স্ট্রিম প্রতিবেদক

১৭ বছর পরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘিরে গুলশানে জড়ো হতে শুরু করেছেন দলটির নেতাকর্মীরা। আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই নেতাকর্মীরা সেখানে জড়ো হচ্ছেন।
সরেজমিন গুলশান থানা বিএনপিকে গুলশান দুই নম্বর মোড় থেকে তারেক রহমানের বসবাসের জন্য প্রস্তুত বাসভবনের দিকে মিছিল করে যেতে দেখা যায়। এই মোড়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপস্থিত গেন্ডারিয়া, সূত্রাপুর, ওয়ারি এবং গুলশানসহ বিভিন্ন থানার নেতাকর্মীরাও।
গুলশান ২ মোড়ে কথা হয় সূত্রাপুর থানার লক্ষীবাজার থেকে আগত আব্দুল মতিন তরফদারের সঙ্গে। গতকাল বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) রাত ৮টা থেকে তিনি তার শতাধিক সহযোগীর সঙ্গে নিয়ে এই মোড়ে অবস্থান নিয়েছেন জানিয়ে বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি সমাবেশে বক্তৃতা শেষে আমাদের লিডার (তারেক রহমান) এই পথেই যাবেন। আমরা তাকে এক নজর দেখার জন্য এখানে এসে দাঁড়িয়েছি। সমাবেশে যাই নাই।’
কথা হয় বাফুফে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সাব্বির রহমান আরিফের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘তারেক রহমানের দেশে ফিরে আসার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হলো এই দেশ এক পরিণত, অভিজ্ঞ, যোগ্য নেতৃত্ব পেতে যাচ্ছে।’
এক প্রশ্নের জবাবে ওয়ারী থানা বিএনপির সদস্য সচিব আরিফ আরও বলেন, ‘অনেকেই তো অনেক গুজব রটিয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো আমাদের লিডার আজ দেশে। তার সম্পর্কে অনেকেই অনেক কথা বলেছেন। কিন্তু এখন সবাই দেখতে পাবেন পরিণত তিনি কেমন ব্যক্তিত্ব। কিভাবে দেশ পরিচালনা করতে পারছেন।’
গেন্ডারিয়া থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সইয়দ মোহাম্মদ আলী বাবু জানান, ‘তারেক জিয়ার আগমনের মানে হলো দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে দেশ এবং জাতি যথাযথ নেতৃত্ব পাবে, দিক নির্দেশনা পাবে। আমরা আশা করি, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠায় যে স্বপ্ন দেখেছিলেন তা এখন অনেক পরিণত, অভিজ্ঞ তারেক জিয়া নিজস্ব প্রচেষ্টায় এগিয়ে নিয়ে যাবেন।’
তিনি বলেন, ‘যদিও এই কাজ সহজ হবে না। কারণ যে লুটপাট আওয়ামী লীগ আমলে হয়েছে, যে বিশাল পরিমাণ অর্থ দেশ থেকে পাচার হয়েছে, তারপরে দেশকে সঠিক পথে এনে উন্নতির সর্বোচ্চ শিখরে নেওয়া দুরূহ কাজ হবে। তবে অসম্ভব কিছু হবে না।’
সমাবেশে না গিয়ে গুলশান মোড়ে কেনো জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটি থেকে তারেক জিয়াকে স্বাগত জানাতে সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা করা হয়েছে। এ সময়ে প্রতিটি থানা থেকে আগত নেতাকর্মীরা কে কোথায় দাঁড়াবেন তাও ঠিক করে দেওয়া আছে। সেই অনুযায়ী আমরা এখানে দাঁড়াচ্ছি।’
এদিকে, গুলশান এভিনিউতে পুলিশের পাশাপাশি, বিজিবির উপস্থিতিও দেখা গেছে। আর্মি গাড়িকে টহল দিতেও দেখা গেছে।
এছাড়া তারেক রহমানের জন্য প্রস্তুত করা ১৯৬ নম্বর বাড়ি এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বাসভবন ফিরোজার দুই পাশেই নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। নিরাপত্তায় নিয়োজিত আছে সেনা সদস্যরাও।

১৭ বছর পরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘিরে গুলশানে জড়ো হতে শুরু করেছেন দলটির নেতাকর্মীরা। আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই নেতাকর্মীরা সেখানে জড়ো হচ্ছেন।
সরেজমিন গুলশান থানা বিএনপিকে গুলশান দুই নম্বর মোড় থেকে তারেক রহমানের বসবাসের জন্য প্রস্তুত বাসভবনের দিকে মিছিল করে যেতে দেখা যায়। এই মোড়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপস্থিত গেন্ডারিয়া, সূত্রাপুর, ওয়ারি এবং গুলশানসহ বিভিন্ন থানার নেতাকর্মীরাও।
গুলশান ২ মোড়ে কথা হয় সূত্রাপুর থানার লক্ষীবাজার থেকে আগত আব্দুল মতিন তরফদারের সঙ্গে। গতকাল বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) রাত ৮টা থেকে তিনি তার শতাধিক সহযোগীর সঙ্গে নিয়ে এই মোড়ে অবস্থান নিয়েছেন জানিয়ে বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি সমাবেশে বক্তৃতা শেষে আমাদের লিডার (তারেক রহমান) এই পথেই যাবেন। আমরা তাকে এক নজর দেখার জন্য এখানে এসে দাঁড়িয়েছি। সমাবেশে যাই নাই।’
কথা হয় বাফুফে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সাব্বির রহমান আরিফের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘তারেক রহমানের দেশে ফিরে আসার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হলো এই দেশ এক পরিণত, অভিজ্ঞ, যোগ্য নেতৃত্ব পেতে যাচ্ছে।’
এক প্রশ্নের জবাবে ওয়ারী থানা বিএনপির সদস্য সচিব আরিফ আরও বলেন, ‘অনেকেই তো অনেক গুজব রটিয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো আমাদের লিডার আজ দেশে। তার সম্পর্কে অনেকেই অনেক কথা বলেছেন। কিন্তু এখন সবাই দেখতে পাবেন পরিণত তিনি কেমন ব্যক্তিত্ব। কিভাবে দেশ পরিচালনা করতে পারছেন।’
গেন্ডারিয়া থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সইয়দ মোহাম্মদ আলী বাবু জানান, ‘তারেক জিয়ার আগমনের মানে হলো দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে দেশ এবং জাতি যথাযথ নেতৃত্ব পাবে, দিক নির্দেশনা পাবে। আমরা আশা করি, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠায় যে স্বপ্ন দেখেছিলেন তা এখন অনেক পরিণত, অভিজ্ঞ তারেক জিয়া নিজস্ব প্রচেষ্টায় এগিয়ে নিয়ে যাবেন।’
তিনি বলেন, ‘যদিও এই কাজ সহজ হবে না। কারণ যে লুটপাট আওয়ামী লীগ আমলে হয়েছে, যে বিশাল পরিমাণ অর্থ দেশ থেকে পাচার হয়েছে, তারপরে দেশকে সঠিক পথে এনে উন্নতির সর্বোচ্চ শিখরে নেওয়া দুরূহ কাজ হবে। তবে অসম্ভব কিছু হবে না।’
সমাবেশে না গিয়ে গুলশান মোড়ে কেনো জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটি থেকে তারেক জিয়াকে স্বাগত জানাতে সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা করা হয়েছে। এ সময়ে প্রতিটি থানা থেকে আগত নেতাকর্মীরা কে কোথায় দাঁড়াবেন তাও ঠিক করে দেওয়া আছে। সেই অনুযায়ী আমরা এখানে দাঁড়াচ্ছি।’
এদিকে, গুলশান এভিনিউতে পুলিশের পাশাপাশি, বিজিবির উপস্থিতিও দেখা গেছে। আর্মি গাড়িকে টহল দিতেও দেখা গেছে।
এছাড়া তারেক রহমানের জন্য প্রস্তুত করা ১৯৬ নম্বর বাড়ি এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বাসভবন ফিরোজার দুই পাশেই নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। নিরাপত্তায় নিয়োজিত আছে সেনা সদস্যরাও।

কয়েক ঘণ্টা পরই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। কেন্দ্রগুলোতে ব্যালট, অমোচনীয় কালিসহ প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জাম পৌঁছে গেছে সন্ধ্যার আগেই। রাতে চলছিল শেষ মুহূর্তের ছোটখাটো কাজ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন কেন্দ্রের ভেতর ও বাইরে।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ দেশব্যাপী নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এবারের নির্বাচনে মাঠে থাকছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ ৫৮ হাজার সদস্য।
২ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-৪ আসনের (কালীগঞ্জ ও সদরের আংশিক) সলিমুন্নেছা পাইলট বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটের আগের দিন ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এজেন্টের সইকৃত ২৩টি রেজাল্ট শিট উদ্ধার করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর অলিগলি থেকে শুরু করে অভিজাত এলাকা—সর্বত্রই এখন নির্বাচনী আলোচনার রেশ। তবে এবারের আলোচনা কেবল হার-জিতের সমীকরণে সীমাবদ্ধ নেই। ভোটাররা খুঁজছেন দীর্ঘস্থায়ী পরিবর্তন, জবাবদিহি এবং সুস্থ গণতান্ত্রিক পরিবেশ।
৩ ঘণ্টা আগে