বিভিন্ন সংগঠনের বিবৃতি
স্ট্রিম ডেস্ক

প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টারের কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের ন্যক্কারজনক ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সম্পাদক পরিষদ ও সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)।
শুক্রবার সম্পাদক পরিষদের সভাপতি নূরুল কবীর ও নোয়াব সভাপতি এ. কে আজাদের সই করা বিবৃতিতে এই নিন্দা জানানো হয়।
এতে বলা হয়, এই হামলা শুধু গণমাধ্যমের ওপর নয়, এটা আমাদের সমাজের ওপর, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর আক্রমণ। সর্বোপরি বাংলাদেশের ওপর আক্রমণ। গভীর রাতের ওই হামলায় প্রতিষ্ঠান দুটির গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও সম্পদহানির পাশাপাশি সংবাদকর্মীদের জীবনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। এটি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির পাশাপাশি রাষ্ট্রের দায় এবং দায়িত্বহীনতারও স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ।
সম্পাদক পরিষদ ও নোয়াব মনে করে, এটা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। শুরু থেকেই মব ভায়োলেন্স (সংগঠিত সহিংসতা) প্রতিরোধে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতার যে ধারাবাহিকতা আমরা প্রত্যক্ষ করেছি, সর্বশেষ ঘটনা তার আরেকটি ভয়াবহ উদাহরণ। গণমাধ্যম কার্যালয়ে হামলা প্রমাণ করে যে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। একইসঙ্গে সম্পাদক পরিষদ ও নোয়াব ছায়ানটে হামলার ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান এবং দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনামকে ফোন করে নিরাপত্তার বিষয়ে আশ্বস্ত করেন এবং পাশে আছেন বলে জানান। তবে এই হামলা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার দায় অন্তর্বর্তী সরকারকেই নিতে হবে। বিবৃতি বা আশ্বাস নয়, অবিলম্বে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারসহ সম্পাদক পরিষদের সভাপতি নূরুল কবীরকে হেনস্তার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছে সম্পাদক পরিষদ ও নোয়াব।
পেশাজীবী সংগঠন, ব্যবসায়ী, নাগরিক সমাজ, রাজনৈতিক দলসহ সাংবাদিক সংগঠনগুলোকে এ দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশের জন্য আহ্বান জানিয়েছে সংগঠন দুটি।
এই হামলা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় সরাসরি আঘাত: এমএসসি
‘সাংবাদিক, সম্পাদক ও গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলো’র ওপর গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে হামলা চালানোর ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে মিডিয়া ফ্রিডম কোয়ালিশন ইন বাংলাদেশ। শুক্রবার এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানিয়েছে তারা।
মিডিয়া ফ্রিডম কোয়ালিশন (এমএফসি) সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কূটনৈতিক মিশন যেসব দেশে রয়েছে, সেখানে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষা ও অগ্রসর করার জন্য বিভিন্ন সম্মিলিত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সক্ষম।
এমএফসি ২০১৯ সালের জুলাইয়ে গ্লোবাল কনফারেন্স ফর মিডিয়া ফ্রিডমে প্রতিষ্ঠিত হয়। ছয়টি মহাদেশের ৫০টির বেশি দেশ ওই কোয়ালিশনের সঙ্গে রয়েছে। বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেছে, এ ধরনের সহিংসতা ও ভীতি প্রদর্শন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এসব হামলা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও জনগণের জানার অধিকারকে সরাসরি আঘাত করে।
এতে বলা হয়, আমরা সব গণমাধ্যমকর্মীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানাচ্ছি। একই সঙ্গে দ্রুত, নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানাই। সাংবাদিকদের ভয়মুক্ত পরিবেশে কাজ করার সুযোগ থাকতে হবে।
আইনের শাসন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং একটি উন্মুক্ত ও সচেতন সমাজ সমুন্নত রাখতে সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি বলেও জানিয়েছে মিডিয়া ফ্রিডম কোয়ালিশন ইন বাংলাদেশ।
হামলা-অগ্নিসংযোগে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনুন: সিপিজে
প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টারের কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)। শুক্রবার এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ জানায় বিশ্বজুড়ে সংবাদকর্মীদের অধিকার রক্ষায় কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠনটি।
বিবৃতিতে বলা হয়, হামলার সময় সাংবাদিকরা কার্যালয়ের ভেতরে আটকা পড়েছিলেন। পরে তাদের উদ্ধার করা হয়। সিপিজে বলেছে, তারা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে এবং বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের কাছে সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এ ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান জানাচ্ছে।
নতুন পাঁচ গণমাধ্যমের উদ্বেগ
প্রথম আলো, দ্য ডেইলি স্টার এবং জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক নূরুল কবিরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে পাঁচ গণমাধ্যমের জোট।
দ্য সেনট্রিস্ট নেশন, ঢাকা স্ট্রিম, দ্য ডেলটাগ্রাম, দ্য ডিসেন্ট ও দ্য পোস্টের সমন্বয়ে সদ্য গঠিত এ জোট তাদের বিবৃতিতে বলেছে, আমরা এই সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানাই। এটি দেশের সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ক্ষুণ্ন করার একটি সুস্পষ্ট চেষ্টা।
চারটি দাবিও উত্থাপন করেছে জোটটি। সেগুলো হলো—বিদ্যমান দায়মুক্তির সংস্কৃতি দুষ্কৃতকারীদের এ ধরনের জঘন্য অপরাধ সংঘটনে উৎসাহিত করছে। এই সংস্কৃতির অবসান জরুরি; সব গণমাধ্যম কার্যালয়ের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে; গতকালের অর্থহীন ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে এবং কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে বিষয়টি তদন্ত করতে হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে অন্তর্বর্তী সরকারকে তাৎক্ষণিক ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
এই সহিংসতা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার মূলে আঘাত এবং সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধের একটি অগ্রহণযোগ্য চেষ্টা উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা আরও উল্লেখ করতে চাই, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আগেই হামলার পরিকল্পনা সংক্রান্ত আলোচনা ছড়িয়ে পড়লেও সরকার এ হামলা প্রতিরোধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। অগ্নিসংযোগের সময় সেনাবাহিনী বা নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি ছিল খুবই সীমিত কিংবা প্রায় অনুপস্থিত, এ বিষয়টি আমাদের গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করেছে।
সম্পাদকীয় অবস্থান ও নীতিগত ভিন্নতা সত্ত্বেও সব গণমাধ্যমের ভয়ভীতি বা যেকোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ থাকতে হবে জানিয়ে জোটটি বলেছে, এই কঠিন সময়ে আমরা আমাদের সহকর্মীদের পাশে আছি এবং তাঁদের জন্য প্রার্থনা জানাচ্ছি।
হামলার পুনরাবৃত্তি হবে কিনা, জনসাধারণের জানা দরকার
এদিকে, সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী ডেভিড বার্গম্যান ফেসবুকে লিখেছেন, সবার মুখে একটাই প্রশ্ন– কেন বাংলাদেশ সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গত রাতে (বৃহস্পতিবার) সংবাদপত্র এবং সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ছায়ানটের বিরুদ্ধে ‘মব সন্ত্রাসের’ বিরুদ্ধে দ্রুত সাড়া দেয়নি? ... আজ সরকারের নিন্দা করা খুবই ভালো (এবং তারা এখন সঠিক কথা বলছে বলে মনে হচ্ছে)। কিন্তু জনসাধারণের জানা দরকার, এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এটি বন্ধ করতে প্রস্তুত।

প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টারের কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের ন্যক্কারজনক ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সম্পাদক পরিষদ ও সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)।
শুক্রবার সম্পাদক পরিষদের সভাপতি নূরুল কবীর ও নোয়াব সভাপতি এ. কে আজাদের সই করা বিবৃতিতে এই নিন্দা জানানো হয়।
এতে বলা হয়, এই হামলা শুধু গণমাধ্যমের ওপর নয়, এটা আমাদের সমাজের ওপর, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর আক্রমণ। সর্বোপরি বাংলাদেশের ওপর আক্রমণ। গভীর রাতের ওই হামলায় প্রতিষ্ঠান দুটির গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও সম্পদহানির পাশাপাশি সংবাদকর্মীদের জীবনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। এটি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির পাশাপাশি রাষ্ট্রের দায় এবং দায়িত্বহীনতারও স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ।
সম্পাদক পরিষদ ও নোয়াব মনে করে, এটা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। শুরু থেকেই মব ভায়োলেন্স (সংগঠিত সহিংসতা) প্রতিরোধে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতার যে ধারাবাহিকতা আমরা প্রত্যক্ষ করেছি, সর্বশেষ ঘটনা তার আরেকটি ভয়াবহ উদাহরণ। গণমাধ্যম কার্যালয়ে হামলা প্রমাণ করে যে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। একইসঙ্গে সম্পাদক পরিষদ ও নোয়াব ছায়ানটে হামলার ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান এবং দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনামকে ফোন করে নিরাপত্তার বিষয়ে আশ্বস্ত করেন এবং পাশে আছেন বলে জানান। তবে এই হামলা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার দায় অন্তর্বর্তী সরকারকেই নিতে হবে। বিবৃতি বা আশ্বাস নয়, অবিলম্বে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারসহ সম্পাদক পরিষদের সভাপতি নূরুল কবীরকে হেনস্তার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছে সম্পাদক পরিষদ ও নোয়াব।
পেশাজীবী সংগঠন, ব্যবসায়ী, নাগরিক সমাজ, রাজনৈতিক দলসহ সাংবাদিক সংগঠনগুলোকে এ দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশের জন্য আহ্বান জানিয়েছে সংগঠন দুটি।
এই হামলা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় সরাসরি আঘাত: এমএসসি
‘সাংবাদিক, সম্পাদক ও গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলো’র ওপর গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে হামলা চালানোর ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে মিডিয়া ফ্রিডম কোয়ালিশন ইন বাংলাদেশ। শুক্রবার এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানিয়েছে তারা।
মিডিয়া ফ্রিডম কোয়ালিশন (এমএফসি) সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কূটনৈতিক মিশন যেসব দেশে রয়েছে, সেখানে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষা ও অগ্রসর করার জন্য বিভিন্ন সম্মিলিত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সক্ষম।
এমএফসি ২০১৯ সালের জুলাইয়ে গ্লোবাল কনফারেন্স ফর মিডিয়া ফ্রিডমে প্রতিষ্ঠিত হয়। ছয়টি মহাদেশের ৫০টির বেশি দেশ ওই কোয়ালিশনের সঙ্গে রয়েছে। বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেছে, এ ধরনের সহিংসতা ও ভীতি প্রদর্শন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এসব হামলা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও জনগণের জানার অধিকারকে সরাসরি আঘাত করে।
এতে বলা হয়, আমরা সব গণমাধ্যমকর্মীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানাচ্ছি। একই সঙ্গে দ্রুত, নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানাই। সাংবাদিকদের ভয়মুক্ত পরিবেশে কাজ করার সুযোগ থাকতে হবে।
আইনের শাসন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং একটি উন্মুক্ত ও সচেতন সমাজ সমুন্নত রাখতে সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি বলেও জানিয়েছে মিডিয়া ফ্রিডম কোয়ালিশন ইন বাংলাদেশ।
হামলা-অগ্নিসংযোগে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনুন: সিপিজে
প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টারের কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)। শুক্রবার এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ জানায় বিশ্বজুড়ে সংবাদকর্মীদের অধিকার রক্ষায় কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠনটি।
বিবৃতিতে বলা হয়, হামলার সময় সাংবাদিকরা কার্যালয়ের ভেতরে আটকা পড়েছিলেন। পরে তাদের উদ্ধার করা হয়। সিপিজে বলেছে, তারা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে এবং বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের কাছে সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এ ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান জানাচ্ছে।
নতুন পাঁচ গণমাধ্যমের উদ্বেগ
প্রথম আলো, দ্য ডেইলি স্টার এবং জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক নূরুল কবিরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে পাঁচ গণমাধ্যমের জোট।
দ্য সেনট্রিস্ট নেশন, ঢাকা স্ট্রিম, দ্য ডেলটাগ্রাম, দ্য ডিসেন্ট ও দ্য পোস্টের সমন্বয়ে সদ্য গঠিত এ জোট তাদের বিবৃতিতে বলেছে, আমরা এই সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানাই। এটি দেশের সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ক্ষুণ্ন করার একটি সুস্পষ্ট চেষ্টা।
চারটি দাবিও উত্থাপন করেছে জোটটি। সেগুলো হলো—বিদ্যমান দায়মুক্তির সংস্কৃতি দুষ্কৃতকারীদের এ ধরনের জঘন্য অপরাধ সংঘটনে উৎসাহিত করছে। এই সংস্কৃতির অবসান জরুরি; সব গণমাধ্যম কার্যালয়ের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে; গতকালের অর্থহীন ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে এবং কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে বিষয়টি তদন্ত করতে হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে অন্তর্বর্তী সরকারকে তাৎক্ষণিক ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
এই সহিংসতা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার মূলে আঘাত এবং সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধের একটি অগ্রহণযোগ্য চেষ্টা উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা আরও উল্লেখ করতে চাই, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আগেই হামলার পরিকল্পনা সংক্রান্ত আলোচনা ছড়িয়ে পড়লেও সরকার এ হামলা প্রতিরোধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। অগ্নিসংযোগের সময় সেনাবাহিনী বা নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি ছিল খুবই সীমিত কিংবা প্রায় অনুপস্থিত, এ বিষয়টি আমাদের গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করেছে।
সম্পাদকীয় অবস্থান ও নীতিগত ভিন্নতা সত্ত্বেও সব গণমাধ্যমের ভয়ভীতি বা যেকোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ থাকতে হবে জানিয়ে জোটটি বলেছে, এই কঠিন সময়ে আমরা আমাদের সহকর্মীদের পাশে আছি এবং তাঁদের জন্য প্রার্থনা জানাচ্ছি।
হামলার পুনরাবৃত্তি হবে কিনা, জনসাধারণের জানা দরকার
এদিকে, সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী ডেভিড বার্গম্যান ফেসবুকে লিখেছেন, সবার মুখে একটাই প্রশ্ন– কেন বাংলাদেশ সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গত রাতে (বৃহস্পতিবার) সংবাদপত্র এবং সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ছায়ানটের বিরুদ্ধে ‘মব সন্ত্রাসের’ বিরুদ্ধে দ্রুত সাড়া দেয়নি? ... আজ সরকারের নিন্দা করা খুবই ভালো (এবং তারা এখন সঠিক কথা বলছে বলে মনে হচ্ছে)। কিন্তু জনসাধারণের জানা দরকার, এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এটি বন্ধ করতে প্রস্তুত।

বাণিজ্যিক সহযোগিতা জোরদার এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন।
১৯ মিনিট আগে
পোস্টাল ব্যালটে এখন পর্যন্ত চার লাখ পাঁচ হাজার ১৬৪ জন প্রবাসী বাংলাদেশি ভোট দিয়েছেন। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে পাঠানো এক সরকারি তথ্য বিবরণীতে এ কথা বলা হয়েছে।
২৯ মিনিট আগে
খেলাফতে মজলিশের আমির ও ঢাকা–১৩ আসনের রিকশা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী মামুনুল হকের নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে দ্বিতীয় দিনের মতো ‘জাগরণী পদযাত্রা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৩৩ মিনিট আগে
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এলাকায় একটি সামরিক অর্থনৈতিক অঞ্চল (মিলিটারি ইকোনমিক জোন) গড়ে তোলার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগে নির্ধারিত ভারতীয় সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) অর্থনৈতিক অঞ্চলের পরিবর্তে এই নতুন অঞ্চল স্থাপন করা হবে।
৩৯ মিনিট আগে