের পলাতক হিসেবেই বিচার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ট্রাইব্যুনাল। এ পর্যায়ে আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আজ বিচার শুরুর বিষয়ে আদেশ দেওয়ার কথা রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ক্রমশ বিঘ্নিত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ থেকে অতিরিক্ত ডিজেল দেওয়ার অনুরোধ পেয়েছে ভারত। এখন সেই অনুরোধ বিবেচনা করছে দেশটি। তবে তার আগে নিজেদের চাহিদা এবং শোধনাগারের ক্ষমতা খতিয়ে দেখবে ভারত।
২ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতি হওয়া মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ‘স্বাধীনতার ঘোষক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এ সময় আওয়ামী লীগ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’আখ্যা দেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ‘পুলিশ হত্যা’র অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়াসহ ৪২ জনকে আসামি করে মামলার আবেদন করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনের জন্য একগুচ্ছ নিরাপত্তা পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। সড়ক, রেল ও নৌপথের যাত্রী এবং চালকদের প্রতি নিরাপত্তা দির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
৩ ঘণ্টা আগে