হাসিবুর রহমান

দেশে হাম-রুবেলার বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শেষ হয়েছে পাঁচ সপ্তাহ আগে। নিয়ম অনুযায়ী, টিকা নেওয়ার তিন থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে মানবদেহে অ্যান্টিবডি বা কার্যকর প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হওয়ার কথা। কিন্তু এখনো হামের প্রকোপ থামেনি। প্রতিদিন শত শত শিশু নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছে, উপসর্গ নিয়ে অব্যাহত রয়েছে মৃত্যুও।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৮ জুন (রোববার) পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গে ৬১৯ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে আরও ৯৩ জন। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৭১২ জন শিশুর।
জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, তীব্র ছোঁয়াচে এই রোগটিকে সরকার ‘মহামারি’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়নি। এ ছাড়া হাম প্রতিরোধে যে মাত্রায় টিকাদান করা প্রয়োজন ছিল, সেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যেও পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।
টিকাদান কর্মসূচির সীমাবদ্ধতার কথা স্বীকার করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (রোগনিয়ন্ত্রণ) অধ্যাপক ডা. হালিমুর রশিদ স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমাদের ক্যাম্পেইন শেষ হয়েছে এবং সে অনুযায়ী রোগী ও মৃতের সংখ্যাও কমে আসছে।’ তবে পরিস্থিতি কবে নাগাদ পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু জানাতে পারেননি তিনি।
শিশুর সংখ্যায় বড় ধরনের গরমিল
দেশে গত মার্চের শুরুতে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে ৫ এপ্রিল থেকে ২০ মে পর্যন্ত ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের জন্য বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি চলে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, এই কর্মসূচিতে ১ কোটি ৮৪ লাখ ৭৬ হাজার ৩২৪ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার ১০৩ শতাংশ।
তবে জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, শতকরা এই হার সঠিক নয়, প্রকৃত কাভারেজ ৭৬ শতাংশের আশপাশে।
এই দাবির পেছনে বড় যুক্তি হলো ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন। মূলত যে বয়সী শিশুদের হামের টিকা দেওয়া হয়েছে, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনেও একই বয়সী শিশুদের টার্গেট করা হয়। অথচ হামের টিকার চেয়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ৫৫ লাখ বেশি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার সাবেক পরিচালক ও জনস্বাস্থ্যবিদ অধ্যাপক ডা. বে-নজির আহমেদ বলেন, হামের টিকার সঙ্গে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইনের সংখ্যাগত এই পার্থক্যই বলে দেয়, এবার হামের টিকায় শিশুর টার্গেট কম ধরা হয়েছিল। তাই সরকারিভাবে টিকার যে কাভারেজ দেখানো হচ্ছে, তা ঠিক নয়। মূলত ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর সংখ্যাটিই সঠিক।
তিনি আরও বলেন, সারা দেশে ৯৫ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় না আনা গেলে ‘হার্ড ইমিউনিটি’ অর্জন সম্ভব নয়। হামের টিকায় সেটি করা যায়নি। সব শিশুকে টিকা দেওয়া ছাড়া সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।
আইসোলেশনের অভাব
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হালিমুর রশিদ স্ট্রিমকে বলেন, টিকা নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে সুরক্ষা তৈরি হয় না। টিকার পর শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হতে সময় লাগে। সাধারণভাবে তিন থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে কার্যকর প্রতিরোধক্ষমতা গড়ে ওঠে। আবার কেউ যদি টিকা নেওয়ার আগেই সংক্রমিত হয়ে থাকে, তাহলে তার মধ্যে রোগের উপসর্গ পরে প্রকাশ পেতে পারে।
তবে রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হোসেন মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতির অন্যতম কারণ হলো সব শিশুকে টিকার আওতায় আনতে না পারা এবং আইসোলেশনের অভাব।
তিনি বলেন, হামকে মহামারি ধরে আক্রান্তদের আইসোলেশনে (বিচ্ছিন্নকরণ) রাখার ব্যবস্থা করা গেলে সংক্রমণ দ্রুত কমানো যেত। কিন্তু হাসপাতাল বা কমিউনিটি—কোনো পর্যায়েই কার্যকর কিছু হয়নি।
এদিকে শিশুদের পাশাপাশি প্রাপ্তবয়স্করাও হামে আক্রান্ত হচ্ছেন। ঢাকার ডিএনসিসি হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালসহ ঢাকার বাইরের কয়েকটি হাসপাতালে ২০ বছরের বেশি বয়সীদের হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নেওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রমণ যখন ব্যাপক আকার ধারণ করে, তখন যাঁদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল, এমন প্রাপ্তবয়স্কদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বেড়ে যায়।
ডা. বে–নজির আহমেদ বলেন, অতীতেও প্রাপ্তবয়স্কদের হাম হয়েছে। তবে সংক্রমণ যত বড় আকারে ছড়ায়, প্রাপ্তবয়স্কদের আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যাও তত বাড়ে।
প্রয়োজন সামাজিক উদ্যোগ
হাম সংক্রমণ এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসায় এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় জনস্বাস্থ্যবিদেরা সুনির্দিষ্ট কিছু উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেছেন। আইইডিসিআরের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হোসেন জোর দিয়ে বলেন, করোনাভাইরাস মহামারির সময় যেভাবে স্থানীয় পর্যায়ে জনসম্পৃক্ততা তৈরি হয়েছিল, হাম মোকাবিলাতেও সে ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন। যেসব শিশু এখনো টিকা পায়নি, তাদের দ্রুত খুঁজে বের করে টিকার আওতায় আনার পাশাপাশি আক্রান্ত রোগীদের আইসোলেশন ও সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে বলে মনে করেন তিনি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. বে-নজির আহমেদ বলেন, কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করে স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা ও প্রচার-প্রচারণা জোরদার করা এখন সবচেয়ে জরুরি। তাঁদের মতে, শুধু জাতীয় টিকা ক্যাম্পেইনের ওপর নির্ভর করলেই হবে না, পরবর্তী পর্যায়ের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

দেশে হাম-রুবেলার বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শেষ হয়েছে পাঁচ সপ্তাহ আগে। নিয়ম অনুযায়ী, টিকা নেওয়ার তিন থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে মানবদেহে অ্যান্টিবডি বা কার্যকর প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হওয়ার কথা। কিন্তু এখনো হামের প্রকোপ থামেনি। প্রতিদিন শত শত শিশু নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছে, উপসর্গ নিয়ে অব্যাহত রয়েছে মৃত্যুও।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৮ জুন (রোববার) পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গে ৬১৯ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে আরও ৯৩ জন। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৭১২ জন শিশুর।
জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, তীব্র ছোঁয়াচে এই রোগটিকে সরকার ‘মহামারি’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়নি। এ ছাড়া হাম প্রতিরোধে যে মাত্রায় টিকাদান করা প্রয়োজন ছিল, সেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যেও পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।
টিকাদান কর্মসূচির সীমাবদ্ধতার কথা স্বীকার করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (রোগনিয়ন্ত্রণ) অধ্যাপক ডা. হালিমুর রশিদ স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমাদের ক্যাম্পেইন শেষ হয়েছে এবং সে অনুযায়ী রোগী ও মৃতের সংখ্যাও কমে আসছে।’ তবে পরিস্থিতি কবে নাগাদ পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু জানাতে পারেননি তিনি।
শিশুর সংখ্যায় বড় ধরনের গরমিল
দেশে গত মার্চের শুরুতে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে ৫ এপ্রিল থেকে ২০ মে পর্যন্ত ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের জন্য বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি চলে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, এই কর্মসূচিতে ১ কোটি ৮৪ লাখ ৭৬ হাজার ৩২৪ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার ১০৩ শতাংশ।
তবে জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, শতকরা এই হার সঠিক নয়, প্রকৃত কাভারেজ ৭৬ শতাংশের আশপাশে।
এই দাবির পেছনে বড় যুক্তি হলো ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন। মূলত যে বয়সী শিশুদের হামের টিকা দেওয়া হয়েছে, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনেও একই বয়সী শিশুদের টার্গেট করা হয়। অথচ হামের টিকার চেয়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ৫৫ লাখ বেশি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার সাবেক পরিচালক ও জনস্বাস্থ্যবিদ অধ্যাপক ডা. বে-নজির আহমেদ বলেন, হামের টিকার সঙ্গে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইনের সংখ্যাগত এই পার্থক্যই বলে দেয়, এবার হামের টিকায় শিশুর টার্গেট কম ধরা হয়েছিল। তাই সরকারিভাবে টিকার যে কাভারেজ দেখানো হচ্ছে, তা ঠিক নয়। মূলত ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর সংখ্যাটিই সঠিক।
তিনি আরও বলেন, সারা দেশে ৯৫ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় না আনা গেলে ‘হার্ড ইমিউনিটি’ অর্জন সম্ভব নয়। হামের টিকায় সেটি করা যায়নি। সব শিশুকে টিকা দেওয়া ছাড়া সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।
আইসোলেশনের অভাব
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হালিমুর রশিদ স্ট্রিমকে বলেন, টিকা নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে সুরক্ষা তৈরি হয় না। টিকার পর শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হতে সময় লাগে। সাধারণভাবে তিন থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে কার্যকর প্রতিরোধক্ষমতা গড়ে ওঠে। আবার কেউ যদি টিকা নেওয়ার আগেই সংক্রমিত হয়ে থাকে, তাহলে তার মধ্যে রোগের উপসর্গ পরে প্রকাশ পেতে পারে।
তবে রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হোসেন মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতির অন্যতম কারণ হলো সব শিশুকে টিকার আওতায় আনতে না পারা এবং আইসোলেশনের অভাব।
তিনি বলেন, হামকে মহামারি ধরে আক্রান্তদের আইসোলেশনে (বিচ্ছিন্নকরণ) রাখার ব্যবস্থা করা গেলে সংক্রমণ দ্রুত কমানো যেত। কিন্তু হাসপাতাল বা কমিউনিটি—কোনো পর্যায়েই কার্যকর কিছু হয়নি।
এদিকে শিশুদের পাশাপাশি প্রাপ্তবয়স্করাও হামে আক্রান্ত হচ্ছেন। ঢাকার ডিএনসিসি হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালসহ ঢাকার বাইরের কয়েকটি হাসপাতালে ২০ বছরের বেশি বয়সীদের হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নেওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রমণ যখন ব্যাপক আকার ধারণ করে, তখন যাঁদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল, এমন প্রাপ্তবয়স্কদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বেড়ে যায়।
ডা. বে–নজির আহমেদ বলেন, অতীতেও প্রাপ্তবয়স্কদের হাম হয়েছে। তবে সংক্রমণ যত বড় আকারে ছড়ায়, প্রাপ্তবয়স্কদের আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যাও তত বাড়ে।
প্রয়োজন সামাজিক উদ্যোগ
হাম সংক্রমণ এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসায় এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় জনস্বাস্থ্যবিদেরা সুনির্দিষ্ট কিছু উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেছেন। আইইডিসিআরের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হোসেন জোর দিয়ে বলেন, করোনাভাইরাস মহামারির সময় যেভাবে স্থানীয় পর্যায়ে জনসম্পৃক্ততা তৈরি হয়েছিল, হাম মোকাবিলাতেও সে ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন। যেসব শিশু এখনো টিকা পায়নি, তাদের দ্রুত খুঁজে বের করে টিকার আওতায় আনার পাশাপাশি আক্রান্ত রোগীদের আইসোলেশন ও সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে বলে মনে করেন তিনি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. বে-নজির আহমেদ বলেন, কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করে স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা ও প্রচার-প্রচারণা জোরদার করা এখন সবচেয়ে জরুরি। তাঁদের মতে, শুধু জাতীয় টিকা ক্যাম্পেইনের ওপর নির্ভর করলেই হবে না, পরবর্তী পর্যায়ের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
.png)

জামায়াতে ইসলামীর নামের সঙ্গে ইসলাম থাকলেও তাদের রাজনৈতিক ইশতেহারে এর কোনো বাস্তব প্রতিফলন নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ। আজ রবিবার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
১৯ মিনিট আগে
স্বল্প আয়ের মানুষের পুষ্টি নিশ্চিত করতে ছোট প্যাকেটে ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ ভোজ্যতেল বাজারজাত করার দাবি জানিয়েছেন ভোক্তা অধিকারকর্মী ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। আজ রবিবার (২৮ জুন) রাজধানীতে কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) আয়োজিত এক সভায় এ আহ্বান জানানো হয়।
২৫ মিনিট আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে দাদনের টাকা নিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে মো. হাদিম (২৭) নিহত হয়েছেন। রোববার (২৮ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের কালিকচ্ছ বাজারে টর্চ জ্বালিয়ে এই সংঘর্ষ হয়।
২৬ মিনিট আগেপ্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন কাঠামো ৯ম গ্রেডে উন্নীত করার কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। আজ রবিবার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই তথ্য জানান।
৩১ মিনিট আগে