মুক্ত গণমাধ্যম দিবস
স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশের উচ্চ আদালতের এজলাসে প্রবেশে ‘অলিখিত নিষেধাজ্ঞার’ প্রতিবাদে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে মানববন্ধন করেছেন সাংবাদিকরা। অবিলম্বে বিচারকক্ষে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা না হলে সুপ্রিম কোর্টের সংবাদ বর্জনের ঘোষণাও দিয়েছেন তারা।
রোববার (৩ মে) দুপুরে সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান ফটকের সামনে মুখে কালো কাপড় বেঁধে এই কর্মসূচি করে সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরাম (এসআরএফ)।
সাংবাদিকরা জানান, গত ৭ জানুয়ারি থেকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের এজলাস এবং হাইকোর্ট বিভাগের বিভিন্ন বেঞ্চে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী দায়িত্ব নেওয়ার পর মৌখিকভাবে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। অথচ যুগের পর যুগ ধরে সাংবাদিকরা এজলাসে ঢুকে সংবাদ সংগ্রহ করে আসছেন।
কর্মসূচিতে এসআরএফের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ডালিম বলেন, ‘আজ বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস। এই দিনেও সারা বিশ্বে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার বিভিন্ন জায়গায় বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আদালত কক্ষ একটি পাবলিক প্লেস, যেখানে বিচার কার্যক্রম সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে। তাই আদালতের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের বাধা দেওয়া কেবল পেশাগত প্রতিবন্ধকতা নয়, এটি সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ প্রদত্ত মৌলিক অধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।’
সংগঠনের সভাপতি মাস-উদ-দুর রহমান রানা বলেন, ‘আমরা এমন একটা বাস্তবতায় প্রতিবাদ করছি, যখন সারা বিশ্বে মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত হচ্ছে। অথচ আমাদের দীর্ঘদিনের কর্মক্ষেত্র সুপ্রিম কোর্টে প্রবেশ করতে পারছি না। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা একটি রীতি বর্তমান প্রধান বিচারপতি দায়িত্ব নেওয়ার পর বন্ধ করে দিয়েছেন। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টের।’
মাস-উদ-দুর রহমান রানা আরও বলেন, সাংবাদিকরা ব্যক্তিগত কোনো লাভের জন্য সুপ্রিম কোর্টে যান না। অবিলম্বে যদি এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা না হয়, প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টের সব সংবাদ প্রকাশ বন্ধ করে দেওয়া হবে।
প্রধান বিচারপতির প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অবিলম্বে সর্বোচ্চ আদালতে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার খুলে দেন। না হলে দেশের সাধারণ মানুষের ও বিচারপ্রার্থীদের ক্ষতি হবে।
মানববন্ধনে চ্যানেল আইয়ের বিশেষ প্রতিনিধি ও এসআরএফের নির্বাহী সদস্য মাজহারুল হক মান্না, সংগঠনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী, বর্তমান কোষাধ্যক্ষ কামরুল ইসলাম ফকির, দপ্তর সম্পাদক মাঈনুল আহসান, কার্যনির্বাহী সদস্য দিদারুল আলম, সৈয়দা সাবরিনা মজুমদারসহ সুপ্রিম কোর্ট বিটে কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।

দেশের উচ্চ আদালতের এজলাসে প্রবেশে ‘অলিখিত নিষেধাজ্ঞার’ প্রতিবাদে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে মানববন্ধন করেছেন সাংবাদিকরা। অবিলম্বে বিচারকক্ষে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা না হলে সুপ্রিম কোর্টের সংবাদ বর্জনের ঘোষণাও দিয়েছেন তারা।
রোববার (৩ মে) দুপুরে সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান ফটকের সামনে মুখে কালো কাপড় বেঁধে এই কর্মসূচি করে সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরাম (এসআরএফ)।
সাংবাদিকরা জানান, গত ৭ জানুয়ারি থেকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের এজলাস এবং হাইকোর্ট বিভাগের বিভিন্ন বেঞ্চে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী দায়িত্ব নেওয়ার পর মৌখিকভাবে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। অথচ যুগের পর যুগ ধরে সাংবাদিকরা এজলাসে ঢুকে সংবাদ সংগ্রহ করে আসছেন।
কর্মসূচিতে এসআরএফের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ডালিম বলেন, ‘আজ বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস। এই দিনেও সারা বিশ্বে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার বিভিন্ন জায়গায় বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আদালত কক্ষ একটি পাবলিক প্লেস, যেখানে বিচার কার্যক্রম সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে। তাই আদালতের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের বাধা দেওয়া কেবল পেশাগত প্রতিবন্ধকতা নয়, এটি সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ প্রদত্ত মৌলিক অধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।’
সংগঠনের সভাপতি মাস-উদ-দুর রহমান রানা বলেন, ‘আমরা এমন একটা বাস্তবতায় প্রতিবাদ করছি, যখন সারা বিশ্বে মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত হচ্ছে। অথচ আমাদের দীর্ঘদিনের কর্মক্ষেত্র সুপ্রিম কোর্টে প্রবেশ করতে পারছি না। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা একটি রীতি বর্তমান প্রধান বিচারপতি দায়িত্ব নেওয়ার পর বন্ধ করে দিয়েছেন। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টের।’
মাস-উদ-দুর রহমান রানা আরও বলেন, সাংবাদিকরা ব্যক্তিগত কোনো লাভের জন্য সুপ্রিম কোর্টে যান না। অবিলম্বে যদি এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা না হয়, প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টের সব সংবাদ প্রকাশ বন্ধ করে দেওয়া হবে।
প্রধান বিচারপতির প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অবিলম্বে সর্বোচ্চ আদালতে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার খুলে দেন। না হলে দেশের সাধারণ মানুষের ও বিচারপ্রার্থীদের ক্ষতি হবে।
মানববন্ধনে চ্যানেল আইয়ের বিশেষ প্রতিনিধি ও এসআরএফের নির্বাহী সদস্য মাজহারুল হক মান্না, সংগঠনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী, বর্তমান কোষাধ্যক্ষ কামরুল ইসলাম ফকির, দপ্তর সম্পাদক মাঈনুল আহসান, কার্যনির্বাহী সদস্য দিদারুল আলম, সৈয়দা সাবরিনা মজুমদারসহ সুপ্রিম কোর্ট বিটে কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।

হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত হাম ও উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ২৯৪।
২৩ মিনিট আগে
জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য সপ্তাহে দুই দিন (বুধ ও বৃহস্পতিবার) ভার্চুয়াল কোর্ট পরিচালনার সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।
২৮ মিনিট আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
১ ঘণ্টা আগে
স্বামী কারাগারে বন্দি। সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন একমাত্র ছেলে মো. আব্দুল্লাহ (২৩)। স্বামীকে শেষবারের মতো সন্তানের মুখ দেখানোর জন্য আকুতি জানান স্ত্রী। মানবিক কারণে সাড়া দিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।
১ ঘণ্টা আগে