স্ট্রিম প্রতিবেদক

অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের ১৮ আইন কর্মকর্তা একযোগে পদত্যাগ করেছেন। মঙ্গলবার বেলা ৩টা ৫০ মিনিটে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে তারা এই পদত্যাগপত্র জমা দেন।
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হওয়া, বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় গঠনে রাষ্ট্রের বিরোধিতা এবং সুপ্রিম কোর্টে বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিলের প্রতিবাদে তাদের এই পদত্যাগ। পদত্যাগকারীদের মধ্যে সাতজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) এবং ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) রয়েছেন।
এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘আজ ৭ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আমার সঙ্গে দেখা করে তাদের পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। বিধি মোতাবেক তাদের পদত্যাগপত্র আইন মন্ত্রণালয়ে ফরোয়ার্ড করেছি।’
এর আগে সাংবাদিকদের কাছে পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করে সদ্য পদত্যাগকারী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসুফ আলী বলেন, ‘আমরা বিরোধী দলের সাতজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১১ জন অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাটর্নি জেনারেল একযোগে পদত্যাগ করেছি। কারণ তিনটি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করা, সুপ্রিম কোর্টের জুডিশিয়ারি সেপারেট সেক্রেটারি না করা এবং সুপ্রিম কোর্টের জাজেস অ্যাপয়েন্টমেন্ট যে অর্ডিন্যান্স, সেটা বাতিল করা।’
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নিয়োগ পাওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘গত ফেব্রুয়ারিতে দলীয় সরকার ক্ষমতায় আসার পরও আমরা চেষ্টা করেছি রাষ্ট্রের পক্ষে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করার জন্য। জুডিশিয়ারিকে সর্বোচ্চ সাহায্য করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু আমরা দেখতে পেলাম যে, ইতিমধ্যেই সেপারেশন অব জুডিশিয়ারির বিরুদ্ধে আমাদের এই রাষ্ট্রই অবস্থান নিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের যে স্লোগান ছিল, “উই ওয়ান্ট জাস্টিস”, আমাদের যে চেতনা ছিল— মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং জুলাই আন্দোলনের চেতনা, সে চেতনা অনুযায়ী সরকার ব্যর্থ হয়েছে। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, আমরা এটার বিরুদ্ধে পদত্যাগ করব।’
পদত্যাগকারী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলরা হলেন মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, মোহাম্মদ ডক্টর গোলাম রহমান ভূঁইয়া, মোহাম্মদ শফিকুর রহমান, মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ আসাদ উদ্দিন, মোহাম্মদ আবদুল করিম এবং মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন খান।
১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের হলেন ইমরুল কায়েছ রানা, হুমায়ুন কবির তানিম, আব্দুল কাইয়ুম ভূঁইয়া, আবদুল্লাহিল মারুফ ফাহিম, জোবায়দুর রহমান, শামসিল আরেফিন, মাহাবুবা আক্তার রলি, নূর নবী উজ্জ্বল, আল রেজা আমির, রেজাউল ইসলাম এবং জাকির হোসেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের ১৮ আইন কর্মকর্তা একযোগে পদত্যাগ করেছেন। মঙ্গলবার বেলা ৩টা ৫০ মিনিটে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে তারা এই পদত্যাগপত্র জমা দেন।
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হওয়া, বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় গঠনে রাষ্ট্রের বিরোধিতা এবং সুপ্রিম কোর্টে বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিলের প্রতিবাদে তাদের এই পদত্যাগ। পদত্যাগকারীদের মধ্যে সাতজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) এবং ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) রয়েছেন।
এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘আজ ৭ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আমার সঙ্গে দেখা করে তাদের পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। বিধি মোতাবেক তাদের পদত্যাগপত্র আইন মন্ত্রণালয়ে ফরোয়ার্ড করেছি।’
এর আগে সাংবাদিকদের কাছে পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করে সদ্য পদত্যাগকারী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসুফ আলী বলেন, ‘আমরা বিরোধী দলের সাতজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১১ জন অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাটর্নি জেনারেল একযোগে পদত্যাগ করেছি। কারণ তিনটি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করা, সুপ্রিম কোর্টের জুডিশিয়ারি সেপারেট সেক্রেটারি না করা এবং সুপ্রিম কোর্টের জাজেস অ্যাপয়েন্টমেন্ট যে অর্ডিন্যান্স, সেটা বাতিল করা।’
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নিয়োগ পাওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘গত ফেব্রুয়ারিতে দলীয় সরকার ক্ষমতায় আসার পরও আমরা চেষ্টা করেছি রাষ্ট্রের পক্ষে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করার জন্য। জুডিশিয়ারিকে সর্বোচ্চ সাহায্য করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু আমরা দেখতে পেলাম যে, ইতিমধ্যেই সেপারেশন অব জুডিশিয়ারির বিরুদ্ধে আমাদের এই রাষ্ট্রই অবস্থান নিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের যে স্লোগান ছিল, “উই ওয়ান্ট জাস্টিস”, আমাদের যে চেতনা ছিল— মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং জুলাই আন্দোলনের চেতনা, সে চেতনা অনুযায়ী সরকার ব্যর্থ হয়েছে। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, আমরা এটার বিরুদ্ধে পদত্যাগ করব।’
পদত্যাগকারী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলরা হলেন মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, মোহাম্মদ ডক্টর গোলাম রহমান ভূঁইয়া, মোহাম্মদ শফিকুর রহমান, মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ আসাদ উদ্দিন, মোহাম্মদ আবদুল করিম এবং মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন খান।
১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের হলেন ইমরুল কায়েছ রানা, হুমায়ুন কবির তানিম, আব্দুল কাইয়ুম ভূঁইয়া, আবদুল্লাহিল মারুফ ফাহিম, জোবায়দুর রহমান, শামসিল আরেফিন, মাহাবুবা আক্তার রলি, নূর নবী উজ্জ্বল, আল রেজা আমির, রেজাউল ইসলাম এবং জাকির হোসেন।
.png)

অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দিয়ে ১৩ বছর আগে বরখাস্ত হওয়া জিওগ্রাফি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক একেএম ওয়াহিদুজ্জামান এ্যাপোলোকে পুনর্নিয়োগ দিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
২৯ মিনিট আগে
রংপুর নগরীর একটি আবাসিক হোটেলের ছাদ থেকে পড়ে কলেজছাত্রী নুজশাত জাহানের মৃত্যুর ঘটনায় কোচিংয়ের সাবেক শিক্ষক ও মেডিকেল শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আহমেদ সাকিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে নিহতের বাবার করা মামলায় মঙ্গলবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) ক্রীড়া সম্পাদক মাহমুদুল হাসান কিরণসহ তিনজনের বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২২ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে খেলা দেখানোর সময় এ ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
সাইপ্রাসে নিখোঁজ হওয়ার নয়দিন পর নরসিংদীর শিক্ষার্থী শাহারিয়ার আহমেদ ইমনের (২২) মাটিচাপা মরদেহ উদ্ধার করেছে দেশটির পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ, মুক্তিপণের ৩৫ হাজার ইউরো না পাওয়ায় অপহরণকারীরা ইমনকে হত্যা করেছে।
১ ঘণ্টা আগে