স্ট্রিম প্রতিবেদক

ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের পদত্যাগ ও সাবেক এমডিকে পুনর্বহালের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করেছেন একদল গ্রাহক। মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে রাজধানীর মতিঝিলে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ের সামনে এই বিক্ষোভ ও মানববন্ধন শুরু হয়।
‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর ব্যানারে আয়োজিত কর্মসূচিটি বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে। বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা গত সোমবার রাতে অনুষ্ঠিত ব্যাংকের ভার্চুয়াল বোর্ড সভার বিরোধিতা করেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই সভায় সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ওমর ফারুক খানের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে পরিচালনা পর্ষদ। সেই সঙ্গে আলতাফ হোসেনকে ভারপ্রাপ্ত এমডির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা ওমর ফারুক খানের পুনর্বহালের দাবি তুলেছেন। একই সঙ্গে ব্যাংকটির বর্তমান চেয়ারম্যান মো. খুরশীদ আলমকে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ আখ্যা দিয়ে তাঁর নিয়োগ বাতিলের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
উল্লেখ্য, গত ২৪ মে রাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খুরশীদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিক্ষোভের মুখে বাংলাদেশ ব্যাংকের যেসব শীর্ষ কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছিলেন, খুরশীদ আলম তাঁদের একজন।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, এর আগে দেশের পাঁচটি ব্যাংককে একীভূত করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সব ব্যাংকের গ্রাহকেরা এখন রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছেন; সরকার তাঁদের আমানত ফিরিয়ে দিতে পারেনি। তাঁরা আরও বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে এস আলম গ্রুপের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংককে দেউলিয়া করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে ব্যাংকটি আবার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলে খুরশীদ আলমকে এর চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। আমরা তাঁর পদত্যাগ দাবি করি।’
বাধ্যতামূলকভাবে পদত্যাগ করানো ওমর ফারুক খানের পুনর্বহাল ও খুরশীদ আলমকে অপসারণ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে মানববন্ধনে আসা গ্রাহক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংক বিশ্বের অন্যতম সুনাধন্য একটি ব্যাংক। এখানে আমরা কঠোর পরিশ্রমের আমানত রাখি। কিন্তু আমরা বিভিন্ন সময়ে দেখেছি, একটি গোষ্ঠী ব্যাংকটির সুনাম নষ্ট করতে চায়।’
রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, ‘এস আলম গ্রুপকে দিয়ে ব্যাংকটি ধ্বংস করার চেষ্টা করা হয়েছে। এখন খুরশীদ আলমকে চেয়ারম্যান বানিয়ে সেই চেষ্টা করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আমার কষ্টের টাকা ব্যাংকে রেখে নিরাপদ বোধ করছি না। তাই আমরা রাজপথ বেছে নিয়েছি।’
ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মোতাসিম বিল্লাহ বলেন, ‘ওমর ফারুক খানকে পুনর্বহাল করে খুরশীদ আলমের নিয়োগ বাতিল করতে হবে। সেই সঙ্গে অবৈধভাবে এস আলমের লুট করা শেয়ারগুলো ফিরিয়ে দিতে হবে।’ পরবর্তী কর্মসূচি সম্পর্কে তিনি জানান, দাবি পূরণ না হলে আলোচনার মাধ্যমে তাঁরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন।
এর আগে গত সোমবারও ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন বিক্ষোভকারীরা। তবে পুলিশ সেদিন সেই কর্মসূচি পালন করতে দেয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়েছিল।

ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের পদত্যাগ ও সাবেক এমডিকে পুনর্বহালের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করেছেন একদল গ্রাহক। মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে রাজধানীর মতিঝিলে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ের সামনে এই বিক্ষোভ ও মানববন্ধন শুরু হয়।
‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর ব্যানারে আয়োজিত কর্মসূচিটি বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে। বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা গত সোমবার রাতে অনুষ্ঠিত ব্যাংকের ভার্চুয়াল বোর্ড সভার বিরোধিতা করেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই সভায় সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ওমর ফারুক খানের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে পরিচালনা পর্ষদ। সেই সঙ্গে আলতাফ হোসেনকে ভারপ্রাপ্ত এমডির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা ওমর ফারুক খানের পুনর্বহালের দাবি তুলেছেন। একই সঙ্গে ব্যাংকটির বর্তমান চেয়ারম্যান মো. খুরশীদ আলমকে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ আখ্যা দিয়ে তাঁর নিয়োগ বাতিলের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
উল্লেখ্য, গত ২৪ মে রাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খুরশীদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিক্ষোভের মুখে বাংলাদেশ ব্যাংকের যেসব শীর্ষ কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছিলেন, খুরশীদ আলম তাঁদের একজন।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, এর আগে দেশের পাঁচটি ব্যাংককে একীভূত করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সব ব্যাংকের গ্রাহকেরা এখন রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছেন; সরকার তাঁদের আমানত ফিরিয়ে দিতে পারেনি। তাঁরা আরও বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে এস আলম গ্রুপের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংককে দেউলিয়া করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে ব্যাংকটি আবার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলে খুরশীদ আলমকে এর চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। আমরা তাঁর পদত্যাগ দাবি করি।’
বাধ্যতামূলকভাবে পদত্যাগ করানো ওমর ফারুক খানের পুনর্বহাল ও খুরশীদ আলমকে অপসারণ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে মানববন্ধনে আসা গ্রাহক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংক বিশ্বের অন্যতম সুনাধন্য একটি ব্যাংক। এখানে আমরা কঠোর পরিশ্রমের আমানত রাখি। কিন্তু আমরা বিভিন্ন সময়ে দেখেছি, একটি গোষ্ঠী ব্যাংকটির সুনাম নষ্ট করতে চায়।’
রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, ‘এস আলম গ্রুপকে দিয়ে ব্যাংকটি ধ্বংস করার চেষ্টা করা হয়েছে। এখন খুরশীদ আলমকে চেয়ারম্যান বানিয়ে সেই চেষ্টা করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আমার কষ্টের টাকা ব্যাংকে রেখে নিরাপদ বোধ করছি না। তাই আমরা রাজপথ বেছে নিয়েছি।’
ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মোতাসিম বিল্লাহ বলেন, ‘ওমর ফারুক খানকে পুনর্বহাল করে খুরশীদ আলমের নিয়োগ বাতিল করতে হবে। সেই সঙ্গে অবৈধভাবে এস আলমের লুট করা শেয়ারগুলো ফিরিয়ে দিতে হবে।’ পরবর্তী কর্মসূচি সম্পর্কে তিনি জানান, দাবি পূরণ না হলে আলোচনার মাধ্যমে তাঁরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন।
এর আগে গত সোমবারও ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন বিক্ষোভকারীরা। তবে পুলিশ সেদিন সেই কর্মসূচি পালন করতে দেয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়েছিল।

হামের উপসর্গে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের কারও হাম শনাক্ত হয়নি। মঙ্গলবার (২ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ সময়ে দেশে ১ হাজার ২৯২ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে।
২৭ মিনিট আগেকৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ন্ত্রিত ট্রাফিক ক্যামেরা ফাঁকি দিতে মোটরবাইকের নম্বর প্লেট লুকিয়ে রেখেও শেষ রক্ষা হয়নি লাভলু হকের। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর সূত্র ধরে তাঁকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের পর এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
৪০ মিনিট আগে
প্রবাসীদের জন্য ক্রেডিট কার্ডের আদলে ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই কার্ড থাকলে বিএমইটি কার্ডের প্রয়োজন হবে না এবং প্রবাসীরা ভূমি ও স্বাস্থ্যসেবাসহ রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে বিশেষ অগ্রাধিকার ও সুবিধা পাবেন।
১ ঘণ্টা আগে
ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত। তিনি বলেছেন, ডেঙ্গু রোগীদের বিভিন্ন পরীক্ষার খরচে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিতে হবে।
১ ঘণ্টা আগে