leadT1ad

রূপপুর প্রকল্পে ব্যয় বৃদ্ধি বিতর্ক, কণ্ঠভোটে বাতিল ছাঁটাই প্রস্তাব

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৫ জুন ২০২৬, ২২: ৪১
সংসদে কথা বলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। ভিডিও থেকে নেওয়া ছবি

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে অতিরিক্ত প্রায় ৪ হাজার ৯২৩ কোটি টাকা বরাদ্দ নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের বিতর্ক হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) সংসদে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের আওতায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত বরাদ্দের প্রস্তাবের ওপর আলোচনা হয়।

আলোচনায় অংশ নিয়ে নীলফামারী-২ আসনের বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য আল ফারুক আব্দুল লতিফ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ২৩ নম্বর দাবি থেকে ৪০০ টাকা ছাঁটাইয়ের প্রস্তাব করেন। তিনি অভিযোগ করেন, প্রকল্পের শুরুতে ১ লাখ ৩৯ হাজার কোটি টাকার অস্বাভাবিক ব্যয় প্রাক্কলন করে ‘মেগা দুর্নীতি’কে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘দুর্নীতির ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত ‘বালিশ কেলেঙ্কারি’ এই খাত থেকেই হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিবর্তে আবাসন ও আসবাবপত্র কেনার নামে অর্থ অপচয় এবং যথাযথ সম্ভাব্যতা যাচাই না করায় ঋণের বোঝা ও করের চাপ বাড়ছে।’

তবে বিরোধী দলের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, অতিরিক্ত বরাদ্দ চাওয়ার পেছনে কোনো দুর্নীতি নেই। বরং বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারের অস্বাভাবিক পরিবর্তনই এর কারণ।

তিনি বলেন, ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়নের সময় প্রতি ডলারের মূল্য ধরা হয়েছিল ৮০ টাকা। বর্তমানে সেই ডলারের দাম ১২২ টাকা ৪৪ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।’

ফকির মাহবুব আনাম জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মূল বাজেট ছিল ১২ হাজার ৮৬৯ কোটি টাকা। কিন্তু ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন হওয়ায় প্রকল্প বাস্তবায়নে অতিরিক্ত ৫ হাজার ৮৮ কোটি টাকার প্রয়োজন হয়। মূল বাজেটে অব্যবহৃত ১৬৪ কোটি টাকা সমন্বয় করে নিট ৪ হাজার ৯২৩ কোটি ৪৮ লাখ ৫৪ হাজার টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।

আলোচনার পর বিরোধী দলের উত্থাপিত ছাঁটাই প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়।

Ad 300x250

সম্পর্কিত