বাসস

প্রধান উপদেষ্টা জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে আলোচনায় বসেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। আজ সন্ধ্যা ছয়টা পঁচিশ মিনিটে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির দোয়েল হলে এ বৈঠক শুরু হয়েছে।
বৈঠকটি সঞ্চালনা করছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও সাংবাদিক মনির হায়দার।
শুরুতেই সূচনা বক্তব্যে কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, 'আমাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে পাশাপাশি আপনাদের দিক থেকে যে সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে তাতে আমরা আশাবাদী যে একটি আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে আমরা এই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের অনুষ্ঠানটা সম্পন্ন করতে পারব।'
অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসের পর যে সমস্ত সংস্কার কমিশন গঠন হয়েছিল তার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন তার সুপারিশনামাগুলো দিয়েছিল এবং সকলের মতামতের ভিত্তিতে আমরা ৮৪টি বিষয়ে সিদ্ধান্ত এবং ঐকমত্য তৈরি করতে পেরেছি। কিছু কিছু বিষয়ে নোট অফ ডিসেন্ট আছে যা জুলাই জাতীয় সনদে সুস্পষ্ট ভাবে কারণসহ উল্লেখ করা থাকবে।
সরকারের কাছে জুলাই জাতীয় সনদ দেশের সকল মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে অধ্যাপক আলী রীয়াজ আরও বলেন, 'আমরা চাই সকলের কাছে এই সনদ পৌঁছে যাক কারণ এরমধ্য দিয়ে যেন নাগরিকরা সকলেই বুঝতে পারেন যে রাষ্ট্র সংস্কারের এক অভূতপূর্ব পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো একটা নির্দিষ্ট অঙ্গীকারে পৌঁছেছেন। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ রূপরেখা এবং তা বাস্তবায়নের উপায় বিষয়ে কতদূর অগ্রসর হওয়া গেছে তা যেন তারা সবসময় সনদ থেকে বুঝতে পারেন।'
রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য এতগুলো রাজনৈতিক দলের একটি নির্দিষ্ট গন্তব্যে যাত্রাকে বিরল ঘটনা হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, প্রত্যেকেই অন্যের ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমরা সকলে যে জায়গায় উপনীত হয়েছি তা প্রকৃতপক্ষে দক্ষিণ এশিয়ার কোথায় কখনো ঘটেনি, সম্ভবত পৃথিবীতে কখনো ঘটেনি। এভাবে আপনারা যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের অব্যাহত ধারা তৈরি করলেন তা ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে বলে আমি আশাবাদী।
অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, আমরা এমন একটি সময় দাঁড়িয়ে আছি যেখানে ভবিষ্যতের পথরেখা নির্মাণ করতে গিয়ে আমাদের নানান চ্যালেঞ্জে মোকাবেলা করতে হবে। ব্যক্তি, সংগঠন কিংবা শুধু সরকারের একার পক্ষে তা সম্ভব হবে না। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে তা সম্ভব হবে এবং আমরা মনে করি এই কাজে জাতীয় সনদ একটা দিকদর্শন হিসেবে কাজ করবে।
চলমান এ বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, সফর রাজ হোসেন, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার ও ড. মো. আইয়ুব মিয়া। আলোচনায় আরও উপস্থিত হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), জাতীয় নাগরিক পার্টি, জামায়াতে ইসলামে বাংলাদেশ, গণসংহতি আন্দোলনসহ প্রায় ৩০টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা।
জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান ১৭ অক্টোবর রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে আলোচনায় বসেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। আজ সন্ধ্যা ছয়টা পঁচিশ মিনিটে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির দোয়েল হলে এ বৈঠক শুরু হয়েছে।
বৈঠকটি সঞ্চালনা করছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও সাংবাদিক মনির হায়দার।
শুরুতেই সূচনা বক্তব্যে কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, 'আমাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে পাশাপাশি আপনাদের দিক থেকে যে সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে তাতে আমরা আশাবাদী যে একটি আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে আমরা এই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের অনুষ্ঠানটা সম্পন্ন করতে পারব।'
অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসের পর যে সমস্ত সংস্কার কমিশন গঠন হয়েছিল তার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন তার সুপারিশনামাগুলো দিয়েছিল এবং সকলের মতামতের ভিত্তিতে আমরা ৮৪টি বিষয়ে সিদ্ধান্ত এবং ঐকমত্য তৈরি করতে পেরেছি। কিছু কিছু বিষয়ে নোট অফ ডিসেন্ট আছে যা জুলাই জাতীয় সনদে সুস্পষ্ট ভাবে কারণসহ উল্লেখ করা থাকবে।
সরকারের কাছে জুলাই জাতীয় সনদ দেশের সকল মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে অধ্যাপক আলী রীয়াজ আরও বলেন, 'আমরা চাই সকলের কাছে এই সনদ পৌঁছে যাক কারণ এরমধ্য দিয়ে যেন নাগরিকরা সকলেই বুঝতে পারেন যে রাষ্ট্র সংস্কারের এক অভূতপূর্ব পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো একটা নির্দিষ্ট অঙ্গীকারে পৌঁছেছেন। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ রূপরেখা এবং তা বাস্তবায়নের উপায় বিষয়ে কতদূর অগ্রসর হওয়া গেছে তা যেন তারা সবসময় সনদ থেকে বুঝতে পারেন।'
রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য এতগুলো রাজনৈতিক দলের একটি নির্দিষ্ট গন্তব্যে যাত্রাকে বিরল ঘটনা হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, প্রত্যেকেই অন্যের ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমরা সকলে যে জায়গায় উপনীত হয়েছি তা প্রকৃতপক্ষে দক্ষিণ এশিয়ার কোথায় কখনো ঘটেনি, সম্ভবত পৃথিবীতে কখনো ঘটেনি। এভাবে আপনারা যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের অব্যাহত ধারা তৈরি করলেন তা ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে বলে আমি আশাবাদী।
অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, আমরা এমন একটি সময় দাঁড়িয়ে আছি যেখানে ভবিষ্যতের পথরেখা নির্মাণ করতে গিয়ে আমাদের নানান চ্যালেঞ্জে মোকাবেলা করতে হবে। ব্যক্তি, সংগঠন কিংবা শুধু সরকারের একার পক্ষে তা সম্ভব হবে না। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে তা সম্ভব হবে এবং আমরা মনে করি এই কাজে জাতীয় সনদ একটা দিকদর্শন হিসেবে কাজ করবে।
চলমান এ বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, সফর রাজ হোসেন, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার ও ড. মো. আইয়ুব মিয়া। আলোচনায় আরও উপস্থিত হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), জাতীয় নাগরিক পার্টি, জামায়াতে ইসলামে বাংলাদেশ, গণসংহতি আন্দোলনসহ প্রায় ৩০টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা।
জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান ১৭ অক্টোবর রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নারী চিকিৎসকদের ব্যবহৃত ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা স্থাপনের অভিযোগে ইন্টার্ন চিকিৎসক রায়হান কবির ইমনকে আটক করেছে পুলিশ।
২৮ মিনিট আগে
নরসিংদীতে সন্ত্রাসীদের হামলায় ১০ সাংবাদিক আহত হয়েছেন। ড্রিম হলিডে পার্কের সামনের রাস্তার পাশে গাড়ি পার্ক করলে স্থানীয় একদল লোক টাকা দাবি করে। এর প্রতিবাদ করলে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে গুজব প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির তাগিদ দিয়েছেন তথ্য সচিব মাহবুবা ফারজানা। এ লক্ষ্যে তিনি জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের আরও সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের পরামর্শ দিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে যাচ্ছে অমর একুশে বইমেলা ২০২৬। মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রকাশকদের অনুরোধের প্রেক্ষিতে স্টল ভাড়া ২৫ শতাংশ কমানোর নির্দেশনা দিয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।
২ ঘণ্টা আগে