leadT1ad

তারেক রহমানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রসহ ৯ দেশ, ইইউর কূটনীতিকদের বৈঠক

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ২২: ২৯
তারেক রহমানের সঙ্গে কূটনীতিকদের সাক্ষাৎ। ছবি: বিএনপির মিডিয়া সেল

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সঙ্গে পৃথক পৃথক সময় বৈঠক করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ ৯টি দেশের ১১ কূটনীতিক। বৈঠকগুলো ফলপ্রসূ হয়েছে বলে জানিয়েছে দলটি।

আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে সারাদিনে ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, স্পেন, ইতালি, জার্মানি, ফ্রান্স, সুইডেন, ডেনমার্কসহ ৯ দেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের কূটনীতিকরা এসে এ বৈঠক করেন।

এসব বৈঠক অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে জানিয়ে রাতে দলটির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের বলেন, ‘এখানে দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামীতে বিএনপি সরকার গঠন করলে তারেক রহমান কী ধরনের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিচ্ছেন, তাঁর উন্নয়ন ভাবনা এবং আমাদের ৩১ দফার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। উনার উন্নয়ন প্ল্যান-এ কী কী থাকছে তা নিয়ে অনেক আলাপ হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘সরকার গঠন করলে বিএনপি কানাডা, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কীভাবে শক্তিশালী করবে তা আলোচনা হয়।’

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক কাজের ধারা এবং অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু কার্যধারা বিএনপি অব্যাহত রাখবে বলেও জানান হুমায়ুন কবির।

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে নির্বাচন পরবর্তী সরকারের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, জলবায়ুসহ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট আরও অনেক ব্যাপারে তারা কাজ করতে আগ্রহী। আলোচনায় ট্রেড ও ইনভেস্টমেন্টসহ বিভিন্ন ধরনের দ্বিপাক্ষিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে উঠে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে বিবেচিত—এ বিষয়টি আলোচনায় বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়।’

হুমায়ূন কবির বলেন, ‘আন্তর্জাতিক পর্যায়ে রোহিঙ্গা সংকটও আলোচনার অন্যতম প্রধান বিষয় ছিল। কীভাবে এই সংকটকে ভবিষ্যতে একটি বহুপাক্ষিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমাধান করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। রোহিঙ্গা ইস্যুটি আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগ। আমরা এ সংকটের টেকসই সমাধানের জন্য বহুপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করা এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদারের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।’

এ ছাড়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কীভাবে আরও শক্তিশালী করা যায়, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, এবং সামগ্রিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড নিয়েও আলোচনা হয়। বিশেষ করে শিক্ষা খাতে ভোকেশনাল ও টেকনিক্যাল শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয় বলে জানান হুমায়ূন কবির।

Ad 300x250

সম্পর্কিত