গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির সংবাদ সম্মেলন
স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাষ্ট্রের সর্বস্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য সরকারি শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব দিয়েছে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের জন্য সরকারের শীর্ষ ব্যক্তি থেকে শুরু করে সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানকে বাধ্যতামূলকভাবে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াতে হবে এবং নিজ পরিবারের চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতাল ব্যবহার করতে হবে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা আকরম খাঁ হলে এক সংবাদ সম্মেলনে কমিটির পক্ষ থেকে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ এই প্রস্তাব তুলে ধরেন। এ সময় তিনি বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং আগামীতে যাঁরা নির্বাচিত হয়ে আসবেন, তাঁদের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্র সংস্কারের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে জিডিপির বরাদ্দ কমপক্ষে ৫ ভাগে উন্নীত করতে হবে। তবে শুধু বরাদ্দ বাড়ালেই হবে না, গুণগত পরিবর্তন আনতে হবে। এর জন্য একটি জায়গা আমরা খুব গুরুত্বের সঙ্গে বলতে চাই—রাষ্ট্রীয় বা পাবলিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং হাসপাতালগুলোতে সরকারের শীর্ষ ব্যক্তি থেকে শুরু করে সরকারি সকল পেশাজীবী ও কর্মকর্তাদের সন্তান ও পরিবারের সেবা গ্রহণ বাধ্যতামূলক করতে হবে।’
দেশের অর্থনীতির কাঠামো পরিবর্তন ও বিদেশি ঋণের স্বচ্ছতার দাবি জানিয়ে আনু মুহাম্মদ বলেন, বাজেট প্রণয়ন ও বিদেশি ঋণের ক্ষেত্রে জনগণ অন্ধকারে থাকে। বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ বা এডিবির ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে জনস্বার্থে নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। ঋণের শর্ত এবং প্রকল্পের বিস্তারিত জনগণের সামনে উন্মুক্ত করতে হবে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে গত সরকারের আমলে দুর্নীতির আখড়া হিসেবে অভিহিত করে আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘দায়মুক্তি আইনের অধীনে যেসব অসম ও দেশবিরোধী চুক্তি হয়েছে, তা বাতিল করতে হবে। আমদানি নির্ভর এলএনজি বা জ্বালানি নীতির পরিবর্তে জাতীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনে জোর দিতে হবে।’ তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকারও মহাপরিকল্পনার নামে এলএনজি-নির্ভরতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে, যা আত্মঘাতী।
নির্বাচন প্রক্রিয়ায় টাকার খেলা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে কমিটি। প্রস্তাবে বলা হয়, নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য জামানতের অর্থ কমানো বা বাতিল করতে হবে যাতে সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিরা নির্বাচনে আসতে পারেন। এ ছাড়া, নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচারণার দায়িত্ব ও খরচ রাষ্ট্রকে বহন করতে হবে। একইসঙ্গে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের বর্তমান প্রথা (আরপিও) বাতিলের দাবি জানানো হয়।
প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজে স্বচ্ছতা আনার পাশাপাশি বাংলা ভাষার ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হয়। আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘সরকারের বিভিন্ন সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট বা নীতিমালা আজও ইংরেজি ভাষায় প্রণীত হচ্ছে, যা জনগণের সাথে বিচ্ছেদের শামিল। আদালতের রায় থেকে শুরু করে দাপ্তরিক সকল কাজ বাংলা ভাষায় হতে হবে।’
দেশে সাম্প্রতিক সময়ে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড (গান, নাটক, কনসার্ট) ও নারীদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়। একইসঙ্গে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, কোটা ব্যবস্থার সংস্কার প্রয়োজন, তবে অনগ্রসর ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জন্য কোটা বহাল রাখা যৌক্তিক। ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ক্রিকেটের চেয়ে ভারতীয় রাষ্ট্রের আগ্রাসন, সীমান্ত হত্যা এবং পানি বণ্টন ইস্যুগুলো অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং এগুলোর বিরুদ্ধেই সোচ্চার হওয়া জরুরি।

রাষ্ট্রের সর্বস্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য সরকারি শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব দিয়েছে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের জন্য সরকারের শীর্ষ ব্যক্তি থেকে শুরু করে সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানকে বাধ্যতামূলকভাবে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াতে হবে এবং নিজ পরিবারের চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতাল ব্যবহার করতে হবে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা আকরম খাঁ হলে এক সংবাদ সম্মেলনে কমিটির পক্ষ থেকে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ এই প্রস্তাব তুলে ধরেন। এ সময় তিনি বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং আগামীতে যাঁরা নির্বাচিত হয়ে আসবেন, তাঁদের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্র সংস্কারের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে জিডিপির বরাদ্দ কমপক্ষে ৫ ভাগে উন্নীত করতে হবে। তবে শুধু বরাদ্দ বাড়ালেই হবে না, গুণগত পরিবর্তন আনতে হবে। এর জন্য একটি জায়গা আমরা খুব গুরুত্বের সঙ্গে বলতে চাই—রাষ্ট্রীয় বা পাবলিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং হাসপাতালগুলোতে সরকারের শীর্ষ ব্যক্তি থেকে শুরু করে সরকারি সকল পেশাজীবী ও কর্মকর্তাদের সন্তান ও পরিবারের সেবা গ্রহণ বাধ্যতামূলক করতে হবে।’
দেশের অর্থনীতির কাঠামো পরিবর্তন ও বিদেশি ঋণের স্বচ্ছতার দাবি জানিয়ে আনু মুহাম্মদ বলেন, বাজেট প্রণয়ন ও বিদেশি ঋণের ক্ষেত্রে জনগণ অন্ধকারে থাকে। বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ বা এডিবির ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে জনস্বার্থে নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। ঋণের শর্ত এবং প্রকল্পের বিস্তারিত জনগণের সামনে উন্মুক্ত করতে হবে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে গত সরকারের আমলে দুর্নীতির আখড়া হিসেবে অভিহিত করে আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘দায়মুক্তি আইনের অধীনে যেসব অসম ও দেশবিরোধী চুক্তি হয়েছে, তা বাতিল করতে হবে। আমদানি নির্ভর এলএনজি বা জ্বালানি নীতির পরিবর্তে জাতীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনে জোর দিতে হবে।’ তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকারও মহাপরিকল্পনার নামে এলএনজি-নির্ভরতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে, যা আত্মঘাতী।
নির্বাচন প্রক্রিয়ায় টাকার খেলা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে কমিটি। প্রস্তাবে বলা হয়, নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য জামানতের অর্থ কমানো বা বাতিল করতে হবে যাতে সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিরা নির্বাচনে আসতে পারেন। এ ছাড়া, নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচারণার দায়িত্ব ও খরচ রাষ্ট্রকে বহন করতে হবে। একইসঙ্গে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের বর্তমান প্রথা (আরপিও) বাতিলের দাবি জানানো হয়।
প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজে স্বচ্ছতা আনার পাশাপাশি বাংলা ভাষার ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হয়। আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘সরকারের বিভিন্ন সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট বা নীতিমালা আজও ইংরেজি ভাষায় প্রণীত হচ্ছে, যা জনগণের সাথে বিচ্ছেদের শামিল। আদালতের রায় থেকে শুরু করে দাপ্তরিক সকল কাজ বাংলা ভাষায় হতে হবে।’
দেশে সাম্প্রতিক সময়ে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড (গান, নাটক, কনসার্ট) ও নারীদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়। একইসঙ্গে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, কোটা ব্যবস্থার সংস্কার প্রয়োজন, তবে অনগ্রসর ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জন্য কোটা বহাল রাখা যৌক্তিক। ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ক্রিকেটের চেয়ে ভারতীয় রাষ্ট্রের আগ্রাসন, সীমান্ত হত্যা এবং পানি বণ্টন ইস্যুগুলো অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং এগুলোর বিরুদ্ধেই সোচ্চার হওয়া জরুরি।

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের এক মাসও বাকি নেই। এমন সময় আট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) হঠাৎ বদলি করা হয়েছে। নির্বাচনে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা এসব ইউএনওদের বদলির বিষয়ে মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। তবে কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি।
৪৪ মিনিট আগে
পলাতক অবস্থায় ফাঁসির রায় হয়েছিল ঠিক এক যুগ আগে। দীর্ঘ সময় পর সেই দণ্ড কার্যকরের প্রক্রিয়াটি রাষ্ট্রপতির নির্বাহী আদেশে স্থগিত করা হয়েছে। এই ঘটনাটি ছিল নজিরবিহীন।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় যত এগিয়ে আসছে, বিএনপির অভিযোগের মাত্রাও তত বাড়ছে। একাধিকবার বৈঠক ও চিঠির মাধ্যমে তাঁরা নির্বাচন কমিশনে (ইসি) অভিযোগ জানিয়ে আসছেন। জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বিভিন্ন দল এবং নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তাঁদের এই অভিযোগ।
১ ঘণ্টা আগে
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদির পরিবারকে ঢাকায় একটি ফ্ল্যাটের পাশাপাশি জীবন-জীবিকার জন্য এক কোটি টাকা দেবে সরকার। প্রধান উপদেষ্টার ফান্ড থেকে এ টাকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
২ ঘণ্টা আগে