স্ট্রিম প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগ আমলে এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-র্যাবসহ বিভিন্ন বাহিনীতে থাকা সাবেক সেনা কর্মকর্তাদেরও বিচারের মুখোমুখি করা হচ্ছে। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুল্লাহিল আমান আল আযমী ও ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেমসহ বেশ কয়েকজনকে গুমের ঘটনায় করা অভিযোগে পৃথক দুটি তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। আজ বুধবার প্রসিকিউশনে সেটি জমা দেবে তদন্ত সংস্থা। গতকাল মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) প্রসিকিউশন সূত্র স্ট্রিমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্রটি আরও জানায়, এ তদন্ত প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই করে শিগগিরই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আকারে ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে। তবে, এ বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামকে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো তথ্য দিতে রাজি হননি।
এর আগে সোমবার ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, পতিত আওয়ামী সরকারের সময়কার আলোচিত গুমের কয়েকটি মামলার তদন্ত রিপোর্ট এক সপ্তাহের মধ্যে দাখিল করা হবে। তিনি আরও বলেন, ‘কেউ পার পেয়ে যাবেন, কাউকে দায়মুক্তি দেওয়া হবে, কেউ পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করবেন— এ ধরনের দুরাশা করে লাভ নেই। ন্যায়বিচার সব সময় তার নিজ গতিতে চলবে।’
আওয়ামী লীগ আমলে গুম হওয়া বিভিন্ন ব্যক্তি ও পরিবারের সদস্যরা শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন বিভাগে সরাসরি হাজির হয়ে অভিযোগ জমা দেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, ব্যারিস্টার আরমান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আযমী, মাইকেল চাকমা প্রমুখ। এসব অভিযোগের প্রাথমিক যাচাই-বাছাই ও তদন্তের কাজ করে তদন্ত সংস্থা। এ ছাড়া ট্রাইব্যুনালের বাইরেও বিভিন্ন আদালত ও থানায় গুমের একাধিক অভিযোগ দাখিল করেছেন ভুক্তভোগীরা।
গত বছর দীর্ঘ আট বছর গুম থাকার বর্ণনা দেন জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির প্রয়াত গোলাম আযমের ছেলে সাবেক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমী। গত বছরের ৩ সেপ্টেম্বর জাতীয় প্রেস ক্লাবের অডিটোরিয়ামে অনলাইন জুমের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি গুমের অভিযোগ করেন।
২০১৬ সালের ২৩ আগস্ট নিখোঁজ হন আযমী। তিনি গুমের ঘটনার বিবরণে বলেছেন, ‘ওইদিন আমি অসুস্থ মায়ের সঙ্গে ভাত খেতে বসেছিলাম। সেদিন সরকারের গুণ্ডাবাহিনী আমার বাসায় আসে। তাদের মাঝে যাকে আমার অফিসার বলে মনে হয়েছে, সে আমার সঙ্গে অত্যন্ত দুর্ব্যবহার করেছে। আমাকে তুই করে কথা বলেছে। চরম দুর্ব্যবহার করেছে। এরপর তারা তার চোখ বেঁধে একটি মাইক্রোবাসে ওঠায়। তারপর একটি মুখোশ পরায়। তারপর দেড় ঘণ্টার মতো পার হয়ে গাড়িটি একটা জায়গায় থামে এবং তারপর তাকে একটা রুমে নিয়ে চোখ হাত খুলে দেওয়া হয়।’
তিনি জানান, এরপর প্রতিদিন নতুন কায়দায় তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে।
এদিকে আট বছর গুম থেকে মুক্ত হয়ে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নেতা মীর কাসেম আলীর ছেলে ব্যারিস্টার আরমান গুম হওয়ার অভিযোগ করেছেন। গত বছরের ২৯ অক্টোবর তিনি গুম সংক্রান্ত কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০১৬ সালের ৯ আগস্ট রাতে ব্যারিস্টার আরমানকে তার নিজ বাসা থেকে তুলে নেওয়া হয়। এ সময় তার স্ত্রী ও সন্তানদের সামনে থেকে টেনে-হিঁচড়ে সাদা মাইক্রোবাসে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাকে একটি নির্জন কক্ষে ১৬ দিন বন্দি করে রাখা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়ে, গুম হওয়ার কয়েক মাস পর একজন প্রহরী গভীর রাতে তার সঙ্গে কথা বলতে এসে জানান যে, তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী, তাকে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দিতে এবং চেনা না যাওয়ার জন্য মুখ ও হাত অ্যাসিড দিয়ে ঝলসে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে হত্যার পরিকল্পনাকারীদের একজন বড় কর্মকর্তা সিলেটে একটি সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হওয়ায় সেই পরিকল্পনা বাতিল করা হয়। দীর্ঘ আট বছর পর গত বছরের ৬ আগস্ট আযমী ও আরমান গুম অবস্থা থেকে মুক্ত হন।

আওয়ামী লীগ আমলে এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-র্যাবসহ বিভিন্ন বাহিনীতে থাকা সাবেক সেনা কর্মকর্তাদেরও বিচারের মুখোমুখি করা হচ্ছে। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুল্লাহিল আমান আল আযমী ও ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেমসহ বেশ কয়েকজনকে গুমের ঘটনায় করা অভিযোগে পৃথক দুটি তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। আজ বুধবার প্রসিকিউশনে সেটি জমা দেবে তদন্ত সংস্থা। গতকাল মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) প্রসিকিউশন সূত্র স্ট্রিমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্রটি আরও জানায়, এ তদন্ত প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই করে শিগগিরই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আকারে ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে। তবে, এ বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামকে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো তথ্য দিতে রাজি হননি।
এর আগে সোমবার ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, পতিত আওয়ামী সরকারের সময়কার আলোচিত গুমের কয়েকটি মামলার তদন্ত রিপোর্ট এক সপ্তাহের মধ্যে দাখিল করা হবে। তিনি আরও বলেন, ‘কেউ পার পেয়ে যাবেন, কাউকে দায়মুক্তি দেওয়া হবে, কেউ পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করবেন— এ ধরনের দুরাশা করে লাভ নেই। ন্যায়বিচার সব সময় তার নিজ গতিতে চলবে।’
আওয়ামী লীগ আমলে গুম হওয়া বিভিন্ন ব্যক্তি ও পরিবারের সদস্যরা শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন বিভাগে সরাসরি হাজির হয়ে অভিযোগ জমা দেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, ব্যারিস্টার আরমান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আযমী, মাইকেল চাকমা প্রমুখ। এসব অভিযোগের প্রাথমিক যাচাই-বাছাই ও তদন্তের কাজ করে তদন্ত সংস্থা। এ ছাড়া ট্রাইব্যুনালের বাইরেও বিভিন্ন আদালত ও থানায় গুমের একাধিক অভিযোগ দাখিল করেছেন ভুক্তভোগীরা।
গত বছর দীর্ঘ আট বছর গুম থাকার বর্ণনা দেন জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির প্রয়াত গোলাম আযমের ছেলে সাবেক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমী। গত বছরের ৩ সেপ্টেম্বর জাতীয় প্রেস ক্লাবের অডিটোরিয়ামে অনলাইন জুমের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি গুমের অভিযোগ করেন।
২০১৬ সালের ২৩ আগস্ট নিখোঁজ হন আযমী। তিনি গুমের ঘটনার বিবরণে বলেছেন, ‘ওইদিন আমি অসুস্থ মায়ের সঙ্গে ভাত খেতে বসেছিলাম। সেদিন সরকারের গুণ্ডাবাহিনী আমার বাসায় আসে। তাদের মাঝে যাকে আমার অফিসার বলে মনে হয়েছে, সে আমার সঙ্গে অত্যন্ত দুর্ব্যবহার করেছে। আমাকে তুই করে কথা বলেছে। চরম দুর্ব্যবহার করেছে। এরপর তারা তার চোখ বেঁধে একটি মাইক্রোবাসে ওঠায়। তারপর একটি মুখোশ পরায়। তারপর দেড় ঘণ্টার মতো পার হয়ে গাড়িটি একটা জায়গায় থামে এবং তারপর তাকে একটা রুমে নিয়ে চোখ হাত খুলে দেওয়া হয়।’
তিনি জানান, এরপর প্রতিদিন নতুন কায়দায় তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে।
এদিকে আট বছর গুম থেকে মুক্ত হয়ে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নেতা মীর কাসেম আলীর ছেলে ব্যারিস্টার আরমান গুম হওয়ার অভিযোগ করেছেন। গত বছরের ২৯ অক্টোবর তিনি গুম সংক্রান্ত কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০১৬ সালের ৯ আগস্ট রাতে ব্যারিস্টার আরমানকে তার নিজ বাসা থেকে তুলে নেওয়া হয়। এ সময় তার স্ত্রী ও সন্তানদের সামনে থেকে টেনে-হিঁচড়ে সাদা মাইক্রোবাসে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাকে একটি নির্জন কক্ষে ১৬ দিন বন্দি করে রাখা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়ে, গুম হওয়ার কয়েক মাস পর একজন প্রহরী গভীর রাতে তার সঙ্গে কথা বলতে এসে জানান যে, তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী, তাকে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দিতে এবং চেনা না যাওয়ার জন্য মুখ ও হাত অ্যাসিড দিয়ে ঝলসে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে হত্যার পরিকল্পনাকারীদের একজন বড় কর্মকর্তা সিলেটে একটি সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হওয়ায় সেই পরিকল্পনা বাতিল করা হয়। দীর্ঘ আট বছর পর গত বছরের ৬ আগস্ট আযমী ও আরমান গুম অবস্থা থেকে মুক্ত হন।

জব্দকৃত ভিডিওতে এই উল্লাসর পরও কেন সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হয়নি তার আইনি ব্যাখ্যা দিয়েছেন আদালত। আদালতের ভাষ্য—সুজন পরিস্থিতির শিকার। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জোর করে হাতে অস্ত্র তুলে না দিলে তিনি খুনি হতেন না।
১৮ মিনিট আগে
টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নারী চিকিৎসকদের ব্যবহৃত ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা স্থাপনের অভিযোগে ইন্টার্ন চিকিৎসক রায়হান কবির ইমনকে আটক করেছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে
নরসিংদীতে সন্ত্রাসীদের হামলায় ১০ সাংবাদিক আহত হয়েছেন। ড্রিম হলিডে পার্কের সামনের রাস্তার পাশে গাড়ি পার্ক করলে স্থানীয় একদল লোক টাকা দাবি করে। এর প্রতিবাদ করলে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে গুজব প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির তাগিদ দিয়েছেন তথ্য সচিব মাহবুবা ফারজানা। এ লক্ষ্যে তিনি জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের আরও সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের পরামর্শ দিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে