স্ট্রিম প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ দেশব্যাপী নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এবারের নির্বাচনে মাঠে থাকছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ ৫৮ হাজার সদস্য।
সবচেয়ে বেশি সদস্য রয়েছে আনসার ও ভিডিপি থেকে। বাহিনীটির ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৪৮৩ জন দায়িত্ব পালন করছেন। প্রতিটি কেন্দ্রে তাদের ১৩ জন করে থাকবেন।
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) উপপরিচালক ও গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. আশিকুজ্জামান স্ট্রিমকে বলেন, প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে তাদের ১৩ জন করে দায়িত্ব পালন করবেন। একজন সেকশন কমান্ডারের অধীনে তিনজন সদস্য সশস্ত্র অবস্থায় দায়িত্ব পালন করবেন।
এ ছাড়া দেশব্যাপী ব্যাটালিয়ন আনসারের ১ হাজার ১৯১টি স্ট্রাইকিং ফোর্স থাকবে। প্রতিটি উপজেলায় ২টি করে স্ট্রাইকিং ফোর্স থাকবে, যারা নিয়মিত টহলের পাশাপাশি কোথাও গোলযোগ হলে দ্রুত নির্বাচনী সুরক্ষা অ্যাপের মাধ্যমে রেসপন্ডার হিসাবে কাজ করবে।
এ ছাড়া সংখ্যার বিচারে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তা নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করছেন।
অন্যান্য সংস্থাগুলোর মধ্যে রয়েছে বিজিবির ৩৭ হাজার ৪৫৩, র্যাবের ৯ হাজার ৩৪৯, কোষ্টগার্ডের ৩ হাজার ৫৮৫, সেনাবাহিনীর ১ লাখ ৩ হাজার, বিমানবাহিনীর ৩ হাজার ৭০০, উপকূলীয় ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের ১৭টি আসনের জন্য নৌবাহিনীর ৫ হাজার, বিএনসিসির ১ হাজার ৯২২ জন সদস্য মোতায়েন থাকছে।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্য অনুযায়ী, সারাদেশে ১ হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ৬৫৭ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন।
সারাদেশে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪২,৭৭৯টি। এর মধ্যে প্রায় ২৪,০০০ কেন্দ্রকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বা ‘গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করে সেই অনুযায়ী আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সারাদেশে ভোটকক্ষের সংখ্যা প্রায় ২,৪৭,৪৮২টি।
ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এলাকা এবং কেন্দ্রের গুরুত্ব ভেদে সদস্য সংখ্যায় ভিন্নতা রয়েছে।
মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সাধারণ কেন্দ্র: ১৬-১৭ জন সদস্য (যার মধ্যে ২ জন সশস্ত্র পুলিশ এবং আনসার-ভিডিপি সদস্য অন্তর্ভুক্ত)।
গুরুত্বপূর্ণ/ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র: ১৭-১৮ জন সদস্য (যার মধ্যে ৩ জন সশস্ত্র পুলিশ সদস্য থাকবে)।
মেট্রোপলিটন এলাকায় সাধারণ কেন্দ্র: ১৬ জন সদস্য।
গুরুত্বপূর্ণ/ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র: ১৭ জন সদস্য।
পার্বত্য বা দুর্গম অঞ্চল: এসব এলাকার নির্ধারিত কেন্দ্রে ১৬ থেকে ১৮ জন সদস্য মোতায়েন থাকবে।
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক কর্মকর্তা স্ট্রিমকে জানান, নির্বাচন উপলক্ষে সারাদেশে পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি এবং র্যাবসহ বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় ৯ লক্ষ ৫৮ হাজার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া নিরাপত্তার জন্য প্রথমবারের মতো ড্রোন এবং প্রায় ২৫,০০০ বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে।
এসব প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন স্ট্রিমকে বলেন, পুলিশ বাহিনীর পক্ষ থেকে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখার জন্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা মোতাবেক রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশেই বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাহারা বসিয়েছেন। নির্বাচনী সরঞ্জামাদির নিরাপত্তা থেকে শুরু করে ভোটকেন্দ্র ও এর আশপাশের এলাকাগুলোতে গোয়েন্দা কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে।
এক নজরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬
মোট আসন: ৩৫০
নির্বাচন: ২৯৯ আসন। সংরক্ষিত: ৫০
নিবন্ধিত ভোটার: ১২৭,৭১১,৪১৪
পুরুষ ভোটার: ৬৪৮২৫১৪৪, নারী ভোটার: ৬২,৮৮৫,০৪৮
হিজড়া: ১২২২
ভোটারের ন্যূনতম বয়স: ১৮ বছর
নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল: ৫৯
মোট প্রার্থী: ২,০৩৪ জন
প্রার্থীর ন্যূনতম বয়স: ২৫ বছর
ভোটকেন্দ্রগুলো থাকবে ধূমপানমুক্ত।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ দেশব্যাপী নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এবারের নির্বাচনে মাঠে থাকছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ ৫৮ হাজার সদস্য।
সবচেয়ে বেশি সদস্য রয়েছে আনসার ও ভিডিপি থেকে। বাহিনীটির ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৪৮৩ জন দায়িত্ব পালন করছেন। প্রতিটি কেন্দ্রে তাদের ১৩ জন করে থাকবেন।
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) উপপরিচালক ও গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. আশিকুজ্জামান স্ট্রিমকে বলেন, প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে তাদের ১৩ জন করে দায়িত্ব পালন করবেন। একজন সেকশন কমান্ডারের অধীনে তিনজন সদস্য সশস্ত্র অবস্থায় দায়িত্ব পালন করবেন।
এ ছাড়া দেশব্যাপী ব্যাটালিয়ন আনসারের ১ হাজার ১৯১টি স্ট্রাইকিং ফোর্স থাকবে। প্রতিটি উপজেলায় ২টি করে স্ট্রাইকিং ফোর্স থাকবে, যারা নিয়মিত টহলের পাশাপাশি কোথাও গোলযোগ হলে দ্রুত নির্বাচনী সুরক্ষা অ্যাপের মাধ্যমে রেসপন্ডার হিসাবে কাজ করবে।
এ ছাড়া সংখ্যার বিচারে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তা নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করছেন।
অন্যান্য সংস্থাগুলোর মধ্যে রয়েছে বিজিবির ৩৭ হাজার ৪৫৩, র্যাবের ৯ হাজার ৩৪৯, কোষ্টগার্ডের ৩ হাজার ৫৮৫, সেনাবাহিনীর ১ লাখ ৩ হাজার, বিমানবাহিনীর ৩ হাজার ৭০০, উপকূলীয় ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের ১৭টি আসনের জন্য নৌবাহিনীর ৫ হাজার, বিএনসিসির ১ হাজার ৯২২ জন সদস্য মোতায়েন থাকছে।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্য অনুযায়ী, সারাদেশে ১ হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ৬৫৭ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন।
সারাদেশে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪২,৭৭৯টি। এর মধ্যে প্রায় ২৪,০০০ কেন্দ্রকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বা ‘গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করে সেই অনুযায়ী আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সারাদেশে ভোটকক্ষের সংখ্যা প্রায় ২,৪৭,৪৮২টি।
ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এলাকা এবং কেন্দ্রের গুরুত্ব ভেদে সদস্য সংখ্যায় ভিন্নতা রয়েছে।
মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সাধারণ কেন্দ্র: ১৬-১৭ জন সদস্য (যার মধ্যে ২ জন সশস্ত্র পুলিশ এবং আনসার-ভিডিপি সদস্য অন্তর্ভুক্ত)।
গুরুত্বপূর্ণ/ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র: ১৭-১৮ জন সদস্য (যার মধ্যে ৩ জন সশস্ত্র পুলিশ সদস্য থাকবে)।
মেট্রোপলিটন এলাকায় সাধারণ কেন্দ্র: ১৬ জন সদস্য।
গুরুত্বপূর্ণ/ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র: ১৭ জন সদস্য।
পার্বত্য বা দুর্গম অঞ্চল: এসব এলাকার নির্ধারিত কেন্দ্রে ১৬ থেকে ১৮ জন সদস্য মোতায়েন থাকবে।
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক কর্মকর্তা স্ট্রিমকে জানান, নির্বাচন উপলক্ষে সারাদেশে পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি এবং র্যাবসহ বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় ৯ লক্ষ ৫৮ হাজার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া নিরাপত্তার জন্য প্রথমবারের মতো ড্রোন এবং প্রায় ২৫,০০০ বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে।
এসব প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন স্ট্রিমকে বলেন, পুলিশ বাহিনীর পক্ষ থেকে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখার জন্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা মোতাবেক রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশেই বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাহারা বসিয়েছেন। নির্বাচনী সরঞ্জামাদির নিরাপত্তা থেকে শুরু করে ভোটকেন্দ্র ও এর আশপাশের এলাকাগুলোতে গোয়েন্দা কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে।
এক নজরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬
মোট আসন: ৩৫০
নির্বাচন: ২৯৯ আসন। সংরক্ষিত: ৫০
নিবন্ধিত ভোটার: ১২৭,৭১১,৪১৪
পুরুষ ভোটার: ৬৪৮২৫১৪৪, নারী ভোটার: ৬২,৮৮৫,০৪৮
হিজড়া: ১২২২
ভোটারের ন্যূনতম বয়স: ১৮ বছর
নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল: ৫৯
মোট প্রার্থী: ২,০৩৪ জন
প্রার্থীর ন্যূনতম বয়স: ২৫ বছর
ভোটকেন্দ্রগুলো থাকবে ধূমপানমুক্ত।

কয়েক ঘণ্টা পরই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। কেন্দ্রগুলোতে ব্যালট, অমোচনীয় কালিসহ প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জাম পৌঁছে গেছে সন্ধ্যার আগেই। রাতে চলছিল শেষ মুহূর্তের ছোটখাটো কাজ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন কেন্দ্রের ভেতর ও বাইরে।
১ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-৪ আসনের (কালীগঞ্জ ও সদরের আংশিক) সলিমুন্নেছা পাইলট বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটের আগের দিন ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এজেন্টের সইকৃত ২৩টি রেজাল্ট শিট উদ্ধার করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর অলিগলি থেকে শুরু করে অভিজাত এলাকা—সর্বত্রই এখন নির্বাচনী আলোচনার রেশ। তবে এবারের আলোচনা কেবল হার-জিতের সমীকরণে সীমাবদ্ধ নেই। ভোটাররা খুঁজছেন দীর্ঘস্থায়ী পরিবর্তন, জবাবদিহি এবং সুস্থ গণতান্ত্রিক পরিবেশ।
২ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের নজরদারি প্রযুক্তি পর্যালোচনা কমিটি প্রধান উপদেষ্টাকে চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করেছে। প্রতিবেদনে নাগরিকের গোপনীয়তা নিশ্চিত করে আটটি সুপারিশ করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে