স্ট্রিম প্রতিবেদক

ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধপরিস্থিতি নিয়ে অবস্থান ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ। রোববার (১ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও মানুষের কল্যাণের জন্য সবপক্ষকে সহিংসতার পথ ছেড়ে কূটনৈতিক সমাধানের দিকে ফিরে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে ইরানের ওপর হামলার ঘটনায় সেখানে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে বিবৃতিতে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাহরাইন, ইরাক, জর্ডান, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের নিন্দা জানিয়েছে। ওই অঞ্চলে দ্রুত শান্ত পরিবেশ ফিরে আসবে এবং সমগ্র অঞ্চলে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে।
বিবৃতির কোথাও ইরানে যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা চালাচ্ছে, তা উল্লেখ নেই। উল্টো ‘প্রতিরোধ’ হিসেবে তেহরান মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মার্কিন ঘাঁটিতে যে হামলা করেছে, তাকে ‘সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের’ বলে নিন্দা করেছে বাংলাদেশ সরকার। আর এ নিয়েই সামাজিক মাধ্যমে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেক ফেসবুক ব্যবহারকারী একে ‘বাংলাদেশ মার্কিন হামলায় উদ্বেগ, আর ইরানের প্রতিরোধের নিন্দা জানিয়েছে!’ উল্লেখ করে পোস্ট দিয়েছেন।
জাকারিয়া পলাশ তাঁর ফেসবুকে লিখেছেন, ‘খুবই হতাশা ও ক্ষোভের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, যুক্তরাষ্ট্র ও অপর একটি সন্ত্রাসী-দখলদার রাষ্ট্রের যৌথভাবে ইরানের ওপর আক্রমণ, ইরানি সুপ্রিম নেতাকে হত্যা এবং তার জবাবে ইরানের পাল্টা হামলার ঘটনায় বাংলাদেশ একটি পক্ষ নিয়ে ফেলেছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তার বিবৃতিতে ইরানের ওপর হামলার ঘটনায় সেখানে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। এরপরই শান্তি, স্থিতিশীলতা ও মানুষের কল্যাণের জন্য সবাইকে সহিংসতার পথ ছেড়ে কূটনৈতিক সমাধানের দিকে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছে।’
তিনি লেখেন, ‘তারপরই সবচেয়ে একচোখা মন্তব্যটি করা হয়েছে। বলা হয়েছে, বাহরাইন, ইরাক, জর্ডান, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব ও আরব আমিরাতের “সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের” নিন্দা জানায় বাংলাদেশ। অন্ধের মতো ইরানের “সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের” বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের নৈতিক অবস্থান এটি হতে পারে না। এ অবস্থান নেওয়ার জন্য আমি তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে রাখলাম। আমার দেশ বিশ্বশান্তির পক্ষে থাকবে। কিন্তু বিশ্বশান্তির নামে সন্ত্রাসীর মদদদাতাদের পক্ষে দাঁড়াতে পারে না।’
দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক গবেষক ও লেখক আলতাফ পারভেজ লিখেছেন, ‘বাংলাদেশিদের জন্য লজ্জার দিন আজ। ইরানে আগ্রাসনের শর্তহীন নিন্দা করা হলো না।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুকে লিখেছেন, ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আমে/রিকা নিয়ে গেছে। প্রেস রিলিজের শুধু লোগোটা বদলে দিলেই মনে হবে হোয়াইট হাউস থেকে এসেছে, মাশাআল্লাহ। পররাষ্ট্রনীতিতে মাথা উঁচু করে বাঁচার দিন শেষ।’
ঐতিহাসিক বিচ্যুতি
সংবাদকর্মী এ আর ফারুক তাঁর ফেসবুকে লিখেছেন, ‘ইরানে চলমান সংকট ইস্যুতে বাংলাদেশের এই অবস্থান এক ঐতিহাসিক বিচ্যুতি। ফিলিস্তিনের সূত্র ধরে বাংলাদেশ অতীতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ছিল, আরব দুনিয়ার পক্ষে ছিল। কিন্তু এই সময়ে এসে তা বদলে গেল।’
তিনি আরও লেখেন, ‘বিবৃতির ভাষা খেয়াল করুন– বাংলাদেশ এই অঞ্চলের বেশ কিছু দেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনেরও নিন্দা জানাচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে বাহরাইন, ইরাক, জর্ডান, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত। অথচ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যে একটি অন্যায্য, অসম ও একতরফা লড়াই চাপিয়ে দিল, সেটার উল্লেখ কোথাও নেই। খামেনির হত্যার উল্লেখ তো নেই-ই। এটি খুবই হতাশাজনক।’
প্রকৌশলী কল্লোল মোস্তফা লিখেছেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে কয়েকটি দেশের নাম উল্লেখ করে “সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের নিন্দা” জানিয়েছে বাংলাদেশ। কিন্তু এর মধ্যে ইরানের নাম নেই। নাম নেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলেরও। তারা যে প্রথমে ইরানের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করল, তার কোনো উল্লেখও নেই।’
তিনি লেখেন, ‘বিবৃতিটি পড়লে মনে হবে, হঠাৎ করে শুধু বাহরাইন, ইরাক, জর্ডান, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। অথচ প্রথমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করেছে, দেশটির সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যা করেছে। এরপর ইরান পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশে মার্কিন ঘাঁটি আছে, সেসব দেশে হামলা চালিয়েছে।’
এই প্রকৌশলী আরও লেখেন, ‘বাংলাদেশের বিবৃতিটি হুবহু মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন তাবেদার শিরোমণি সৌদি আরবের বিবৃতির অনুরূপ। সৌদি আরবও ইরানে সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন দেখতে পায়নি, শুধু অন্য দেশগুলোরটা দেখেছে। এই বিবৃতির মাধ্যমে বিএনপি সরকার পরিষ্কারভাবে ইরানের ওপর আগ্রাসন চালানো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষ নিয়েছে। বিএনপি সরকারের এই নির্লজ্জ মার্কিন তাবেদারির নিন্দা জানাই।’
সাংবাদিক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা তাঁর ফেসবুকে লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ইরানের হামলার নিন্দা জানিয়েছে। ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার নিন্দা কিন্তু করেনি।’
যা আছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে
হামলার প্রেক্ষাপটে ইরানে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিয়ে সরকার গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। বাংলাদেশ সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, শত্রুতা অব্যাহত থাকলে, তা আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও বেসামরিক নাগরিকের কল্যাণকে আরও বিপন্ন করবে।
সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের প্রতি সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে সরকার মতপার্থক্য নিরসনে সংলাপ ও কূটনীতির পথে ফিরে আসার প্রয়োজনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে। বিবৃতিতে অঞ্চলটির কয়েকটি দেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের নিন্দা জানানো হয়। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে– বাহরাইন, ইরাক, জর্ডান, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। দ্রুত পরিস্থিতি শান্ত হবে এবং অঞ্চলজুড়ে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা শিগগিরই পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে বলে বাংলাদেশ আশা প্রকাশ করছে।

ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধপরিস্থিতি নিয়ে অবস্থান ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ। রোববার (১ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও মানুষের কল্যাণের জন্য সবপক্ষকে সহিংসতার পথ ছেড়ে কূটনৈতিক সমাধানের দিকে ফিরে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে ইরানের ওপর হামলার ঘটনায় সেখানে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে বিবৃতিতে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাহরাইন, ইরাক, জর্ডান, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের নিন্দা জানিয়েছে। ওই অঞ্চলে দ্রুত শান্ত পরিবেশ ফিরে আসবে এবং সমগ্র অঞ্চলে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে।
বিবৃতির কোথাও ইরানে যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা চালাচ্ছে, তা উল্লেখ নেই। উল্টো ‘প্রতিরোধ’ হিসেবে তেহরান মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মার্কিন ঘাঁটিতে যে হামলা করেছে, তাকে ‘সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের’ বলে নিন্দা করেছে বাংলাদেশ সরকার। আর এ নিয়েই সামাজিক মাধ্যমে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেক ফেসবুক ব্যবহারকারী একে ‘বাংলাদেশ মার্কিন হামলায় উদ্বেগ, আর ইরানের প্রতিরোধের নিন্দা জানিয়েছে!’ উল্লেখ করে পোস্ট দিয়েছেন।
জাকারিয়া পলাশ তাঁর ফেসবুকে লিখেছেন, ‘খুবই হতাশা ও ক্ষোভের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, যুক্তরাষ্ট্র ও অপর একটি সন্ত্রাসী-দখলদার রাষ্ট্রের যৌথভাবে ইরানের ওপর আক্রমণ, ইরানি সুপ্রিম নেতাকে হত্যা এবং তার জবাবে ইরানের পাল্টা হামলার ঘটনায় বাংলাদেশ একটি পক্ষ নিয়ে ফেলেছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তার বিবৃতিতে ইরানের ওপর হামলার ঘটনায় সেখানে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। এরপরই শান্তি, স্থিতিশীলতা ও মানুষের কল্যাণের জন্য সবাইকে সহিংসতার পথ ছেড়ে কূটনৈতিক সমাধানের দিকে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছে।’
তিনি লেখেন, ‘তারপরই সবচেয়ে একচোখা মন্তব্যটি করা হয়েছে। বলা হয়েছে, বাহরাইন, ইরাক, জর্ডান, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব ও আরব আমিরাতের “সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের” নিন্দা জানায় বাংলাদেশ। অন্ধের মতো ইরানের “সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের” বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের নৈতিক অবস্থান এটি হতে পারে না। এ অবস্থান নেওয়ার জন্য আমি তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে রাখলাম। আমার দেশ বিশ্বশান্তির পক্ষে থাকবে। কিন্তু বিশ্বশান্তির নামে সন্ত্রাসীর মদদদাতাদের পক্ষে দাঁড়াতে পারে না।’
দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক গবেষক ও লেখক আলতাফ পারভেজ লিখেছেন, ‘বাংলাদেশিদের জন্য লজ্জার দিন আজ। ইরানে আগ্রাসনের শর্তহীন নিন্দা করা হলো না।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুকে লিখেছেন, ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আমে/রিকা নিয়ে গেছে। প্রেস রিলিজের শুধু লোগোটা বদলে দিলেই মনে হবে হোয়াইট হাউস থেকে এসেছে, মাশাআল্লাহ। পররাষ্ট্রনীতিতে মাথা উঁচু করে বাঁচার দিন শেষ।’
ঐতিহাসিক বিচ্যুতি
সংবাদকর্মী এ আর ফারুক তাঁর ফেসবুকে লিখেছেন, ‘ইরানে চলমান সংকট ইস্যুতে বাংলাদেশের এই অবস্থান এক ঐতিহাসিক বিচ্যুতি। ফিলিস্তিনের সূত্র ধরে বাংলাদেশ অতীতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ছিল, আরব দুনিয়ার পক্ষে ছিল। কিন্তু এই সময়ে এসে তা বদলে গেল।’
তিনি আরও লেখেন, ‘বিবৃতির ভাষা খেয়াল করুন– বাংলাদেশ এই অঞ্চলের বেশ কিছু দেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনেরও নিন্দা জানাচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে বাহরাইন, ইরাক, জর্ডান, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত। অথচ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যে একটি অন্যায্য, অসম ও একতরফা লড়াই চাপিয়ে দিল, সেটার উল্লেখ কোথাও নেই। খামেনির হত্যার উল্লেখ তো নেই-ই। এটি খুবই হতাশাজনক।’
প্রকৌশলী কল্লোল মোস্তফা লিখেছেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে কয়েকটি দেশের নাম উল্লেখ করে “সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের নিন্দা” জানিয়েছে বাংলাদেশ। কিন্তু এর মধ্যে ইরানের নাম নেই। নাম নেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলেরও। তারা যে প্রথমে ইরানের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করল, তার কোনো উল্লেখও নেই।’
তিনি লেখেন, ‘বিবৃতিটি পড়লে মনে হবে, হঠাৎ করে শুধু বাহরাইন, ইরাক, জর্ডান, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। অথচ প্রথমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করেছে, দেশটির সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যা করেছে। এরপর ইরান পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশে মার্কিন ঘাঁটি আছে, সেসব দেশে হামলা চালিয়েছে।’
এই প্রকৌশলী আরও লেখেন, ‘বাংলাদেশের বিবৃতিটি হুবহু মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন তাবেদার শিরোমণি সৌদি আরবের বিবৃতির অনুরূপ। সৌদি আরবও ইরানে সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন দেখতে পায়নি, শুধু অন্য দেশগুলোরটা দেখেছে। এই বিবৃতির মাধ্যমে বিএনপি সরকার পরিষ্কারভাবে ইরানের ওপর আগ্রাসন চালানো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষ নিয়েছে। বিএনপি সরকারের এই নির্লজ্জ মার্কিন তাবেদারির নিন্দা জানাই।’
সাংবাদিক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা তাঁর ফেসবুকে লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ইরানের হামলার নিন্দা জানিয়েছে। ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার নিন্দা কিন্তু করেনি।’
যা আছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে
হামলার প্রেক্ষাপটে ইরানে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিয়ে সরকার গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। বাংলাদেশ সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, শত্রুতা অব্যাহত থাকলে, তা আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও বেসামরিক নাগরিকের কল্যাণকে আরও বিপন্ন করবে।
সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের প্রতি সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে সরকার মতপার্থক্য নিরসনে সংলাপ ও কূটনীতির পথে ফিরে আসার প্রয়োজনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে। বিবৃতিতে অঞ্চলটির কয়েকটি দেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের নিন্দা জানানো হয়। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে– বাহরাইন, ইরাক, জর্ডান, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। দ্রুত পরিস্থিতি শান্ত হবে এবং অঞ্চলজুড়ে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা শিগগিরই পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে বলে বাংলাদেশ আশা প্রকাশ করছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, জাতীয় চিড়িয়াখানাকে আন্তর্জাতিকমানে উন্নীত করতে কাজ করছে সরকার। কীভাবে আন্তর্জাতিকমানের করা যায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
৪ মিনিট আগে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার।
১০ মিনিট আগে
দুর্নীতিবাজদের মন্ত্রণালয়ে আশ্রয় হবে না বলে মন্তব্য করেছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। রোববার (১ মার্চ) ঢাকায় সেগুনবাগিচায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
১১ মিনিট আগে
ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের রেশ ছড়িয়ে পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশে। কয়েকটি দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে হামলা হয়েছে। এসব ঘটনায় বেসামরিক লোকজনের হতাহতের ঘটনাও ঘটছে।
৪৩ মিনিট আগে