স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজধানীর পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেলের জন্য আজ মঙ্গলবারও দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। কয়েকটি পাম্পে মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। তেল কখন পাবেন অনিশ্চিত জেনেও চালকরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুর পর্যন্ত রাজধানীর গাবতলী, কল্যাণপুর ও আসাদগেটে কয়েকটি পাম্প ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। এসময় গাড়ির চাপ সামলাতে পাম্পগুলোর কর্মীদের হিমশিম খেতে দেখা যায়।
কল্যাণপুরের কমফোর্ট ফিলিং অ্যান্ড সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশনের সামনে দুপুরের দিকে অপেক্ষা করছিলেন প্রাইভেট কারচালক হারুন উর রশিদ। স্ট্রিমকে তিনি বলেন, ‘সবশেষ গত ২৭ মার্চ তেল নিয়েছিলাম। সেদিন এমন লাইন ছিল না। আজ প্রায় ১ ঘণ্টা ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। কখন তেল পাবো জানি না।’

এই পাম্পের কর্মচারী মোহাম্মদ সেলিম স্ট্রিমকে বলেন, ‘গত ২৮ তারিখ আমাদের পাম্পে তেল এসেছে সাড়ে ৪ হাজার লিটার। এরপর আজ পেয়েছি আরও সাড়ে ৪ হাজার লিটার। যা অবস্থা দেখছি মনে হচ্ছে সব তেল ২ ঘণ্টায় শেষ হয়ে যাবে।’
আসাদ গেইটের মেসার্স তালুকদার ফিলিং স্টেশনের সামনেও দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। অপেক্ষমাণ গাড়ির লাইন গণভবন পর্যন্ত পৌঁছেছে। দুপুরের আগেই তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় সরবরাহ বন্ধ রাখা হয় পাম্পটিতে। তেল না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অপেক্ষমাণরা। কারচালক সিরাজ মিয়া বলেন, ‘সকাল সাড়ে ৯টায় এসে লাইন ধরেছি, এখন প্রায় ১২টা বাজে। এখন বলছে তেল শেষ হয়ে গেছে, কখন তেল আসবে জানি না।’
এদিকে আজ সকালে দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে পাম্প মালিকদের সংগঠন পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। এসময় সংগঠনটির আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল বলেন, ‘তেল ফুরিয়ে যাওয়ার আতঙ্কে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহের প্রবণতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। একজনের অতিরিক্ত মজুত অন্যজনকে বঞ্চিত করছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।’
বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় পেট্রোল পাম্পে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা, পাম্পে তেল বিক্রির সময়সীমা সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত নির্ধারণ, ডিপো থেকে ট্যাংক লরির চেম্বারের ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী তেল সরবরাহসহ ৮ দফা দাবি জানায় সংগঠনটি।

রাজধানীর পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেলের জন্য আজ মঙ্গলবারও দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। কয়েকটি পাম্পে মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। তেল কখন পাবেন অনিশ্চিত জেনেও চালকরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুর পর্যন্ত রাজধানীর গাবতলী, কল্যাণপুর ও আসাদগেটে কয়েকটি পাম্প ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। এসময় গাড়ির চাপ সামলাতে পাম্পগুলোর কর্মীদের হিমশিম খেতে দেখা যায়।
কল্যাণপুরের কমফোর্ট ফিলিং অ্যান্ড সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশনের সামনে দুপুরের দিকে অপেক্ষা করছিলেন প্রাইভেট কারচালক হারুন উর রশিদ। স্ট্রিমকে তিনি বলেন, ‘সবশেষ গত ২৭ মার্চ তেল নিয়েছিলাম। সেদিন এমন লাইন ছিল না। আজ প্রায় ১ ঘণ্টা ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। কখন তেল পাবো জানি না।’

এই পাম্পের কর্মচারী মোহাম্মদ সেলিম স্ট্রিমকে বলেন, ‘গত ২৮ তারিখ আমাদের পাম্পে তেল এসেছে সাড়ে ৪ হাজার লিটার। এরপর আজ পেয়েছি আরও সাড়ে ৪ হাজার লিটার। যা অবস্থা দেখছি মনে হচ্ছে সব তেল ২ ঘণ্টায় শেষ হয়ে যাবে।’
আসাদ গেইটের মেসার্স তালুকদার ফিলিং স্টেশনের সামনেও দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। অপেক্ষমাণ গাড়ির লাইন গণভবন পর্যন্ত পৌঁছেছে। দুপুরের আগেই তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় সরবরাহ বন্ধ রাখা হয় পাম্পটিতে। তেল না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অপেক্ষমাণরা। কারচালক সিরাজ মিয়া বলেন, ‘সকাল সাড়ে ৯টায় এসে লাইন ধরেছি, এখন প্রায় ১২টা বাজে। এখন বলছে তেল শেষ হয়ে গেছে, কখন তেল আসবে জানি না।’
এদিকে আজ সকালে দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে পাম্প মালিকদের সংগঠন পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। এসময় সংগঠনটির আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল বলেন, ‘তেল ফুরিয়ে যাওয়ার আতঙ্কে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহের প্রবণতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। একজনের অতিরিক্ত মজুত অন্যজনকে বঞ্চিত করছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।’
বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় পেট্রোল পাম্পে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা, পাম্পে তেল বিক্রির সময়সীমা সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত নির্ধারণ, ডিপো থেকে ট্যাংক লরির চেম্বারের ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী তেল সরবরাহসহ ৮ দফা দাবি জানায় সংগঠনটি।

আদিবাসীদের বাংলাদেশের ‘ভূমিপুত্র’ উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তারা এ দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং তাদের অধিকার অন্য সব নাগরিকের মতোই সমান।
২৬ মিনিট আগে
শুধু প্রধান সড়ক নয়, রাজধানীর অলিগলিতেও প্রাণ হাতে পথ চলতে হচ্ছে। কারণ, ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে নগরবাসী খুঁজে পাচ্ছেন না নর্দমার (ম্যানহোল) ঢাকনা। বিপদে পড়ছেন চালকেরাও। রাতে গাড়ি নিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।
৩৫ মিনিট আগে
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর দেশজুড়ে হওয়া শত শত মামলার তথ্য করছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।
১ ঘণ্টা আগে
ছোট্ট আরহামের জন্মের আগেই কিরগিজস্তানে পাড়ি জমান বাবা আবুল খায়ের (৪২)। তাই বাবাকে কখনও ছুয়ে দেখেনি সে। বাবা আবুল খায়েরেরও সন্তানকে দেখার তীব্র তৃষ্ণা। হাজার মাইল দূর থেকে সন্তানকে দেখার সেই তৃষ্ণা মেটে ভিডিও কলে।
১ ঘণ্টা আগে