জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

ভারতের ওপর শুল্ক বসালেই কি বাংলাদেশের সুতা শিল্পের সংকট কাটবে

প্রকাশ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৭: ২৬
স্ট্রিম গ্রাফিক

বাংলাদেশের বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাত দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি। মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি এই খাত থেকে আসে এবং এই খাতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কাজ করেন কয়েক কোটি মানুষ। তবে ২০২৫ সালের শেষ দিক থেকে এ খাতের সুতা শিল্প গভীর সংকটে পড়েছে।

স্পিনিং মিল মালিকরা বলছেন, বর্তমানে মিলগুলোর গুদামে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার বেশি অবিক্রীত সুতা জমে আছে, যা প্রায় ১ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ। ইতোমধ্যে ৫০টির বেশি মিল বন্ধ হয়ে গেছে। ইতিমধ্যেই প্রায় ২ লাখ মানুষ চাকরি হারিয়েছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে প্রায় ১০ লাখ শ্রমিক-কর্মচারী চাকরি হারাতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মিল মালিকদের দাবি, সস্তা ও শুল্কমুক্ত আমদানিকৃত সুতা, বিশেষ করে ভারত থেকে আসা সুতা দেশীয় উৎপাদকদের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে ‘বন্ড সুবিধা’। রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানাগুলো বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধার মাধ্যমে শুল্কমুক্তভাবে সুতা আমদানি করতে পারে। কিন্তু স্পিনিং মিল মালিকদের অভিযোগ, এই সুবিধার অপব্যবহার হচ্ছে। অনেকে বন্ডসুবিধায় সুতা আমদানি করে দেশের সুতার চেয়ে কম দামে বিক্রি করছে।

এই পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) দাবি জানিয়েছে, মধ্যম মানের (১০-৩০ কাউন্ট) সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার করতে হবে, কারণ এই মানের সুতা দেশেই পর্যাপ্ত উৎপাদন সম্ভব। পাশাপাশি আমদানিতে ১০-২০ শতাংশ সেফগার্ড শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে তারা, যা কার্যকর হলে মোট শুল্ক প্রায় ৪০ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

দাবিগুলো আদায়ে বিটিএমএ ২০২৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য দেশব্যাপী স্পিনিং মিল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিল। তবে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও সরকারের সঙ্গে চলমান আলোচনায় আশ্বাস পেয়ে সাময়িকভাবে কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়েছে। সুতা শিল্পকে বাঁচাতে সরকার সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত বিবেচনা করে দেখছে।

কিন্তু তৈরি পোশাক শিল্প মালিকরা সতর্ক করে বলেছেন, বন্ড সুবিধা বাতিল কাঁচামালের দাম বাড়িয়ে রপ্তানি খাতকে বড় ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। তাদের দাবি, সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা তুলে নিলে তাদের সুতা কেনার ব্যয় বেড়ে পোশাক তৈরির খরচও বেড়ে যাবে। এতে তাদের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কারণ ইউরোপ-আমেরিকার বাজারে অর্ডার ও দাম ইতোমধ্যেই কমছে।

ফলে তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের দুই সংগঠন বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) এবং বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমই) সরকারকে বন্ড সুবিধা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে আহ্বান জানায়।

সুতা শিল্পের সংকট আরও গভীর

বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের সুতা উৎপাদন মিলগুলো দীর্ঘদিন ধরেই নানা কাঠামোগত দুর্বলতার মুখে রয়েছে। বিশ্ববাজারের প্রতিযোগীদের তুলনায় তাদের উৎপাদন ব্যয় বেশি। সম্প্রতি দেশে গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়ায় সেই ব্যয় আরও বেড়ে যায়। ব্যাংক ঋণের সুদের হারও বেশি হওয়ায় আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয়।

এ ছাড়া কাঁচা তুলার জন্য পুরোপুরি আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারের দামের ওঠানামার প্রভাব সরাসরি পড়ে। বাংলাদেশ সরকারও গতবছর একদিকে তুলা আমদানিতে শুল্ক বসিয়েছে, অন্যদিকে করপোরেট কর ১২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৭ শতাংশ করেছে। এ ছাড়া নগদ প্রণোদনা সহায়তাও ৪ শতাংশ থেকে কমিয়ে করেছে ১ দশমিক ৫ শতাংশ।

এই সব কারণে দেশীয় সুতার উৎপাদন খরচ বাড়ায় সুতার দামও বেড়ে যায়। তৈরি পোশাক শিল্পে ব্যবহৃত ১০ থেকে ৩০ কাউন্ট কটন সুতার দাম দাঁড়ায় কেজিপ্রতি প্রায় ২.৯৫ থেকে ৩.০৫ ডলার। অন্যদিকে আমদানিকৃত সুতা বিক্রি হয় কেজিপ্রতি প্রায় ২.৫০ থেকে ২.৭০ ডলার।

দামে এই পার্থক্যের ফলে পোশাক কারখানাগুলো আমদানিকৃত সুতার দিকে বেশি ঝুঁকে পড়ছে। সবচেয়ে বেশি আমদানি হয় ভারত থেকে। ২০২৫ সালে বাংলাদেশ ৫৫ থেকে ৭০ কোটি কেজি সুতা আমদানি করেছে, যার ৭৮ থেকে ৮২ শতাংশই এসেছে ভারত থেকে।

গত বছর যুক্তরাষ্ট্র ভারতীয় টেক্সটাইল পণ্যে শুল্ক আরোপ করায় ভারতীয় বাজারে অনেক সুতা অতিরিক্ত হয়েছে। সেসব সুতাও এখন বাংলাদেশসহ অন্যান্য বাজারে সস্তায় ঢুকছে। তা ঠেকাতে ২০২৫ সালের এপ্রিলে ভারতীয় সুতা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু তাতেও আমদানি কমেনি। কারণ এরপর সমুদ্রপথে আমদানি বেড়েছে। ফলে ভারত থেকে সুতা আমদানি আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি (১৩৭ শতাংশ) বেড়ে যায়।

বিটিএমএর সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট সালেউদ জামান খাঁন স্ট্রিমকে বলেন, ‘ভারতের সুতা উৎপাদকরা তাদের উৎপাদন খরচের চেয়েও অনেক কম দামে সুতা বিক্রি করে। কারণ সরকার তাদের প্রচুর ভর্তুকি দেয়। এরপরও আমরা টিকে থাকতে পারব যদি সরকার সুতা আমদানিতে ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তানের মতো সেফগার্ড শুল্ক আরোপ করে। আরেকটা উপায় হলো নগদ প্রণোদনা দেওয়া। তবে আমরা সেটা চাই না। কারণ এতে শেষ পর্যন্ত দেশীয় সুতা শিল্পের বিকাশ হবে না।

তার মতে, শুধু ভারতের ওপর সেফগার্ড শুল্ক বসালেই সংকট কাটবে না। বরং বন্ড সুবিধা বাতিল করাই সবচেয়ে ভালো উপায়। তিনি বলেন, ‘বন্ড সুবিধা বাতিল হলে তখন তৈরি পোশাক শিল্প দেশ থেকেই সুতা কিনতে বাধ্য হবে এবং এতে দেশীয় সুতা শিল্পের বিকাশ হবে। এজন্য দরকার হলে সরকার তৈরি পোশাক শিল্পকে নগদ প্রণোদনা দিতে পারে, যাতে তারা দেশ থেকে সুতা কিনতে রাজি হয়। কিন্তু বন্ড সুবিধা অবশ্যই বাতিল করতে হবে। কারণ অসাধু ব্যবসায়ীরাও বন্ডসুবিধায় সুতা আমদানি করে দেশের সুতা শিল্পের ক্ষতি করছে।’

বিটিএমএ জানিয়েছে, স্পিনিং শিল্প এখন ধসের কিনারায়। সাম্প্রতিক বছরে ৫০ থেকে ৫৮টি স্পিনিং মিল বন্ধ হয়ে গেছে। আরও প্রায় ৫০টির বেশি মিল বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এই প্রেক্ষিতে বিটিএমএ অবিলম্বে তাদের জন্য সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। বিটিএমএর মতে, এখনই ব্যবস্থা না নিলে স্পিনিং শিল্প পুরোপুরি ভেঙে পড়বে।

ভারতীয় সুতা: ডাম্পিং নাকি ন্যায্য প্রতিযোগিতা

বিটিএমএর অভিযোগ, ভারত বাংলাদেশে সুতা ডাম্পিং করছে। অর্থাৎ উৎপাদন ব্যয় বা বাজারমূল্যের চেয়েও কম দামে সুতা বিক্রি করছে। তাদের দাবি, ভারতীয় সুতা বাংলাদেশে কেজিপ্রতি ২.৫০ থেকে ২.৬০ ডলারে রপ্তানি হচ্ছে। এটি ভারতের নিজস্ব উৎপাদন ব্যয়, যা কেজিপ্রতি ২.৮৫ থেকে ২.৯০ ডলার, তারও নিচে। ভারত এটা পারছে কারণ তাদের সরকার তাদেরকে ভর্তুকি দেয়।

তবে তৈরি পেশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম স্ট্রিমকে বলেন, ‘ভারতের সুতা শিল্প সবসময়ই কম দামে সুতা দিয়ে আসছে। ভারতের সঙ্গে সবসময়ই আমাদের সুতার দামে ৩০ থেকে ৪০ সেন্টের পার্থক্য ছিল। কিন্তু আমাদের সমস্যাটা শুরু হয় ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে। সেসময় থেকে রাষ্ট্র আমাদের দেশীয় সুতা কেনার জন্য যে প্রণোদনা দিত আওয়ামী সরকার তা বন্ধ করে দেয়।

‘আগে ভারতীয় সুতার সঙ্গে দেশীয় সুতার দামের যে পার্থক্য থাকতো সরকার তা থেকে আমাদের অন্তত অর্ধেক ভর্তুকি দিত। ফলে আমরা তখন দেশীয় সুতা কিনতে পারতাম। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার সেই ভর্তুকি বন্ধ করে দেওয়ায় আমরা ভারত থেকে সুতা আমদানি করতে বাধ্য হই।’

তিনি আরও জানান, এরপর সরকার আমাদের টেকিং ক্রেডিট সুবিধায়ও সুদ বাড়িয়ে দেয়। ওই সুবিধার আওতায় আমরা বিদেশি ক্রেতাদের অর্ডারের বিপরীতে ব্যাংক থেকে ৭ শতাংশ সুদের লোন নিতে পারতাম। কিন্তু সেই সুদ বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়। এ ছাড়া এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফান্ড (ইডিএফ) থেকে আমরা মাত্র ৫ শতাংশ সুদের যে ঋণ নিতে পারতাম সেটাও আর এখন নিতে পারছি না।

তিনি বলেন, ‘সব মিলিয়ে আমাদের পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, আমাদের পক্ষে এখন আর বেশি দাম দিয়ে দেশীয় সুতা কেনা সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে রপ্তানি কময় আমরা যে ব্যবসার লাভ থেকে বাড়তি সুতার দাম মেটাবো সেটাও সম্ভব হবে না।’ তাঁর মতে, এমতাবস্থায় সরকারকে হয় আমাদের আর নয়তো সুতা উৎপাদনকারীদের নগদ প্রণোদনা সহায়তা দিতে হবে। তাহলেই আমাদের পক্ষে দেশীয় সুতা ব্যবহার করা সম্ভব হবে।

এলডিসি থেকে উত্তরণের পর আর প্রণোদনা দেওয়া যাবে না বলে সরকার যে যুক্তি দেখাচ্ছে সে সম্পর্কে মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘এলডিসি থেকে উত্তরণ হবে আগামী নভেম্বরে। তার আগেই সরকার কেন সব প্রণোদনা বাতিল করছে? এ ছাড়া এলডিসি থেকে বের হওয়ার পরও তিন বছর পর্যন্ত প্রণোদনার সুযোগ থাকবে। তাহলে এখনই কেন সব সহায়তা তুলে নেওয়া হচ্ছে?’

বিকেএমইএ নেতারা আরও বলেছেন, সব সময় দেশীয় মিল থেকে মানসম্মত সুতা সময়মতো পাওয়া যায় না। বিশেষ করে উচ্চমানের সুতার ক্ষেত্রে সমস্যা বেশি। তারা জানিয়েছেন, যদি নির্ভরযোগ্যভাবে ভালো মানের দেশীয় সুতা পাওয়া যায়, তাহলে তারা আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় কেজিপ্রতি ১০ থেকে ১২ সেন্ট বেশি দাম দিতেও প্রস্তুত।

ভারতের ওপর শুল্ক আরোপ করলেই কি সংকট কাটবে

এই সংকটে ভারতীয় সুতার ভূমিকা অস্বীকার করা যায় না, তবে পুরো দায় শুধু ভারতের ওপর চাপালে বিষয়টি অতিসরলীকরণ হবে মন্তব্য করে বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সেলিম রহমান বলেন, ‘দুনিয়ার কোথাও রপ্তানি শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে শুলক্ আরোপ করা হয় না। ভারতের জায়গায় আমি থাকলে আমিও নিজের সুতা শিল্পকে বাঁচানোর জন্য ভর্তুকি ও প্রণোদনা দিতাম। জিওপলিটিক্স ও জিওইকোনমিক্সের খেলা এরকমই। তাই ভারতকে দায়ী না করে আমাদের নিজেদের সুতা শিল্পকে নিজেরাই প্রণোদনা দিয়ে বাঁচাতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভারতের সুতার ওপর শুল্ক বসিয়ে আমরা ভারতকে থামাতে পারবো না। তারা এরপরও কম দামেই সুতা দেবে। কারণ ভারতের টার্গেট একে একে আমাদের সুতা শিল্প ও তৈরি পোশাক শিল্পকে ধ্বংস করা। আমাদের সুতা শিল্প ধ্বংস হলে তারা এরপর নিজেদের সুতার দাম অনেক বাড়িয়ে দিবে। তখন আমাদের পোশাক শিল্পও বিপদে পড়বে। তাই আমাদের জন্য সবচেয়ে ভালো উপায় হলো নিজেদের শিল্প টিকিয়ে রাখতে নিজেদের সক্ষমতা বাড়াতে হবে।’

সেলিম রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের নিজস্ব কিছু কাঠামোগত দুর্বলতাও এই সংকটকে বাড়িয়েছে। দেশে উৎপাদন ব্যয় তুলনামূলকভাবে বেশি। স্পিনিং মিলগুলোর জন্য নীতিগত সহায়তা পর্যাপ্ত নয়। দেশীয় সুতা শিল্পের সক্ষমতা ও দক্ষতা না বাড়ালে শুধু আমদানিতে শুল্ক বসিয়ে দেশীয় শিল্পকে বাঁচানো যাবে না।’

তাঁর মতে, ‘ভারত, চীন ও ভিয়েতনামের মতো দেশগুলো এলডিসি উত্তরণের পরও তাদের পোশাক শিল্প টিকিয়ে রাখতে পরোক্ষভাবে প্রণোদনা দিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশও সেই পথ অনুসরণ করতে পারে। এই অভ্যন্তরীণ সমস্যাগুলো সমাধান না হলে, শুধু ভারতীয় সুতা আমদানি কমালেই সমাধান আসবে না। এতে হয়তো সাময়িক স্বস্তি মিলবে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে সংকট থেকেই যাবে।’

বিজিএমইএ নেতাদের মতে, ভারতীয় সুতা আমদানিতে শুল্ক আরোপ করলেই সংকটের স্থায়ী সমাধান হবে না। এটি সাময়িকভাবে আমদানি কমিয়ে স্থানীয় স্পিনিং মিলগুলোকে সহায়তা করতে পারে। কিন্তু এতে স্বল্পমেয়াদে স্পিনিং মিলগুলো কিছুটা স্বস্তি পেলেও বৃহত্তর সমস্যাগুলো দীর্ঘমেয়াদে আরও জটিল হতে পারে।

Ad 300x250

সম্পর্কিত