স্ট্রিম প্রতিবেদক

চার দিন আগে রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ভর্তি হন গর্ভবতী ফাহিমা। পরে সিজারের মাধ্যমে জন্ম দেন এক ফুটফুটে কন্যাসন্তান। আজ বাড়ি ফিরে মেয়ের আকিকা করার কথা ছিল ফহিমার। তবে এসব এখন তাঁর কাছে স্বপ্ন হয়েই থাকল।
আজ বুধবার (২৭ মে) সকালে রাজধানীর মগবাজারের ওই হাসপাতালে তাঁর সন্তান মারা গেছে। সন্তানকে হারিয়ে এখন দিশেহারা ফাহিমা।
শুধু ফাহিমা নন, আজ সকাল ছয়টা থেকে ৯টার মধ্যে হাসপাতালটিতে ছয়টি নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের সবার বয়স ছিল দুই থেকে চার দিন। যাঁদের কারোরই নাম রাখা হয়নি। সন্তান হারিয়েছেন নাজমা, ফাহিমা, মীম, ফারিয়া ও জান্নাত নামের পাঁচজন মা। তাঁদের মধ্যে নাজমা যমজ সন্তানের মা ছিলেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সিজারের রোগীদের হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে রাখা হতো। জন্মের পর সুস্থ নবজাতকদেরও রাখা হতো মায়েদের সঙ্গে। আজ সকাল পর্যন্ত ওই ওয়ার্ডে ১৩ জন মা ও ১১ জন নবজাতক ভর্তি ছিলেন। তবে গত রাতে কয়েকটি নবজাতক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং সকালে তাঁদের মৃত্যু হয়।

ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর অভিযোগ, হাসপাতালের গ্যাসলাইন লিকেজ, এসি বন্ধ রাখা ও কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, ঘটনার মূল কারণ বের করতে তাঁরা তদন্ত করছেন।
ঘটনার পর এলাকা পরিদর্শন করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, 'প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি, ওয়ার্ডে ঠান্ডা অনুভূত হওয়ায় এসি বন্ধ রাখতে অনুরোধ করেন এক মা। নার্স এক ঘণ্টার মতো এসি বন্ধ রাখেন। পরে গরম লাগলে এসি চালু করতে বললে দুই শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ে। এর কিছুক্ষণ পর বাকি চার শিশুও অসুস্থ হয়। এ সময় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছয় শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়।'
ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, 'এখানে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ক্রাইম টিম কাজ করছে। আলামত সংগ্রহ করা হচ্ছে। পরে আরও বিস্তারিত জানানো হবে।'
হাসপাতালটির পরিচালক নাহিদা ইয়াসমিন বলেন, 'যেখানে ঘটনা ঘটেছে, সেটা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) ওয়ার্ড। গত রাতে ঠান্ডা লাগার কারণে মায়েরা নার্সদের এসি বন্ধ করতে বলেছিলেন। পরে রাত তিনটার দিকে হঠাৎ দুটি শিশু অসুস্থ হলে তাঁদের এনআইসিইউতে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা দেখে বাচ্চারা ভালো আছে জানালে তাদের আবার ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সকাল ছয়টার দিকে হঠাৎ মায়েরা জানান, শিশুদের অসুস্থ মনে হচ্ছে। তখন ছয়টি শিশুকেই এনআইসিইউতে নেওয়া হয়। তাদের মধ্যে দুটি শিশু নেওয়ার পথেই মারা যায়। আর চারটি শিশুর অবস্থা খুবই গুরুতর ছিল। তাদের ভেন্টিলেটর সাপোর্ট দিয়ে বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়েছিল; কিন্তু সম্ভব হয়নি।'
গ্যাস লিকেজ ও অবহেলার অভিযোগ
মুন্সিগঞ্জের সিরাকাবাদ এলাকার বাসিন্দা আকাইদ হোসেন আরিফের তিন দিন বয়সী কন্যাসন্তান মায়ের সঙ্গেই ছিল। শিশুটি মারা যাওয়ায় আরিফ অভিযোগ করে বলেন, 'সারা রাত ওয়ার্ডের এসি বন্ধ ছিল। ফলে অক্সিজেনের ঘাটতি তৈরি হয়েছিল। এ ছাড়া যখন দুটি নবজাতক অসুস্থ হয়ে যায়, তখন নার্সদের ডেকে পাওয়া যায়নি। অসুস্থ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যদি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিতেন, তাহলে হয়তো আমার মেয়েকে বাঁচানো যেত।'
একই অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী আরও দুটি পরিবারের সদস্যরা। মেয়ে হারানো ফাহিমার সঙ্গে ওয়ার্ডে ছিলেন তাঁর শাশুড়ি নূর জাহান বেগম। তিনি জানান, রাত ১২টার দিকে হঠাৎ বাজে দুর্গন্ধ পান। এরপর তাঁর বমি ভাব হয় এবং মাথা ধরে আসে। বেশি অসুস্থ বোধ করায় তিনি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে গেলে চিকিৎসকরা জানান তিনি সুস্থ আছেন এবং তাঁকে একটি স্যালাইন খেতে দেন। নূর জাহান বলেন, 'ওই গন্ধটা কিসের ছিল, সেটা এখনও বুঝতে পারিনি। তবে গন্ধটা বিষাক্ত ছিল। এখন এই ওয়ার্ড ফাঁকা হয়ে যাওয়ার পরও গন্ধটা রয়ে গেছে। এটা কোনো গ্যাসের গন্ধ হতে পারে।'

তদন্ত কমিটি গঠন
এদিকে এই ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। তিনি বলেন, 'স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল উইংয়ের উপপরিচালক পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আরেকজন কর্মকর্তাকে রাখা হয়েছে।'
হাসপাতালটির পোস্ট-ডেলিভারি ওয়ার্ড পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, 'এসি-সংক্রান্ত জটিলতা অথবা অন্য যেকোনো কারণে এখানে শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি পাওয়া গেছে। আমরা দেখেছি, এসিটি এমনভাবে ছিল যে এটি বন্ধ হয়ে গেলে আর কোনো ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা ছিল না। এসি-সংক্রান্ত বা অন্য কোনো কারিগরি ত্রুটি থাকলে সেগুলোও নির্ণয় করা হবে। প্রয়োজনে কারিগরি বিশেষজ্ঞও কমিটিতে যুক্ত করা হবে। যদি কোনো প্রযুক্তিগত বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মতামতের প্রয়োজন হয়, তাহলে তাঁদের কো-অপ্ট করা হবে।'
তিনি আরও জানান, তদন্ত কমিটিকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া হাসপাতালের পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ড ও এনআইসিইউর কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চার দিন আগে রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ভর্তি হন গর্ভবতী ফাহিমা। পরে সিজারের মাধ্যমে জন্ম দেন এক ফুটফুটে কন্যাসন্তান। আজ বাড়ি ফিরে মেয়ের আকিকা করার কথা ছিল ফহিমার। তবে এসব এখন তাঁর কাছে স্বপ্ন হয়েই থাকল।
আজ বুধবার (২৭ মে) সকালে রাজধানীর মগবাজারের ওই হাসপাতালে তাঁর সন্তান মারা গেছে। সন্তানকে হারিয়ে এখন দিশেহারা ফাহিমা।
শুধু ফাহিমা নন, আজ সকাল ছয়টা থেকে ৯টার মধ্যে হাসপাতালটিতে ছয়টি নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের সবার বয়স ছিল দুই থেকে চার দিন। যাঁদের কারোরই নাম রাখা হয়নি। সন্তান হারিয়েছেন নাজমা, ফাহিমা, মীম, ফারিয়া ও জান্নাত নামের পাঁচজন মা। তাঁদের মধ্যে নাজমা যমজ সন্তানের মা ছিলেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সিজারের রোগীদের হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে রাখা হতো। জন্মের পর সুস্থ নবজাতকদেরও রাখা হতো মায়েদের সঙ্গে। আজ সকাল পর্যন্ত ওই ওয়ার্ডে ১৩ জন মা ও ১১ জন নবজাতক ভর্তি ছিলেন। তবে গত রাতে কয়েকটি নবজাতক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং সকালে তাঁদের মৃত্যু হয়।

ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর অভিযোগ, হাসপাতালের গ্যাসলাইন লিকেজ, এসি বন্ধ রাখা ও কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, ঘটনার মূল কারণ বের করতে তাঁরা তদন্ত করছেন।
ঘটনার পর এলাকা পরিদর্শন করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, 'প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি, ওয়ার্ডে ঠান্ডা অনুভূত হওয়ায় এসি বন্ধ রাখতে অনুরোধ করেন এক মা। নার্স এক ঘণ্টার মতো এসি বন্ধ রাখেন। পরে গরম লাগলে এসি চালু করতে বললে দুই শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ে। এর কিছুক্ষণ পর বাকি চার শিশুও অসুস্থ হয়। এ সময় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছয় শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়।'
ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, 'এখানে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ক্রাইম টিম কাজ করছে। আলামত সংগ্রহ করা হচ্ছে। পরে আরও বিস্তারিত জানানো হবে।'
হাসপাতালটির পরিচালক নাহিদা ইয়াসমিন বলেন, 'যেখানে ঘটনা ঘটেছে, সেটা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) ওয়ার্ড। গত রাতে ঠান্ডা লাগার কারণে মায়েরা নার্সদের এসি বন্ধ করতে বলেছিলেন। পরে রাত তিনটার দিকে হঠাৎ দুটি শিশু অসুস্থ হলে তাঁদের এনআইসিইউতে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা দেখে বাচ্চারা ভালো আছে জানালে তাদের আবার ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সকাল ছয়টার দিকে হঠাৎ মায়েরা জানান, শিশুদের অসুস্থ মনে হচ্ছে। তখন ছয়টি শিশুকেই এনআইসিইউতে নেওয়া হয়। তাদের মধ্যে দুটি শিশু নেওয়ার পথেই মারা যায়। আর চারটি শিশুর অবস্থা খুবই গুরুতর ছিল। তাদের ভেন্টিলেটর সাপোর্ট দিয়ে বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়েছিল; কিন্তু সম্ভব হয়নি।'
গ্যাস লিকেজ ও অবহেলার অভিযোগ
মুন্সিগঞ্জের সিরাকাবাদ এলাকার বাসিন্দা আকাইদ হোসেন আরিফের তিন দিন বয়সী কন্যাসন্তান মায়ের সঙ্গেই ছিল। শিশুটি মারা যাওয়ায় আরিফ অভিযোগ করে বলেন, 'সারা রাত ওয়ার্ডের এসি বন্ধ ছিল। ফলে অক্সিজেনের ঘাটতি তৈরি হয়েছিল। এ ছাড়া যখন দুটি নবজাতক অসুস্থ হয়ে যায়, তখন নার্সদের ডেকে পাওয়া যায়নি। অসুস্থ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যদি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিতেন, তাহলে হয়তো আমার মেয়েকে বাঁচানো যেত।'
একই অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী আরও দুটি পরিবারের সদস্যরা। মেয়ে হারানো ফাহিমার সঙ্গে ওয়ার্ডে ছিলেন তাঁর শাশুড়ি নূর জাহান বেগম। তিনি জানান, রাত ১২টার দিকে হঠাৎ বাজে দুর্গন্ধ পান। এরপর তাঁর বমি ভাব হয় এবং মাথা ধরে আসে। বেশি অসুস্থ বোধ করায় তিনি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে গেলে চিকিৎসকরা জানান তিনি সুস্থ আছেন এবং তাঁকে একটি স্যালাইন খেতে দেন। নূর জাহান বলেন, 'ওই গন্ধটা কিসের ছিল, সেটা এখনও বুঝতে পারিনি। তবে গন্ধটা বিষাক্ত ছিল। এখন এই ওয়ার্ড ফাঁকা হয়ে যাওয়ার পরও গন্ধটা রয়ে গেছে। এটা কোনো গ্যাসের গন্ধ হতে পারে।'

তদন্ত কমিটি গঠন
এদিকে এই ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। তিনি বলেন, 'স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল উইংয়ের উপপরিচালক পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আরেকজন কর্মকর্তাকে রাখা হয়েছে।'
হাসপাতালটির পোস্ট-ডেলিভারি ওয়ার্ড পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, 'এসি-সংক্রান্ত জটিলতা অথবা অন্য যেকোনো কারণে এখানে শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি পাওয়া গেছে। আমরা দেখেছি, এসিটি এমনভাবে ছিল যে এটি বন্ধ হয়ে গেলে আর কোনো ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা ছিল না। এসি-সংক্রান্ত বা অন্য কোনো কারিগরি ত্রুটি থাকলে সেগুলোও নির্ণয় করা হবে। প্রয়োজনে কারিগরি বিশেষজ্ঞও কমিটিতে যুক্ত করা হবে। যদি কোনো প্রযুক্তিগত বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মতামতের প্রয়োজন হয়, তাহলে তাঁদের কো-অপ্ট করা হবে।'
তিনি আরও জানান, তদন্ত কমিটিকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া হাসপাতালের পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ড ও এনআইসিইউর কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৭টায় ঈদুল আজহার প্রধান জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
১ ঘণ্টা আগে
বরিশালের হিজলা উপজেলায় মেঘনা নদীতে কালবৈশাখীর কবলে পড়ে নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ নুর ইসলাম জোমাদ্দার ও তাঁর ছেলে ইব্রাহিম জোমাদ্দারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
জামালপুরে জানাজার নামাজে অংশ নিতে যাওয়ার পথে বাসচাপায় সোহরাব হোসেন সরু (৭০) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৭ মে) বেলা পৌনে ১১টার দিকে সদর উপজেলার বিনন্দেরপাড়া এলাকায় রাস্তা পারাপারের সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ ও বৃষ্টির কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের ৫০ কিলোমিটার এলাকায় দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়েছে। রাতভর জটে আটকে থেকে নারী ও শিশুসহ ঘরমুখো যাত্রীরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
২ ঘণ্টা আগে