স্ট্রিম ডেস্ক

বিশ্বকে বদলে দিতে তরুণদের ‘থ্রি-জিরো ক্লাব’ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। স্থানীয় সময় সোমবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ‘সোশ্যাল বিজনেস, ইয়ুথ অ্যান্ড টেকনোলজি’ শীর্ষক জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের এক সাইডলাইন বৈঠকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
বৈঠকে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘আমি তিন শূন্যের এক পৃথিবীর কথা বলছি— শূন্য নিট কার্বন নিঃসরণ, শূন্য সম্পদ কেন্দ্রীকরণ (যাতে দারিদ্রের অবসান ঘটে) এবং শূন্য বেকারত্ব (যা সবার সৃজনশীলতা কাজে লাগিয়ে সম্ভব)।’
তিনি আরও বলেন, শূন্য বর্জ্য (জিরো ওয়েস্ট) ধারণাটিও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি জাতিসংঘ মহাসচিবের ‘জিরো ওয়েস্ট ইনিশিয়েটিভ’-এর অংশ। এটি কোনো কল্পনা নয়, ইতোমধ্যেই বাস্তবে রূপ নিচ্ছে। এ কারণেই আমরা তরুণদের সর্বত্র “থ্রি-জিরো ক্লাব’’ গড়ে তুলতে উৎসাহিত করছি—যেখানে প্রত্যেকে থ্রি-জিরো মানুষ হয়ে উঠতে পারে।’
তিনি ব্যাখ্যা করেন, একজন থ্রি-জিরো মানুষ প্রতিশ্রুতি দেয় টেকসইভাবে জীবনযাপন করার, বর্জ্য কমিয়ে আনার এবং সামাজিক উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার। একই সঙ্গে তারা বৈশ্বিক উষ্ণায়ন, সম্পদ বৈষম্য এবং বেকারত্বে কোনো অবদান না রাখার জন্য সচেষ্ট হয়।
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘যত বেশি মানুষ এই আন্দোলনে যুক্ত হবে, এই ক্লাবগুলো রূপ নেবে থ্রি-জিরো পরিবারে, থ্রি-জিরো গ্রামে, থ্রি-জিরো শহরে—এবং একদিন গড়ে উঠবে একটি থ্রি-জিরো বিশ্ব। এটি একটি ছোট্ট পদক্ষেপ দিয়ে শুরু হয়। কিন্তু একসাথে সেই পদক্ষেপগুলোই বিশ্বকে পাল্টে দিতে পারে।’
তিনি জানান, তিনি সবসময় বিশ্বাস করেছেন যে এই ধরনের ফোরাম কেবল বক্তৃতার জায়গা নয়—এটি অনুপ্রেরণার ক্ষেত্র।
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘এই অস্থির সময়ে প্রকৃত রূপান্তর নিহিত আছে আমাদের ঐক্যে। যদি আমরা একসঙ্গে হাত মিলাই—সামাজিক ব্যবসার শক্তি, তরুণদের উদ্যম এবং প্রযুক্তির সম্ভাবনাকে কাজে লাগাই—তবে জটিলতম বৈশ্বিক সংকটও আমরা সমাধান করতে পারব। আসুন আমরা এক নতুন তরঙ্গের স্থপতি হই—ন্যায়, টেকসই ও আশার ভিত্তিতে নির্মিত এক পৃথিবীর। এমন এক পৃথিবী, যেখানে আমাদের যৌথ স্বপ্ন মানবতার জন্য নতুন ভোরের সূচনা করবে।’

বিশ্বকে বদলে দিতে তরুণদের ‘থ্রি-জিরো ক্লাব’ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। স্থানীয় সময় সোমবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ‘সোশ্যাল বিজনেস, ইয়ুথ অ্যান্ড টেকনোলজি’ শীর্ষক জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের এক সাইডলাইন বৈঠকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
বৈঠকে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘আমি তিন শূন্যের এক পৃথিবীর কথা বলছি— শূন্য নিট কার্বন নিঃসরণ, শূন্য সম্পদ কেন্দ্রীকরণ (যাতে দারিদ্রের অবসান ঘটে) এবং শূন্য বেকারত্ব (যা সবার সৃজনশীলতা কাজে লাগিয়ে সম্ভব)।’
তিনি আরও বলেন, শূন্য বর্জ্য (জিরো ওয়েস্ট) ধারণাটিও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি জাতিসংঘ মহাসচিবের ‘জিরো ওয়েস্ট ইনিশিয়েটিভ’-এর অংশ। এটি কোনো কল্পনা নয়, ইতোমধ্যেই বাস্তবে রূপ নিচ্ছে। এ কারণেই আমরা তরুণদের সর্বত্র “থ্রি-জিরো ক্লাব’’ গড়ে তুলতে উৎসাহিত করছি—যেখানে প্রত্যেকে থ্রি-জিরো মানুষ হয়ে উঠতে পারে।’
তিনি ব্যাখ্যা করেন, একজন থ্রি-জিরো মানুষ প্রতিশ্রুতি দেয় টেকসইভাবে জীবনযাপন করার, বর্জ্য কমিয়ে আনার এবং সামাজিক উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার। একই সঙ্গে তারা বৈশ্বিক উষ্ণায়ন, সম্পদ বৈষম্য এবং বেকারত্বে কোনো অবদান না রাখার জন্য সচেষ্ট হয়।
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘যত বেশি মানুষ এই আন্দোলনে যুক্ত হবে, এই ক্লাবগুলো রূপ নেবে থ্রি-জিরো পরিবারে, থ্রি-জিরো গ্রামে, থ্রি-জিরো শহরে—এবং একদিন গড়ে উঠবে একটি থ্রি-জিরো বিশ্ব। এটি একটি ছোট্ট পদক্ষেপ দিয়ে শুরু হয়। কিন্তু একসাথে সেই পদক্ষেপগুলোই বিশ্বকে পাল্টে দিতে পারে।’
তিনি জানান, তিনি সবসময় বিশ্বাস করেছেন যে এই ধরনের ফোরাম কেবল বক্তৃতার জায়গা নয়—এটি অনুপ্রেরণার ক্ষেত্র।
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘এই অস্থির সময়ে প্রকৃত রূপান্তর নিহিত আছে আমাদের ঐক্যে। যদি আমরা একসঙ্গে হাত মিলাই—সামাজিক ব্যবসার শক্তি, তরুণদের উদ্যম এবং প্রযুক্তির সম্ভাবনাকে কাজে লাগাই—তবে জটিলতম বৈশ্বিক সংকটও আমরা সমাধান করতে পারব। আসুন আমরা এক নতুন তরঙ্গের স্থপতি হই—ন্যায়, টেকসই ও আশার ভিত্তিতে নির্মিত এক পৃথিবীর। এমন এক পৃথিবী, যেখানে আমাদের যৌথ স্বপ্ন মানবতার জন্য নতুন ভোরের সূচনা করবে।’

ফরিদপুরের চর-ভদ্রাসনে পদ্মা নদীতে জেলেদের মাছ ধরা ‘হাজারি’ বড়শিতে ধরা পড়ছে মিঠা পানির একটি কুমির। সোমবার সকালের দিকে উপজেলা সদর ইউনিয়নের কাজীবাড়ির ঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে কুমিরটি ধরা পড়ে। পরে কুমিরটি মুখ রশিতে বেঁধে নদীতে রাখা হয়েছে। পদ্মায় হঠাৎ কুমির ধরা পড়ার খবরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।
৩ মিনিট আগে
মৃত্যু নিশ্চিত করার পর সাতটি মরদেহ ট্রলারে তোলা হয়। রাত আড়াইটার দিকে মেঘনা ও শীতলক্ষ্যা নদীর মোহনায় নিয়ে যাওয়া হয় মরদেহগুলো।
২৪ মিনিট আগে
২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল দিনে-দুপুরে নারায়ণগঞ্জ শহর থেকে অপহৃত হয়েছিলেন সাতজন ব্যক্তি। তিন দিন পর শীতলক্ষ্যা নদী থেকে একে একে ভেসে ওঠে তাদের মরদেহ। দেশের ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত সেই ‘সাত খুনের আজ ১২ বছর বা এক যুগ পূর্ণ হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দীনকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
১ ঘণ্টা আগে