স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে বুথের সংখ্যা ৫০০ থেকে বাড়িয়ে ৭১০ করা হয়েছে। আজ শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন স্বাক্ষরিত এই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘ভোট গ্রহণের সময় সকাল আটটা থেকে বিরতিহীনভাবে বিকাল চারটা পর্যন্ত (৮ ঘণ্টা) নির্ধারণ করা হলো।’
বিকেল চারটার মধ্যে যারাই ভোট কেন্দ্রের লাইনে থাকবেন, সবাই ভোট দিতে পারবেন বলেও জানানো হয় এ বিজ্ঞপ্তিতে। এর আগে সিদ্ধান্ত ছিল, সকাল আটটা থেকে বেলা তিনটা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করা হবে।
প্রসঙ্গত, গত ২৯ জুলাই তফসিল ঘোষণার সময় ছয়টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণের কথা থাকলেও পরে বিভিন্ন প্যানেলের দাবির মুখে ভোটকেন্দ্র বাড়িয়ে আটটি করা হয়।
এর মধ্যে কার্জন হলে ভোট দেবেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল, অমর একুশে হল ও ফজলুল হক মুসলিম হলের শিক্ষার্থীরা। শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রে ভোট দেবেন জগন্নাথ হল, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল ও সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের শিক্ষার্থীরা।
ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে ভোট দেবেন (টিএসসি) রোকেয়া হলের শিক্ষার্থীরা। ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ ও ভূতত্ত্ব বিভাগে ভোট দেবেন যথাক্রমে শামসুন নাহার হল ও কবি সুফিয়া কামাল হলের শিক্ষার্থীরা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব কেন্দ্রে ভোট দেবেন বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল ও শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের শিক্ষার্থীরা। সিনেট ভবন ভোট দেবেন স্যার এএফ রহমান হল, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল ও বিজয় একাত্তর হলের শিক্ষার্থীরা।
এ ছাড়া উদয়ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেবেন সূর্যসেন হল, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল, শেখ মুজিবুর রহমান হল ও কবি জসীম উদ্দীন হলের শিক্ষার্থীরা।
আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বর্তমানে প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। ভোটের ২৪ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত প্রার্থীরা প্রচারণা চালাতে পারবেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে বুথের সংখ্যা ৫০০ থেকে বাড়িয়ে ৭১০ করা হয়েছে। আজ শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন স্বাক্ষরিত এই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘ভোট গ্রহণের সময় সকাল আটটা থেকে বিরতিহীনভাবে বিকাল চারটা পর্যন্ত (৮ ঘণ্টা) নির্ধারণ করা হলো।’
বিকেল চারটার মধ্যে যারাই ভোট কেন্দ্রের লাইনে থাকবেন, সবাই ভোট দিতে পারবেন বলেও জানানো হয় এ বিজ্ঞপ্তিতে। এর আগে সিদ্ধান্ত ছিল, সকাল আটটা থেকে বেলা তিনটা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করা হবে।
প্রসঙ্গত, গত ২৯ জুলাই তফসিল ঘোষণার সময় ছয়টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণের কথা থাকলেও পরে বিভিন্ন প্যানেলের দাবির মুখে ভোটকেন্দ্র বাড়িয়ে আটটি করা হয়।
এর মধ্যে কার্জন হলে ভোট দেবেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল, অমর একুশে হল ও ফজলুল হক মুসলিম হলের শিক্ষার্থীরা। শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রে ভোট দেবেন জগন্নাথ হল, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল ও সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের শিক্ষার্থীরা।
ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে ভোট দেবেন (টিএসসি) রোকেয়া হলের শিক্ষার্থীরা। ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ ও ভূতত্ত্ব বিভাগে ভোট দেবেন যথাক্রমে শামসুন নাহার হল ও কবি সুফিয়া কামাল হলের শিক্ষার্থীরা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব কেন্দ্রে ভোট দেবেন বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল ও শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের শিক্ষার্থীরা। সিনেট ভবন ভোট দেবেন স্যার এএফ রহমান হল, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল ও বিজয় একাত্তর হলের শিক্ষার্থীরা।
এ ছাড়া উদয়ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেবেন সূর্যসেন হল, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল, শেখ মুজিবুর রহমান হল ও কবি জসীম উদ্দীন হলের শিক্ষার্থীরা।
আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বর্তমানে প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। ভোটের ২৪ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত প্রার্থীরা প্রচারণা চালাতে পারবেন।

দেশের সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট আগামীকাল শুক্রবার (১২ জুন) থেকে বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মাসুদুর রহমান মাসুদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
৬ মিনিট আগে
আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দেশের প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ সব কথা বলেন।
৩১ মিনিট আগে
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী ও বাস্তবতাবিবর্জিত বলে মন্তব্য করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বাজেট নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এনসিপির ছায়া বাজেট কমিটির প্রধান ও কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আতিক মুজাহিদ এ মন্তব্য করেন।
৩৮ মিনিট আগে
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জন্য ১৭ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। আগের অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ১৬ হাজার ৯৫২ কোটি টাকা।
৪২ মিনিট আগে