স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা শুরু হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি)। আজ সকাল থেকেই প্রচার-প্রচারণায় নেমে পড়বেন প্রার্থীরা। কিন্তু সেই প্রচারণায় ইসির নির্ধারিত আচরণবিধি মেনে চলতে হবে প্রার্থীদের। এর ফলে ইসির আচরণবিধিতে উল্লিখিত অনেক কাজই করতে পারবেন না প্রাথীরা।
ইসির আচরণবিধি বলছে, প্রার্থী তাঁর এলাকায় বসবাসকারী কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানের কাছে কোনো প্রকার চাঁদা, অনুদান বা উপঢৌকন দিতে বা পরবর্তীতে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতে পারবে না। একইসঙ্গে কোনো প্রতিষ্ঠান, সমিতি বা সংগঠন থেকে সংবর্ধনা নিতে পারবে না।
এছাড়া কোনো সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে রাজস্ব বা উন্নয়ন তহবিলভুক্ত কোনো প্রকল্পের অনুমোদন, ঘোষণা বা ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন বা ফলক উন্মোচন করতে পারবে না। প্রচারণায় সরকারি ডাক-বাংলো, রেস্ট হাউজ, সার্কিট হাউজ বা কোনো সরকারি কার্যালয়কে ব্যবহার করতে পারবে না। পাশাপাশি প্রতিপক্ষের জনসভা, শোভাযাত্রা বা অন্যান্য প্রচারাভিযানে বাধা কিংবা ভীতি সঞ্চার করতে পারবে না।
আচরণবিধিমালায় আরও বলা হয়েছে, প্রার্থীর জনসভার দিন, সময় ও স্থান সম্পর্কে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে অবহিত করতে হবে। একইসঙ্গে সভার কমপক্ষে ২৪ ঘণ্টার পূর্বে স্থান এবং সময় সম্পর্কে স্থানীয় পুলিশকে অবহিত করতে হবে। আর জনসভা জনগণের চলাচলে বিঘ্ন হয় এমন কোনো স্থান, সড়ক, মহাসড়ক ও জনপথে করতে পারবে না। বিদেশেও কোনো প্রকার জনসভা কিংবা প্রচার-প্রচারণা করা যাবে না।
এবারের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো পোস্টার নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শুধু পোস্টার নিষিদ্ধ নয়, অপচনশীল দ্রব্য দিয়ে তৈরি কোনো প্রচারপত্র, লিফলেট, হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন ও ব্যানার ব্যবহার করা যাবে না।
এছাড়া দালান, দেওয়াল, গাছ, বেড়া, বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের খুঁটি, সরকারি বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের স্থাপনাসমূহ, বাস, ট্রাক, ট্রেন, স্টিমার, লঞ্চ, রিকশা, অটোরিক্সা, লেগুনা, ট্যাক্সি, বেবিটেক্সি বা অন্য কোনো যানবাহনে কোনো প্রকার লিফলেট, হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন লাগানো যাবে না। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর ফেস্টুন, ব্যানার ও বিলবোর্ড এর উপর নিজের ফেস্টুন, ব্যানার ও বিলবোর্ড টাঙ্গানো যাবে না এবং সেই ফেস্টুন, ব্যানার ও বিলবোর্ডের ক্ষতি করা যাবে না। একইসঙ্গে ইলেকট্রনিক ও ডিজিটাল মাধ্যম ছাড়া নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহৃত ব্যানার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুন সাদা-কালো রঙের হতে হবে।
পাশাপাশি ব্যানার, লিফলেট, হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুনে প্রতীক এবং নিজের ছবি ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তির ছবি ছাপানো যাবে না। তবে প্রার্থী কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল থেকে মনোনীত হলে, কেবল তার বর্তমান দলীয় প্রধানের ছবি ব্যানার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুনে ছাপাতে পারবেন এবং সেই ছবি পোট্রেট আকারে হতে হবে। এছাড়া ব্যানার, লিফলেট, হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুনে পলিথিনের আবরণ এবং প্লাস্টিক ব্যবহার করা যাবে না।
প্রার্থী প্রচারণায় কোনো বাস, ট্রাক, নৌযান, মোটরসাইকেল কিংবা অন্য কোনো যান্ত্রিক বাহন নিয়ে মিছিল বা শোডাউন করতে পারবে না। এমনকি এগুলো নিয়ে কোনো ধরনের মশাল মিছিল করতে পারবে না। পাশাপাশি প্রচারে হেলিকপ্টার বা কোনো আকাশযান ব্যবহার করা যাবে না। তবে দলীয় প্রধান বা তাঁর সমপর্যায়ের কোনো ব্যক্তি হলে তাঁর যাতায়াতের জন্য হেলিকপ্টার ব্যবহার করা যাবে। কিন্তু সেই হেলিকপ্টার থেকে কোনো প্রচার সামগ্রী প্রদর্শন, বিতরণ বা নিক্ষেপ করা যাবে না।
যান চলাচলের নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন ভোটকেন্দ্রের নির্ধারিত সীমানার ভেতরে ও বাহিরে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত ব্যক্তি ছাড়া অন্যকেউ মোটরসাইকেল বা কোনো যান্ত্রিক বাহন চালাতে পারবে না। শুধু যানবাহন নয়, নির্বাচনি প্রচারণা এবং ভোটগ্রহণের সময় কোনো প্রকার ড্রোন ব্যবহার করা যাবে না। দেয়ালে লিখে বা অঙ্কন করে প্রচারণা চালানো যাবে না।
প্রার্থী নির্বাচনি ক্যাম্প তৈরি করার সময় কোনো গেট বা তোরণ নির্মাণ করতে পারবে না। ৪০০ বর্গফুটের অধিক স্থান নিয়ে প্যান্ডেল তৈরি করা যাবে না। প্রচারণার অংশ হিসেবে কোনো আলোকসজ্জা করা যাবে না। সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত স্থানে নির্বাচনি ক্যাম্প স্থাপন করতে পারবে না। প্রতিটি ইউনিয়ন, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশন এলাকার ওয়ার্ডে একটির অধিক নির্বাচনি ক্যাম্প স্থাপন করা যাবে না।
নির্বাচনি ক্যাম্পে ভোটারদের কোমল পানীয় বা খাদ্য পরিবেশন বা কোনোরূপ উপঢৌকন দেওয়া যাবে না। সমগ্র নির্বাচনি এলাকায় ২০টির অতিরিক্ত বিলবোর্ড ব্যবহার করা যাবে না। তবে যেসব আসনে ওয়ার্ড বা ইউনিয়নের সংখ্যা ২০ এর অধিক হবে সেসব আসনে সমানসংখ্যক বিলবোর্ড ব্যবহার করতে পারবে। বিলবোর্ড স্থাপনের মাধ্যমে কোনোক্রমেই জনসাধারণের বা যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করা যাবে না।
ইসির আচরণবিধি বলছে, নির্বাচনি প্রচারণাকালে ব্যক্তিগত কুৎসা রটনা, অশালীন এবং আক্রমণাত্মক বা ব্যক্তিগত চরিত্রহনন করে প্রার্থী বক্তব্য দিতে পারবে না। মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা, গির্জা বা অন্য কোনো ধর্মীয় উপাসনালয় এবং কোনো সরকারি অফিস বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো প্রকার নির্বাচনি প্রচারণা চালানো যাবে না। ভোটারদের প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে কোনো প্রকার বলপ্রয়োগ বা অর্থ ব্যয় করা যাবে না।
প্রার্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা করতে পারবেন। তবে সে ক্ষেত্রে প্রার্থীর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নাম, অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইল আইডিসহ অন্যান্য শনাক্তকরণ তথ্যাদি প্রচারণা শুরুর পূর্বে রিটার্নিং অফিসারের নিকট দাখিল করতে হবে। প্রচার-প্রচারণাসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কোনো বিষয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে এআই ব্যবহার করা যাবে না। ঘৃণাত্মক বক্তব্য, ভুল তথ্য, কারো চেহারা বিকৃত করা ও নির্বাচনসংক্রান্ত বানোয়াট তথ্যসহ কোনো প্রকার ক্ষতিকর কন্টেন্ট তৈরি ও প্রচার করতে পারবে না।
ইসি বলছে, নির্বাচনি এলাকায় একক কোনো জনসভায় একসঙ্গে ৩টির অধিক মাইক্রোফোন বা লাউড স্পিকার ব্যবহার করা যাবে না। প্রচারণার সময়কালে নির্বাচনি এলাকায় মাইক বা শব্দের মাত্রা বর্ধনকারী অন্যবিধ যন্ত্রের ব্যবহার দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। নির্বাচনি প্রচারকার্যে ব্যবহৃত মাইক বা শব্দ বর্ধনকারী যন্ত্রের শব্দের মানমাত্রা ৬০ ডেসিবেলের অধিক হতে পারবে না।
প্রার্থীর নির্বাচনি এজেন্ট না হলে ভোট দেওয়া ছাড়া নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ কিংবা ভোট গণনার সময় গণনা কক্ষে প্রবেশ বা উপস্থিত থাকতে পারবেন না। নির্বাচনি কাজে সরকারি প্রচার যন্ত্রের ব্যবহার, সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারীদেরকে ব্যবহার বা কোনোরূপ সরকারি সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন না।
নির্বাচনি ব্যয় রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রে ৫০ হাজার টাকার ঊর্ধ্বে এবং প্রার্থীর ক্ষেত্রে ২০ হাজার টাকার ঊর্ধ্বে হলে তা বাধ্যতামূলকভাবে ব্যাংকিং মাধ্যমে করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনি প্রচারণা বাবদ ব্যয়সমূহ প্রার্থীদের নির্বাচনি ব্যয়সীমার অন্তর্ভুক্ত হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার-প্রচারণায় বিদেশি অর্থায়নে বিজ্ঞাপন প্রদান বা প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না।
নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী টেলিভিশন চ্যানেল কর্তৃক আয়োজিত নির্বাচনি সংলাপে অংশ নিতে পারবেন। তবে কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করে কোনো বক্তব্য দিতে পারবে না।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা শুরু হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি)। আজ সকাল থেকেই প্রচার-প্রচারণায় নেমে পড়বেন প্রার্থীরা। কিন্তু সেই প্রচারণায় ইসির নির্ধারিত আচরণবিধি মেনে চলতে হবে প্রার্থীদের। এর ফলে ইসির আচরণবিধিতে উল্লিখিত অনেক কাজই করতে পারবেন না প্রাথীরা।
ইসির আচরণবিধি বলছে, প্রার্থী তাঁর এলাকায় বসবাসকারী কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানের কাছে কোনো প্রকার চাঁদা, অনুদান বা উপঢৌকন দিতে বা পরবর্তীতে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতে পারবে না। একইসঙ্গে কোনো প্রতিষ্ঠান, সমিতি বা সংগঠন থেকে সংবর্ধনা নিতে পারবে না।
এছাড়া কোনো সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে রাজস্ব বা উন্নয়ন তহবিলভুক্ত কোনো প্রকল্পের অনুমোদন, ঘোষণা বা ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন বা ফলক উন্মোচন করতে পারবে না। প্রচারণায় সরকারি ডাক-বাংলো, রেস্ট হাউজ, সার্কিট হাউজ বা কোনো সরকারি কার্যালয়কে ব্যবহার করতে পারবে না। পাশাপাশি প্রতিপক্ষের জনসভা, শোভাযাত্রা বা অন্যান্য প্রচারাভিযানে বাধা কিংবা ভীতি সঞ্চার করতে পারবে না।
আচরণবিধিমালায় আরও বলা হয়েছে, প্রার্থীর জনসভার দিন, সময় ও স্থান সম্পর্কে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে অবহিত করতে হবে। একইসঙ্গে সভার কমপক্ষে ২৪ ঘণ্টার পূর্বে স্থান এবং সময় সম্পর্কে স্থানীয় পুলিশকে অবহিত করতে হবে। আর জনসভা জনগণের চলাচলে বিঘ্ন হয় এমন কোনো স্থান, সড়ক, মহাসড়ক ও জনপথে করতে পারবে না। বিদেশেও কোনো প্রকার জনসভা কিংবা প্রচার-প্রচারণা করা যাবে না।
এবারের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো পোস্টার নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শুধু পোস্টার নিষিদ্ধ নয়, অপচনশীল দ্রব্য দিয়ে তৈরি কোনো প্রচারপত্র, লিফলেট, হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন ও ব্যানার ব্যবহার করা যাবে না।
এছাড়া দালান, দেওয়াল, গাছ, বেড়া, বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের খুঁটি, সরকারি বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের স্থাপনাসমূহ, বাস, ট্রাক, ট্রেন, স্টিমার, লঞ্চ, রিকশা, অটোরিক্সা, লেগুনা, ট্যাক্সি, বেবিটেক্সি বা অন্য কোনো যানবাহনে কোনো প্রকার লিফলেট, হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন লাগানো যাবে না। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর ফেস্টুন, ব্যানার ও বিলবোর্ড এর উপর নিজের ফেস্টুন, ব্যানার ও বিলবোর্ড টাঙ্গানো যাবে না এবং সেই ফেস্টুন, ব্যানার ও বিলবোর্ডের ক্ষতি করা যাবে না। একইসঙ্গে ইলেকট্রনিক ও ডিজিটাল মাধ্যম ছাড়া নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহৃত ব্যানার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুন সাদা-কালো রঙের হতে হবে।
পাশাপাশি ব্যানার, লিফলেট, হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুনে প্রতীক এবং নিজের ছবি ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তির ছবি ছাপানো যাবে না। তবে প্রার্থী কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল থেকে মনোনীত হলে, কেবল তার বর্তমান দলীয় প্রধানের ছবি ব্যানার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুনে ছাপাতে পারবেন এবং সেই ছবি পোট্রেট আকারে হতে হবে। এছাড়া ব্যানার, লিফলেট, হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুনে পলিথিনের আবরণ এবং প্লাস্টিক ব্যবহার করা যাবে না।
প্রার্থী প্রচারণায় কোনো বাস, ট্রাক, নৌযান, মোটরসাইকেল কিংবা অন্য কোনো যান্ত্রিক বাহন নিয়ে মিছিল বা শোডাউন করতে পারবে না। এমনকি এগুলো নিয়ে কোনো ধরনের মশাল মিছিল করতে পারবে না। পাশাপাশি প্রচারে হেলিকপ্টার বা কোনো আকাশযান ব্যবহার করা যাবে না। তবে দলীয় প্রধান বা তাঁর সমপর্যায়ের কোনো ব্যক্তি হলে তাঁর যাতায়াতের জন্য হেলিকপ্টার ব্যবহার করা যাবে। কিন্তু সেই হেলিকপ্টার থেকে কোনো প্রচার সামগ্রী প্রদর্শন, বিতরণ বা নিক্ষেপ করা যাবে না।
যান চলাচলের নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন ভোটকেন্দ্রের নির্ধারিত সীমানার ভেতরে ও বাহিরে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত ব্যক্তি ছাড়া অন্যকেউ মোটরসাইকেল বা কোনো যান্ত্রিক বাহন চালাতে পারবে না। শুধু যানবাহন নয়, নির্বাচনি প্রচারণা এবং ভোটগ্রহণের সময় কোনো প্রকার ড্রোন ব্যবহার করা যাবে না। দেয়ালে লিখে বা অঙ্কন করে প্রচারণা চালানো যাবে না।
প্রার্থী নির্বাচনি ক্যাম্প তৈরি করার সময় কোনো গেট বা তোরণ নির্মাণ করতে পারবে না। ৪০০ বর্গফুটের অধিক স্থান নিয়ে প্যান্ডেল তৈরি করা যাবে না। প্রচারণার অংশ হিসেবে কোনো আলোকসজ্জা করা যাবে না। সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত স্থানে নির্বাচনি ক্যাম্প স্থাপন করতে পারবে না। প্রতিটি ইউনিয়ন, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশন এলাকার ওয়ার্ডে একটির অধিক নির্বাচনি ক্যাম্প স্থাপন করা যাবে না।
নির্বাচনি ক্যাম্পে ভোটারদের কোমল পানীয় বা খাদ্য পরিবেশন বা কোনোরূপ উপঢৌকন দেওয়া যাবে না। সমগ্র নির্বাচনি এলাকায় ২০টির অতিরিক্ত বিলবোর্ড ব্যবহার করা যাবে না। তবে যেসব আসনে ওয়ার্ড বা ইউনিয়নের সংখ্যা ২০ এর অধিক হবে সেসব আসনে সমানসংখ্যক বিলবোর্ড ব্যবহার করতে পারবে। বিলবোর্ড স্থাপনের মাধ্যমে কোনোক্রমেই জনসাধারণের বা যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করা যাবে না।
ইসির আচরণবিধি বলছে, নির্বাচনি প্রচারণাকালে ব্যক্তিগত কুৎসা রটনা, অশালীন এবং আক্রমণাত্মক বা ব্যক্তিগত চরিত্রহনন করে প্রার্থী বক্তব্য দিতে পারবে না। মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা, গির্জা বা অন্য কোনো ধর্মীয় উপাসনালয় এবং কোনো সরকারি অফিস বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো প্রকার নির্বাচনি প্রচারণা চালানো যাবে না। ভোটারদের প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে কোনো প্রকার বলপ্রয়োগ বা অর্থ ব্যয় করা যাবে না।
প্রার্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা করতে পারবেন। তবে সে ক্ষেত্রে প্রার্থীর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নাম, অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইল আইডিসহ অন্যান্য শনাক্তকরণ তথ্যাদি প্রচারণা শুরুর পূর্বে রিটার্নিং অফিসারের নিকট দাখিল করতে হবে। প্রচার-প্রচারণাসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কোনো বিষয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে এআই ব্যবহার করা যাবে না। ঘৃণাত্মক বক্তব্য, ভুল তথ্য, কারো চেহারা বিকৃত করা ও নির্বাচনসংক্রান্ত বানোয়াট তথ্যসহ কোনো প্রকার ক্ষতিকর কন্টেন্ট তৈরি ও প্রচার করতে পারবে না।
ইসি বলছে, নির্বাচনি এলাকায় একক কোনো জনসভায় একসঙ্গে ৩টির অধিক মাইক্রোফোন বা লাউড স্পিকার ব্যবহার করা যাবে না। প্রচারণার সময়কালে নির্বাচনি এলাকায় মাইক বা শব্দের মাত্রা বর্ধনকারী অন্যবিধ যন্ত্রের ব্যবহার দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। নির্বাচনি প্রচারকার্যে ব্যবহৃত মাইক বা শব্দ বর্ধনকারী যন্ত্রের শব্দের মানমাত্রা ৬০ ডেসিবেলের অধিক হতে পারবে না।
প্রার্থীর নির্বাচনি এজেন্ট না হলে ভোট দেওয়া ছাড়া নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ কিংবা ভোট গণনার সময় গণনা কক্ষে প্রবেশ বা উপস্থিত থাকতে পারবেন না। নির্বাচনি কাজে সরকারি প্রচার যন্ত্রের ব্যবহার, সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারীদেরকে ব্যবহার বা কোনোরূপ সরকারি সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন না।
নির্বাচনি ব্যয় রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রে ৫০ হাজার টাকার ঊর্ধ্বে এবং প্রার্থীর ক্ষেত্রে ২০ হাজার টাকার ঊর্ধ্বে হলে তা বাধ্যতামূলকভাবে ব্যাংকিং মাধ্যমে করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনি প্রচারণা বাবদ ব্যয়সমূহ প্রার্থীদের নির্বাচনি ব্যয়সীমার অন্তর্ভুক্ত হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার-প্রচারণায় বিদেশি অর্থায়নে বিজ্ঞাপন প্রদান বা প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না।
নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী টেলিভিশন চ্যানেল কর্তৃক আয়োজিত নির্বাচনি সংলাপে অংশ নিতে পারবেন। তবে কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করে কোনো বক্তব্য দিতে পারবে না।

তথ্য ও সম্প্রচার; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, ‘দেশের পরিবর্তন চাইলে গণভোটে “হ্যাঁ” বলুন।
২ ঘণ্টা আগে
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫’-এর লিখিত পরীক্ষার ফলপ্রকাশ হয়েছে। এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে মোট ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
আসন্ন রমজানের আগেই দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সংকটের সমাধান হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
৩ ঘণ্টা আগে
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এবং সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি এম হাফিজ উদ্দিন খান বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর উত্তরার একটি হাসপাতালে মারা গেছেন ( (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
৪ ঘণ্টা আগে