রপ্তানিতে ১ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য, দেশে প্রথমবারের মতো ‘মৎস্য বিমা’

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ১১ জুন ২০২৬, ১৭: ৩৫
স্ট্রিম গ্রাফিক

সুনীল অর্থনীতি বা ‘ব্লু ইকোনমি’কে কাজে লাগিয়ে ২০৩০ সালের মধ্যে মৎস্য রপ্তানি আয় ১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে ‘জাতীয় অগ্রাধিকার’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

এবারের বাজেটের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, ‘জাল যার জলা তার’ নীতি। এর ফলে দেশের জলমহাল, উপকূলীয় খাল ও হাওরগুলো ইজারাদারদের বদলে প্রকৃত মৎস্যজীবী ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ঝুঁকি মোকাবিলায় দেশে প্রথমবারের মতো ‘মৎস্য বিমা’ চালুর প্রস্তাব করা হয়েছে, যা বাণিজ্যিক মাছ চাষিদের বড় ধরনের সুরক্ষা দেবে। এছাড়া গবাদিপশু পালনকারীদেরও ‘কৃষক কার্ড’-এর আওতায় এনে ভর্তুকি ও সহজ ঋণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে কৃষি ও মৎস্য খাতে মোট ৪৩ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকার বরাদ্দ উপস্থাপন করা হয়েছে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘হাঁস-মুরগি ও মৎস্য খামারের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত ফিড উৎপাদন ও সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছি। গবাদিপশু পালনকারীদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে ভর্তুকি, সহজ ঋণ, বিমা এবং বাজারজাতকরণ সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে এ খাতের খামারিদের ইতিমধ্যে কৃষক কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে।’

সম্পর্কিত