স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে পুলিশের চায়না রাইফেলের গুলি মাহমুদুর রহমান সৈকতের কপাল ভেদ করে মাথার পেছন দিয়ে বেরিয়ে গিয়েছিল। রোববার (১৮ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মোহাম্মদপুরের হত্যাযজ্ঞের বর্ণনা দিতে গিয়ে এই তথ্য তুলে ধরেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
এদিন ট্রাইব্যুনাল রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২৮ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছেন। আদেশের পর ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর শহীদদের আত্মত্যাগের বিবরণ দেন।
ব্রিফিংয়ে শহীদ মাহমুদুর রহমান সৈকতের মৃত্যুর বর্ণনা দিতে গিয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, খুবই প্রাণবন্ত ও প্রায় ছয় ফুট উচ্চতার ছেলে ছিল সৈকত। ১৯ জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালে মাকে না জানিয়েই সে মোহাম্মদপুর এলাকায় আন্দোলনে গিয়েছিল। পুলিশের একটি দল যখন চায়না রাইফেল থেকে গুলিবর্ষণ শুরু করে, তখন একটি গুলি সরাসরি তাঁর কপাল ভেদ করে পেছন দিয়ে বেরিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই শাহাদাত বরণ করেন সৈকত।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, শহীদ ফারহান ফাইয়াজও ছিলেন অত্যন্ত হাস্যোজ্জ্বল। ফাইয়াজ ও সৈকতের শাহাদাতের ঘটনা ওই সময় আন্দোলনে ব্যাপক আবেগ সৃষ্টি করেছিল এবং ছাত্র-জনতাকে মারাত্মকভাবে উদ্বেলিত করেছিল।
রক্তাক্ত মোহাম্মদপুর ও ৯ শহীদ
প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই ছিল দেশের ইতিহাসের অন্যতম রক্তাক্ত দিন এবং মোহাম্মদপুর ছিল হত্যাকাণ্ডের অন্যতম হটস্পট। এই দুই দিনে সেখানে ৯ জনকে হত্যা করা হয় এবং অসংখ্য মানুষ আহত হন। মোহাম্মদপুর এলাকায় নিহত ৯ শহীদ হলেন ফারহান ফাইয়াজ, মাহমুদুর রহমান সৈকত, রাজু আহমেদ, মাহিন, মোহাম্মদ রনি, আল শাহরিয়ার রোকন, ইসমাইল হোসেন, জসিম উদ্দীন ও জুবাইদ হোসেন ইমন।
মাস্টারমাইন্ডদের বিচারের অঙ্গীকার
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এসব শহীদের রক্তের বিনিময়েই আজকের এই বাংলাদেশ। আমাদের অঙ্গীকার ছিল জুলাই অভ্যুত্থানের সময় যারা হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে, যারা রাজপথে সরাসরি ভূমিকা রেখেছে এবং যারা এর পরিকল্পনাকারী বা ‘মাস্টারমাইন্ড’ ছিলেন, তাদের প্রত্যেককে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
তিনি জানান, সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে তদন্ত সংস্থা কাজ করছে। অপরাধীদের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন ও অন্যান্য দালিলিক প্রমাণ আদালতে দাখিল করা হয়েছে। ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ আমলে নেওয়ায় আগামী ২৯ জানুয়ারির পর পরবর্তী কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে এই মামলার বিচারকাজ শুরু হবে। তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, ‘বাংলাদেশের মাটিতে এই নিষ্ঠুরতম হত্যাকারীদের বিচার নিশ্চিত করা হবে, ইনশাআল্লাহ।’

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে পুলিশের চায়না রাইফেলের গুলি মাহমুদুর রহমান সৈকতের কপাল ভেদ করে মাথার পেছন দিয়ে বেরিয়ে গিয়েছিল। রোববার (১৮ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মোহাম্মদপুরের হত্যাযজ্ঞের বর্ণনা দিতে গিয়ে এই তথ্য তুলে ধরেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
এদিন ট্রাইব্যুনাল রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২৮ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছেন। আদেশের পর ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর শহীদদের আত্মত্যাগের বিবরণ দেন।
ব্রিফিংয়ে শহীদ মাহমুদুর রহমান সৈকতের মৃত্যুর বর্ণনা দিতে গিয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, খুবই প্রাণবন্ত ও প্রায় ছয় ফুট উচ্চতার ছেলে ছিল সৈকত। ১৯ জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালে মাকে না জানিয়েই সে মোহাম্মদপুর এলাকায় আন্দোলনে গিয়েছিল। পুলিশের একটি দল যখন চায়না রাইফেল থেকে গুলিবর্ষণ শুরু করে, তখন একটি গুলি সরাসরি তাঁর কপাল ভেদ করে পেছন দিয়ে বেরিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই শাহাদাত বরণ করেন সৈকত।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, শহীদ ফারহান ফাইয়াজও ছিলেন অত্যন্ত হাস্যোজ্জ্বল। ফাইয়াজ ও সৈকতের শাহাদাতের ঘটনা ওই সময় আন্দোলনে ব্যাপক আবেগ সৃষ্টি করেছিল এবং ছাত্র-জনতাকে মারাত্মকভাবে উদ্বেলিত করেছিল।
রক্তাক্ত মোহাম্মদপুর ও ৯ শহীদ
প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই ছিল দেশের ইতিহাসের অন্যতম রক্তাক্ত দিন এবং মোহাম্মদপুর ছিল হত্যাকাণ্ডের অন্যতম হটস্পট। এই দুই দিনে সেখানে ৯ জনকে হত্যা করা হয় এবং অসংখ্য মানুষ আহত হন। মোহাম্মদপুর এলাকায় নিহত ৯ শহীদ হলেন ফারহান ফাইয়াজ, মাহমুদুর রহমান সৈকত, রাজু আহমেদ, মাহিন, মোহাম্মদ রনি, আল শাহরিয়ার রোকন, ইসমাইল হোসেন, জসিম উদ্দীন ও জুবাইদ হোসেন ইমন।
মাস্টারমাইন্ডদের বিচারের অঙ্গীকার
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এসব শহীদের রক্তের বিনিময়েই আজকের এই বাংলাদেশ। আমাদের অঙ্গীকার ছিল জুলাই অভ্যুত্থানের সময় যারা হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে, যারা রাজপথে সরাসরি ভূমিকা রেখেছে এবং যারা এর পরিকল্পনাকারী বা ‘মাস্টারমাইন্ড’ ছিলেন, তাদের প্রত্যেককে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
তিনি জানান, সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে তদন্ত সংস্থা কাজ করছে। অপরাধীদের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন ও অন্যান্য দালিলিক প্রমাণ আদালতে দাখিল করা হয়েছে। ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ আমলে নেওয়ায় আগামী ২৯ জানুয়ারির পর পরবর্তী কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে এই মামলার বিচারকাজ শুরু হবে। তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, ‘বাংলাদেশের মাটিতে এই নিষ্ঠুরতম হত্যাকারীদের বিচার নিশ্চিত করা হবে, ইনশাআল্লাহ।’

উলশী খাল পুনঃখনন কর্মসূচি উদ্বোধন করতে যশোর পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল সোয়া ১০টায় তিনি যশোর বিমানবন্দরে পৌঁছান বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং।
২০ মিনিট আগে
জামালপুরের মেলান্দহে বৈশাখী ঝড়ে বসতবাড়ির উপর গাছ উপড়ে পড়ে মা ও দুই মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার নয়ানগরের দাগী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল। নারায়ণগঞ্জ শহরের আলোচিত ৭ খুনের ঘটনা দেশজুড়ে তীব্র আলোড়ন তোলে। দিনের আলোতেই অপহরণ, এরপর কয়েক দিনের ব্যবধানে নদীতে ভেসে ওঠে একে একে ৭টি মরদেহ, যা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি করেছিল।
২ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদলের এক কর্মীকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (২৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের শমসেরপাড়ার সড়কে এ ঘটনা ঘটে। রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
২ ঘণ্টা আগে