স্ট্রিম ডেস্ক

প্রস্তাবিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ১২টি মানবাধিকার সংস্থা। সংগঠনগুলোর ভাষ্যমতে, এই বিল পাস হলে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তে নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। একে মানবাধিকার সুরক্ষার ক্ষেত্রে বড় ধরনের পশ্চাৎপদ পদক্ষেপ হিসেবে গণ্য হবে বলে মনে করছেন তারা।
শনিবার (২০ জুন) ১২টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা এক যৌথ বিবৃতিতে এই প্রতিক্রিয়া জানায়। বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার ২০২৬ সালের এপ্রিলে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫’ বাতিল করে নতুন এই বিলটি উত্থাপন করেছে। নতুন বিলটি কমিশনের স্বাধীনতা, কার্যকারিতা ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে চরমভাবে ক্ষুণ্ন করবে।
বিবৃতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়, প্রস্তাবিত বিলে নিয়োগ কমিটিতে সরকারি কর্মকর্তাদের আধিপত্যের ফলে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব বাড়বে। ২০২৫ সালের অধ্যাদেশে নিয়োগ কমিটিতে গণমাধ্যম ও নৃতাত্ত্বিক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিসহ স্বতন্ত্র ব্যক্তিদের যুক্ত করার বিধান ছিল। এই বিলে তা বাদ দেওয়া হয়েছে। এর পরিবর্তে আইন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতো সরকারি কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে গুরুতর স্বার্থের সংঘাত তৈরি হবে।
সংগঠনগুলো বলছে, এই বিলের সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে আসা অভিযোগ তদন্তের প্রক্রিয়া। কমিশনকে স্বাধীন তদন্তের ক্ষমতা দেওয়ার পরিবর্তে অভিযুক্ত সংশ্লিষ্ট বাহিনীর প্রধান বা সরকারি প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করতে বাধ্য করা হয়েছে। এটি জবাবদিহির মূল ভিত্তিকে ধ্বংস করবে। সেই সঙ্গে ভুক্তভোগীরা একটি স্বাধীন ফোরাম থেকে বঞ্চিত হবে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রস্তাবিত এই বিলটি কমিশনের কাজের পরিধিকে নাটকীয়ভাবে সংকুচিত করেছে। মানবাধিকার কর্মীদের সুরক্ষা, নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার পর্যবেক্ষণ, সুশীল সমাজের সাথে সম্পৃক্ততা এবং আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলো নিয়ে সরকারের সঙ্গে কাজ করার মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বগুলো এই বিলে অবহেলিত বা বাদ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে কমিশন একটি বিস্তৃত মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান থেকে রূপান্তরিত হয়ে কার্যত একটি আধা-বিচারিক অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থায় পরিণত হবে।
জাতিসংঘের প্যারিস নীতিমালা অনুযায়ী কোনো মানবাধিকার কমিশনকে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ হতে হয়। যৌথ বিবৃতিতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, বর্তমান রূপে বিলটি পাস হলে তা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির মানদণ্ড পূরণ করতে পারবে না। ফলে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান ও বিশ্বাসযোগ্যতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
পরিশেষে, সরকার যেন বিলটি সংশোধন করে এবং অর্থবহ জনপরামর্শের মাধ্যমে ২০২৫ সালের অধ্যাদেশের চেয়েও শক্তিশালী একটি কাঠামো তৈরি করে, সেই দাবি জানানো হয়েছে।
যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী সংগঠনগুলো হচ্ছে : অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, এশিয়ান ফেডারেশন অ্যাগেইনস্ট ইনভলান্টারি ডিসঅ্যাপিয়ারেন্সেস, এশিয়ান ফোরাম ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য প্রিভেনশন অফ টর্চার, ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট জাস্টিস প্রজেক্ট, সিভিকাস, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন ফর হিউম্যান রাইটস, অধিকার, রবার্ট অ্যান্ড ইথেল কেনেডি হিউম্যান রাইটস সেন্টার, রেড্রেস এবং ওয়ার্ল্ড অর্গানাইজেশন অ্যাগেইনস্ট টর্চার।

প্রস্তাবিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ১২টি মানবাধিকার সংস্থা। সংগঠনগুলোর ভাষ্যমতে, এই বিল পাস হলে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তে নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। একে মানবাধিকার সুরক্ষার ক্ষেত্রে বড় ধরনের পশ্চাৎপদ পদক্ষেপ হিসেবে গণ্য হবে বলে মনে করছেন তারা।
শনিবার (২০ জুন) ১২টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা এক যৌথ বিবৃতিতে এই প্রতিক্রিয়া জানায়। বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার ২০২৬ সালের এপ্রিলে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫’ বাতিল করে নতুন এই বিলটি উত্থাপন করেছে। নতুন বিলটি কমিশনের স্বাধীনতা, কার্যকারিতা ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে চরমভাবে ক্ষুণ্ন করবে।
বিবৃতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়, প্রস্তাবিত বিলে নিয়োগ কমিটিতে সরকারি কর্মকর্তাদের আধিপত্যের ফলে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব বাড়বে। ২০২৫ সালের অধ্যাদেশে নিয়োগ কমিটিতে গণমাধ্যম ও নৃতাত্ত্বিক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিসহ স্বতন্ত্র ব্যক্তিদের যুক্ত করার বিধান ছিল। এই বিলে তা বাদ দেওয়া হয়েছে। এর পরিবর্তে আইন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতো সরকারি কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে গুরুতর স্বার্থের সংঘাত তৈরি হবে।
সংগঠনগুলো বলছে, এই বিলের সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে আসা অভিযোগ তদন্তের প্রক্রিয়া। কমিশনকে স্বাধীন তদন্তের ক্ষমতা দেওয়ার পরিবর্তে অভিযুক্ত সংশ্লিষ্ট বাহিনীর প্রধান বা সরকারি প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করতে বাধ্য করা হয়েছে। এটি জবাবদিহির মূল ভিত্তিকে ধ্বংস করবে। সেই সঙ্গে ভুক্তভোগীরা একটি স্বাধীন ফোরাম থেকে বঞ্চিত হবে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রস্তাবিত এই বিলটি কমিশনের কাজের পরিধিকে নাটকীয়ভাবে সংকুচিত করেছে। মানবাধিকার কর্মীদের সুরক্ষা, নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার পর্যবেক্ষণ, সুশীল সমাজের সাথে সম্পৃক্ততা এবং আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলো নিয়ে সরকারের সঙ্গে কাজ করার মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বগুলো এই বিলে অবহেলিত বা বাদ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে কমিশন একটি বিস্তৃত মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান থেকে রূপান্তরিত হয়ে কার্যত একটি আধা-বিচারিক অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থায় পরিণত হবে।
জাতিসংঘের প্যারিস নীতিমালা অনুযায়ী কোনো মানবাধিকার কমিশনকে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ হতে হয়। যৌথ বিবৃতিতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, বর্তমান রূপে বিলটি পাস হলে তা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির মানদণ্ড পূরণ করতে পারবে না। ফলে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান ও বিশ্বাসযোগ্যতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
পরিশেষে, সরকার যেন বিলটি সংশোধন করে এবং অর্থবহ জনপরামর্শের মাধ্যমে ২০২৫ সালের অধ্যাদেশের চেয়েও শক্তিশালী একটি কাঠামো তৈরি করে, সেই দাবি জানানো হয়েছে।
যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী সংগঠনগুলো হচ্ছে : অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, এশিয়ান ফেডারেশন অ্যাগেইনস্ট ইনভলান্টারি ডিসঅ্যাপিয়ারেন্সেস, এশিয়ান ফোরাম ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য প্রিভেনশন অফ টর্চার, ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট জাস্টিস প্রজেক্ট, সিভিকাস, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন ফর হিউম্যান রাইটস, অধিকার, রবার্ট অ্যান্ড ইথেল কেনেডি হিউম্যান রাইটস সেন্টার, রেড্রেস এবং ওয়ার্ল্ড অর্গানাইজেশন অ্যাগেইনস্ট টর্চার।
.png)

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে রামচন্দ্রের বিগ্রহ নির্মাণ ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে গত ১১ জুন বিকেলে মন্দির কমিটি নির্মাণকাজ স্থগিতের ঘোষণা দেয়। কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে নির্মাণকাজের খবর প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয়ভাবে আপত্তি ওঠে।
৯ মিনিট আগে
লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহদাত হোসেন জাতীয় সংসদে অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন পুনরায় চালুর দাবি জানিয়েছেন। আজ সোমবার (২২ জুন) বাজেট বক্তৃতায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, এই আইন কার্যকর হলে নিত্যপণ্যের দাম অন্তত ১০ শতাংশ কমে আসবে।
৩৩ মিনিট আগে
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সম্ভাব্য নাশকতা, বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে রাজধানীসহ দেশের ছয় জেলায় সেনাবাহিনী এবং পাঁচ জেলায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে।
৩৪ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশন চলাকালে মন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার অনুপস্থিতি নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের বাগ্বিতণ্ডা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে