স্ট্রিম প্রতিবেদক

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর ছয়টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এই হিসাবে ৩ কোটির বেশি টাকা রয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনে ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক সাব্বির ফয়েজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে খালিদ মাহমুদের রাজধানীর উত্তরার পাঁচ কাঠার প্লট, দিনাজপুরের ২৩ দশমিক ২১ একরের বেশি জমি এবং একটি বিলাসবহুল গাড়ি জব্দের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
২০২৫ সালের ২৬ জুন একই আদালত খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন জানান, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলা তদন্তের অংশ হিসেবে আদালত এসব আদেশ জানিয়েছেন।
আদালতে দুদকের পক্ষে আবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম। আবেদনে বলা হয়, অনুসন্ধান ও তদন্তকালে জানা গেছে– আসামি খালিদ মাহমুদ চৌধুরী তাঁর স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ হস্তান্তর বা মালিকানা পরিবর্তন করে দেশত্যাগের চেষ্টা করছেন। তিনি বিদেশে পালিয়ে গেলে বা সম্পদ হস্তান্তর করলে মামলার তদন্ত কার্যক্রম ও পরে রাষ্ট্রের অনুকূলে সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে। এজন্য তদন্তের স্বার্থে এসব সম্পদ জব্দ ও অবরুদ্ধ করা জরুরি।
জানা যায়, স্থাবর সম্পদের মধ্যে খালিদ মাহমুদের দিনাজপুরে ১৮ দশমিক ০৬০৬ একর জমি (দালিলিক মূল্য ২ কোটি ৪৪ লাখ ৪৭ হাজার ৩৮৮ টাকা), পাওয়ার অব অ্যাটর্নি মূলে ৫ দশমিক ১৪৯৪ একর জমি ও রাজধানীর উত্তরায় পাঁচ কাঠার প্লট (৫৬ লাখ টাকা) রয়েছে। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে বিভিন্ন ব্যাংকে তাঁর ছয়টি হিসাবে ৩ কোটি ১৪ লাখ ৯ হাজার ২৬৩ টাকা, এফডিআর ৩ লাখ টাকা ও ২ লাখ ৭৮ হাজার ৫০০ টাকার সঞ্চয়পত্র নয়েছে। এছাড়া ৭০ লাখ ৫০ হাজার টাকা দামের একটি গাড়ি রয়েছে খালিদ মাহমুদের।
২০২৫ সালের ৮ এপ্রিল খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন ইসলাম। এজাহারে বলা হয়, সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী আয়ের উৎসের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ৫ কোটি ৭৩ লাখ ৮২ হাজার ৬৮৭ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন।
দুদক জানায়, খালিদ মাহমুদের ১১টি ব্যাংক হিসাব ও পাঁচটি কার্ডে মোট ১৩ কোটি ৬৮ লাখ ২৩ হাজার ৫১০ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। এ কারণে তাঁর বিরুদ্ধে দুদক আইন, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর ছয়টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এই হিসাবে ৩ কোটির বেশি টাকা রয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনে ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক সাব্বির ফয়েজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে খালিদ মাহমুদের রাজধানীর উত্তরার পাঁচ কাঠার প্লট, দিনাজপুরের ২৩ দশমিক ২১ একরের বেশি জমি এবং একটি বিলাসবহুল গাড়ি জব্দের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
২০২৫ সালের ২৬ জুন একই আদালত খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন জানান, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলা তদন্তের অংশ হিসেবে আদালত এসব আদেশ জানিয়েছেন।
আদালতে দুদকের পক্ষে আবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম। আবেদনে বলা হয়, অনুসন্ধান ও তদন্তকালে জানা গেছে– আসামি খালিদ মাহমুদ চৌধুরী তাঁর স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ হস্তান্তর বা মালিকানা পরিবর্তন করে দেশত্যাগের চেষ্টা করছেন। তিনি বিদেশে পালিয়ে গেলে বা সম্পদ হস্তান্তর করলে মামলার তদন্ত কার্যক্রম ও পরে রাষ্ট্রের অনুকূলে সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে। এজন্য তদন্তের স্বার্থে এসব সম্পদ জব্দ ও অবরুদ্ধ করা জরুরি।
জানা যায়, স্থাবর সম্পদের মধ্যে খালিদ মাহমুদের দিনাজপুরে ১৮ দশমিক ০৬০৬ একর জমি (দালিলিক মূল্য ২ কোটি ৪৪ লাখ ৪৭ হাজার ৩৮৮ টাকা), পাওয়ার অব অ্যাটর্নি মূলে ৫ দশমিক ১৪৯৪ একর জমি ও রাজধানীর উত্তরায় পাঁচ কাঠার প্লট (৫৬ লাখ টাকা) রয়েছে। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে বিভিন্ন ব্যাংকে তাঁর ছয়টি হিসাবে ৩ কোটি ১৪ লাখ ৯ হাজার ২৬৩ টাকা, এফডিআর ৩ লাখ টাকা ও ২ লাখ ৭৮ হাজার ৫০০ টাকার সঞ্চয়পত্র নয়েছে। এছাড়া ৭০ লাখ ৫০ হাজার টাকা দামের একটি গাড়ি রয়েছে খালিদ মাহমুদের।
২০২৫ সালের ৮ এপ্রিল খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন ইসলাম। এজাহারে বলা হয়, সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী আয়ের উৎসের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ৫ কোটি ৭৩ লাখ ৮২ হাজার ৬৮৭ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন।
দুদক জানায়, খালিদ মাহমুদের ১১টি ব্যাংক হিসাব ও পাঁচটি কার্ডে মোট ১৩ কোটি ৬৮ লাখ ২৩ হাজার ৫১০ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। এ কারণে তাঁর বিরুদ্ধে দুদক আইন, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের একটি বড় অংশের উপর ঝুলছে মামলার খড়গ। প্রতি পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে অন্তত একজনের বিরুদ্ধে রয়েছে ফৌজদারি মামলা। আর অতীতে মামলা ছিল– এমন প্রার্থীর সংখ্যা আরও বেশি, প্রায় এক-তৃতীয়াংশ।
২১ মিনিট আগে
সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্বশীলতার মিলনে উৎকর্ষতা অর্জিত হয় বলে মন্তব্য করেছেন বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান।
২৪ মিনিট আগে
গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে প্রচার চালাতে সরকারি কর্মকর্তাদের সামনে কোনো আইনগত বাধা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও গণভোট প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
১ ঘণ্টা আগে
ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তাঁর কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে কবর জিয়ারতের সময় তাঁর সঙ্গে স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে