জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

বন্দর বিদেশিদের হাতে দেওয়ার অভিযোগ বিভ্রান্তিকর: নৌ উপদেষ্টা

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৮: ৪৮
সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে সাংবাদিকদের ব্রিফকালে নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন। সংগৃহীত ছবি

দেশের বন্দর বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে বলে যারা অভিযোগ করছেন, তাঁরা জেনেশুনে বিভ্রান্ত করছেন মন্তব্য করেছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে সাংবাদিকদের ব্রিফকালে তিনি এমন মন্তব্য করেছেন।

চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার অভিযোগ ও আন্দোলন সম্পর্কে নৌ উপদেষ্টা বলেন, ‘এখন পর্যন্ত চুক্তির ধারে কাছে আমরা নেই। কঠিন বিষয়গুলো এগ্রিমেন্ট-ডিজএগ্রিমেন্টের মধ্যে। আমাদের মনে হয়েছে, সময়ের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বন্দরের অগ্রগতি বাড়াতে হলে ব্যবস্থাপনা এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয় আরও আন্তর্জাতিককরণ প্রয়োজন। আমাদের চট্টগ্রাম বন্দর ইন্টারন্যাশনালাইজড ও কানেক্টেড নয়। এখান থেকে কলম্বো বা সিঙ্গাপুরে গিয়ে আবার জাহাজে ওঠা লাগে।’

উপদেষ্টা বলেন, ‘বন্দর বিদেশি হাতে দিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে যারা স্লোগান দেন, আমি বলব, তারা জেনেশুনে বিভ্রান্ত করছেন। অথবা তাদের কোনো আইডিয়া নেই। চট্টগ্রাম পোর্ট ন্যাশনাল পোর্ট। এখানে বড় তিনটি টার্মিনাল আছে।’

উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘নতুন একটি টার্মিনাল তৈরি হচ্ছে, সেটি সৌদি আরবকে দেওয়া হয়েছে। বড় তিনটি টার্মিনাল চট্টগ্রাম পোর্টের মূল পথ। এখন যদি একটি টার্মিনাল থেকে মনে হয়, এটি আমাকে আয় দিচ্ছে, আমি আরও ভালো করতে চাই। একই সাথে সব পোর্টের ব্যবস্থাপনা বাড়াতে চাই। তাই যদি আরও স্কিলড কাউকে নিতে পারি।’

এখন বন্দর চালাতে বেশি লোক লাগে না জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘আপনি বিদেশে কখনো গিয়ে পোর্ট দেখেছেন কিনা আমি জানি না। আমি সর্বশেষ যখন চীন যাই, সেখানে একটি বন্দর দেখে অবাক হয়েছিলাম। পাঁচ বা ছয়জন যুবক পোর্ট চালাচ্ছে। সবকিছু অটোমেটিক। আমাকে নিয়েই কন্ট্রোল রুমে দেখানো হলো। পাঁচ বা ছয়জন চাইনিজ বসে ভিডিও গেমের মতো কাজ করছে।’

উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘কিছুদিন আগে দেখেছেন চীনের একটি গভীর সমুদ্রবন্দর পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয়। কোনো মানুষ নেই সেখানে। এখনও আমরা ওই বন্দরে নিচে নামা, ল্যাশিং কর—এগুলো করতে হয়। এতে আমাদের আন্তর্জাতিক গ্রেডিং কখনো ওপরে উঠবে না। যারা বলছে ‘লাভ হচ্ছে’, লাভের অংকটা কী? কেউ কেউ মনে করে এটা সোনার হাঁসের ডিম, কিন্তু বাস্তবে এমন নয়। এই পোর্টে যেসব চাঁদাবাজি হয়েছে, তা অকল্পনীয়, যদিও আমার কাছে হিসাব নেই।’

উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘তিন মাস ধরে নেগোসিয়েশন চলছে। যেখানে আমাদের স্বার্থ রক্ষা হচ্ছে না, সেখানে আমরা চুক্তি করি না।’

Ad 300x250

সম্পর্কিত