leadT1ad

বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রধানের পাকিস্তান সফর: জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান ও প্রশিক্ষণ সহায়তা নিয়ে আলোচনা

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান ও পাকিস্তানের বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল জাহির আহমেদ বাবর সিধু। স্ট্রিম গ্রাফিক

বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান বর্তমানে পাকিস্তান সফরে রয়েছেন। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সফরে দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, উন্নত প্রশিক্ষণ এবং সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়ের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ৪ জানুয়ারি ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে তিনি ইসলামাবাদে পৌঁছান।

জেএফ-১৭ ও সুপার মুশাক ক্রয়ের সম্ভাবনা

পাকিস্তানি বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা ও প্রতিরক্ষা ডেস্কের তথ্যমতে, বাংলাদেশ বিমানবাহিনী তাদের আধুনিকায়ন কর্মসূচির আওতায় পাকিস্তানের তৈরি ‘জেএফ-১৭ থান্ডার’ ব্লকিং-৩ যুদ্ধবিমান ক্রয়ের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ১ থেকে ২ স্কোয়াড্রন জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান সংগ্রহের বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে।

এ ছাড়া প্রাথমিক প্রশিক্ষণের জন্য ‘সুপার মুশাক’ ট্রেইনার এয়ারক্রাফট দ্রুত সরবরাহের বিষয়েও কথা হয়েছে। পাকিস্তানের বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল জাহির আহমেদ বাবর সিধু বাংলাদেশি প্রতিনিধি দলকে প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তার পূর্ণ নিশ্চয়তা দিয়েছেন।

গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পরিদর্শন ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা

সফরকালে বাংলাদেশের বিমানবাহিনী প্রধান ইসলামাবাদের বিমান সদর দপ্তরে গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন। তিনি পাকিস্তানের ন্যাশনাল অ্যারোস্পেস সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি পার্ক এবং বিমানবাহিনীর সাইবার কমান্ড ও আইএসআর কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, বাংলাদেশের বর্তমান বিমানবহর রক্ষণাবেক্ষণ এবং উন্নত রাডার সিস্টেম একীভূত করার বিষয়েও ঢাকার পক্ষ থেকে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে।

দ্বিপাক্ষিক সামরিক যোগাযোগ

২০২৫ সালের শুরু থেকে দুই দেশের মধ্যে সামরিক পর্যায়ে যোগাযোগের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিমানবাহিনী প্রধানের এই ছয় দিনের সফরটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পাইলটদের উন্নত প্রশিক্ষণ এবং কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য পাকিস্তানি প্রতিষ্ঠানগুলোতে বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের জন্য বিশেষ সুযোগের বিষয়েও আলোচনা চূড়ান্ত হয়েছে।

আগামী ৯ জানুয়ারি প্রতিনিধি দলটির সফর শেষ করে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।

Ad 300x250

সম্পর্কিত