স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিএনপির মন্ত্রিসভায় অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা খলিলুর রহমানের যোগ দেওয়া নিয়ে সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘খলিলুর রহমানের মন্ত্রী হওয়া প্রমাণ করে যে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে থাকার সময়ও একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করেছেন।’
একইসঙ্গে নির্বাচনে বড় ধরনের ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ হয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন।
নতুন সরকারে খলিলুর রহমানের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে প্রশ্ন তুলে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘খলিলুর রহমান যদি বিএনপির সরকারে মন্ত্রী হন, তবে প্রশ্ন উঠবে যে তিনি আগের অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ওই রাজনৈতিক দলের পক্ষ হয়ে কাজ করেছেন। নির্বাচনে যে ইঞ্জিনিয়ারিং ও কারচুপির কথা আমরা বলছি, তার প্রমাণ হিসেবে এটি জাতির সামনে উন্মোচিত হচ্ছে।’
নির্বাচনে এনসিপির আসন কমে যাওয়া এবং সরকারি দলের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়াকে পরিকল্পিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে আমাদের অনেকগুলো আসন হারিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং সরকারি দল দুই-তৃতীয়াংশ আসন দখল করে নিয়েছে, যাতে সংবিধান সংস্কার না হয়। পুরো বিষয়টিই একটি বড় ইঞ্জিনিয়ারিং।’
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘সরকারি দল সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নিয়ে গণভোটের মাধ্যমে যে “হ্যাঁ” সূচক রায় এসেছে, তাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছে। সরকার গঠনের প্রথম দিনেই তারা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। তাদের কাছ থেকে দেশ ও জাতি কী আশা করবে—তা নিয়ে সবার মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। শুধু রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ নয়, তারা একটি আইনি ও সাংবিধানিক জটিলতাও সৃষ্টি করেছে। জুলাই জাতীয় সনদের আদেশে স্পষ্ট লেখা ছিল, গণভোটে “হ্যাঁ” জয়ী হলে সংসদ সদস্য এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ একই অনুষ্ঠানে হবে। কিন্তু তারা তা না মেনে একতরফা সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।’

বিএনপির মন্ত্রিসভায় অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা খলিলুর রহমানের যোগ দেওয়া নিয়ে সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘খলিলুর রহমানের মন্ত্রী হওয়া প্রমাণ করে যে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে থাকার সময়ও একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করেছেন।’
একইসঙ্গে নির্বাচনে বড় ধরনের ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ হয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন।
নতুন সরকারে খলিলুর রহমানের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে প্রশ্ন তুলে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘খলিলুর রহমান যদি বিএনপির সরকারে মন্ত্রী হন, তবে প্রশ্ন উঠবে যে তিনি আগের অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ওই রাজনৈতিক দলের পক্ষ হয়ে কাজ করেছেন। নির্বাচনে যে ইঞ্জিনিয়ারিং ও কারচুপির কথা আমরা বলছি, তার প্রমাণ হিসেবে এটি জাতির সামনে উন্মোচিত হচ্ছে।’
নির্বাচনে এনসিপির আসন কমে যাওয়া এবং সরকারি দলের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়াকে পরিকল্পিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে আমাদের অনেকগুলো আসন হারিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং সরকারি দল দুই-তৃতীয়াংশ আসন দখল করে নিয়েছে, যাতে সংবিধান সংস্কার না হয়। পুরো বিষয়টিই একটি বড় ইঞ্জিনিয়ারিং।’
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘সরকারি দল সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নিয়ে গণভোটের মাধ্যমে যে “হ্যাঁ” সূচক রায় এসেছে, তাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছে। সরকার গঠনের প্রথম দিনেই তারা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। তাদের কাছ থেকে দেশ ও জাতি কী আশা করবে—তা নিয়ে সবার মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। শুধু রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ নয়, তারা একটি আইনি ও সাংবিধানিক জটিলতাও সৃষ্টি করেছে। জুলাই জাতীয় সনদের আদেশে স্পষ্ট লেখা ছিল, গণভোটে “হ্যাঁ” জয়ী হলে সংসদ সদস্য এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ একই অনুষ্ঠানে হবে। কিন্তু তারা তা না মেনে একতরফা সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।’

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ মিনিট আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
১৮ মিনিট আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে