স্ট্রিম সংবাদদাতা

উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ায় চুয়াডাঙ্গা-২ (দামুড়হুদা, জীবননগর ও সদরের একাংশ) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রুহুল আমিনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির প্রধান জীবননগর সিভিল জজ আদালতের বিচারক নাসির হুসাইন গত মঙ্গলবার এ নোটিশ দেন।
নোটিশে প্রার্থী রুহুল আমিনকে ১৯ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টায় বিচারিক কমিটির কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে লিখিত বক্তব্য বা ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, গত ১২ জানুয়ারি দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গায় দলীয় এক কর্মশালায় বক্তব্যে রুহুল আমিন বলেন, ‘সামনে ১২ তারিখ (সংসদ নির্বাচন) একটি লড়াই হবে, এই লড়াইয়ে যারা মরার জন্য যাবে তারাই জিতবে, এই লড়াইয়ে যারা রক্ত ঝরানোর জন্য যাবে তারাই জিতবে। আর এই লড়াইয়ে যারা বাঁচতে যাবে তারা হেরে যাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘খালি হাতে আমরা ভোট সেন্টার পাহারা দেব না। বাঁশের লাঠিতে তেল মাখাবেন ১১ তারিখ পর্যন্ত; সুন্দর করে রেখে দেবেন ভোট সেন্টার পাহারা দেওয়ার জন্য। আল্লাহ তিতুমীরের বাঁশের কেল্লার মতো আমাদের বিজয় দান করুক। মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে দান করার জন্য জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লাকে বিজয় দান করুক।’
রুহুল আমিনের ওই বক্তব্যের দিনই একই আসনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদ হাসান খানের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট এম এ সবুর এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেনের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কাছে চিঠি দেওয়া হয়। এরপর সিভিল জজ নাসির হুসাইনের সই করা নোটিশে বলা হয়েছে, ভিডিও পর্যালোচনায় প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে জামায়াতের প্রার্থী রুহুল আমিন বলেন, ১২ জানুয়ারি বক্তব্যের মূল কথা ছিল, আমরা ভোট চুরি করব না, কাউকে করতেও দেব না। যারা নির্বাচনে ভোট চুরি করতে আসবে, তাদের প্রতিহত করব। তবে প্রতিহত তো খালি হাতে হবে না, এজন্য বাঁশের লাঠি কেটে রেখে দিতে বলেছিলাম।
তাঁর দাবি, এই বক্তব্য দলের কর্মীদের সহিংসতায় উদ্বুদ্ধ করতে নয়। কাউকে ভয়ভীতি দেখানোর জন্যও নয়। একটি সুষ্ঠু–সুন্দর নির্বাচন করার জন্য তাদের পরিকল্পনামাত্র।

উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ায় চুয়াডাঙ্গা-২ (দামুড়হুদা, জীবননগর ও সদরের একাংশ) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রুহুল আমিনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির প্রধান জীবননগর সিভিল জজ আদালতের বিচারক নাসির হুসাইন গত মঙ্গলবার এ নোটিশ দেন।
নোটিশে প্রার্থী রুহুল আমিনকে ১৯ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টায় বিচারিক কমিটির কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে লিখিত বক্তব্য বা ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, গত ১২ জানুয়ারি দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গায় দলীয় এক কর্মশালায় বক্তব্যে রুহুল আমিন বলেন, ‘সামনে ১২ তারিখ (সংসদ নির্বাচন) একটি লড়াই হবে, এই লড়াইয়ে যারা মরার জন্য যাবে তারাই জিতবে, এই লড়াইয়ে যারা রক্ত ঝরানোর জন্য যাবে তারাই জিতবে। আর এই লড়াইয়ে যারা বাঁচতে যাবে তারা হেরে যাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘খালি হাতে আমরা ভোট সেন্টার পাহারা দেব না। বাঁশের লাঠিতে তেল মাখাবেন ১১ তারিখ পর্যন্ত; সুন্দর করে রেখে দেবেন ভোট সেন্টার পাহারা দেওয়ার জন্য। আল্লাহ তিতুমীরের বাঁশের কেল্লার মতো আমাদের বিজয় দান করুক। মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে দান করার জন্য জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লাকে বিজয় দান করুক।’
রুহুল আমিনের ওই বক্তব্যের দিনই একই আসনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদ হাসান খানের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট এম এ সবুর এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেনের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কাছে চিঠি দেওয়া হয়। এরপর সিভিল জজ নাসির হুসাইনের সই করা নোটিশে বলা হয়েছে, ভিডিও পর্যালোচনায় প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে জামায়াতের প্রার্থী রুহুল আমিন বলেন, ১২ জানুয়ারি বক্তব্যের মূল কথা ছিল, আমরা ভোট চুরি করব না, কাউকে করতেও দেব না। যারা নির্বাচনে ভোট চুরি করতে আসবে, তাদের প্রতিহত করব। তবে প্রতিহত তো খালি হাতে হবে না, এজন্য বাঁশের লাঠি কেটে রেখে দিতে বলেছিলাম।
তাঁর দাবি, এই বক্তব্য দলের কর্মীদের সহিংসতায় উদ্বুদ্ধ করতে নয়। কাউকে ভয়ভীতি দেখানোর জন্যও নয়। একটি সুষ্ঠু–সুন্দর নির্বাচন করার জন্য তাদের পরিকল্পনামাত্র।

উলশী খাল পুনঃখনন কর্মসূচি উদ্বোধন করতে যশোর পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল সোয়া ১০টায় তিনি যশোর বিমানবন্দরে পৌঁছান বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং।
১ ঘণ্টা আগে
জামালপুরের মেলান্দহে বৈশাখী ঝড়ে বসতবাড়ির উপর গাছ উপড়ে পড়ে মা ও দুই মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার নয়ানগরের দাগী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল। নারায়ণগঞ্জ শহরের আলোচিত ৭ খুনের ঘটনা দেশজুড়ে তীব্র আলোড়ন তোলে। দিনের আলোতেই অপহরণ, এরপর কয়েক দিনের ব্যবধানে নদীতে ভেসে ওঠে একে একে ৭টি মরদেহ, যা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি করেছিল।
২ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদলের এক কর্মীকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (২৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের শমসেরপাড়ার সড়কে এ ঘটনা ঘটে। রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
৩ ঘণ্টা আগে