স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী মো. নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনা নতুন করে ফেসবুকে নাহিদ ইসলামের ‘বিদেশি নাগরিকত্ব’ নিয়ে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা যায়, ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া নাহিদ ইসলামের ডোমিনিকার পাসপোর্টের ছবিটি ভুয়া ও সম্পাদিত।
রিভার্স ইমেজ সার্চ করে দেখা যায়, Paulo Travels ওয়েবসাইটে ডোমিনিকার একটি নমুনা পাসপোর্টের ছবি রয়েছে, যা মূলত ডেমো বা টেমপ্লেট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ওই নমুনা পাসপোর্টে ব্রিটিশ অভিনেতা রোয়ান অ্যাটকিনসনের ছবি সংযুক্ত রয়েছে। এই নমুনা পাসপোর্টে থাকা ডোমিনিকার ইমিগ্রেশন কর্মকর্তার স্বাক্ষর নাহিদ ইসলামের নামে ছড়ানো পাসপোর্টের স্বাক্ষরের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
আবার, uruperu ওয়েবসাইটে পাওয়া একই ডেমো পাসপোর্টের বারকোড গুগল লেন্স দিয়ে স্ক্যান করলে নমুনা পাসপোর্ট ও ভাইরাল ছবিতে একই পাসপোর্ট কোড RA015060 দেখা যায়। এখানে স্ক্যান ডাটায় কোনো পার্থক্য নেই। যেহেতু বৈধ পাসপোর্টের বারকোড প্রতিটি ব্যক্তির জন্য আলাদা হয়, তাই এসব মিল প্রমাণ করে ছবিটি টেমপ্লেট ব্যবহার করে এডিট করা। এছাড়া, আলোচিত ভুয়া পাসপোর্টে ব্যবহৃত নাহিদ ইসলামের ছবিটিও অনলাইন উৎস থেকে নেওয়া; ছবিটি দৈনিক প্রথম আলো নাহিদ ইসলামের একটি সাক্ষাৎকারের সময় ধারণ করেছিল।
একাধিক গণমাধ্যমের প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী (১,২), জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী শামীম আহমেদ হাইকোর্টে নাহিদ ইসলামের সংসদীয় প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে একটি রিট দায়ের করেছেন। রিটে অভিযোগ করা হয়েছে, নাহিদ ইসলাম ২০২৫ সালের ২০ এপ্রিল ক্যারিবিয়ান দ্বীপরাষ্ট্র ডোমিনিকার নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন এবং সেই তথ্য নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় উল্লেখ করেননি। অভিযোগ অনুযায়ী, এ কারণে তিনি দ্বৈত নাগরিক হিসেবে সংবিধানের বিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্য নন। যদিও একাধিক ফ্যাক্টচেক প্রতিষ্ঠান আগেই জানিয়েছে, ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া নাহিদ ইসলামের ডোমিনিকার পাসপোর্টের ছবিটি ভুয়া ও সম্পাদিত।
দ্য ডিসেন্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রিটের সংযুক্তিতে পাসপোর্টের যে কপি দেওয়া হয়েছে, সেটি “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাওয়া” কপি। প্রতিবেদনে সংযুক্তি-৪ থেকে উদ্ধৃত করে বলা হয়: “Copy … which was available in the social media …”। অর্থাৎ যে ছবিটি আগেই ফ্যাক্টচেকে ভুয়া প্রমাণিত হয়েছিল, সেটিই অভিযোগের সহায়ক উপাদান হিসেবে রিটে যুক্ত হওয়ার ইঙ্গিত মেলে।
উল্লেখ্য, ঢাকা-১১ আসনকে ঘিরে আইনি লড়াই নাহিদ ইসলামই শুরু করেছিলেন। চলতি মাসের শুরুতে তিনি হাইকোর্টে রিট করে বিএনপি প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা বাতিলের আবেদন জানান, যা আদালত খারিজ করেন। পরে ওই আদেশের বিরুদ্ধে নাহিদ ইসলাম আপিল বিভাগে যান, তবে সর্বশেষ আপিল বিভাগ শুনানি নির্বাচন-পরবর্তী সময়ের জন্য রেখে দিয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী মো. নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনা নতুন করে ফেসবুকে নাহিদ ইসলামের ‘বিদেশি নাগরিকত্ব’ নিয়ে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা যায়, ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া নাহিদ ইসলামের ডোমিনিকার পাসপোর্টের ছবিটি ভুয়া ও সম্পাদিত।
রিভার্স ইমেজ সার্চ করে দেখা যায়, Paulo Travels ওয়েবসাইটে ডোমিনিকার একটি নমুনা পাসপোর্টের ছবি রয়েছে, যা মূলত ডেমো বা টেমপ্লেট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ওই নমুনা পাসপোর্টে ব্রিটিশ অভিনেতা রোয়ান অ্যাটকিনসনের ছবি সংযুক্ত রয়েছে। এই নমুনা পাসপোর্টে থাকা ডোমিনিকার ইমিগ্রেশন কর্মকর্তার স্বাক্ষর নাহিদ ইসলামের নামে ছড়ানো পাসপোর্টের স্বাক্ষরের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
আবার, uruperu ওয়েবসাইটে পাওয়া একই ডেমো পাসপোর্টের বারকোড গুগল লেন্স দিয়ে স্ক্যান করলে নমুনা পাসপোর্ট ও ভাইরাল ছবিতে একই পাসপোর্ট কোড RA015060 দেখা যায়। এখানে স্ক্যান ডাটায় কোনো পার্থক্য নেই। যেহেতু বৈধ পাসপোর্টের বারকোড প্রতিটি ব্যক্তির জন্য আলাদা হয়, তাই এসব মিল প্রমাণ করে ছবিটি টেমপ্লেট ব্যবহার করে এডিট করা। এছাড়া, আলোচিত ভুয়া পাসপোর্টে ব্যবহৃত নাহিদ ইসলামের ছবিটিও অনলাইন উৎস থেকে নেওয়া; ছবিটি দৈনিক প্রথম আলো নাহিদ ইসলামের একটি সাক্ষাৎকারের সময় ধারণ করেছিল।
একাধিক গণমাধ্যমের প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী (১,২), জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী শামীম আহমেদ হাইকোর্টে নাহিদ ইসলামের সংসদীয় প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে একটি রিট দায়ের করেছেন। রিটে অভিযোগ করা হয়েছে, নাহিদ ইসলাম ২০২৫ সালের ২০ এপ্রিল ক্যারিবিয়ান দ্বীপরাষ্ট্র ডোমিনিকার নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন এবং সেই তথ্য নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় উল্লেখ করেননি। অভিযোগ অনুযায়ী, এ কারণে তিনি দ্বৈত নাগরিক হিসেবে সংবিধানের বিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্য নন। যদিও একাধিক ফ্যাক্টচেক প্রতিষ্ঠান আগেই জানিয়েছে, ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া নাহিদ ইসলামের ডোমিনিকার পাসপোর্টের ছবিটি ভুয়া ও সম্পাদিত।
দ্য ডিসেন্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রিটের সংযুক্তিতে পাসপোর্টের যে কপি দেওয়া হয়েছে, সেটি “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাওয়া” কপি। প্রতিবেদনে সংযুক্তি-৪ থেকে উদ্ধৃত করে বলা হয়: “Copy … which was available in the social media …”। অর্থাৎ যে ছবিটি আগেই ফ্যাক্টচেকে ভুয়া প্রমাণিত হয়েছিল, সেটিই অভিযোগের সহায়ক উপাদান হিসেবে রিটে যুক্ত হওয়ার ইঙ্গিত মেলে।
উল্লেখ্য, ঢাকা-১১ আসনকে ঘিরে আইনি লড়াই নাহিদ ইসলামই শুরু করেছিলেন। চলতি মাসের শুরুতে তিনি হাইকোর্টে রিট করে বিএনপি প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা বাতিলের আবেদন জানান, যা আদালত খারিজ করেন। পরে ওই আদেশের বিরুদ্ধে নাহিদ ইসলাম আপিল বিভাগে যান, তবে সর্বশেষ আপিল বিভাগ শুনানি নির্বাচন-পরবর্তী সময়ের জন্য রেখে দিয়েছে।

আসন্ন নির্বাচনে মাঠের লড়াইয়ে প্রার্থীরা জড়াচ্ছেন বাকযুদ্ধে। একইসঙ্গে অনুসারীদের মাধ্যমে রাজত্ব চালাচ্ছেন ডিজিটাল মাধ্যমেও। এরই অংশ হিসেবে এআই দিয়ে ভুয়া ভিডিও বানিয়ে চলছে ভোটের প্রচার ও প্রতিপক্ষ ঘায়েল।
৩ দিন আগে
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি ফটোকার্ড ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ফটোকার্ডে দাবি করা হয়, বাসায় কাজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে একজন বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার হয়েছেন।
৮ দিন আগে
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও এবং কিছু স্থিরচিত্র ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দাবি করা হয়েছে , এক তরুণীর বাবা আওয়ামী লীগের সমর্থক হওয়ার অপরাধে ছাত্রশিবিরের কর্মীরা তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে তিন দিন ধরে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেছে এবং মুমূর্ষু অবস্থায় রাস্তায় ফেলে গেছে।
১৭ দিন আগে
ভাইরাল ভিডিওটি (প্রায় ৫ মিনিট ৩৪ সেকেন্ড) খুঁটিয়ে দেখলে দেখা যায়, মেট্রোরেলের ভেতরে কয়েকজন যাত্রী শিশুদেরকে প্রশ্ন করছেন। এক পর্যায়ে ভিডিওটির ৫:১৪ মিনিটে একটি শিশুকে কথা বলতে শোনা যায়। সেখানে শিশুটি ইঙ্গিত করে জানায় যে, তাকে কিডন্যাপ করা হয়নি, বরং তাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে—এ ধরনের বক্তব্য পাওয়া যা
১৫ জানুয়ারি ২০২৬